শুভকাজে প্রতিযোগিতা ও শীঘ্র করা -পরিচ্ছেদ-১০: রিয়াদুস সালেহীন

শুভকাজে প্রতিযোগিতা ও শীঘ্র করা -পরিচ্ছেদ-১০: রিয়াদুস সালেহীন

শুভকাজে প্রতিযোগিতা ও শীঘ্র করা -পরিচ্ছেদ-১০: রিয়াদুস সালেহীন >> রিয়াদুস সালেহীন  হাদিস শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে রিয়াদুস সালেহীন হাদিস শরীফ এর একটি পরিচ্ছেদের হাদিস পড়ুন

পরিচ্ছেদ -১০ : শুভকাজে প্রতিযোগিতা ও শীঘ্র করা এবং পুণ্যকামীকে পুণ্যের প্রতি তৎপরতার সাথে নির্দ্বিধায় সম্পাদন করিতে উৎসাহিত করা

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿ فَٱسۡتَبِقُواْ ٱلۡخَيۡرَٰتِۚ ﴾ [البقرة: ١٤٨] 

অর্থাৎ এতএব তোমরা সৎকর্মে প্রতিযোগিতা কর। [সূরা বাক্বারাহ ১৪৮ আয়াত]

তিনি আরো বলেছেন,

﴿ ۞وَسَارِعُوٓاْ إِلَىٰ مَغۡفِرَةٖ مِّن رَّبِّكُمۡ وَجَنَّةٍ عَرۡضُهَا ٱلسَّمَٰوَٰتُ وَٱلۡأَرۡضُ أُعِدَّتۡ لِلۡمُتَّقِينَ ١٣٣ ﴾ [ال عمران: ١٣٣] 

অর্থাৎ “তোমরা প্রতিযোগিতা [ত্বরা] কর, তোমাদের প্রতিপালকের নিকট থেকে ক্ষমা এবং বেহেশ্তের জন্য, যার প্রস্থ আকাশ ও পৃথিবীর সমান, যা ধর্মভীরুদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।” [সূরা আলে ইমরান ১৩৩ আয়াত]

এ বিষয়ে হাদীসসমূহ নিম্নরূপঃ-

1/88 عَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه : أَنَّ رَسُولَ الله ﷺ، قَالَ: «بَادِرُوا بِالأعْمَال فتناً كَقِطَعِ اللَّيْلِ المُظْلِمِ، يُصْبحُ الرَّجُلُ مُؤْمِناً وَيُمْسِي كَافِراً، وَيُمْسِي مُؤمِناً ويُصبحُ كَافِراً، يَبيعُ دِينَهُ بعَرَضٍ مِنَ الدُّنيا». رواه مسلم

১/৮৮। আবু হুরায়রা রাঃআঃ হইতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ বলেন তোমরা অন্ধকার রাতের টুকরোসমূহের মত [যা একটার পর একটা আসতে থাকে এমন] ফিত্নাসমূহ আসার পূর্বে নেকীর কাজ দ্রুত করে ফেল। মানুষ সে সময়ে সকালে মু’মিন থাকবে এবং সন্ধ্যায় কাফের হয়ে যাবে অথবা সন্ধ্যায় মু’মিন থাকবে এবং সকালে কাফের হয়ে যাবে। নিজের দ্বীনকে দুনিয়ার সম্পদের বিনিময়ে বিক্রয় করিবে।[1]

2/89 عَنْ أَبِي سِرْوَعَةَ عُقبةَ بنِ الحَارِثِ رضي الله عنه، قَالَ : صَلَّيتُ وَرَاءَ النَّبيّ ﷺ بالمَدِينَةِ العَصْرَ، فَسَلَّمَ ثُمَّ قَامَ مُسْرِعاً، فَتَخَطَّى رِقَابَ النَّاسِ إِلَى بعْضِ حُجَرِ نِسَائِهِ، فَفَزِعَ النَّاسُ مِنْ سُرْعَتِهِ، فَخَرَجَ عَلَيهمْ، فَرأى أنَّهمْ قَدْ عَجِبُوا مِنْ سُرعَتهِ، قَالَ : «ذَكَرتُ شَيئاً مِنْ تِبرٍ عِندَنَا فَكَرِهتُ أنْ يَحْبِسَنِي فَأمَرتُ بِقِسْمَتِهِ». رواه البخاري

وفي رواية لَهُ: «كُنتُ خَلَّفتُ في البَيْتِ تِبراً مِنَ الصَّدَقةِ فَكَرِهتُ أنْ أُبَيِّتَهُ».

২/৮৯। আবূ সিরওয়াআহ উক্ববাহ ইবনি হারেস রাঃআঃ বলেন যে, আমি নবী সাঃআঃ-এর পিছনে মদীনায় আসরের নামায পড়লাম। অতঃপর সালাম ফিরে তিনি অতি শীঘ্র দাঁড়িয়ে পড়লেন। তারপর লোকদের গর্দান টপকে তাহাঁর কোন এক স্ত্রীর কামরায় চলে গেলেন। লোকেরা তাহাঁর শীঘ্রতা দেখে ঘাবড়ে গেল। অতঃপর তিনি বের হয়ে এলেন; দেখলেন লোকেরা তাহাঁর শীঘ্রতার কারণে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে। তিনি বলিলেন, ‘‘[নামাযে] আমার মনে পড়ল যে, [বাড়ীতে সোনা অথবা চাঁদির] একটি টুকরা রয়ে গেছে। আমি চাইলাম না যে, তা আমাকে আল্লাহর স্মরণে বাধা দেবে। যার জন্য আমি [দ্রুত বাড়ীতে গিয়ে] তা বণ্টন করার আদেশ দিলাম।’’

অন্য এক বর্ণনায় আছে, ‘‘আমি বাড়ীতে সাদকার একটি স্বর্ণখণ্ড ছেড়ে এসেছিলাম। অতঃপর আমি তা রাতে নিজ গৃহে রাখা পছন্দ করলাম না।’’[2]

3/90 عَن جَابِرٍ رضي الله عنه، قَالَ : قَالَ رَجُلٌ لِلنَّبِي ﷺ يَومَ أُحُد : أَرَأيتَ إنْ قُتِلتُ فَأَيْنَ أَنَا ؟ قَالَ: «في الجنَّةِ» فَأَلْقَى تَمَرَاتٍ كُنَّ في يَدِهِ، ثُمَّ قَاتَلَ حَتَّى قُتِلَ . مُتَّفَقٌ عَلَيهِ

৩/৯০। জাবের রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, উহুদ যুদ্ধের দিন এক সাহাবী নবী সাঃআঃ-কে বলিলেন, ‘আপনি বলুন! আমি যদি [কাফেরদের হাতে] মারা যাই, তাহলে আমি কোথায় যাব?’ তিনি বলিলেন, ‘‘জান্নাতে।’’ এ কথা শোনামাত্র তিনি তাহাঁর হাতের খেজুরগুলো ছুঁড়ে ফেলে দিলেন। তারপর [কাফেরদের সাথে] যুদ্ধ করিতে করিতে শাহাদত বরণ করিলেন।[3]

4/91 عَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه، قَالَ : جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبيِّ ﷺ، فَقَالَ : يَا رسولَ الله، أيُّ الصَّدَقَةِ أعْظَمُ أجْراً؟ قَالَ: «أنْ تَصَدَّقَ وَأنتَ صَحيحٌ شَحيحٌ، تَخشَى الفَقرَ وتَأمُلُ الغِنَى، وَلاَ تُمهِلْ حَتَّى إِذَا بَلَغتِ الحُلقُومَ قُلْتَ لِفُلاَنٍ كَذَا وَلِفُلاَنٍ كَذَا، وقَدْ كَانَ لِفُلانٍ». مُتَّفَقٌ عَلَيهِ

৪/৯১। আবু হুরায়রা রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, এক ব্যক্তি নবী সাঃআঃ-এর কাছে এসে বলিল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! কোন্ সাদ্কাহ নেকীর দিক দিয়ে বড়?’ তিনি বলিলেন, ‘‘তোমার সে সময়ের সাদকাহ করা [বৃহত্তম নেকীর কাজ] যখন তুমি সুস্থ থাকবে, মালের লোভ অন্তরে থাকবে, তুমি দরিদ্রতার ভয় করিবে এবং ধন-দৌলতের আশা রাখবে। আর তুমি সাদকাহ করিতে বিলম্ব করো না। পরিশেষে যখন তোমার প্রাণ কণ্ঠাগত হবে, তখন বলবে, ‘অমুকের জন্য এত, অমুকের জন্য এত। অথচ তা অমুকের [উত্তরাধিকারীর] হয়েই গেছে।’’[4]

5/92 عَن أَنَسٍ رضي الله عنه: أنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ أَخَذَ سَيفاً يَومَ أُحُدٍ، فَقَالَ: «مَنْ يَأخُذُ منِّي هَذَا ؟»فَبَسطُوا أيدِيَهُمْ كُلُّ إنسَانٍ مِنْهُمْ يقُولُ : أَنَا أَنَا . قَالَ: «فَمَنْ يَأخُذُهُ بحَقِّه ؟»فَأَحْجَمَ القَومُ، فَقَالَ أَبُو دُجَانَةَ رضي الله عنه: أنا آخُذُهُ بِحَقِّهِ، فَأَخَذَهُ فَفَلقَ بِهِ هَامَ المُشْرِكِينَ . رواه مسلم

৫/৯২। আনাস রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, উহুদের দিন রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ একখানি তরবারি হাতে নিয়ে বলিলেন, ‘আমার কাছ থেকে এই তরবারি কে নেবে?’ সাহাবীগণ নিজ নিজ হাত বাড়িয়ে দিলেন। তাঁদের মধ্যে প্রত্যেকেই বলিতে লাগলেন, ‘আমি, আমি।’ তিনি বলিলেন, ‘‘কে এর হক আদায়ের জন্য নেবে?’’ [এ কথা শুনে] সবাই থমকে গেলেন। অতঃপর আবূ দুজানা রাঃআঃ বলিলেন, ‘আমি এর হক আদায়ের জন্য নেব।’ তারপর তিনি তা নিয়ে নিলেন এবং তার দ্বারা মুশরিকদের শিরোচ্ছেদ করিতে থাকলেন।[5]

6/93 عَنِ الزُّبَيرِ بنِ عَدِيّ، قَالَ : أَتَيْنَا أَنَسَ بنَ مَالِكٍ رضي الله عنه فَشَكَوْنَا إِلَيْهِ مَا نَلْقَى مِنَ الحَجَّاجِ . فَقَالَ : «اصْبرُوا ؛ فَإنَّهُ لاَ يَأتِي زَمَانٌ إلاَّ وَالَّذِي بَعدَهُ شَرٌّ مِنهُ حَتَّى تَلقَوا رَبَّكُمْ»سَمِعتُهُ مِنْ نَبِيِّكُمْ ﷺ . رواه البخاري

৬/৯৩। যুবাইর ইবনি আদী রাঃআঃ বলেন, আমরা আনাস ইবনি মালেক রাঃআঃ-এর নিকটে এলাম এবং তাহাঁর কাছে হাজ্জাজের অত্যাচারের অভিযোগ করলাম। তিনি বলিলেন, ‘তোমরা ধৈর্য ধারণ কর। কারণ, এখন যে যুগ আসবে তার পরবর্তী যুগ ওর চেয়ে খারাপ হবে, শেষ পর্যন্ত তোমরা তোমাদের প্রভুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করিবে।’ [আনাস রাঃআঃ বলেন,] ‘এ কথা আমি তোমাদের নবী সাঃআঃ-এর কাছে শুনেছি।’[6]

7/94 عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ قَالَ: «بَادِرُوْا بِالأَعْمَالِ سَبْعاً، هَلْ تَنْتَظُرُوْنَ إلاَّ فَقْراً مُنْسِياً، أَوْ غَنِيٌ مُطْغِياً، أَوْ مَرَضاً مُفْسِداً، أَوْ هَرَماً مُفْنِداً أَوْمَوْتاً مُجْهِزاً أَوِ الدَّجَّالَ فَشَرُّ غَائِبٌ يُنْتَظِرُ، أَوِ السَّاعَةُ فَالسَّاعَةُ أَدْهٰى وأَمَرُّ» رواه الترمذي وقال: حديثٌ حسن .ٰ

৭/৯৪। আবু হুরায়রা রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ বলেছেনঃ সাতটি জিনিসের পূর্বেই তোমরা জলদি সব কর্ম করে ফেল। তোমরা কি অপেক্ষায় থাকবে যে, এমন দারিদ্র এসে যাক ইসলামের আদেশ পালন হতে যা বিস্মৃত রাখে? অথবা এমন ধন-দৌলত হোক যা ইসলাম দ্রোহিতার দিকে ধাবিত করে? অথবা এমন ব্যাধি হোক যা শরীরকে দুর্বল করে দেয়? অথবা এমন বার্ধক্য আসুক যা জ্ঞান বিনষ্ট করে? অথবা হঠাৎ মরণ এসে যাক, অদৃশ্য দুই দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ ঘটুক অথবা কিয়ামাত এসে যাক? আর কিয়ামাত তো নিতান্তই বিভীষিকাময় ও তিক্ত।[7]

8/95 عَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أن رَسُولَ الله ﷺ، قَالَ يَومَ خَيبَر: «لأُعْطِيَنَّ هذِهِ الرَّايَةَ رَجُلاً يُحِبُّ اللهَ وَرَسُولَهُ يَفتَحُ اللهُ عَلَى يَدَيهِ» قَالَ عُمَرُ رضي الله عنه: مَا أحبَبْتُ الإِمَارَة إلاَّ يَومَئِذٍ، فَتَسَاوَرتُ لَهَا رَجَاءَ أنْ أُدْعَى لَهَا، فَدَعَا رَسُولُ الله ﷺ عَلِيَّ بنَ أبِي طَالِبٍ رضي الله عنه فَأعْطَاهُ إيَّاهَا، وَقَالَ: «امْشِ وَلا تَلتَفِتْ حَتَّى يَفتَحَ اللهُ عَلَيكَ» فَسَارَ عليٌّ شيئاً ثُمَّ وَقَفَ وَلَمْ يَلتَفِتْ فَصَرَخَ : يَا رَسُولَ الله، عَلَى مَاذَا أُقَاتِلُ النّاسَ ؟ قَالَ: «قاتِلْهُمْ حَتَّى يَشْهَدُوا أنْ لاَ إِلٰهَ إلاَّ اللهُ، وَأنَّ مُحَمَّداً رَسُولُ الله، فَإِذَا فَعَلُوا فقَدْ مَنَعُوا مِنْكَ دِمَاءَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ إلاَّ بحَقِّهَا، وحِسَابُهُمْ عَلَى الله». رواه مسلم

৮/৯৫। আবু হুরায়রা রাঃআঃ হইতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ খায়বারের দিন বলিলেন, ‘‘নিশ্চয় আমি, এই পতাকা এমন এক ব্যক্তিকে দেব যে আল্লাহ ও তাহাঁর রাসূলকে ভালবাসে। আল্লাহ তা‘আলা তার হাতে বিজয় দান করিবেন।’’ উমার রাঃআঃ বলেন, ‘আমি কখনো কর্তৃত্বভার গ্রহণের ইচ্ছা করিনি [কিন্তু সেদিনই আমার বাসনা হল]। সুতরাং আমি এই আশাতে উঠে উঁচু হয়ে দাঁড়াতে থাকলাম; যেন আমাকে এর জন্য ডাকা হয়।’ অবশেষে রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ আলী ইবন আবী তালেব রাঃআঃ-কে ডাকলেন। তারপর তিনি তাহাঁর হাতে পতাকা তুলে দিয়ে বলিলেন, ‘‘তুমি চলতে শুরু কর এবং কোন দিকে তাকাবে না; যে পর্যন্ত না আল্লাহ তা‘আলা তোমাকে বিজয় দান করিবেন।’’ অতঃপর আলী কিছু দূর গিয়ে থেমে গেলেন এবং কোন দিকে না তাকিয়ে উঁচু আওয়াজে বলিলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি কিসের জন্য লোকেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব?’ তিনি বলিলেন, ‘‘তুমি সে পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাবে, যে পর্যন্ত  তারা এ কথার সাক্ষ্য না দেবে যে, আল্লাহ ছাড়া [কেউ সত্য] উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ তাহাঁর রাসূল। যখন তারা এ কাজ করিবে তখন নিঃসন্দেহে তাহাদের জান ও মালকে তোমার হাত হতে বাঁচিয়ে নেবে। কিন্তু তার অধিকারের সাথে [অর্থাৎ সে যদি কোন মুসলিমকে হত্যা করে, তাহলে প্রতিশোধ স্বরূপ তাকে হত্যা করা বৈধ হবে এবং সে যদি কারোর মাল ছিনিয়ে নেয় অথবা যাকাত না দেয়, তাহলে সে মাল তার কাছ থেকে আদায় করা জরুরী।] আর তাহাদের হিসাব আল্লাহর দায়িত্বে।’’[8]


[1] মুসলিম ১১৮, তিরমিযী ২১৯৫, আহমাদ ৭৯৭০, ৮৬৩১, ৮৮২৯

[2] সহীহুল বুখারী ৮৫১, ১২২১, ১৪৩০, ৬২৭৫, নাসায়ী ১৩৬৫, আহমাদ ১৫৭১৮, ১৮৯৩৩

[3] সহীহুল বুখারী ৪০৪৬, মুসলিম ১৮৯৯, নাসায়ী ৩১৫৪, আহমাদ ১৩৯০২, মুওয়াত্তা মালেক ১০১৪

[4] সহীহুল বুখারী ১৪১৯, ২৮৪৮, মুসলিম ১০৩২, নাসায়ী ২৫৪২, ৩৬১১ আবূ দাউদ ২৮৬৫, আহমাদ ৭১১৯, ৭৩৫৯, ৭১১৪

[5] মুসলিম ২৪৭০, আহমাদ ১১৮২৬

[6] সহীহুল বুখারী ৭০৬৮, তিরমিযী ২২০৬, আহমাদ ১১৯৩৮, ১২৪০৬, ১২৪২৭

[7] হাদীসটিকে ইমাম তিরমিযী বর্ণনা করে বলেছেনঃ হাদীসটি হাসান। কিন্তু হাদীসটি হাসান নয় বরং দুর্বল। আমি [আলবানী] বলছিঃ এর সনদে দুর্বলতা রয়েছে আর এ সম্পর্কে আমি ‘‘সিলসিলাহ্ য‘ঈফা’’ গ্রন্থে [নং ১৬৬৬] ব্যাখ্যা প্রদান করেছি। আমি এর কোন শাহেদ পাচ্ছি না। তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত সনদে মুহরিয ইবনু হারূন নামক এক বর্ণনাকারী রয়েছেন তার সম্পর্কে ইমাম বুখারী বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস। অন্য একটি সূত্রে এ মুহরিয না থাকলেও সেটির মধ্যে নাম উল্লেখ না করা এক অজ্ঞাত ব্যক্তি হতে মা‘মার বর্ণনা করিয়াছেন আর সে অজ্ঞাত ব্যক্তি মাকবূরী হতে বর্ণনা করিয়াছেন। ফলে অন্য সূত্রটিও এ মাজহূল বর্ণনাকারীর কারণে দুর্বল।

[8] মুসলিম ২৪০৫

By রিয়াদুস সালেহিন

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply