সওমে বিসাল, অর্থাৎ একাদিক্রমে রোযা রাখা হারাম

সওমে বিসাল, অর্থাৎ একাদিক্রমে রোযা রাখা হারাম

সওমে বিসাল, অর্থাৎ একাদিক্রমে রোযা রাখা হারাম >> রিয়াদুস সালেহীন  হাদিস শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে রিয়াদুস সালেহীন হাদিস শরীফ এর একটি পরিচ্ছেদের হাদিস পড়ুন

পরিচ্ছেদ – ৩৪৬ : সওমে বিসাল, অর্থাৎ একাদিক্রমে দুই বা ততোধিক

দিন ধরে বিনা পানাহারে রোযা রাখা হারাম

1/1773 عَنْ أَبي هُرَيرَةَ وَعَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا : أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الوِصَالِ .متفق عَلَيْهِ

১/১৭৭৩। আবূ হুরায়রা রাঃআঃ ও হাদিসের রাদিয়াল্লাহু আনহা প্রমুখাৎ বর্ণিত, নবী সাঃআঃ সওমে বিসাল তথা বিনা পানাহারে কয়েকটি রোযা রাখতে নিষেধ করিয়াছেন। [বুখারী ও মুসলিম] [1]

2/1774 وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: نَهَى رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الوِصَالِ . قَالُوا : إِنَّكَ تُوَاصِلُ ؟ قَالَ: «إِنِّي لَسْتُ مِثْلَكُمْ، إِنِّي أُطْعَمُ وَأُسْقَى» . متفق عَلَيْهِ . وهذا لفظ البخاري

২/১৭৭৪। ইবনি উমার রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ সওমে বিসাল রাখতে নিষেধ করিলেন। লোকেরা নিবেদন করিল, ‘আপনি তো সওমে বিসাল রাখেন? তিনি বলিলেন, ‘‘[এ বিষয়ে] আমি তোমাদের মত নই। আমাকে [আল্লাহর তরফ থেকে] পানাহার করানো হয়।’’ [বুখারী ও মুসলিম] [2]

* [অর্থাৎ এ ব্যাপারে আমি তোমাদের মত নই। এতে যে কষ্ট তোমরা পাবে, আমি পাব না। কারণ মহান আল্লাহ আমাকে পানাহার করান। সুতরাং এ রোযা আল্লাহর রসূলের জন্য নির্দিষ্ট, অন্যের জন্য তা বৈধ নয়।]


[1] সহীহুল বুখারী ১৯৬৪, ১৯৬৫, মুসলিম ১১০৫, আহমাদ ২৪০৬৫, ২৪১০৩, ২৪৪২৪, ২৫৫২৩, ২৫৬৭৯

[2] সহীহুল বুখারী ১৯২২, ১৯৬২, মুসলিম ১১০২, আবূ দাউদ ২৩৬০, আহমাদ ৪৭০৭, ৪৭৩৮, ৫৭৬১, ৫৮৮১, ৬০৯০, ৬২৬৩, ৬৩৭৭, মুওয়াত্তা মালিক ৬৭৩

By রিয়াদুস সালেহিন

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply