সুরা হাক্বকাহ বাংলা Sura Al Haqqa in Words & Audio 69

সুরা হাক্বকাহ বাংলা Sura Al Haqqa in Words & Audio

তাফসীরঃ বুখারী >> তিরমিজি

ArabicWords
১১৪ টি সুরা

৬৯ – সুরা হাক্বকাহ – আয়াত : ৫২, মাক্কী, রুকু ২

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামেبِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
(1) অবশ্যম্ভাবী ঘটনা (কিয়ামত)।ٱلۡحَآقَّةُ ١
(2) অবশ্যম্ভাবী ঘটনা কী ?مَا ٱلۡحَآقَّةُ ٢
(3) আর কিসে তোমাকে জানাবে অবশ্যম্ভাবী ঘটনা কী?وَمَآ أَدۡرَىٰكَ مَا ٱلۡحَآقَّةُ ٣
(4) সামূদ ও ‘আদ সম্প্রদায় সজোরে আঘাতকারী (কিয়ামত)কে অস্বীকার করেছিল।كَذَّبَتۡ ثَمُودُ وَعَادُۢ بِٱلۡقَارِعَةِ ٤
(5) আর সামূদ সম্প্রদায়, তাদেরকে বিকট শব্দ দ্বারা ধ্বংস করা হয়েছিল।فَأَمَّا ثَمُودُ فَأُهۡلِكُواْ بِٱلطَّاغِيَةِ ٥
(6) আর ‘আদ সম্প্রদায়, তাদেরকে ধ্বংস করা হয়েছিল প্রচন্ড ঠান্ডা ঝঞ্ঝাবায়ু দ্বারা।وَأَمَّا عَادٞ فَأُهۡلِكُواْ بِرِيحٖ صَرۡصَرٍ عَاتِيَةٖ ٦
(7) তিনি তাদের উপর তা সাত রাত ও আট দিন বিরামহীনভাবে চাপিয়ে দিয়েছিলেন। ফলে তুমি উক্ত সম্প্রদায়কে সেখানে লুটিয়ে পড়া অবস্থায় দেখতে পেতে যেন তারা সারশূন্য খেজুর গাছের মত।سَخَّرَهَا عَلَيۡهِمۡ سَبۡعَ لَيَالٖ وَثَمَٰنِيَةَ أَيَّامٍ حُسُومٗاۖ فَتَرَى ٱلۡقَوۡمَ فِيهَا صَرۡعَىٰ كَأَنَّهُمۡ أَعۡجَازُ نَخۡلٍ خَاوِيَةٖ ٧
(8) তারপর তুমি কি তাদের জন্য কোন অবশিষ্ট কিছু দেখতে পাও?فَهَلۡ تَرَىٰ لَهُم مِّنۢ بَاقِيَةٖ ٨
(9) আর ফির‘আউন, তার পূর্ববর্তীরা এবং উল্টে দেয়া জনপদবাসীরা পাপাচারে লিপ্ত হয়েছিল।وَجَآءَ فِرۡعَوۡنُ وَمَن قَبۡلَهُۥ وَٱلۡمُؤۡتَفِكَٰتُ بِٱلۡخَاطِئَةِ ٩
(10) আর তারা তাদের রবের রাসূলকে অমান্য করেছিল। সুতরাং তিনি তাদেরকে অত্যন্ত কঠোরভাবে পাকড়াও করলেন।فَعَصَوۡاْ رَسُولَ رَبِّهِمۡ فَأَخَذَهُمۡ أَخۡذَةٗ رَّابِيَةً ١٠
(11) যখন জলোচ্ছ্বাস হল, অবশ্যই তখন আমি তোমাদেরকে নৌযানে আরোহণ করিয়েছি।إِنَّا لَمَّا طَغَا ٱلۡمَآءُ حَمَلۡنَٰكُمۡ فِي ٱلۡجَارِيَةِ ١١
(12) একে তোমাদের নিমিত্তে উপদেশ বানানোর জন্য এবং সংরক্ষণকারী কান তা সংরক্ষণ করার জন্য।لِنَجۡعَلَهَا لَكُمۡ تَذۡكِرَةٗ وَتَعِيَهَآ أُذُنٞ وَٰعِيَةٞ ١٢
(13) অতঃপর যখন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে- একটি মাত্র ফুঁক।فَإِذَا نُفِخَ فِي ٱلصُّورِ نَفۡخَةٞ وَٰحِدَةٞ ١٣
(14) আর যমীন ও পর্বতমালাকে সরিয়ে নেয়া হবে এবং মাত্র একটি আঘাতে এগুলো চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে।وَحُمِلَتِ ٱلۡأَرۡضُ وَٱلۡجِبَالُ فَدُكَّتَا دَكَّةٗ وَٰحِدَةٗ ١٤
(15) ফলে সে দিন মহাঘটনা সংঘটিত হবে।فَيَوۡمَئِذٖ وَقَعَتِ ٱلۡوَاقِعَةُ ١٥
(16) আর আসমান বিদীর্ণ হয়ে যাবে। ফলে সেদিন তা হয়ে যাবে দুর্বল বিক্ষিপ্ত।وَٱنشَقَّتِ ٱلسَّمَآءُ فَهِيَ يَوۡمَئِذٖ وَاهِيَةٞ ١٦
(17) ফেরেশতাগণ আসমানের বিভিন্ন প্রান্তে থাকবে। সেদিন তোমার রবের আরশকে আটজন ফেরেশতা তাদের উর্ধ্বে বহন করবে।وَٱلۡمَلَكُ عَلَىٰٓ أَرۡجَآئِهَاۚ وَيَحۡمِلُ عَرۡشَ رَبِّكَ فَوۡقَهُمۡ يَوۡمَئِذٖ ثَمَٰنِيَةٞ ١٧
(18) সেদিন তোমাদেরকে উপস্থিত করা হবে। তোমাদের কোন গোপনীয়তাই গোপন থাকবে না।يَوۡمَئِذٖ تُعۡرَضُونَ لَا تَخۡفَىٰ مِنكُمۡ خَافِيَةٞ ١٨
(19) তখন যার আমলনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে সে বলবে, ‘নাও, আমার আমলনামা পড়ে দেখ’।فَأَمَّا مَنۡ أُوتِيَ كِتَٰبَهُۥ بِيَمِينِهِۦ فَيَقُولُ هَآؤُمُ ٱقۡرَءُواْ كِتَٰبِيَهۡ ١٩
(20) আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে, আমি আমার হিসাবের সম্মুখীন হব’।إِنِّي ظَنَنتُ أَنِّي مُلَٰقٍ حِسَابِيَهۡ٢٠
(21) সুতরাং সে সন্তোষজনক জীবনে থাকবে।فَهُوَ فِي عِيشَةٖ رَّاضِيَةٖ ٢١
(22) সুউচ্চ জান্নাতে,فِي جَنَّةٍ عَالِيَةٖ ٢٢
(23) তার ফলসমূহ নিকটবর্তী থাকবে।قُطُوفُهَا دَانِيَةٞ ٢٣
(24) (বলা হবে,) ‘বিগত দিনসমূহে তোমরা যা অগ্রে প্রেরণ করেছ তার বিনিময়ে তোমরা তৃপ্তি সহকারে খাও ও পান কর’।كُلُواْ وَٱشۡرَبُواْ هَنِيٓ‍َٔۢا بِمَآ أَسۡلَفۡتُمۡ فِي ٱلۡأَيَّامِ ٱلۡخَالِيَةِ ٢٤
(25) কিন্তু যার আমলনামা তার বাম হাতে দেয়া হবে সে বলবে, ‘হায়, আমাকে যদি আমার আমলনামা দেয়া না হত’!وَأَمَّا مَنۡ أُوتِيَ كِتَٰبَهُۥ بِشِمَالِهِۦ فَيَقُولُ يَٰلَيۡتَنِي لَمۡ أُوتَ كِتَٰبِيَهۡ ٢٥
(26) ‘আর যদি আমি না জানতাম আমার হিসাব’!وَلَمۡ أَدۡرِ مَا حِسَابِيَهۡ٢٦
(27) হায়, মৃত্যুই যদি আমার চূড়ান্ত ফয়সালা হত’!يَٰلَيۡتَهَا كَانَتِ ٱلۡقَاضِيَةَ ٢٧
(28) আমার সম্পদ আমার কোন কাজেই আসল না!’مَآ أَغۡنَىٰ عَنِّي مَالِيَهۡۜ ٢٨
(29) আমার ক্ষমতাও আমার থেকে চলে গেল!هَلَكَ عَنِّي سُلۡطَٰنِيَهۡ ٢٩
(30) (বলা হবে,) ‘তাকে ধর অতঃপর তাকে বেড়ি পরিয়ে দাও।’خُذُوهُ فَغُلُّوهُ ٣٠
(31) তারপর তাকে তোমরা নিক্ষেপ কর জাহান্নামে’।ثُمَّ ٱلۡجَحِيمَ صَلُّوهُ ٣١
(32) তারপর তাকে বাঁধ এমন এক শেকলে যার দৈর্ঘ্য হবে সত্তর হাত।’ثُمَّ فِي سِلۡسِلَةٖ ذَرۡعُهَا سَبۡعُونَ ذِرَاعٗا فَٱسۡلُكُوهُ ٣٢
(33) সে তো মহান আল্লাহর প্রতি ঈমান পোষণ করত না,إِنَّهُۥ كَانَ لَا يُؤۡمِنُ بِٱللَّهِ ٱلۡعَظِيمِ ٣٣
(34) আর মিসকীনকে খাদ্যদানে উৎসাহিত করত না।وَلَا يَحُضُّ عَلَىٰ طَعَامِ ٱلۡمِسۡكِينِ ٣٤
(35) অতএব আজ এখানে তার কোন অন্তরঙ্গ বন্ধু থাকবে না।فَلَيۡسَ لَهُ ٱلۡيَوۡمَ هَٰهُنَا حَمِيمٞ ٣٥
(36) আর ক্ষত-নিংসৃত পূঁজ ছাড়া কোন খাদ্য থাকবে না,وَلَا طَعَامٌ إِلَّا مِنۡ غِسۡلِينٖ ٣٦
(37) অপরাধীরাই শুধু তা খাবে।لَّا يَأۡكُلُهُۥٓ إِلَّا ٱلۡخَٰطِ‍ُٔونَ ٣٧
সুরা হাক্বকাহع রুকু
(38) অতএব তোমরা যা দেখছ, আমি তার কসম করছি।فَلَآ أُقۡسِمُ بِمَا تُبۡصِرُونَ ٣٨
(39) আর যা তোমরা দেখছ না তারও,وَمَا لَا تُبۡصِرُونَ ٣٩
(40) নিশ্চয়ই এটি এক সম্মানিত রাসূলের বাণী।إِنَّهُۥ لَقَوۡلُ رَسُولٖ كَرِيمٖ ٤٠
(41) আর এটি কোন কবির কথা নয়। তোমরা কমই বিশ্বাস কর।وَمَا هُوَ بِقَوۡلِ شَاعِرٖۚ قَلِيلٗا مَّا تُؤۡمِنُونَ ٤١
(42) আর কোন গণকের কথাও নয়। তোমরা কমই উপদেশ গ্রহণ কর।وَلَا بِقَوۡلِ كَاهِنٖۚ قَلِيلٗا مَّا تَذَكَّرُونَ ٤٢
(43) এটি সৃষ্টিকুলের রবের পক্ষ থেকে নাযিলকৃত।تَنزِيلٞ مِّن رَّبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ ٤٣
(44) যদি সে আমার নামে কোন মিথ্যা রচনা করত,وَلَوۡ تَقَوَّلَ عَلَيۡنَا بَعۡضَ ٱلۡأَقَاوِيلِ ٤٤
(45) তবে আমি তার ডান হাত পাকড়াও করতাম।لَأَخَذۡنَا مِنۡهُ بِٱلۡيَمِينِ ٤٥
(46) তারপর অবশ্যই আমি তার হৃদপিন্ডের শিরা কেটে ফেলতাম।ثُمَّ لَقَطَعۡنَا مِنۡهُ ٱلۡوَتِينَ ٤٦
(47) অতঃপর তোমাদের মধ্যে কেউই তাকে রক্ষা করার থাকত না।فَمَا مِنكُم مِّنۡ أَحَدٍ عَنۡهُ حَٰجِزِينَ ٤٧
(48) আর এটিতো মুত্তাকীদের জন্য এক নিশ্চিত উপদেশ।وَإِنَّهُۥ لَتَذۡكِرَةٞ لِّلۡمُتَّقِينَ ٤٨
(49) আর আমি অবশ্যই জানি যে, তোমাদের মধ্যে কতক রয়েছে মিথ্যারোপকারী।وَإِنَّا لَنَعۡلَمُ أَنَّ مِنكُم مُّكَذِّبِينَ ٤٩
(50) আর এটি নিশ্চয় কাফিরদের জন্য এক নিশ্চিত অনুশোচনার কারণ।وَإِنَّهُۥ لَحَسۡرَةٌ عَلَى ٱلۡكَٰفِرِينَ ٥٠
(51) আর নিশ্চয় এটি সুনিশ্চিত সত্য।وَإِنَّهُۥ لَحَقُّ ٱلۡيَقِينِ ٥١
(52) অতএব তুমি তোমার মহান রবের নামে তাসবীহ পাঠ কর।فَسَبِّحۡ بِٱسۡمِ رَبِّكَ ٱلۡعَظِيمِ ٥٢  
সুরা হাক্বকাহع রুকু

৬৮ সুরা কালাম<< সুরা হাক্বকাহ >> ৭০ সুরা মা’য়ারিজ


Posted

in

by

Comments

Leave a Reply