হালাল পশু । পঙ্গপাল গাধা ঘোড়া গুইসাপ হায়েনা শজারু বৈধ

হালাল পশু – খাদ্য

হালাল পশু ১৩১৯ -১৩৫৯ >> বুলুগুল মারাম এর মুল সুচিপত্র দেখুন

খাদ্য পর্ব ঃহালাল

পরিচ্ছেদ – প্রত্যেক দাঁতযুক্ত হিংস্র জন্তু এবং নখরযুক্ত পাখি ভক্ষন করা হারাম
পরিচ্ছেদ – গৃহপালিত গাধা হারাম ও ঘোড়া খাওয়া বৈধ
পরিচ্ছেদ – পঙ্গপাল খাওয়ার বৈধতা
পরিচ্ছেদ – খরগোশ খাওয়ার বৈধতা
পরিচ্ছেদ – যে সমস্ত জন্তু হত্যা করা নিষেধ তা ভক্ষন করাও হারাম
পরিচ্ছেদ – হায়েনা খাওয়ার বিধান
পরিচ্ছেদ – শজারু খাওয়ার বিধান
পরিচ্ছেদ – নাপাক বস্তু ভক্ষনকারী জন্তুর গোশত খাওয়া এবং এর দুধ পান করা হারাম
পরিচ্ছেদ ০১. – বন্য গাধার গোস্তের বৈধতা
পরিচ্ছেদ ০২. – ঘোড়ার গোস্তের বৈধতা
পরিচ্ছেদ ০৩. – গুইসাপের গোশতের বৈধতা
পরিচ্ছেদ ০৪. -ব্যাঙ হত্যা করা নিষেধ

পরিচ্ছেদ – প্রত্যেক দাঁতযুক্ত হিংস্র জন্তু এবং নখরযুক্ত পাখি ভক্ষন করা হারাম

১৩১৯. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নাৰী [সাঃআঃ] বলেনঃ কর্তন বিশিষ্ট সকল হিংস্র পশুর গোশত খাওয়া হারাম। {১৪২৬}

{১৪২৬} মুসলিম ১৯৩৩, তিরমিজি ১৪৭৯, ১৭৯৫, নাসায়ী ৪৩২৪, ইবনি মাজাহ ৩২৩৩, আহম্মদ ৭১৮৩, ৭১৮৫, দারিমী ১০৭৬। হালাল পশু হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

১৩২০. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

হাদিসের শব্দ, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] নিষিদ্ধ করিয়াছেন, তাতে আরো আছে বড় নখবিশিষ্ট পাখির গোশত খাওয়া হারাম। {১৪২৭}

{১৪২৭} মুসলিম ১৯৯৪, নাসায়ী ৪৩৪৮, আবু দাউদ ৩৮০৩, ৩৮০৫, ইবনি মাজাহ ৩২৩৪, আহম্মদ ২১৯৩, ২৬১৪, দারিমী ১৯৮২। হালাল পশু হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

পরিচ্ছেদ – গৃহপালিত গাধা হারাম ও ঘোড়া খাওয়া বৈধ

১৩২১. জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] খাইবার যুদ্ধের সময় গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করিয়াছেন এবং ঘোড়ার গোশত খাওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন। বোখারীর শব্দে আছে, ওয়া-রাখ্‌খাসা [ঘোড়ার গোশত খাবার রুখসাত দিয়েছিলেন]। {১৪২৮}

{১৪২৮} বোখারী ৪২১৯, ৫৫২০, ৫৫২৪, মুসলিম ১৯৪১, তিরমিজি ১৭৯৩,-নাসায়ী ৪৩২৭, ৪৩২৮, ৪৩২৯, আবু দাউদ ৩৭৮৮,৩৭৮৯, ৩৭৪৯, ইবন মাজাহ ৩১৯১, ৩১৯৭. আহম্মদ ১৪০৪১, ১৪০৫৪, দারিমী ১৯৯৩। হালাল পশু হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

পরিচ্ছেদ – পঙ্গপাল খাওয়ার বৈধতা

১৩২২. ইবনি আবু আওফা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেনঃ আমরা রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর সঙ্গে সাতটি কিংবা ছয়টি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। আমরা তাহাঁর সঙ্গে ফড়িংও খাই। {১৪২৯}

{১৪২৯} বোখারী ৫৪৯৫, মুসলিম ১৯৫২, মুসলিম ১৮২১, ১৮২২, নাসায়ী ৪৩৫৬, ৪৩৫৭, আবু দাউদ ৩৮১২, আহম্মদ ১৮৬৩৩, ১৮৬৬৯, দারিমী ২০১০। হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

পরিচ্ছেদ – খরগোশ খাওয়ার বৈধতা

১৩২৩. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, তা যবেহ করে তার একটি রান রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] এর নিকটে পাঠালে তিনি তা গ্রহণ করেছিলেন। {১৪৩০}

তিনি বলেন, তা যবেহ করে তার একটি রান রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] এর নিকটে পাঠালে তিনি তা গ্রহণ করেছিলেন। {১৪৩০}

হালাল পশু হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

পরিচ্ছেদ – যে সমস্ত জন্তু হত্যা করা নিষেধ তা ভক্ষন করাও হারাম

১৩২৪. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] চারটি জন্তু হত্যা করিতে নিষেধ করেছেনঃ পিপীলিকা, মৌমাছি, হুদহুদ পাখি ও সূরাদ [এক প্রকার শিকারী পাখি]। {১৪৩১}

১৪৩১. আবু দাউদ ৫২৬৭. আহম্মদ ৩০৫৭, ৩২৩২, দারিমী ১৯৯৯। হালাল পশু হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

পরিচ্ছেদ – হায়েনা খাওয়ার বিধান

১৩২৫. ইবনি আবী আম্মার [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন; আমি জাবির [রাদি.] কে বললাম, হায়েনা কি হালাল শিকার? তিনি বলিলেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] কি তা বলেছেন? তিনি বলিলেন, হ্যাঁ। {১৪৩২}

১৪৩২. আবু দাউদ ২৭৯৯, নাসায়ী ৪৩৮৩, ৪৩৮৪, ইবনি মাজাহ ৩১৪০। হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

পরিচ্ছেদ – শজারু খাওয়ার বিধান

১৩২৬. ইবন উমার [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তাকে শজারু [কন্টকাকীর্ণ পাখাবিশিষ্ট জীব] প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে তার উত্তরে একটা আয়াতের উদ্ধৃতি দিলেন যার সারমর্ম-এটাতো আহার গ্রহণকারীর জন্য হারামকৃত বস্তুর অন্তর্গত বলে পাচ্ছি না। তার নিকটে উপস্থিত একজন বৃদ্ধ সাহাবী বলেন, আমি আবু হুরাইরা [রাদি.] কে বলিতে শুনিয়াছি, তিনি বলেনঃ নাবী [সাঃআঃ] এর নিকটে এ কুনফু্য প্রসঙ্গে আলোচনা হওয়ায় তিনি বলেনঃ অবশ্য এটা নাপাক বস্তুর মধ্যে একটা। {১৪৩৩}

১৪৩৩. আবু দাউদ ৩৮০১, তিরমিজি ৮৫১, ১৭৯১, নাসায়ী ২৮৩৬, ৪৩২৩, ইবনি মাজাহ ৩০৮৫, ৩২৩৬, আহম্মদ ১৩৭৫১, ১৬০১৬। হাদিসের তাহকিকঃ দুর্বল হাদিস

পরিচ্ছেদ – নাপাক বস্তু ভক্ষনকারী জন্তুর গোশত খাওয়া এবং এর দুধ পান করা হারাম

১৩২৭. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] নাপাক বস্তু ভক্ষণকারী জন্তুর গোশত খেতে ও তার দুধ পান করিতে নিষেধ করিয়াছেন। {১৪৩৪}

{১৪৩৪} আবু দাউদ ৩৭৮৪, ৩৭৮৭, তিরমিজি ২৮২৪। হাদিসের তাহকিকঃ হাসান হাদিস

পরিচ্ছেদ ০১. – বন্য গাধার গোস্তের বৈধতা

১৩২৮. আবু ক্বাতাদাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

বন্য গাধার ঘটনায় আছে, নাবী [সাঃআঃ] ওটার গোশত খেয়েছেন। {১৪৩৫}

{১৪৩৫} বোখারীর বর্ণনায় রহিয়াছে, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, [আরবী] গাধাটির কোন অংশ তোমাদের নিকট আছে কি? তারা বলিলেন, আমাদের সঙ্গে একটি পায়া আছে। নাৰী [সাঃআঃ] তা নিয়ে আহার করিলেন। বোখারী ১৮২১, ১৮২২, ১৮২৩, ১৮২৪, ২৫৭০, মুসলিম ১১৯৬, তিরমিজি ৮৪৭, নাসায়ী ২৮২৪, ২৮২৫, আবু দাউদ ১৮৫২, ৩০৯৩, আহম্মদ ২২০২০, ২২০৬১, ২২০৬৮, মালেক ৭৮৬, ৭৮৮, দারিমী ১২২৬, ১৮২৭। হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

পরিচ্ছেদ ০২. – ঘোড়ার গোস্তের বৈধতা

১৩২৯. আসমা বিনতু আবী বাকর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেনঃ আমরা রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] এর যুগে ঘোড়া নাহর [যাবাহ] করেছিলাম ও এর গোশত খেয়েছিলাম। {১৪৩৬}

{১৪৩৬} বোখারী ৫৫১১, ৫৫১২, মুসলিম ১৯৪২, নাসাঈ ৪৪২১, ইবনি মাজাহ ৩১৯০, আহম্মদ ২৬৩৭৯, ২৬৩৯০, দারিমী ১৯৯২। হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

পরিচ্ছেদ ০৩. – গুইসাপের গোশতের বৈধতা

১৩৩০. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] এ দস্তর খানের উপর গুইসাপ [গোহ্] খাওয়া হয়েছে। {১৪৩৭}

{১৪৩৭} বোখারীতে রয়েছে, ইব্‌নু আব্বাস [রাদি.] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন [আরবী] হারিস ইব্‌নু হাযনের মেয়ে উম্মু হুফায়দ [রাদি.] নাবী [সাঃআঃ]-এর জন্য ঘি, পনির এবং কতগুলো দব্ব হাদিয়া পাঠালেন। নাবী [সাঃআঃ] ওগুলো চেয়ে নিলেন এবং এগুলো তাহাঁর দস্তরখানে খাওয়া হল। নাবী [সাঃআঃ] ঘৃণার কারণে খেতে অপছন্দ করিলেন। ওগুলো হারাম হলে তাহাঁর দস্তরখানে তা খাওয়া হত না এবং তিনিও এগুলো খেতে অনুমতি দিতেন না। বোখারী ২৫৭৫, ৫৩৮৯, ৫৪০২, মুসলিম ১৯৪৭, নাসাঈ ৪৩১৯, আবু দাঊদ ৩৭৯৩, আহম্মদ ২২৯৯, ২৩৫০, ২৫৬৫। হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

পরিচ্ছেদ ০৪. -ব্যাঙ হত্যা করা নিষেধ

১৩৩১. আব্দুর রহমান ইবনি উসমান [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

কোন চিকিৎসক রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] কে ব্যাঙ প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করিলেন এটা ঔষধে প্রয়োগ করবেন কি না? তিনি ওটা হত্যা করিতে নিষেধ করিলেন। {১৪৩৮}

{১৪৩৮} আহম্মদ ১৫৩৩০, নাসাঈ ৪৩৫৫, আবু দাঊদ ৩৮৭১, দারিমী ১৯৯৮, হাকিম ৪র্খ খণ্ড ৪১১ পৃষ্ঠা। হাদিসের তাহকিকঃ হাসান হাদিস

By বুলূগুল মারাম

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। তবে আমরা রাজনৈতিক পরিপন্থী কোন মন্তব্য/ লেখা প্রকাশ করি না। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই লেখাগুলো ফেসবুক এ শেয়ার করুন, আমল করুন

Leave a Reply