মুসাফিরদের সালাত মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর – Sahih Muslim Sharif
মুসাফিরদের সালাত – Sahih Muslim Sharif >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন
পর্বঃ ৬, মুসাফিরদের সালাত মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর, অধ্যায়ঃ (১-৩১)=৩১টি
অধ্যায় | বিষয় | হাদীস |
---|---|---|
১-৬ | মুসাফিরদের নামাজ এবং গৃহের নামাজ ১.অধ্যায়ঃ মুসাফিরদের নামাজ এবং তার ক্বস্র [সংক্ষিপ্ত করা] ২. অধ্যায়ঃ মিনায় নামাজ ক্বস্র করা ৩. অধ্যায় : বর্ষণমুখর দিনে গৃহে নামাজ আদায় ৪. অধ্যায়ঃ সফরে সওয়ারী জন্তুর উপর নাফ্ল নামাজ আদায় বৈধ, তারটি মুখটি যেদিকে হোক না কেন ৫. অধ্যায়ঃ সফরে দু ওয়াক্তের নামাজ একত্রে [এক ওয়াক্তে] আদায় জায়িয ৬. অধ্যায়ঃ আবাসে দু ওয়াক্তের নামাজ একত্রে আদায় | ১৪৪৫-১৫২২ |
৭-৯ | নামাজ শেষে ডানে-বামে ফেরার বৈধতা ৭. অধ্যায়ঃ নামাজ শেষে ডানে-বামে ফেরার বৈধতা ৮.অধ্যায়ঃ [মুক্তাদীর] ইমামের ডানপাশে থাকা মুস্তাহাব হওয়া ৯. অধ্যায়ঃ মুয়ায্যিন ইক্বামাত দেয়া শুরু করলে নাফ্ল নামাজ শুরু করা মাকরূহ | ১৫২৩-১৫৩৬ |
১০-১২ | তাহিয়্যাতুল মাসজিদ এবং প্রবেশ ও বের হবার দোয়া ১০. অধ্যায়ঃ মাসজিদে প্রবেশের সময় কি বলবে ১১. অধ্যায়ঃ দু রাকআত তাহিয়্যাতুল মাসজিদ আদায় মুস্তাহাব এবং দু রাকআত আদায়ের পুর্বে বসা মাকরুহ এবং এটা সর্বাবস্থায় পালনীয় ১২. অধ্যায়ঃ সফরে থেকে ফিরে এসে প্রথমে মাসজিদে দু রাকআত নামাজ আদায় করা মুস্তাহাব | ১৫৩৭-১৫৪৪ |
১৩-১৫ | যুহার নামাজ, ফজরের পূর্বে ও পরে সুন্নাত নামাজ ১৩. অধ্যায়ঃ যুহার নামাজ মুস্তাহাব আর তার সর্বনিম্ন [রাকআতের পরিমান] হচ্ছে দু রাকআত, আর সম্পুর্ন হচ্ছে আট রাকআত, মধ্যম পরিমান হচ্ছে চার অথবা ছয় রাকআত এবং এগুলো রক্ষনাবেক্ষন করার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান ১৫৪৫-১৫৬০ ১৪. অধ্যায়ঃ ফাজ্রের দু রাকআত সুন্নাত, তার জন্য উৎসাহ দান, সেটা সংক্ষেপে ও সর্বদা আদায় করা এবং এতে যে ক্বিরাআত পাঠ মুস্তাহাব। ১৫. অধ্যায়ঃ ফার্যের পূর্বে ও পরে নিয়মিত সুন্নাতের ফাযীলাত এবং তার সংখ্যার বিবরণ | ১৫৪৫-১৫৮৩ |
১৬-১৮ | রাতের নামাজ রাকাত। নফল সালাত বসে পড়া ১৬. অধ্যায়ঃ দাঁড়িয়ে ও বসে নাফ্ল নামাজ আদায় এবং একই রাকআতের অংশ বিশেষ দাঁড়িয়ে ও অংশ বিশেষ বসে আদায় করার বৈধতা ১৭. অধ্যায়ঃ রাতের নামাজ, নবী [সাঃআঃ] এর রাতের নামাজের রাকআত সংখ্যা, বিত্র নামাজ এক রাকআত এবং এক রাকআত নামাজ আদায় সহীহ্ সাব্যস্ত ১৮. অধ্যায়ঃ রাত্রিকালীন নামাজ- আর যে ঘুমিয়ে পড়ে অথবা অসুস্থ হয়ে পড়ে | ১৫৮৪-১৬৩০ |
১৯ | সলাতুল আও্ওয়াবীন [ চাশ্তের নামাজের সময় ] | ১৬৩১-১৬৩২ |
২০-২১ | রাত্রিকালের নামাজ দু দু রাকআত, আর রাত্রির শেষে এক রাকআত বিতর ২০. অধ্যায়ঃ রাত্রিকালের নামাজ দু দু রাকআত, আর রাত্রির শেষে এক রাকআত বিতর ২১.অধ্যায়ঃ যে ব্যক্তি এ আশঙ্কা করে যে, সে শেষ রাত্রে [ঘুম থেকে] জাগ্রত হইতে পারবে না, সে যেন রাতের প্রথম অংশেই তা আদায় করে নেয়। | ১৬৩৩-১৬৫২ |
২২-২৭ | রাত্রিকালীণ সলাতে দুআ ক্বিয়াম ও ক্বিরাআত ২২. অধ্যায়ঃ ঐ নামাজ সর্বোত্তম যাতে ক্বিরাআত লম্বা করা হয় ২৩. অধ্যায়ঃ রাতে এমন একটি সময় রয়েছে যে সময় দুআ কবূল হয় ২৪.অধ্যায়ঃ শেষ রাতে যিক্র ও প্রার্থনা করা এবং দুআ কবূল হওয়ার আলোচনা ২৫. অধ্যায়ঃ রমাযানে তারাবীহ নামাজ আদায় করা প্রসঙ্গে উৎসাহ প্রদান করা ২৬. অধ্যায়ঃ রাত্রিকালীণ সলাতে দুআ ও ক্বিয়াম ২৭. অধ্যায়ঃ রাতের সালাতে ক্বিরাআত দীর্ঘ করা মুস্তাহাব | ১৬৫৩-১৭০১ |
২৮-৩১ | নফল নামাজ নিজ গৃহে আদায় করা ও রাতের সালাত ২৮. অধ্যায়ঃ যে ব্যক্তি রাত্র ঘুমিয়ে সকাল করিল তার প্রসঙ্গে আলোচনা । ২৯. অধ্যায়ঃ নাফ্ল নামাজ নিজ গৃহে আদায় করা মুস্তাহাব, মাসজিদে আদায়ও জায়িয ৩০. অধ্যায়ঃ রাতের নামাজ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে নিয়মিত আমালের ফযীলাত ৩১. অধ্যায়ঃ সলাতে তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে অথবা কুরআন পাঠ ও যিক্রে জিহবা জড়িয়ে যেতে লাগলে, ঘুমিয়ে পড়া কিংবা বিশ্রাম নেয়ার আদেশ, যাতে তা কেটে যায় | ১৭০২-১৭২১ |
Leave a Reply