অর্ধ শা’বানের পর রমযানের এক দুদিন আগে রোযা রাখা নিষেধ

অর্ধ শা’বানের পর রমযানের এক দুদিন আগে রোযা রাখা নিষেধ

অর্ধ শা’বানের পর রমযানের এক দুদিন আগে রোযা রাখা নিষেধ  >> রিয়াদুস সালেহীন  হাদিস শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে রিয়াদুস সালেহীন হাদিস শরীফ এর একটি পরিচ্ছেদের হাদিস পড়ুন

পরিচ্ছেদ – ২১৯: অর্ধ শা’বানের পর রমযানের এক-দু’দিন আগে থেকে রোযা রাখা নিষেধ। তবে সেই ব্যক্তির জন্য অনুমতি রয়েছে যার রোযা পূর্বের রোযার সাথে মিলিত হয়ে অথবা সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোযা রাখতে অভ্যস্ত হয়ে ঐ দিনে পড়ে

1/1232 عَن أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «لاَ يَتَقَدَّمَنَّ أَحَدُكُم رَمَضَانَ بِصَوْمِ يَوْمٍ أَوْ يَوْمَيْنِ، إِلاَّ أَنْ يَكُونَ رَجُلٌ كَانَ يَصُومُ صَومَهُ، فَليَصُمْ ذَلِكَ اليَوْمَ». متفقٌ عَلَيْهِ

১/১২৩২। আবূ হুরায়রা রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, নবী সাঃআঃ বলেছেন, “তোমাদের কেউ যেন রমযান মাসের এক বা দু’দিন আগে [শা’বানের শেষে] রোযা পালন শুরু না করে। অবশ্য সেই ব্যক্তি রোযা রাখতে পারে, যে ঐ দিনে রোযা রাখতে অভ্যস্ত।” [বুখারী ও মুসলিম][1]

1/1233 وَعَنِ ابنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم :«لاَ تَصُومُوا قَبْلَ رَمضَانَ، صُومُوا لِرُؤيَتِهِ، وَأَفْطِرُوا لِرُؤيَتِهِ، فَإِنْ حَالَتْ دُونَهُ غَيَايَةٌ فَأَكْمِلُوا ثَلاثِينَ يَوْماً». رواه الترمذي، وقال: حديث حسنٌ صحيح

২/১২৩৩। ইবনি আব্বাস রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “তোমরা রমযানের পূর্বে রোযা রেখো না। তোমরা চাঁদ দেখে রোযা রাখ এবং চাঁদ দেখে রোযা ছাড়। আর যদি তার সামনে কোন মেঘ আড়াল করে, তবে [মাসের] ত্রিশ দিন পূর্ণ কর।” [তিরমিযী, হাসান সহীহ][2]

3/1234 وَعَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا بَقِيَ نِصْفٌ مِنْ شَعْبَانَ فَلاَ تَصُومُوا». رواه الترمذي، وقال: حديث حسن صحيح

৩/১২৩৪। আবূ হুরায়রা রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “যখন শা’বান মাসের অর্ধেক বাকী থাকিবে, তখন তোমরা রোযা রাখবে না।” [তিরমিযী, হাসান সহীহ][3]

4/1235 وَعَنْ أَبي اليَقَظَانِ عَمَّارِ بن يَاسِرٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: مَنْ صَامَ اليَوْمَ الَّذِي يُشَكُّ فِيهِ، فَقَدْ عَصَى أَبَا القَاسِمِ صلى الله عليه وسلم . رواه أَبُو داود والترمذي، وقال: حديث حسن صحيح

৪/১২৩৫। আবূ ইয়াক্বাযান আম্মার ইবনি ইয়াসির রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি সন্দেহের দিনে রোযা রাখল, সে অবশ্যই আবুল কাসেম সাঃআঃ-এর নাফরমানী করিল।’ [আবূ দাউদ, তিরমিযী, হাসান সহীহ][4]


[1] সহীহুল বুখারী ১৯১৪, মুসলিম ১০৮২, তিরমিযী ৬৮৪, ৬৮৫, নাসায়ী ২১৭২, ২১৭৩, আবূ দাউদ ২৩৩৫, ইবনু মাজাহ ১৬৫০, আহমাদ ৭১৫৯, ৭৭২২, ৮৩৭০, ৯০৩৪, ৯৮২৮, ১০২৮৪, ১০৩৭৬, ২৭২১১, ২৭৩১৭, দারেমী ১৬৮৯

[2]তিরমিযী ২৮৮, নাসায়ী ২১২৪, ২১২৫, ২১২৯, ২১৩০, আবূ দাউদ ২৩২৭, আহমাদ ১৯৩২, ১৯৮৬, ২৩৩১, ২৭৮৫, ৩৪৬৪, ইবনু মাজাহ ৬৩৫, দারেমী ১৫৬৩, ১৬৮৬

[3] তিরমিযী ৭৩৮, ৬৮৪, ৬৮৫, সহীহুল বুখারী ১৯১৪, মুসলিম ১০৮২, নাসায়ী ২১৭২, ২১৭৩, আবূ দাউদ ২৩৩৫, ২৩৩৭, ইবনু মাজাহ ১৬৫০, ১৬৫১, ১৬৫৫, আহমাদ ৯৪১৪, ২৭২১১, ২৭৩১৭, দারেমী ১৬৮৯, ১৭৪০

[4] তিরমিযী ৬৮৬, নাসায়ী ২১৮৮, আবূ দাউদ ২৩৩৪, ইবনু মাজাহ ১৬৪৫, দারেমী ১৬৮২

By রিয়াদুস সালেহিন

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply