ফাজায়েলে শিফা – কুরআন ও হাদিসের আলোকে চিকিৎসা

ফাজায়েলে শিফা – কুরআন ও হাদিসের আলোকে চিকিৎসা

কুরআন ও হাদিসের আলোকে চিকিৎসা বিসয়ক হাদিস গুলো একত্র করেছি আপনাদের সুবিদারথে। এখানে আছে বুখারি, মুসলিম, তিরমিজি, ইবনে মাজা, আবু দাউদ, নাসাই, মুয়াত্তা মালিক এর হাদিস।


ধ্যা
পরি
চ্ছে
বিষয়হাদীস
ভুমিকা
৫টিকুরআনিক চিকিৎসা সুরা ফাতিহা ইখলাস ও মুআব্বিযাত পরে ঝাড়ফুঁক
উম্মুল কুরআন পরে ঝাড়ফুঁক
সূরা ফাতিহা পড়ে ঝাড়ফুঁক
পারিশ্রমিক গ্রহণ করার সবচেয়ে বেশি হক রয়েছে আল্লাহর কিতাবের
মুআব্বিযাত (সূরা নাস ও সূরা ফালাক) পরে ঝাড়ফুঁক করা
সূরা ইখলাস এবং মুআব্বিযাত (সূরা নাস ও সূরা ফালাক) পরে ঝাড়ফুঁক
৪টিকুরানের আয়াতের মাধ্যমে চিকিৎসা Ayat E Shifa
কুরআন মজীদ পরে ঝাড়ফুঁক
কুরআনের আয়াত পরে ঝাড়ফুঁক করা
Ayat E Shifa আয়াতে শিফা পরে ঝাড়ফুঁক
সব রকমের দুরারোগ্য ব্যাধির জন্য ঝাড়ফুঁক
৬টিজ্বর নিরাময়ের দোয়া ঝাড়ফুঁক ও পানি ঢালার নিয়ম
আক্রান্তকে অথবা রোগীকে দেখিতে গিয়ে দুয়া করা
জ্বরের রোগীকে চাদর দিয়ে মুখমন্ডল ঢেকে রাখা ও সরিয়ে ফেলা
জ্বর ও অন্যান্য সকল প্রকার ব্যথায় ঝাড়ফুঁক করা
হিংসা, বদনযর এবং অপবাদ থেকে জ্বর হলে ঝাড়ফুঁক করা
জ্বরের উত্তাপ পানি দিয়ে নিভাতে হয়
জ্বরে আক্রান্ত হলে কবিতা আবৃত্তি করা

প্লেগ কুষ্ঠ ধবল মহামারি জিবানু ভাইরাস কি ছোঁয়াচে রোগ ?

ঝাড়ফুঁক । নিজ সন্তান ও সবার জন্য রোগ থেকে আশ্রয়ের দোয়া

বদনজর কুদৃষ্টি হতে অসুস্থ হলে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা

প্রাণীর দংশনে ঝাড়ফুঁক এর দুয়া । সাপ বিছা পোকা ইত্যাদি।

রোগের চিকিৎসায় জন্য শিঙ্গা লাগানো ও রক্তমোক্ষণ করা

রক্তমোক্ষণ রক্তক্ষরণ এ চাটাই পোড়া ও মেহেদি দিয়ে চিকিৎসা

লোহা গরম করে শরীরে দাগ লাগানো এর চিকিৎসা পদ্ধতি

ঔষধি গাছ -সোনামুখী মেহেদি আঙ্গুর ইত্যাদির মাধ্যমে চিকিৎসা

চন্দন কাঠ ওয়ারস ঘাস ও যয়তূন তেল দিয়া ফুসফুস এর চিকিৎসা

কালোজিরা এর মাধ্যমে সরাসরি হাদিসের আলোকে চিকিৎসা

মধুর উপকারিতা। মধু দিয়ে কোরআন ও হাদিসের আলাকে চিকিতসা পদ্ধতি

আজওয়া খেজুর কি মহা ঔষধ? ভোরবেলা সাতটি খুরমা খাওয়া

চর্ম রোগ ব্রন ঘা এর চিকিৎসা ও হাদীসের আলোকে দুয়া

চোখের চিকিৎসা ও দোয়া। ইসমিদ সুরমা ছত্রাক এর মাধ্যমে চিকিতসা

বিষ ও মৃত্যু কামনা না করা এবং বিষের প্রতিষেধক গ্রহন

মাদক দ্রব্য ও গনকের যাদু মন্ত্রের মাধ্যমে চিকিৎসা পদ্দতি

উটের দুধ ও পেশাব খাওয়ার মাধ্যমে চিকিৎসা

রোগ ও রোগীদের দেখতে যাওয়া ও বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্দতি

রোগীকে তালবীনা তরল খাবার দিতে হয়। খাবারের নিয়মাবলী

হাদিসঃ সহিহুল বুখারি – ৫৬৭৮ঃ আবূ হুরাইরা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাঃআঃ) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ্‌ এমন কোন রোগ পাঠাননি যার আরোগ্যের ব্যবস্থা দেননি।

(আধুনিক প্রঃ- ৫২৬৭, ইঃ ফাঃ- ৫১৬৩)

আদাবুলমুফরাদ -৪৯৪ঃ আবু সাঈদ খুদরী ও আবু হুরাইরা [রাঃআঃ] হইতে বর্ণীত

নাবী [সাঃআঃ] বলেনঃ মুসলিম বান্দার উপর রোগ-শোক, দুঃখ-কষ্ট, দুর্ভাবনা যাই আসুক, এমনকি যে কাঁটা তার গায়ে বিধে তার বিনিময়ে আল্লাহ তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করেন

[বোখারী, মুসলিম, তিরমিজী, আবু দাউদ]। হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

আদাবুলমুফরাদ -৪৯৫ঃ আবদুর রহমান ইবনি সাঈদ [রাহিমাহুল্লাহ] হইতে বর্ণীত

তিনি বলেন, আমি সালমান [রাঃআঃ]-এর সাথে ছিলাম। তিনি কিন্দায় এক রোগীকে দেখিতে গেলেন। তিনি তার নিকট প্রবেশ করে বলেন, তুমি সুসংবাদ গ্রহণ করো। কেননা আল্লাহ মুমিন বান্দার রোগকে তার গুনাহসমূহের কাফফারা ও অনুশোচনাস্বরূপ গ্রহণ করেন। আর পাপাচারীর রোগ হলো এমন উটতুল্য যাকে তার মালিক বেঁধে রাখলো, অতঃপর ছেড়ে দিলো। অথচ সে জানে না যে, তারা কেন তাকে বাঁধলো এবং কেনই বা তাকে ছেড়ে দিলো।

হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

আদাবুলমুফরাদ -৪৯৬ঃ আবু হুরাইরা [রাঃআঃ] হইতে বর্ণীত

নাবী [সাঃআঃ] বলেনঃ ঈমানদার পুরুষ ও নারীর জান-মাল ও পরিবার-পরিজনের উপর বালা-মুসীবত লেগেই থাকে। অতঃপর সে মহামহিম আল্লাহর সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাত করে যে, তার কোন গুনাহই অবশিষ্ট থাকে না

[তিরমিজী, আহমাদ]। হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

Leave a Reply