নতুন লেখা

মিরাজের বিবরণ । নাবী (সাঃআঃ) এর ভ্রমণের ঘটনা

মিরাজের বিবরণ । নাবী (সাঃআঃ) এর ভ্রমণের ঘটনা

মিরাজের বিবরণ । নাবী (সাঃআঃ) এর ভ্রমণের ঘটনা >> বুখারী শরীফ এর মুল সুচিপত্র পড়ুন

৬৩/৪১. অধ্যায়ঃ নাবী (সাঃআঃ) – এর ভ্রমণের ঘটনা।
৬৩/৪২. অধ্যায়ঃ মিরাজের বিবরণ।

৬৩/৪১. অধ্যায়ঃ নাবী (সাঃআঃ) – এর ভ্রমণের ঘটনা।

আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “পবিত্র ও মহিমাময় তিনি, যিনি তাহাঁর বান্দকে রজনী যোগে ভ্রমণ করিয়েছেন মসজিদে হারাম হইতে মসজিদে আক্‌সা পর্যন্ত।” (আল-ইসরা/বানী ইসরাঈলঃ ১)

৩৮৮৬

জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ) – কে বলিতে শুনেছেন, যখন কুরাইশরা আমাকে অস্বীকার করিল, তখন আমি কাবার হিজর অংশে দাঁড়ালাম। আল্লাহ তাআলা তখন আমার সামনে বায়তুল মুকাদ্দাসকে তুলে ধরলেন, যার কারণে আমি দেখে দেখে বাইতুল মুকাদ্দাসের নিদর্শনগুলো তাদের কাছে ব্যক্ত করছিলাম।

(আঃপ্রঃ ৩৫৯৯, ইঃফাঃ ৩৬০৪)

৬৩/৪২. অধ্যায়ঃ মিরাজের বিবরণ।

৩৮৮৭

মালিক ইবনু সাসা (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

আল্লাহর নাবী (সাঃআঃ) যে রাতে তাকেঁ ভ্রমণ করানো হয়েছে সে রাতের ঘটনা বর্ণনা করিতে গিয়ে বলেন, এক সময় আমি কাবা ঘরের হাতিমের অংশে ছিলাম। কখনো কখনো রাবী (কাতাদাহ) বলেছেন, হিজরে শুয়েছিলাম। হঠাৎ একজন আগন্তুক আমার নিকট এলেন এবং আমার এস্থান হইতে সে স্থানের মাঝের অংশটি চিরে ফেললেন। রাবী কাতাদাহ বলেন, আনাস (রাদি.) কখনো কাদ্দা (চিরলেন) শব্দ আবার কখনো শাক্‌কা (বিদীর্ণ) শব্দ বলেছেন। রাবী বলেন, আমি আমার পার্শ্বে বসা জারূদ (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) – কে জিজ্ঞেস করলাম, এ দ্বারা কী বুঝিয়েছেন? তিনি বলিলেন, হকলূমের নিম্নদেশ হইতে নাভি পর্যন্ত। কাতাদাহ (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) বলেন, আমি আনাস (রাদি.) – কে এ-ও বলিতে শুনিয়াছি বুকের উপরিভাগ হইতে নাভির নীচ পর্যন্ত। তারপর আগন্তুক আমার হৃদপিণ্ড বের করিলেন। তারপর আমার নিকট একটি সোনার পাত্র আনা হল যা ঈমানে পরিপূর্ণ ছিল। তারপর আমার হৃদপিন্ডটি ধৌত করা হল এবং ঈমান দ্বারা পরিপূর্ণ করে যথাস্থানে আবার রেখে দেয়া হল। তারপর সাদা রং এর একটি জন্তু আমার নিকট আনা হল। যা আকারে খচ্চর হইতে ছোট ও গাধা হইতে বড় ছিল। জারুদ তাকে বলেন, হে আবু হামযা, এটাই কি বুরাক? আনাস (রাদি.) বলিলেন, হাঁ। সে একেক কদম রাখে দৃষ্টির শেষ সীমায়। আমাকে তার উপর সওয়ার করানো হল। তারপর আমাকে নিয়ে জিবরাঈল (আঃ) চললেন। প্রথম আসমানে নিয়ে এসে দরজা খুলে দিতে বলিলেন, জিজ্ঞেস করা হল, ইনি কে? তিনি বলিলেন, জিবরাঈল। আবার জিজ্ঞেস করা হল, আপনার সঙ্গে কে? তিনি বলিলেন, মুহাম্মাদ (সাঃআঃ)। আবার জিজ্ঞেস করা হল, তাঁকে কি ডেকে পাঠান হয়েছে? তিনি বলিলেন, হাঁ। তখন বলা হল, মারহাবা, উত্তম আগমনকারীর আগমন হয়েছে। তারপর আসমানের দরজা খুলে দেয়া হল। আমি যখন পৌঁছলাম, তখন সেখানে আদম (আঃ) – এর সাক্ষাৎ পেলাম জিবরাঈল (আঃ) বলিলেন, ইনি আপনার আদি পিতা আদম (আঃ) তাঁকে সালাম করুন। আমি তাঁকে সালাম করলাম। তিনি সালামের জবাব দিলেন এবং বলিলেন, নেক্‌কার পুত্র ও নেক্‌কার নাবীর প্রতি খোশ আমদেদ। তারপর উপরের দিকে চলে দ্বিতীয় আসমানে পৌঁছে দরজা খুলে দিতে বলিলেন, জিজ্ঞেস করা হল কে? তিনি বলিলেন, জিবরাঈল। জিজ্ঞেস করা হল, আপনার সঙ্গে কে? তিনি বলিলেন, মুহাম্মাদ (সাঃআঃ)। জিজ্ঞেস করা হল, তাঁকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে? তিনি উত্তর দিলেন, হাঁ। তারপর বলা হল – মারহাবা! উত্তম আগমনকারীর আগমন ঘটেছে। তারপর খুলে দেয়া হল। যখন সেখানে পৌঁছলাম তখন সেখানে ইয়াহইয়া ও ঈসা(আঃ) – এর সাক্ষাৎ পেলাম। তাঁরা দুজন ছিলেন পরস্পরের খালাত ভাই। তিনি (জিবরাঈল) বলিলেন, এরা হলেন, ইয়াহইয়া ও ঈসা (আঃ)। তাদের প্রতি সালাম করুন। তখন আমি সালাম করলাম। তাঁরা জবার দিলেন, তারপর বরলেন, নেক্‌কার ভাই ও নেক্‌কার নাবীর প্রতি খোশ – আমদেদ। এরপর তিনি আমাকে নিয়ে তৃতীয় আসমানের দিকে চললেন, সেখানে পৌঁছে জিবরাঈল বলিলেন, খুলে দাও। তাঁকে বলা হল কে? তিনি উত্তর দিলেন, জিবরাঈল (আঃ)। জিজ্ঞেস করা হল আপনার সঙ্গে কে? তিনি বললে, মুহাম্মাদ (সাঃআঃ)। জিজ্ঞেস করা হল, তাঁকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে? তিনি উত্তর দিলেন, হাঁ। বলা হল, তাহাঁর জন্য খোশ – আমদেদ। উত্তম আগমনকারীর আগমন হয়েছে। তারপর দরজা খুলে দেয়া হল। আমি তথায় পৌঁছে ইউসুফ (আঃ) – কে দেখিতে পেলাম। জিবরাঈল বলিলেন, ইনি ইউসুফ (আঃ) আপনি তাঁকে সালাম করুন। আমি তাঁকে সালাম করলাম, তিনিও জবাব দিলেন এবং বলিলেন, নেক্‌কার ভাই, নেক্‌কার নাবীর প্রতি খোশ-আমদেদ। তারপর জিবরাঈল (আঃ) আমাকে নিয়ে উপর দিকে চললেন এবং চতুর্থ আসমানে পৌঁছলেন। আর দরজা খুলে দিতে বলিলেন। জিজ্ঞেস করা হল, আপনি কে? তিনি বলিলেন, জিবরাঈল। জিজ্ঞেস করা হল, আপনার সঙ্গে কে? তিনি বলিলেন, মুহাম্মাদ (সাঃআঃ)। জিজ্ঞেস করা হল, তাঁকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে? তিনি বলিলেন, হাঁ। তখন বলা হল, তাহাঁর প্রতি মারহাবা। উত্তম আগমনকারীর আগমন ঘটেছে। তারপর খুলে দেয়া হল। আমি ইদ্রীস (আঃ) – এর কাছে পৌঁছলে জিবরাঈল বলিলেন, ইনি ইদ্রীস (আঃ)। তাকেঁ সালাম করুন। আমি তাঁকে সালাম করলাম। তিনিও জবার দিলেন। তারপর বলিলেন, নেক্‌কার ভাই ও নেক্‌কার নাবীর প্রতি মারহাবা। এরপর তিনি আমাকে নিয়ে উপর দিকে গিয়ে পঞ্চম আসমানে পৌঁছে দরজা খুলতে বলিলেন। জিজ্ঞেস করা হল আপনি কে? তিনি বলিলেন, জিবরাঈল। জিজ্ঞেস করা হল, আপনার সঙ্গে কে? তিনি উত্তর দিলেন, মুহাম্মাদ (সাঃআঃ)। জিজ্ঞেস করা হল, তাঁকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে? তিনি বলিলেন, হাঁ। বলা হল, তাহাঁর প্রতি মারহাবা। উত্তম আগমনকারীর আগমন হয়েছে। তথায় পৌঁছে হারূন (আঃ) – কে পেলাম। জিবরাঈল বলিলেন, ইনি হারূন (আঃ) তাঁকে সালাম করুন। আমি তাঁকে সালাম করলাম; তিনিও জবাব দিলেন, এবং বলিলেন, নেক্‌কার ভাই ও নেক্‌কার নাবীর প্রতি মারহাবা। তারপর আমাকে নিয়ে যাত্রা করে ষষ্ঠ আকাশে পৌঁছে দরজা খুলতে বলিলেন। জিজ্ঞেস করা হল, আপনি কে? তিনি বলিলেন, জিবরাঈল। জিজ্ঞেস করা হল, আপনার সঙ্গে কে? তিনি বলিলেন, মুহাম্মাদ (সাঃআঃ)। প্রশ্ন করা হল, তাকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে? তিনি বলিলেন, হাঁ। ফেরেশ্‌তা বলিলেন, তার প্রতি মারহাবা। উত্তম আগন্তুক এসেছেন। তথায় পৌঁছে আমি মূসা (আঃ) – কে পেলাম। জিবরাঈল (আঃ) বলিলেন, ইনি মূসা (আঃ)। তাঁকে সালাম করুন। আমি তাঁকে সালাম করলাম। তিনি জবাব দিলেন এবং বলিলেন, নেক্‌কার ভাই ও নেক্‌কার নাবীর প্রতি মারহাবা। আমি যখন অগ্রসর হলাম তখন তিনি কেঁদে ফেললেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হল, আপনি কিসের জন্য কাঁদছেন? তিনি বলিলেন, আমি এজন্য কাঁদছি যে, আমার পর একজন যুবককে নাবী বানিয়ে পাঠানো হয়েছে, যাঁর উম্মত আমার উম্মত হইতে অধিক সংখ্যায় জান্নাতে প্রবেশ করিবে। তারপর জিবরাঈল (আঃ) আমাকে নিয়ে সপ্তম আকাশের দিকে গেলেন এবং দরজা খুলে দিতে বলিলেন, জিজ্ঞেস করা হল এ কে? তিনি উত্তর দিলেন, আমি জিবরাঈল। আবার জিজ্ঞেস করা হল, আপনার সাথে কে? তিনি বলিলেন, মুহাম্মাদ (সাঃআঃ)। জিজ্ঞেস করা হল, তাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে কি? তিনি বলিলেন, হাঁ। বলা হল, তাহাঁর প্রতি মারহাবা। উত্তম আগমনকারীর আগমন হয়েছে। আমি সেখানে পৌঁছে ইবরাহীম (আঃ) – কে দেখিতে পেলাম। জিবরাঈল (আঃ) বলিলেন, ইনি আপনার পিতা তাঁকে সালাম করুন। আমি তাঁকে সালাম করলাম। তিনি সালামের জবার দিলেন এবং বলিলেন, নেক্‌কার পুত্র ও নেক্‌কার নাবীর প্রতি মারহাবা। তারপর আমাকে সিদরাতুল মুনতাহা [১] পর্যন্ত উঠানো হল। দেখিতে পেলাম, তার ফল হাজার অঞ্চলের মটকার ন্যায় এবং তার পাতাগুলি হাতির কানের মত। আমাকে বলা হল, এ হল সিদরাতুল মু্‌নতাহা। সেখানে আমি চারটি নহর দেখিতে পেলাম, যাদের দুটি ছিল অপ্রকাশ্য দুটি ছিল প্রকাশ্য। তখন আমি জিবরাঈল (আঃ) – কে জিজ্ঞেস করলাম, এ নহরগুলি কী? তিনি বলিলেন, অপ্রকাশ্য, দুটি হল জান্নাতের দুটি নহর। আর প্রকাশ্য দুটি হল নীল নদী ও ফুরাত নদী। তারপর আমার সামনে আল-বায়তুল মামুর প্রকাশ করা হল, এরপর আমার সামনে একটি শরাবের পাত্র, একটি দুধের পাত্র ও একটি মধুর পাত্র রাখ হল। আমি দুধের পাত্রটি গ্রহণ করলাম। তখন জিবরাঈল বলিলেন, এ-ই হচ্ছে ফিতরাত। আপনি ও আপনার উম্মতগণ এর উপর প্রতিষ্ঠিত। তারপর আমার উপর দৈনিক ৫০ ওয়াক্ত সলাত ফরয করা হল। এরপর আমি ফিরে আসলাম। মূসা (আঃ) – এর সম্মুখ দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করিলেন আল্লাহ তাআলা আপনাকে কী আদেশ করিয়াছেন? রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ) বলিলেন, আমাকে দৈনিক পঞ্চাশ ওয়াক্ত সলাতের আদেশ দেয়া হয়েছে। তিনি বলিলেন, আপনার উম্মত দৈনিক পঞ্চাশ ওয়াক্ত সলাত আদায় করিতে সমর্থ হইবে না। আল্লাহর কসম। আমি আপনার আগে লোকদের পরীক্ষা করেছি এবং বানী ইসরাঈলের হিদায়াতের জন্য কঠোর শ্রম দিয়েছি। তাই আপনি আপনার প্রতিপালকের নিকট ফিরে যান এবং আপনার উম্মতের (বোঝা) হালকা করার জন্য আরয করুন। আমি ফিরে গেলাম। ফলে আমার উপর হইতে দশ হ্রাস করে দিলেন। আমি আবার মূসা (আঃ) – এর নিকট ফিরে এলাম। তিনি আবার আগের মত বলিলেন, আমি আবার ফিরে গেলাম। ফলে আল্লাহ তাআলা আরো দশ কমিয়ে দিলেন। ফিরার পথে মূসা (আঃ) – এর নিকট পৌঁছলে, তিনি আবার আগের কথা বলিলেন, আমি আবার ফিরে গেলাম। আল্লাহ তাআলা আরো দশ হ্রাস করিলেন। আমি মূসা (আঃ) – এর নিকট ফিরে এলাম। তিনি আবার ঐ কথাই বলিলেন। আমি আবার ফিরে গেলাম। তখন আমাকে প্রতিদিন দশ সলাতের আদেশ দেয়া হয়। আমি ফিরে এলাম। মূসা (আঃ) ঐ কথাই আগের মত বলিলেন। আমি আবার ফিরে গেলাম, তখন আমাকে পাঁচ সলাতের আদেশ করা হয়। তারপর মূসা (আঃ) নিকট ফিরে এলাম। তিনি বলিলেন, আপনাকে কী আদেশ দেয়া হয়েছে। আমি বললাম, আমাকে দৈনিক পাঁচবার সলাত আদায়ের আদেশ দেয়া হয়েছে? মূসা (আঃ) বলিলেন, আপনার উম্মত দৈনিক পাঁচ সলাত আদায় করিতেও সমর্থ হইবে না। আপনার পূর্বে আমি লোকদের পরীক্ষা করেছি। বনী ইসরাঈলের হিদায়াতের জন্য কঠোর শ্রম দিয়েছি। আপনি আপনার রবের নিকট ফিরে যান এবং আপনার উম্মতের জন্য আরো সহজ করার আরযি করুন। রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ) বলিলেন, আমি আমার রবের নিকট আরজি করেছি, এতে আমি লজ্জাবোধ করছি। আর আমি এতেই সন্তুষ্ট হয়েছি এবং তা মেনে নিয়েছি। এরপর তিনি বলিলেন, আমি যখন অগ্রসর হলাম, তখন এক ঘোষণাকারী ঘোষণা দিলেন, আমি আমার অবশ্য প্রতিপাল্য নির্দেশ জারি করে দিলাম এবং আমার বান্দাদের উপর হালকা করে দিলাম।

(আঃপ্রঃ ৩৬০০, ইঃফাঃ ৩৬০৫)

[১] সিদরাহ শব্দের অর্থ কূল বৃক্ষ এবং মুনতাহা শব্দের অর্থ শেষসীমা। পৃথিবী হইতে উর্ধ্বলোকে নীত হয় তা ওখানে গিয়েই থেমে পড়ে, অতঃপর তার অপর পাড়ে যাঁরা রয়েছেন তাঁরা সেখান হইতে তা গ্রহণ করে উপরে নিয়ে যান। শেষ সীমায় চিহ্নস্বরূপ ঐ স্থানটাতে একটা কূল বৃক্ষ থাকায় ঐ সীমান্ত চিহ্নকে সিদরাতুল মুনতাহা বলা হয়।

৩৮৮৮

ইবনু আব্বাস (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

আল্লাহ তাআলার বাণী “আর আমি যে দৃশ্য আপনাকে দেখিয়েছি তা কেবল মানুষের পরীক্ষার জন্য” (ইসরা/বানী ইসরাঈলঃ ২০) এর তাফসীরে বলেন, এটি হল প্রত্যক্ষভাবে চোখের দেখা যা রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ) – কে সে রাতে দেখানো হয়েছে যে রাতে তাঁকে বায়তুল মুকাদ্দাস পর্যন্ত ভ্রমণ করানো হয়েছিল। ইবনু আব্বাস (রাদি.) আরো বলেন, কুরআনে যে অভিশপ্ত বৃক্ষের কথা বলা হয়েছে, তা হল যাক্‌কুম বৃক্ষ।

(আঃপ্রঃ ৩৬০১, ইঃফাঃ ৩৬০৬)

About halalbajar.com

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Check Also

চিকিৎসা বিষয়ক হাদিস, মধু, কালজিরা, চন্দন, শিঙং ও ঝাড়ফুঁক

চিকিৎসা বিষয়ক হাদিস, মধু, কালজিরা, চন্দন, শিঙং ও ঝাড়ফুঁক চিকিৎসা বিষয়ক হাদিস, মধু, কালজিরা, চন্দন, …

Leave a Reply

%d bloggers like this: