রোযা ভঙ্গের কারণ সমূহ এবং ঠিক থাকার কারন সমূহ

রোযা ভঙ্গের কারণ সমূহ এবং ঠিক থাকার কারন সমূহ

রোযা ভঙ্গের কারণ সমূহ এবং ঠিক থাকার কারন সমূহ >> সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস এর মুল সুচিপত্র পড়ুন

পর্বঃ ৭, অধ্যায়ঃ (১৩-২১)=৯টি

৭/১৩. অধ্যায়ঃ রমাদানের রোযা কাদা করা।
৭/১৪. অধ্যায়ঃ যে ব্যক্তি রমাদানের একটি রোযাও ভঙ্গ করে তাহার কাফফারা।
৭/১৫. অধ্যায়ঃ কোন ব্যক্তি ভুলবশত রোযা ভঙ্গ করিলে।
৭/১৬. অধ্যায়ঃ রোযাদার বমি করিলে
৭/১৭. অধ্যায়ঃ রোযাদারের মিসওয়াক করা ও সুরমা লাগানো।
৭/১৮. অধ্যায়ঃ রোযাদারের রক্তমোক্ষণ করানো
৭/১৯. অধ্যায়ঃ রোযাদারের চুমু দেয়া সম্পর্কে
৭/২০. অধ্যায়ঃ রোযা অবস্থায় স্ত্রীর দেহ স্পর্শ করা।
৭/২১. অধ্যায়ঃ রোযাদার ব্যক্তির গীবত ও অশ্লীল কাজে লিপ্ত হওয়া ।

৭/১৩. অধ্যায়ঃ রমাদানের রোযা কাদা করা।

১৬৬৯ আয়িশা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমার উপর রমজান মাসের রোযাহার কাদা থাকলে আমি শাবান মাস না আসা পর্যন্ত তা রাখতাম না। {১৬৬৯}

{১৬৬৯} সহিহুল বুখারি হাদিস নং ১৯৫০, মুসলিম ১১৪৬, তিরমিজি ৭৮৩, নাসাঈ ২১৭৮, ২৩১৯, আবু দাউদ ২৩৯৯, আহমাদ ২৪৪০৭, ২৪৯৩৪, মুয়াত্তা মালিক ৬৮৬ ইরওয়াহ ৯৪৪, তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবি আলী ইবনিল মুনযীর সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী ও সিকাহ। ইবনি হাজার আসকালনী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে শীয়া মতাবলম্বী। ইবনি হিব্বান তাহার সিকাহ গ্রন্থে তাহার নাম উল্লেখ করিয়াছেন। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ৪১৪০, ২১/১৪৫ নং পৃষ্ঠা] হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

১৬৭০ আয়িশা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ]-এর জীবদ্দশায় আমরা ঋতুবতী হতাম। তিনি আমাদের [ছুটে যাওয়া] রোযাহার কাদা করার নির্দেশ দিতেন। {১৬৭০}

{১৬৭০} মুসলিম ৩৩৫, নাসাঈ ২৩১৯, সহীহ আবু দাউদ ২৫৫, ইরওয়াহ ২০০, তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবি উবায়দ সম্পর্কে আমর বিন ফাল্লাস বলেন, তাহার স্মৃতিশক্তি খুবই দুর্বল ও তাহার হাদিস প্রত্যাখ্যানযোগ্য। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, মানুষ তাহাকে বর্জন করিয়াছেন। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি দুর্বল। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি সিকাহ নন। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ৩৭৬০, ১৯/২৭৩ নং পৃষ্ঠা] উক্ত হাদিসটি সহীহ কিন্তু উবায়দাহ এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ৫৬ টি শাহিদ হাদিস রিয়েছে, তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ বুখারী ৩২১, মুসলিম ৩৩৬, ৩৩৭, তিরমিজি ৭৮৭, আবু দাউদ ২৬২, দারেমী ৯৮৬, ৯৮৮, মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক ১২৭৭, শারহুস সুন্নাহ ৩২৩ ইত্যাদি। হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৭/১৪. অধ্যায়ঃ যে ব্যক্তি রমাদানের একটি রোযাও ভঙ্গ করে তাহার কাফফারা।

১৬৭১ আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

এক ব্যক্তি নবী [সাঃআঃ] -এর নিকট এসে বলল, আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। তিনি বলেন, কিসে তোমাকে ধ্বংস করিল। সে বলল, আমি রমযানের রোযাহারত অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করেছি। নবী [সাঃআঃ] বলেন, তুমি একটি গোলাম আযাদ করো। সে বলল, আমার সেই সামর্থ্য নেই। তিনি বলেন, তাহলে একাধারে দুমাস রোযা রাখো। সে বলল, আমার সেই সামর্থ্যও নেই। তিনি বলেন, তাহলে ষাটজন মিসকীনকে আহার করাও। সে বলল, আমার সেই সামর্থ্যও নেই। তিনি বলেন, তুমি বসো। অতএব সে বসে থাকলো। ইতোমধ্যে এক ঝুড়ি খেজুর এলো। তিনি বলেন, যাও এটা দান করে দাও। সে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! সেই সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করিয়াছেন! মদীনার দু কংকরময় প্রান্তরের মাঝে আমাদের চেয়ে অধিক অভাবগ্রস্ত আর কেউ নেই। তিনি বলিলেন, যাও, এগুলো তোমার পরিবার-পরিজনদের খাওয়াও। {১৬৭১}

{উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের একটি বর্ণিত হইয়াছে, অপর সানাদটি হলোঃ}

১/১৬৭১[১]. আবু হুরাইরা [রাদি.], রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেন, নবী [সাঃআঃ] বলেন, তাহার পরিবর্তে একদিন রোযা রাখো। {১৬৭১}

তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ।

{১৬৭১} সহিহুল বুখারি হাদিস নং ১৯৩৬, ১৯৩৭, ২৬০০, ৫৩৬৮, ৬০৮৭, ৬১৬৪, ৬৭০৯, ৬৭১০, ৬৭১১, ৬৮২২, মুসলিম ১১১১, তিরমিজি ৭২৪, আবু দাউদ ২৩৯০, ২৩৯২, আহমাদ ৬৯০৫, ৭২৪৮, ৭৭২৭, ১০৩০৯, মুয়াত্তা মালিক ৬৬০, দারেমী ১৭১৬, ইরওয়াহ ৯৩৯, সহীহ আবু দাউদ ২০৬৮-২০৭৩, তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবি আবদুল জাব্বার বিন উমার সম্পর্কে মুহাম্মাদ বিন সাদ সিকাহ বললেও ইয়াহইয়া বিন মাঈন তাহাকে দুর্বল বলেছেন। ঈমাম বুখারী বলেন, তিনি একাধিক মুনকার হাদিস বর্ণনা করিয়াছেন। আল-যাহলী বলেন, তিনি খুবই দুর্বল। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল ও মুনকার। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ৩৬৯৫, ১৬/৩৮৮ নং পৃষ্ঠা] উক্ত হাদিসটি সহীহ কিন্তু আবদুল জাব্বার বিন উমার এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ৫১৪ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে। তন্মধ্যে ৬৬ টি অধিক দুর্বল, ১৫৪, টি দুর্বল, ১৪১ টি হাসান, ১৫৩ টি সহীহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ বুখারী ১৯৩৫, ১৯৩৬, ১৯৩৭, ২৬০০, ৫৩৬৮, ৬০৮৭, ৬১৬৪, ৬৭০৯, ৬৭১০, ৬৭১১, ৬৮২২, মুসলিম ১১১২, ১১১৩, তিরমিজি ১১৯৮, ১১৯৯, ৩২৯৯, সুনান আবু দাউদ ২২১৩, ২২১৪, ২২১৭, ২২১৮, ২২২১, ২২২২, ২৩৯০, ২৩৯৪, দারেমী ১৭১৬, ১৭১৮, ২২৭৩ ইত্যাদি।হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

১৬৭২ আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বিনা ওজরে রমজান মাসের একদিন রোযা ভাঙ্গে সে সারা জীবন রোযা রাখলেও তাহার ক্ষতিপূরণ হইবে না। {১৬৭২}

{১৬৭২} তিরমিজি ৭২৩, আবু দাউদ ২৩৯৬, আহমাদ ৮৭৮৭, ৯৪১৩, ৯৫৯৩, ৯৭৩০, দারেমী ১৭১৪, তালীকুর রগীব ২/৭৪, জইফ আবু দাউদ ৪১৩, মিশকাত ২০১৩। তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ জইফ। উক্ত হাদিসের রাবি [ইয়াযীদ] ইবনিল মুতাব্বিস সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন তাহাকে সিকাহ বললেও আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, আমি তাহাকে চিনি না। ইবনি হিব্বান বলেন, তিনি তাহার পিতা থেকে হাদিস বর্ণনা করিয়াছেন, যা তাহার হাদিসের অনুসরণ করা যায় না। ঈমাম যাহাবী বলেন, তিনি অপরিচিত। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ৭৬৩৪, ৩৪/২৯৯ নং পৃষ্ঠা] ২. মুতাব্বিস সম্পর্কে ইবনি হাজার আসকালনী বলেন, তিনি অপরিচিত। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ৬০১০, ২৮/৮৯ নং পৃষ্ঠা]হাদিসের তাহকিকঃ দুর্বল হাদিস

৭/১৫. অধ্যায়ঃ কোন ব্যক্তি ভুলবশত রোযা ভঙ্গ করিলে।

১৬৭৩ আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ কোন রোযাদার ভুলক্রমে আহার করিলে সে যেন তাহার রোযা পূর্ণ করে। কেননা আল্লাহ্‌ তাহাকে পানাহার করিয়েছেন। {১৬৭৩}

{১৬৭৩} সহিহুল বুখারি হাদিস নং ১৯৩৩, ৬৬৬৯, মুসলিম ১১৫৫, তিরমিজি ৭২১, আবু দাউদ ২৩৯৮, ৮৮৯১, ৯২০৫, ৯৯৭৫, ৯৯৯৬, ১০০২০, ১০২৮৭, দারেমী ১৭২৬, ১৭২৭, ইরওয়াহ ৯৩৮, তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ।হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

১৬৭৪ আসমা বিনত আবু বাক্‌র [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

আমরা একবার রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর সময় মেঘাচ্ছন্ন দিনে ইফতাহার করলাম, তাহারপর সূর্য প্রকাশ পেলো। অধঃস্তন রাবী বলেন, আমি হিশাম [রাদি.]-কে জিজ্ঞেস করলাম, তাহাদেরকে কাযা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল কি? তিনি বলেন, অবশ্যই। {১৬৭৪}

তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ, বুখারী তাতে অতিরিক্ত মুয়াল্লাক রূপে আছে বিধায় হিশাম বলেছেনঃ আমি জানিনা তাহারা কি কাযা করিয়াছেন না করেন নি?{১৬৭৪} সহিহুল বুখারি হাদিস নং ১৯৫৯, আবু দাউদ ২৩৫৯, আবু দাউদ ২০৪২, তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ। বুখারী, তাতে অতিরিক্ত মুয়াল্লাক রূপে আছে হিশাম বলেছেনঃ আমি জানিনা তাহারা কি কাযা করিয়াছেন না করেন নি? হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৭/১৬. অধ্যায়ঃ রোযাদার বমি করিলে

১৬৭৫ ফাদালাহ বিন উবায়দ আল-আনসারী [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] একদিন রোযাহারত অবস্থায় তাহাদের নিকট বেরিয়ে আসেন। তিনি পানির পাত্র চেয়ে নিয়ে পানি পান করেন। আমরা বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি তো এই দিন [নফল] রোযা রেখেছিলেন। তিনি বলেন, হাঁ, তবে আমি বমি করেছি। {১৬৭৫}

{১৬৭৫} তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ জইফ। উক্ত হাদিসের রাবি মুহাম্মাদ বিন ইসহাক সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন ও আজালী বলেন, তিনি সিকাহ। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি হাসানুল হাদিস। আলী ইবনিল মাদানী বলেন, তিনি সালিহ। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ৫০৫৭, ২৪/৪০৫ নং পৃষ্ঠা] হাদিসের তাহকিকঃ দুর্বল হাদিস

১৬৭৬ আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] বলেন, যাহার মুখ ভরে বমি হয় তাহাকে রোযা কাযা করিতে হইবে না। যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় বমি করে তাহাকে রোযাহার কাযা করিতে হইবে। {১৬৭৬}

{১৬৭৬} তিরমিজি ৭২০, আবু দাউদ ২৩৮০, আহমাদ ১০০৮৫, দারেমী ১৭২৯, ইরওয়াহ ৯২৩, তালীক ইবনি খুযাইমাহ ১৯৬০, ১৯৬১, সহীহ আবু দাউদ ২০৫৯। তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ।হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৭/১৭. অধ্যায়ঃ রোযাদারের মিসওয়াক করা ও সুরমা লাগানো।

১৬৭৭ আয়িশা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ রোযাদারের উত্তম গুণাবলির একটি হলো দাঁতন করা। {১৬৭৭}

{১৬৭৭} যঈফাহ ৩৫৭৪। তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ জইফ। উক্ত হাদিসের রাবি ১. আবু ইসমাইল আল-মুআদ্দিব সম্পর্কে আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি সিকাহ। আহমাদ বিন সালিহ আল জায়লী তাহাকে সিকাহ হিসেবে উল্লেখ করিয়াছেন। আব্দুর রহমান বিন ইউসুফ বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইবনি হাজার আসকালনী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় অপরিচিত। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ১৭৮, ২/৯৯ নং পৃষ্ঠা] ২. মুজালীদ বিন সাঈদ সম্পর্কে ঈমাম বুখারী ও ইয়াকুব বিন সুফইয়ান বলেন, তিনি সত্যবাদী। ঈমাম নাসাঈ বলেন, তিনি সিকাহ। ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল কাত্তান বলেন, তিনি দুর্বল। ইবনি মাঈন বলেন, তাহার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহন করা যাবে না। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ৫৭৮০, ২৭/২১৯ নং পৃষ্ঠা] হাদিসের তাহকিকঃ দুর্বল হাদিস

১৬৭৮ আয়িশা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] রোযাহারত অবস্থায় সুরমা লাগিয়েছেন। {১৬৭৮}

{১৬৭৮} হাদিসটি ঈমাম ইবনি মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করিয়াছেন। রওদুন নাদীর ৭৫৯। তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবি আবুত তাকী হিশাম বিন আবদুল মালিক আল হিমসী সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিসের ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য। আবু হাতিম বিন হিব্বান তাহার সিকাহ গ্রন্থে তাহার নাম উল্লেখ করিয়াছেন। ইবনি হাজার আসকালনী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি দুর্বল। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ৬৫৮৩, ৩০/২২৩ নং পৃষ্ঠা] হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৭/১৮. অধ্যায়ঃ রোযাদারের রক্তমোক্ষণ করানো

১৬৭৯ আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ রক্তমোক্ষণকারী ও যাহার রক্তমোক্ষণ করা হয়, তাহারা উভয়ে রোযা ভঙ্গ করেছে। {১৬৭৯}

{১৬৭৯} হাদিসটি ঈমাম ইবনি মাজাহ এককভবে বর্ণনা করিয়াছেন। ইরওয়াহ ৪/৬৫। তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবি আবদুল্লাহ বিন বিশর সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আলী আল-জুরজানী বলেন, তিনি আমার নিকট হাদিসের ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য। আবু আবদুল্লাহ আল-হাকিম আন-নায়সাবূরী বলেন, তিনি আমাশ থেকে একাধিক হাদিস মুনকার সুত্রে বর্ণনা করিয়াছেন। ইবনি হাজার আল আসকালনী বলেন, তাহার থেকে হাদিস বর্ণনায় কোন সমস্যা নেই কিন্তু ইবনি মাঈন ও ইবনি হিব্বান তাহার বিরোধিতা করিয়াছেন। ঈমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি হাফিয নয়। ঈমাম বুখারী বলেন, তিনি যুহরীর হাদিস বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য নয়। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ৩১৮২, ১৪/৩৩৬ নং পৃষ্ঠা] হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

১৬৮০ সাওবান [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

আমি নবী [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনেছিঃ রক্তমোক্ষণকারী ও যাহার রক্তমোক্ষণ করা হইয়াছে তাহারা উভয়ে রোযা ভঙ্গ করেছে। {১৬৮০}

{১৬৮০} হাদিসটি ঈমাম ইবনি মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করিয়াছেন। ইরওয়াহ ৯৩১, সহীহ আবু দাউদ ২০৪৯, ২০৫২-২০৫৩। তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ। হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

১৬৮১ শাদ্দাদ বিন আওস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

[আবু কিলাবাহ] অবহিত করেন যে, একদা শাদ্দাদ বিন আওস [রাদি.] রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর সাথে বাকীনামক স্থানে হাঁটছিলেন। তিনি এক ব্যক্তির নিকট দিয়ে গমন করেন, যে রক্তমোক্ষণ করছিল, তখন রমজান মাসের আঠার দিন গত হইয়াছে। রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, রক্তমোক্ষক ও যাহার রক্তমোক্ষণ করা হইয়াছে তাহারা উভয়ে রোযা ভঙ্গ করেছে। {১৬৮১}

{১৬৮১} আবু দাউদ ২৩৬৭, ২৩৬৯,আহমাদ ১৬৬৬৩, ১৬৬৬৮, ১৬৬৭৫, ১৬৬৮৮, দারেমী ১৭৩০, ইরওয়াহ ৪/৬৮-৭০, সহীহ আবী, দাউদ ২০৫০, ২০৫১। তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ। হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

১৬৮২ ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] রোযা ও ইহরামরত অবস্থায় রক্তমোক্ষণ করিয়েছেন। সহীহ, এ শব্দে তিনি মুহরিম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন। {১৬৮২} তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ [“আরবী] শব্দ দ্বারা সহীহ।

{১৬৮২} সহিহুল বুখারি হাদিস নং ১৮৩৫, ১৯৩৮, ১৯৩৯, ২১০৩, ২২৭৮, ২২৭৯, ৫৬৯১, ৫৬৯৪, ৫৬৯৫, ৫৬৯৯,৫৭০১, মুসলিম ১২০২, তিরমিজি ৭৭৫, ৭৭৬, ৭৭৭, ৮৩৯, নাসাঈ ২৮৪৫, ২৮৪৬, ২৮৪৭, আবু দাউদ ১৮৩৫, ১৮৩৬, ২৩৭২, ২৩৭৩, আহমাদ ১৮৫২, ১৯২২, ১৯৪৪, ২১০৯, ২১৮৭, ২২২৯, ২২৪৩, ২২৪৯,২৩৩৩, ২৩৫১, ২৫৩২, ২৫৮৪, ২৬৫৪, ২৭১১, ২৭৮৫৩, ২৮৮৩, ৩০৬৫, ৩০৬৮, ৩২০১, ৩২২৩, ৩২৭২, ৩৫১৩,৩৫৩৭ দারেমী ১৮১৯, ১৮২১ ইরওয়াহ ৯৩২, সহীহ আবু দাউদ ২০৫৪। তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ তিনি মুহরিম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন, এ শব্দে সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবি ১. মুহাম্মাদ বিন ফুদায়ল সম্পর্কে ইবনি মাঈন তাহাকে সিকাহ বলেছন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ঈমাম নাসাঈ বলেন, কোন সমস্যা নেই। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি শীয়া মতাবলম্বী। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫৪৮, ২৬/২৯৩ নং পৃষ্ঠা] ২. ইয়াযীদ বিন আবু যিয়াদ সম্পর্কে আহমাদ বিন সালিহ তাহাকে সিকাহ বললেও ইয়াহইয়া বিন মাঈন ও আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য নয়। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তাহার থেকে হাদিস গ্রহন করা যাবে কিন্তু দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, কোন সমস্যা নেই। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ৬৯৯১, ৩২/১৩৫ নং পৃষ্ঠা] হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৭/১৯. অধ্যায়ঃ রোযাদারের চুমু দেয়া সম্পর্কে

১৬৮৩ আয়িশা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] রমজান মাসে চুমা দিতেন। {১৬৮৩}

{১৬৮৩} সহীহ, ইরওয়াহ ৪/৮২, সহীহ আবু দাউদ ২০৬২, সহীহাহ ২১৯-২২১, তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবি আবদুল্লাহ ইবনিল জাররাহ সম্পর্কে আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিসের ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য। আবু যুরআহ আর-রাযী তাহাকে সত্যবাদী বলেছেন। আহমাদ বিন শুআয়ব আন-নাসাঈ বলেন, তিনি সিকাহ। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। ইবনি হাজার আল-আসকালনী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ৩১৯৯, ১৪/৩৬১ নং পৃষ্ঠা] হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

১৬৮৪ আয়িশা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] রোযাহারত অবস্থায় চুমা দিতেন। রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] যেমন নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারতেন, তোমাদের মধ্যে কে নিজের উপর তদ্রূপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা রাখে! {১৬৮৪}

{১৬৮৪} সহীহাহ ২২০, সহীহ আবু দাউদ ২০৬১, তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ।হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

১৬৮৫ হাফসাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] রোযাহারত অবস্থায় চুমা দিতেন। {১৬৮৫}

{১৬৮৫} তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ।হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

১৬৮৬ নবী [সাঃআঃ]-এর মুক্ত দাসী মায়মূনাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ]-কে রোযাদার দম্পতি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো যে, স্বামী তাহাকে চুমা দিয়েছে। তিনি বলেন, তাহারা রোযা ভঙ্গ করেছে। {১৬৮৬}

তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ অত্যন্ত দঈফ, তালীক ইবনি মাজাহ{১৬৮৬} হাদিসটি ঈমাম ইবনি মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করিয়াছেন। বায়হাকী ৪/২১৮। তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ অত্যন্ত জইফ, তালীক ইবনি মাজাহ। উক্ত হাদিসের রাবি আবু ইয়াযীদ আদ-দিন্নী সম্পর্কে ঈমাম বুখারী বলেন, তিনি অপরিচিত। ঈমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি পরিচিত নন। ইবনি মাকুলা বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় মুনকার। ইবনি হাজার আল-আসকালনী বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। ঈমাম বুখারী বলেন, তিনি একজন অপরিচিত ব্যাক্তি। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ৭৭০৫, ৩৪/৪০৮ নং পৃষ্ঠা] হাদিসের তাহকিকঃ খুবই দুর্বল

৭/২০. অধ্যায়ঃ রোযা অবস্থায় স্ত্রীর দেহ স্পর্শ করা।

১৬৮৭ আয়িশা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

[ইবরাহীম] বলেন, আসওয়াদ ও মাসরূক আয়িশা [রাদি.]–এর নিকট উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করেন, রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] রোযাহারত অবস্থায় কি স্ত্রীর দেহের সাথে নিজ দেহ মিলাতেন? তিনি বলেন, তিনি তা করিতেন। আর তিনি ছিলেন তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক সংযমী। {১৬৮৭}

{১৬৮৭} ইরওয়াহ ৪/৮১, তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ। হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

১৬৮৮ ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

বৃদ্ধ রোযাদারকে স্ত্রীর দেহ স্পর্শ করার অনুমতি দেয়া হইয়াছে এবং যুবকদের জন্য তা অপছন্দ করা হইয়াছে। {১৬৮৮}

{১৬৮৮} সহীহ আবু দাউদ ২০৬৫, বায়হাকী ৪/২৩৭। তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবি মুহাম্মাদ বিন খালিদ বিন আবদুল্লাহ আল-ওয়াসিতী সম্পর্কে ইবনি হিব্বান তাহাকে সিকাহ বললেও তিনি বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন ও সিকাহ রাবীর বিপরীত হাদিস বর্ণনা করেন। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি জঘন্য মিথ্যুক। আবু যুরআহ আর-রাযী তাহাকে দুর্বল বলেছেন। আল খাল্লাল তাহাকে খুবই দুর্বল হিসেবে আখ্যায়িত করিয়াছেন। উক্ত হাদিসটি শাহিদ এর ভিত্তিতে সহীহ। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ৫১৭৮, ২৫/১৩৯ নং পৃষ্ঠা] উক্ত হাদিসটি সহীহ কিন্তু মুহাম্মাদ বিন খালিদ বিন আবদুল্লাহ আল-ওয়াসিতী এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ১৮ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, তন্মধ্যে ৪ টি অধিক দুর্বল, ৯ টি দুর্বল, ১ টি হাসান, ৪ টি সহীহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, আবু দাউদ ২৩৮৭, মুজামুল আওসাত ৮৪২১, আহমাদ ৬৭০০, ৭০১৪। হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৭/২১. অধ্যায়ঃ রোযাদার ব্যক্তির গীবত ও অশ্লীল কাজে লিপ্ত হওয়া ।

১৬৮৯ আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মিথ্যাচার, মূর্খতা ও মূর্খতাসুলভ কাজ ত্যাগ করিল না, তাহার পানাহার বর্জন করায় আল্লাহ্‌র কোন প্রয়োজন নেই। {১৬৮৯}

{১৬৮৯} সহীহ আবু দাউদ, ২০৪৩, তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ।হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

১৬৯০ আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ কত রোযাদার আছে যাদের রোযাহার বিনিময়ে ক্ষুধা ছাড়া আর কিছুই জোটে না। কত সলাত আদায়কারী আছে যাদের রাত জাগরণ ছাড়া আর কিছুই জোটে না। {১৬৯০}

{১৬৯০} আহমাদ ৮৬৩৯, ৯৩৯২, দারেমী ২৭২০, বায়হাকী ৪/২৭০, মিশসাত ২০১৪। তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ হাসান সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবি উসামাহ বিন যায়দ সম্পর্কে ইবনি হিব্বান তাহাকে সিকাহ উল্লেখ করে বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। আল আজলী তাহাকে সিকাহ বলেছেন। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তাহার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায় তবে দলীল হিসেবে নয়। ঈমাম নাসাঈ বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ৩১৭, ২/৩৪৭ নং পৃষ্ঠা] হাদিসের তাহকিকঃ হাসান সহীহ

১৬৯১ আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন রোযা অবস্থায় অশ্লীল ও মূর্খতাসুলভ আচরণ না করে। কেউ তাহার সাথে মূর্খতাসুলভ আচরণ করিলে সে যেন বলে, আমি রোযাদার। {১৬৯১}

{১৬৯১} সহিহুল বুখারি হাদিস নং ১৮৯৪, ১৯০৪,মুসলিম ১১৫১,তিরমিজি ৭৬৪, নাসাঈ ২২১৬, ২২১৭, আহমাদ ৭৬৩৬, ৯৬৭৩, বায়হাকী ৪/২৭৫, সহীহ আবু দাউদ ২০৪৫, তাহকিক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ।হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

By ইমাম ইবনে মাজাহ

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply