নতুন লেখা

সচ্চরিত্রতা এর মাহাত্ম্য – রিয়াদুস সালেহীন হাদিস সংকলিত

সচ্চরিত্রতা এর মাহাত্ম্য – রিয়াদুস সালেহীন হাদিস সংকলিত

সচ্চরিত্রতা এর মাহাত্ম্য – রিয়াদুস সালেহীন হাদিস সংকলিত >> রিয়াদুস সালেহীন  হাদিস শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে রিয়াদুস সালেহীন হাদিস শরীফ এর একটি পরিচ্ছেদের হাদিস পড়ুন

পরিচ্ছেদ – ৭৩: সচ্চরিত্রতা এর মাহাত্ম্য

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

 ﴿ وَإِنَّكَ لَعَلَىٰ خُلُقٍ عَظِيمٖ ٤ ﴾ [القلم: ٤] 

অর্থাৎ “তুমি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী।” [সূরা ক্বালাম ৪ আয়াত]

তিনি আরো বলেন,

﴿ ٱلَّذِينَ يُنفِقُونَ فِي ٱلسَّرَّآءِ وَٱلضَّرَّآءِ وَٱلۡكَٰظِمِينَ ٱلۡغَيۡظَ وَٱلۡعَافِينَ عَنِ ٱلنَّاسِۗ ﴾ [ال عمران: ١٣٤] 

অর্থাৎ “সেই দ্বীনদারদের জন্য জান্নাত প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যারা সচ্ছল ও অসচ্ছল অবস্থায় দান করে, ক্রোধ সংবরণ করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে থাকে।” [সূরা আলে ইমরান ১৩৪ আয়াত]

1/626 وَعَن أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللهِ ﷺ أحْسَنَ النَّاسِ خُلُقاً . متفقٌ عَلَيْهِ

১/৬২৬। আনাস রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ সব মানুষের চাইতে বেশি সুন্দর চরিত্রের ছিলেন।’ [বুখারী ও মুসলিম] [1]

2/627 وَعَنهُ، قَالَ: مَا مَسِسْتُ دِيبَاجاً وَلاَ حَرِيراً ألْيَنَ مِنْ كَفِّ رَسُولِ اللهِ ﷺ، وَلاَ شَمَمْتُ رَائِحَةً قَطُّ أطْيَبَ مِنْ رَائِحَةِ رَسُولِ اللهِ ﷺ، وَلَقَدْ خَدَمتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ عَشْرَ سِنِينَ، فَمَا قَالَ لِي قَطُّ: أُفٍّ، وَلاَ قَالَ لِشَيءٍ فَعَلْتُهُ: لِمَ فَعَلْتَه ؟ وَلاَ لشَيءٍ لَمْ أفعَلهُ: ألاَ فَعَلْتَ كَذَا ؟ متفقٌ عَلَيْهِ

২/৬২৭। উক্ত রাবী হতেই বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ এর করতল অপেক্ষা অধিকতর কোমল কোনো পুরু বা পাতলা রেশম আমি স্পর্শ করিনি। আর তাহাঁর শরীরের সুগন্ধ অপেক্ষা অধিকতর সুগন্ধ কোন বস্তু আমি কখনো শুঁকিনি। আর আমি দশ বছর পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ এর খিদমত করেছি। তিনি কখনোও আমার জন্য ‘উঃ’ শব্দ বলেননি। কোন কাজ করে বসলে তিনি এ কথা জিজ্ঞেস করেননি যে, ‘তুমি এ কাজ কেন করলে?’ এবং কোন কাজ না করলে তিনি বলেননি যে, ‘তা কেন করলে না?’ [বুখারী ও মুসলিম]  [2]

3/628 وَعَنِ الصَّعبِ بنِ جَثَّامَةَ رضي الله عنه، قَالَ: أَهدَيتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ حِمَاراً وَحْشِيّاً، فَرَدَّهُ عَلَيَّ، فَلَمَّا رَأَى مَا فِي وَجهِي، قَالَ: « إِنَّا لَمْ نَرُدَّهُ عَلَيْكَ إِلاَّ ِلأَنَّا حُرُمٌ». متفقٌ عَلَيْهِ

৩/৬২৮। সা‘ব ইবনি জাসসামাহ রাঃআঃ বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাঃআঃকে [শিকার করা] এক জংলী গাধা উপঢৌকন দিলাম। কিন্তু তিনি তা আমাকে ফিরিয়ে দিলেন। তারপর তিনি আমার চেহারায় [বিষণ্ণতার চিহ্ন] দেখে বলিলেন, ‘‘আমরা ইহরামের অবস্থায় আছি, তাই আমরা এটি তোমাকে ফিরিয়ে দিলাম।’’ [বুখারী ও মুসলিম] [3] [যেহেতু ইহরাম অবস্থায় শিকার করা ও তার গোশ্ত খাওয়া নিষিদ্ধ।]

4/629 وَعَنِ النَّوَاسِ بنِ سَمعَانَ رضي الله عنه، قَالَ: سَأَلتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ عَن البِرِّ وَالإثمِ، فَقَالَ: « البِرُّ: حُسنُ الخُلُقِ، والإثمُ: مَا حَاكَ فِي صَدرِكَ، وكَرِهْتَ أن يَطَّلِعَ عَلَيْهِ النَّاسُ ». رواه مسلم

৪/৬২৯। নাওয়াস ইবনি সাম‘আন রাঃআঃ বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাঃআঃকে পুণ্য ও পাপ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বলিলেন, ‘‘পুণ্য হল সচ্চরিত্রতার নাম। আর পাপ হল তাই, যা তোমার অন্তরে সন্দেহ সৃষ্টি করে এবং তা লোকে জেনে ফেলুক এ কথা তুমি অপছন্দ কর।’’ [মুসলিম]  [4]

5/630 وَعَن عَبدِ اللهِ بنِ عَمرِو بنِ العَاصِ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: لَمْ يَكُن رَسُولُ اللهِ ﷺ فَاحِشاً وَلاَ مُتَفَحِّشاً، وَكَانَ يَقُولُ: « إنَّ مِنْ خِيَارِكُمْ أحْسَنَكُمْ أخْلاَقاً ». متفقٌ عَلَيْهِ

৫/৬৩০। আব্দুল্লাহ ইবনি ‘আমর ইবনি ‘আস রাঃআঃ বলেন, আল্লাহর রসূল সাঃআঃ [প্রকৃতিগতভাবে কথা ও কাজে] অশ্লীল ছিলেন না এবং [ইচ্ছাকৃতভাবেও] অশ্লীল ছিলেন না। আর তিনি বলিতেন, ‘‘তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই উত্তম, যে তোমাদের মধ্যে সুন্দরতম চরিত্রের অধিকারী।’’ [বুখারী ও মুসলিম] [5]

6/631 وَعَن أَبي الدَّردَاءِ رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ، قَالَ: «مَا مِنْ شَيْءٍ أثْقَلُ فِي مِيزَانِ العَبدِ المُؤْمِنِ يَوْمَ القِيَامَةِ مِنْ حُسْنِ الخُلُقِ، وَإنَّ الله يُبْغِضُ الفَاحِشَ البَذِيَّ». رواه الترمذي، وقال:«حديث حسن صحيح»

৬/৬৩১। আবূ দারদা রাঃআঃ হতে বর্ণিত, নবী সাঃআঃ বলেন, ‘‘কিয়ামতের দিন [নেকী] ওজন করার দাঁড়ি-পাল্লায় সচ্চরিত্রতার চেয়ে কোনো বস্তুই অধিক ভারী হবে না। আর আল্লাহ তা‘আলা অশ্লীল ও চোয়াড়কে অপছন্দ করেন।’’ [তিরমিযী, হাসান সূত্রে] [6]

7/632 وَعَن أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: سُئِلَ رَسُولُ اللهِ ﷺ عَنْ أكثرِ مَا يُدْخِلُ النَّاسَ الْجَنَّةَ ؟ قَالَ:«تَقْوَى اللهِ وَحُسنُ الخُلُقِ »، وَسُئِلَ عَنْ أكْثَرِ مَا يُدْخِلُ النَّاسَ النَّارَ، فَقَالَ: « الفَمُ وَالفَرْجُ ». رواه الترمذي، وقال: «حديث حسن صحيح »

৭/৬৩২। আবূ হুরাইরা রাঃআঃ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃআঃকে জিজ্ঞাসা করা হল যে, ‘কোন্ আমল মানুষকে বেশি জান্নাতে নিয়ে যাবে?’ তিনি বলিলেন, ‘‘আল্লাহভীতি ও সচ্চরিত্র।’’ আর তাঁকে [এটাও] জিজ্ঞাসা করা হল যে, ‘কোন্ আমল মানুষকে বেশি জাহান্নামে নিয়ে যাবে?’ তিনি বলিলেন, ‘‘মুখ ও যৌনাঙ্গ [অর্থাৎ উভয় দ্বারা সংঘটিত পাপ]।’’ [তিরমিযী হাসান সহীহ সূত্রে] [7]

8/633 وَعَنهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: «أكْمَلُ المُؤمِنِينَ إِيمَاناً أحسَنُهُمْ خُلُقاً، وَخِيَارُكُمْ خِيَارُكُمْ لِنِسَائِهِمْ ». رواه الترمذي، وقال: «حديث حسن صحيح »

৮/৬৩৩। উক্ত রাবী রাঃআঃ থেকেই বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ বলেছেন, ‘‘মু’মিনদের মধ্যে সে ব্যক্তি পূর্ণ মু’মিন, যে তাহাদের মধ্যে চরিত্রের দিক দিয়ে সুন্দরতম। আর তোমাদের উত্তম ব্যক্তি তারা, যারা তাহাদের স্ত্রীদের নিকট উত্তম।’’ [তিরমিযী হাসান সহীহ সূত্রে] [8]

9/634 وَعَن عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَت: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ، يَقُولُ: «إنَّ المُؤْمِنَ لَيُدْرِكُ بِحُسْنِ خُلُقِه دَرَجَةَ الصَّائِمِ القَائِمِ». رواه أَبُو داود

৯/৬৩৪। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাঃআঃকে বলিতে শুনেছি, ‘‘অবশ্যই মু’মিন তার সদাচারিতার কারণে দিনে [নফল] রোযাদার এবং রাতে [নফল] ইবাদতকারীর মর্যাদা পেয়ে থাকে।’’ [আবু দাউদ]  [9]

9/635 وَعَن أَبِي أُمَامَةَ البَاهِليِّ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: « أنَا زَعِيمٌ بِبَيتٍ في رَبَضِ الجَنَّةِ لِمَنْ تَرَكَ المِرَاءَ وَإنْ كَانَ مُحِقّاً، وَبِبَيْتٍ في وَسَطِ الجَنَّةِ لِمَنْ تَرَكَ الكَذِبَ وَإنْ كَانَ مَازِحاً، وَبِبَيْتٍ في أعلَى الجَنَّةِ لِمَنْ حَسُنَ خُلُقُهُ » . حديث صحيح، رواه أَبُو داود بإسناد صحيح .

১০/৬৩৫। আবূ উমামাহ বাহেলী রাঃআঃ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ বলেছেন, ‘‘আমি সেই ব্যক্তির জন্য জান্নাতের শেষ সীমায় একটি ঘর দেওয়ার জন্য জামিন হচ্ছি, যে সত্যাশ্রয়ী হওয়া সত্ত্বেও কলহ-বিবাদ বর্জন করে। সেই ব্যক্তির জন্য আমি জান্নাতের মধ্যস্থলে একটি ঘরের জামিন হচ্ছি, যে উপহাসছলেও মিথ্যা বলা বর্জন করে। আর সেই ব্যক্তির জন্য আমি জান্নাতের সবচেয়ে উঁচু জায়গায় একটি ঘরের জামিন হচ্ছি, যার চরিত্র সুন্দর।’’ [আবূ দাউদ] [10]

10/636 وَعَن جَابِرٍ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ الله ﷺ، قَالَ: « إنَّ مِنْ أحَبِّكُمْ إليَّ، وَأقْرَبِكُمْ مِنِّي مَجْلِساً يَوْمَ القِيَامَةِ، أحَاسِنَكُم أخْلاَقاً، وَإنَّ أبْغَضَكُمْ إلَيَّ وَأبْعَدَكُمْ مِنِّي يَوْمَ القِيَامَةِ، الثَّرْثَارُونَ وَالمُتَشَدِّقُونَ وَالمُتَفَيْهقُونَ » قَالُوا: يَا رَسُولَ اللهِ، قَدْ عَلِمْنَا« الثَّرْثَارُونَ وَالمُتَشَدِّقُونَ »، فمَا المُتَفَيْهقُونَ ؟ قَالَ: « المُتَكَبِّرُونَ ». رواه الترمذي، وقال: «حديث حسن »

১১/৬৩৬। জাবের রাঃআঃ হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ বলেছেন, ‘‘তোমাদের মধ্যে আমার প্রিয়তম এবং কিয়ামতের দিন অবস্থানে আমার নিকটতম ব্যক্তিদের কিছু সেই লোক হবে যারা তোমাদের মধ্যে চরিত্রে শ্রেষ্ঠতম। আর তোমাদের মধ্যে আমার নিকট ঘৃণ্যতম এবং কিয়ামতের দিন অবস্থানে আমার নিকট থেকে দূরতম হবে তারা; যারা ‘সারসার’ [অনর্থক অত্যধিক আবোল-তাবোল বলে যারা] ও ‘মুতাশাদ্দিক’ [বা আলস্যভরে টেনে টেনে কথা বলে যারা] এবং যারা ‘মুতাফাইহিক’ লোক; সাহাবায়ে কিরাম বলিলেন, ‘সারসার’ [অনর্থক কথাবার্তা যারা বলে] এবং মুতাশাদ্দিক [আলস্যভরে বা কায়দা করে টেনে-টেনে কথা বলে] তাহাদেরকে তো চিনলাম; কিন্তু ‘মুতাফাইহিক’ কারা? রাসূল বলিলেন, অহংকারীরা।’’ [তিরমিযী, হাসান][11]

11/637 وَرَوَى التِّرمِذِي عَن عَبدِ اللهِ بنِ المُبَارَكِ رَحِمَهُ اللهُ فِي تَفسِيرِ حُسْنِ الخُلُقِ، قَالَ: «هُوَ طَلاَقَةُ الوَجه، وَبَذْلُ المَعرُوفِ، وَكَفُّ الأذَى ».

ইমাম তিরমিযী আব্দুল্লাহ ইবন মুবারক [রাহিমাহুল্লাহ] হতে সচ্চরিত্রতার ব্যাখ্যা বর্ণনা করিয়াছেন, তিনি বলেছেন, ‘তা হল, সর্বদা হাসিমুখ থাকা, মানুষের উপকার করা এবং কাউকে কষ্ট না দেওয়া।’


[1] সহীহুল বুখারী ৬২০৩, ৬১২৯, মুসলিম ২১৫০, তিরমিযী ৩৩৩, ১৯৬৯, আবূ দাউদ ৬৫৮, ৪৯৬৯, ইবনু মাজাহ ৩৭২০, ৩৭৪০, আহমাদ ১১৭২, ১১৭৮৯, ১২২১৫, ১২৩৪২, ১২৪৩৩

[2] সহীহুল বুখারী ৩৫৪৭, ৩৫৪৮, ৩৫৫০, ৩৫৬১, ৩৫৮৯৪, ৫৮৯৫, ৫৯০০, ৫৯০৩, ৫৯০৪, ৫৯০৫, ৫৯০৬, ৫৯১২, ৫৯০৭, মুসলিম ২৩৩৮, ২৩৪১, ২৩৪৭, তিরমিযী ১৮৫৪, ৩৬২৩, নাসায়ী ৫০৫৩, ৫০৮৬, ৫০৮৭, ৫২৩৪, ৫২৩৫, আবূ দাউদ ৪১৮৫, ৪১৮৬, ইবনু মাজাহ ৩৬২৯, ৩৬৩৪, আহমাদ ১২৩৭৩, ১১৫৫৪, ১১৫৭৭, ১১৬৪২, মুওয়াত্তা মালিক ১৪৩৪, ১৭০৭, দারেমী ৬১৬২

[3] সহীহুল বুখারী ১৮২৫, ২৫৭৩, ২৫৯৬, মুসলিম ১১৯৩, ১১৯৪, তিরমিযী ৮৪৯, নাসায়ী ২৮১৯, ২৮২০, ২৮২৩, ইবনু মাজাহ ৩০৯০, আহমাদ ১৫৯৮৭, ১৫৯৮৮, ১৬২২১, ১৬২৩৫, ২৭৮১২, মুওয়াত্তা মালিক ৭৯৩, দারেমী ১৮২৮, ১৮৩০

[4] মুসলিম ২৫৫৩, তিরমিযী ২৩৮৯, আহমাদ ১৭১৭৯, দারেমী ২৭৮৯

[5] সহীহুল বুখারী ৩৭৫৮, ৩৫৫৯, ৩৭৬০, ৩৮০৬, ৩৮০৮, ৪৯৯৯, ৬০২৯, ৬০৩৫, মুসলিম ২৩২১, ২৪৬৪, তিরমিযী ১৯৭৫, ৩৮১০, আহমাদ ৫৪৬৮, ৬৬৯৬, ২৭৬৭০, ৬৭৭৪, ৬৭৯৮, ৬৯৯৫

[6] তিরমিযী ২০০২, আবূ দাউদ ৪৭৯৯, আহমাদ ২৬৯৭১, ২৬৯৮৪, ২৭০০৫

[7] তিরমিযী ২০০৪, ইবনু মাজাহ ৪২৪৬, আহমাদ ৭৮৪৭, ৮৮৫২, ৯৪০৩

[8] তিরমিযী ১১৬২, আহমাদ ৭৩৫৪, ৯৭৫৬, ১০৪৩৬, দারেমী ২৭৯২

[9] আবূ দাউদ ৪৭৯৮, আহমাদ ২৩৮৩৪, ২৪০৭৪

[10] আবূ দাউদ ৪৮০০

[11] তিরমিযী ২০১৮

About halalbajar.com

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Check Also

ইলম (জ্ঞান ও শিক্ষা) বিষয়ক অধ্যায়

পরিচ্ছেদ – ২৪১ঃ ইল্মের ফযীলত পরিচ্ছেদ – ২৪২ঃ মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা ওয়াজেব

Leave a Reply

%d bloggers like this: