সাহরীর ফযিলত , সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব

সাহরীর ফযিলত , সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব

সাহরীর ফযিলত , সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

৯. অধ্যায়ঃ সাহরীর ফযিলত , সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব

২৪৩৯

আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তোমরা সাহ্‌রী খাও, সাহ্‌রীতে বারাকাত রয়েছে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২৪১৬, ইসলামিক সেন্টার- ২৪১৫]

২৪৪০

আম্‌র ইবনি আস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেনঃ আমাদের ও কিতাবীদের সিয়ামের মধ্যে পার্থক্য হল সাহরি খাওয়া। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২৪১৭, ইসলামিক সেন্টার- ২৪১৬]

২৪৪১

মূসা ইবনি উলাইয়্যা [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর সূত্র হইতে বর্ণীতঃ

এ সানাদে হাদীস বর্ণিত আছে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২৪১৮, ইসলামিক সেন্টার- ২৪১৭]

২৪৪২

যায়দ ইবনি সাবিত [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর সাথে সাহ্‌রী খেয়ে সালাতে দাঁড়ালাম। {রাবী আনাস [রাদি.] বলেন} আমি যায়দ ইবনি সাবিত [রাদি.]-কে জিজ্ঞেস করলাম, সাহ্‌রী ও আযানের মধ্যে কত সময়ের ব্যবধান ছিল? তিনি বলরেন, পঞ্চাশ আয়াত পড়ার মতো সময়ের। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২৪১৯, ইসলামিক সেন্টার- ২৪১৮]

২৪৪৩

ক্বাতাদাহ্ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২৪২০, ইসলামিক সেন্টার- ২৪১৯]

২৪৪৪

সাহ্‌ল ইবনি সাদ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেনঃ যতদিন মানুষ বিলম্ব না করে ইফত্বার করিবে, ততদিন তারা কল্যাণের উপর থাকিবে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২৪২১, ইসলামিক সেন্টার- ২৪২০]

২৪৪৫

সাহল ইবনি সাদ [রাদি.]-এর সূত্রে নবী [সাঃআঃ] হইতে বর্ণীতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২৪২২, ইসলামিক সেন্টার- ২৪২১]

২৪৪৬

আবু আতিয়্যাহ্‌ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি ও মাসরূক [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] আয়িশা [রাদি.]-এর নিকট গেলাম এবং তাঁকে বললাম, হে উম্মুল মুমিনীন! মুহাম্মাদ [সাঃআঃ]-এর সহাবীবৃন্দের দু ব্যক্তির মধ্যে এক ব্যক্তি ইফত্বার ও নামাজ ত্বরান্বিত করে এবং অন্য এক ব্যক্তি ইফত্বার ও নামাজ বিলম্ব করে। তিনি জিজ্ঞেস করিলেন, সে কোন ব্যক্তি যে ইফত্বার ও সালাত ত্বরান্বিত করে? আমরা বললাম, আবদুল্লাহ ইবনি মাসঊদ [রাদি.]। তিনি বলিলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] এরূপই করিতেন। আবু কুরায়ব বলেন, অপরজনে হলেন, আবু মূসা [রাদি.] [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২৪২৩, ইসলামিক সেন্টার- ২৪২২]

২৪৪৭

আবু আতিয়্যাহ্‌ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিন বলেন, আমি ও মাসরূক আয়িশা [রাদি.]-এর নিকট গেলাম। এরপর মাসরূক তাঁকে বলিলেন, মুহাম্মাদ [সাঃআঃ]-এর সাহাবীগণের মধ্যে দু ব্যক্তি যারা কল্যাণজনক কাজে কোন প্রকার অবহেলা প্রদর্শন করেন না, তাঁদের একজন মাগরিব এবং ইফত্বারের মধ্যে ত্বরা করেন। আর অপরজন মাগরিব ও ইফত্বারে বিলম্ব করেন। তিনি বলিলেন যে, কোন ব্যক্তি সে মাগরিব ও ইফত্বারে ত্বরা করেন? তিনি বলিলেন, তিনি আবদুল্লাহ। তখন আয়িশা [রাদি.] বলিলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] এরূপই করিতেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২৪২৪, ইসলামিক সেন্টার- ২৪২৩]

By মুসলিম শরীফ

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply