নতুন লেখা

সুরা আবাসা এর তাফসীর

 >> বুখারী শরীফ এর মুল সুচিপত্র পড়ুন

৬৫/৮০/১.অধ্যায়ঃ পরিচ্ছেদ নাই।

(80) سُوْرَةُ عَبَسَ

সুরা (৮০) : আবাসা

{عَبَسَ} وَتَوَلَّى كَلَحَ وَأَعْرَضَ وَقَالَ غَيْرُهُ مُطَهَّرَةٍ لَا يَمَسُّهَا إِلَّا الْمُطَهَّرُوْنَ وَهُمْ الْمَلَائِكَةُ وَهَذَا مِثْلُ قَوْلِهِ {فَالْمُدَبِّرَاتِ أَمْرًا} جَعَلَ الْمَلَائِكَةَ وَالصُّحُفَ مُطَهَّرَةً لِأَنَّ الصُّحُفَ يَقَعُ عَلَيْهَا التَّطْهِيْرُ فَجُعِلَ التَّطْهِيْرُ لِمَنْ حَمَلَهَا أَيْضًا {سَفَرَةٍ} الْمَلَائِكَةُ وَاحِدُهُمْ سَافِرٌ سَفَرْتُ أَصْلَحْتُ بَيْنَهُمْ وَجُعِلَتْ الْمَلَائِكَةُ إِذَا نَزَلَتْ بِوَحْيِ اللهِ وَتَأْدِيَتِهِ كَالسَّفِيْرِ الَّذِيْ يُصْلِحُ بَيْنَ الْقَوْمِ وَقَالَ غَيْرُهُ {تَصَدَّى} تَغَافَلَ عَنْهُ وَقَالَ مُجَاهِدٌ لَمَّا يَقْضِ {لمَاَّ يَقْضِي} أَحَدٌ مَا أُمِرَ بِهِ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ {تَرْهَقُهَا} تَغْشَاهَا شِدَّةٌ {مُسْفِرَةٌ} مُشْرِقَةٌ {بِأَيْدِيْ سَفَرَةٍ} وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ كَتَبَةٍ {أَسْفَارًا} كُتُبًا {تَلَهَّى} تَشَاغَلَ يُقَالُ وَاحِدُ الْأَسْفَارِ سِفْرٌ.

عَبَسَ সে ভ্রূকুঞ্চিত করিল এবং মুখ ফিরিয়ে নিল। مُطَهَّرَة অর্থ যারা পূত-পবিত্র, তারা ব্যতীত অন্য কেউ তা স্পর্শ করে না। এখানে পূত-পবিত্র বলে মালাইকাকে বোঝানো হয়েছে। উল্লিখিত আয়াতটি আল্লাহর বাণীঃ فَالْمُدَبِّرَاتِ أَمْرًا এর অনুরূপ। পূর্বের আয়াতে মালাক এবং সহীফা উভয়কেই مُطَهَّرَةً বলা হয়েছে। অথচ التَّطْهِيْرُ এর সম্পর্ক মূলতঃ সহীফার সঙ্গে, মালায়িকার সঙ্গে নয়। তবে মালাক যেহেতু উক্ত সহীফার হামিল ও বাহক, এই হিসাবে মালাককেও مُطَهَّرَةً বলা হয়েছে। سَفَرَةٍ অর্থ মালাক (ফেরেশতা)। এর এক বচন হচ্ছে سَافِرٌ।سَفَرْتُ أَصْلَحْتُ بَيْنَهُمْ আমি তাদের বিবাদ মিটিয়ে দিয়েছি। ওয়াহী অবতীর্ণ করত তা নাবীদের (নাবীদের) পর্যন্ত পৌঁছানোর দায়িত্ব অর্পণ করে আল্লাহ রাববুল আলামীন মালাকগণকে السَّفِيْرِ (দূত) সদৃশ ঘোষণা করিয়াছেন যিনি কওমের পরস্পর বিবাদ মীগোশতা করেন। অন্যান্য মুফাস্সির বলেছেন, تَصَدَّى সে এর থেকে অমনোযোগিতা প্রকাশ করেছে। মুজাহিদ (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) বলেন, لمَاَّ يَقْضِيْ তিনি তাকে যা আদেশ করিয়াছেন, সে এখনও তা পুরাপুরি করেনি। ইবনু আববাস (রাদি.) বলেন, تَرْهَقُهَا মানে সেগুলোকে আচ্ছন্ন করিবে এক মহাবিপদ। مُسْفِرَةٌ উজ্জ্বল। بِأَيْدِيْ سَفَرَةٍ লিপিবদ্ধকারী ফেরেশতা। ইবনু আববাস (রাদি.) আরো বলেন, أَسْفَارًا কিতাবসমূহ। تَلَهَّى তুমি ব্যস্ত হলে। বলা হয়أَسْفَارِ এর একবচন سِفْرٌ।

৪৯৩৭

আয়েশাহ (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি নাবী (সাঃআঃ) থেকে বর্ণনা করিয়াছেন, কুরআনের হাফিয পাঠক লিপিকর সম্মানিত মালাকের মত। খুব কষ্টদায়ক হওয়া সত্ত্বেও যে বারবার কুরআন মাজীদ পাঠ করে, সে দ্বিগুণ পুরস্কার পাবে। [মুসলিম ৬/৩৮, হাদীস ৭৯৮, আহমাদ ২৪৭২১] (আ.প্র. ৪৫৬৮, ই.ফা. ৪৫৭৩)

About halalbajar.com

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Check Also

ফাজায়েলে কুরআন

ফাজায়েলে কুরআন ফাজায়েলে কুরআন >> বুখারী শরীফ এর মুল সুচিপত্র পড়ুন পর্বঃ ৬৬, ফাজায়েলে কুরআন, অধ্যায়ঃ (১-৩৭)=৩৭টি …

Leave a Reply

%d bloggers like this: