সুরা আত তালাক এর তাফসীর

সুরা আত তালাক এর তাফসীর

সুরা আত তালাক এর তাফসীর >> বুখারী শরীফ এর মুল সুচিপত্র পড়ুন

সুরা আত তালাক এর তাফসীর

(65) سُوْرَةُ الطَّلَاقِ

সুরা (৬৫) : আত্-তালাক

وَقَالَ مُجَاهِدٌ {إِنْ ارْتَبْتُمْ} إِنْ لَمْ تَعْلَمُوْا أَتَحِيْضُ أَمْ لَا تَحِيْضُ فَاللَّائِيْ قَعَدْنَ عَنِ الْمَحِيْضِ وَاللَائِيْ لَمْ يَحِضْنَ بَعْدُ {فَعِدَّتُهُنَّ ثَلَاثَةُ أَشْهُرٍ} وَبَالَ أَمْرِهَا جَزَاءَ أَمْرِهَا.

মুজাহিদ (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) বলেন, إِنْ ارْتَبْتُمْ যদি তোমরা অবগত না থাক যে তারা ঋতুমতী হইবে কি না, যারা ঋতু হইতে অবসর গ্রহণ করেছে আর যাদের এখনও তা শুরু হয়নি। فَعِدَّتُهُنَّ ثَلَاثَةُ أَشْهُرٍ তাদের কৃতকর্মের শাস্তি স্বরূপ।

وَقَالَ مُجَاهِدٌ {إِنْ ارْتَبْتُمْ} إِنْ لَمْ تَعْلَمُوْا أَتَحِيْضُ أَمْ لَا تَحِيْضُ فَاللَّائِيْ قَعَدْنَ عَنِ الْمَحِيْضِ وَاللَائِيْ لَمْ يَحِضْنَ بَعْدُ {فَعِدَّتُهُنَّ ثَلَاثَةُ أَشْهُرٍ} وَبَالَ أَمْرِهَا جَزَاءَ أَمْرِهَا.

মুজাহিদ (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) বলেন, إِنْ ارْتَبْتُمْ যদি তোমরা অবগত না থাক যে তারা ঋতুমতী হইবে কি না, যারা ঋতু হইতে অবসর গ্রহণ করেছে আর যাদের এখনও তা শুরু হয়নি। فَعِدَّتُهُنَّ ثَلَاثَةُ أَشْهُرٍ তাদের কৃতকর্মের শাস্তি স্বরূপ।

৪৯০৮

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি তাহাঁর ঋতুবতী স্ত্রীকে ত্বলাক দেয়ার পর উমার (রাদি.) তা রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ)-এর কাছে উল্লেখ করিলেন। এতে রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ) অত্যন্ত নাখোশ হলেন। এরপর তিনি বলিলেন, সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয়। এরপর পবিত্রাবস্থা না আসা পর্যন্ত তাকে নিজের কাছে রেখে দিক। এরপর ঋতু এসে আবার পবিত্র হলে তখন যদি ত্বলাক দিতে চায় তাহলে পবিত্রাবস্থায় স্পর্শ করার পূর্বে সে যেন তাকে ত্বলাক দেয়। এটি সেই ইদ্দত যেটি পালনের নির্দেশ আল্লাহ দিয়েছেন। [৫২৫১, ৫২৫২, ৫২৫৩, ৫২৫৮, ৫২৬৪, ৫৩৩২, ৫৩৩৩, ৭১৬০] (আ.প্র. ৪৫৪০, ই.ফা. ৪৫৪৪)

৬৫/৬৫/২.অধ্যায়ঃ পরিচ্ছেদ নাই।

{وَأُولَاتُ الْأَحْمَالِ أَجَلُهُنَّ أَنْ يَّضَعْنَ حَمْلَهُنَّ ط وَمَنْ يَّتَّقِ اللهَ يَجْعَلْ لَّه” مِنْ أَمْرِهٰ يُسْرًا}

তবে গর্ভবতী স্ত্রীলোকদের ইদ্দাত তাদের গর্ভের সন্তান প্রসব হওয়া পর্যন্ত। যে ব্যক্তি আল্লাহ্কে ভয় করে, তিনি তার প্রত্যেক কাজ সহজ করে দেন। (সুরা আত্-ত্বলাক্ব ৬৫/৪)

وَأُوْلَاتُ الْأَحْمَالِ وَاحِدُهَا ذَاتُ حَمْلٍ.

أُوْلَاتُ الْأَحْمَالِ এর একবচন ذَاتُ حَمْلٍ

৪৯০৯

আবু সালামাহ (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আবু হুরাইরাহ (রাদি.) ইবনু আব্বাস (রাদি.)-এর কাছে ছিলেন, এমন সময় এক ব্যক্তি ইবনু আব্বাস (রাদি.)-এর কাছে এলেন এবং বলিলেন, এক মহিলা তাহাঁর স্বামীর মৃত্যুর চল্লিশ দিন পর বাচ্চা প্রসব করেছে। সে এখন কীভাবে ইদ্দত পালন করিবে, এ বিষয়ে আমাকে ফতোয়া দিন। ইবনু আব্বাস (রাদি.) বলিলেন, ইদ্দত সম্পর্কিত হুকুম্ দুটির যেটি দীর্ঘ, তাকে সেটি পালন করিতে হইবে। আবু সালামাহ (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) বলেন, আমি বললাম, আল্লাহর হুকুম তো হল ঃ গর্ভবতী নারীদের ইদ্দতকাল সন্তান প্রসব পর্যন্ত। আবু হুরাইরাহ (রাদি.) বলেন, আমি আমার ভ্রাতুষ্পুত্র অর্থাৎ আবু সালামার সঙ্গে আছি। তখন ইবনু আব্বাস (রাদি.) তাহাঁর ক্রীতদাস কুরায়বকে বিষয়টি জিজ্ঞেস করার জন্য উম্মু সালামাহ (রাদি.)-এর কাছে পাঠালেন। তিনি বলিলেন, সুবায়আ আসলামিয়া (রাদি.)-এর স্বামীকে হত্যা করা হল, তিনি তখন গর্ভবতী ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর চল্লিশ দিন পর তিনি সন্তান প্রসব করিলেন। এরপরই তার কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠানো হল। রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ) তাকে বিয়ে করিয়ে দিলেন। যারা তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন আবুস্ সানাবিল তাদের মধ্যে একজন। [৫৩১৮] (আ.প্র. ৪৫৪১, ই.ফা. ৪৫৪৫)

By ইমাম বুখারী

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply