সূরা কদরের তাফসীর । তাফসিরুল কোরআন

সূরা কদরের তাফসীর । তাফসিরুল কোরআন

সূরা কদরের তাফসীর । তাফসিরুল কোরআন >> তিরমিজি শরিফের তাফসিরুল কোরআন অধ্যায়ের অন্যান্য সুরার তাফসীর পড়ুন >> সুরা ক্বদর আরবি তে পড়ুন বাংলা অনুবাদ সহ

অধ্যায়ঃ ৪৪, অনুচ্ছেদ-৮৬ঃ সূরা কদরের তাফসীর

৩৩৫০. ইউসুফ ইবনি সাদ [রঃ]হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন হাসান [রাদি.] মুআবিয়া [রাদি.]-এর নিকট বাইআত গ্রহণের পর তাহাঁর সামনে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলেনঃ আপনি [মুআবিয়ার নিকট বায়আত গ্রহণ করে] মুমিনদের চেহারা কলঙ্কিত করিয়াছেন। এতে তিনি বললেনঃ তুমি আমাকে অভিযুক্ত করো না। আল্লাহ তাআলা তোমার প্রতি রাহমাত করুন। যেহেতু রসুলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে [স্বপ্নে] উমাইয়্যা বংশীয়দেরকে তাহাঁর মিম্বারের উপর দেখানো হয়েছে। বিষয়টি তাহাঁর নিকট খারাপ লাগে। তখন অবতীর্ণ হয়ঃ “আমি অবশ্যই তোমাকে কাওসার [ঝরণা] দান করেছি” [সূরাঃ আল-কাওসার-১] অর্থাৎ হে মুহাম্মাদ! আমি জান্নাতে তোমাকে কাওসার নামক ঝরণা দান করেছি। আরো অবতীর্ণ হয়ঃ “নিশ্চয় আমি এ কুরআন মহিমান্বিত রাতে অবতীর্ণ করেছি। আর মহিমান্বিত রাত প্রসঙ্গে আপনি কি জানেন? মহিমান্বিত রাত হাজার মাস হইতেও উত্তম” [সূরাঃ আল-ক্বাদর-১-৩]। হে মুহাম্মাদ! আপনার পরে বানী উমাইয়্যা অত মাস শাসন করিবে। কাসিম [রঃ]বলেনঃ আমরা গণনা করে দেখেছি বানী উমাইয়্যাদের শাসনকাল ছিল পূর্ণ এক হাজার মাস,এর এক দিন কম বা বেশি নয়।

সনদ দুর্বল ও অস্থির, মতন মুনকার। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু কাসিম ইব্‌নুল ফাযলের হাদীস হিসেবে এটি জেনেছি। কথিত আছে যে, কাসিম ইবনিল ফাযল [রঃ]ইউসুফ ইবনি মাযিনের সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন।কাসিম ইবনিল ফাযল আল-হুদ্দানী সিকাহ রাবী। ইয়াহ্‌ইয়া ইবনি সাঈদ ও আব্দুর রহমান ইবনি মাহ্‌দী তাকে বিশ্বাসযোগ্য বলেছেন। ইউসুফ ইবনি সাদ অপরিচিত ব্যক্তি, আমরা শুধু উপরোক্ত সূত্রেই একই রকম শব্দে এ হাদীস বর্ণিত পেয়েছি। সূরা কদরের তাফসীর – এই হাদিসটির তাহকিকঃ অন্যান্য

৩৩৫১. যির ইবনি হুবাইশ [রঃ]হইতে বর্ণীতঃ

আমি উবাই ইবনি কাব [রাদি.] কে বললাম, আপনার ভাই আবদুল্লাহ ইবনি মাসঊদ [রাদি.] বলেন, সারা বছর যে লোক রাত জেগে ইবাদত করিবে সে ক্বাদরের রাত লাভ করিবে। উবাই [রাদি.] বলেন, আল্লাহ তাআলা আবু আবদুর রহমানকে মাফ করুন! নিশ্চয়ই তিনি জানেন যে, ক্বাদরের রাত রমাযানের শেষ দশ দিনে এবং তা সাতাশে রামাযানের রাতেই তবু তার এ কথা বলার লক্ষ্য হল লোকেরা যেন [সাতাশ তারিখের] নির্ভর করে বসে না থাকে। তারপর কোন প্রকার ব্যতিক্রম না করেই উবাই [রাদি.] ক্বসম করে বলেন, সাতাশের রাত ক্বাদরের রাত। বর্ণনাককারী বলেন, আমি বললাম, হে আবুল মুনযির! এ কথা আপনি কিসের পরিপ্রক্ষিতে বলছেন? তিনি বলিলেন, সেই আলামত বা নিদর্শনের প্রেক্ষিতে যা রসুলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] আমাদেরকে জানিয়েছেন। তা হলঃ ঐ দিন সকালে সূর্য এরূপভাবে উদিত হয় যে, তার মাঝে প্রখর রশ্মি থাকে না।

হাসান সহীহঃ ৭৮৬ নং হাদীসেও পূর্বে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। আবু ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ। সূরা কদরের তাফসীর – এই হাদিসটির তাহকিকঃ হাসান সহীহ

By ইমাম তিরমিজি

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply