রোগীর সেবা -শুশ্রূষার মর্যাদা

রোগীর সেবা -শুশ্রূষার মর্যাদা

রোগীর সেবা -শুশ্রূষার মর্যাদা >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

১৩. অধ্যায়ঃ রোগীর সেবা -শুশ্রূষার মর্যাদা

৬৪৪৫

সাওবান [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

আবু রাবী বলেছেন, তিনি হাদীসটি নবী [সাঃআঃ] থেকে বর্ণনা করিয়াছেন। আর সাঈদের হাদীসে রয়েছে যে, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ রোগীর সেবা শুশ্রূষাকারী বেহেশ্তের ফলমূল আহরণে রত থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সে না প্রত্যাবর্তন করে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩১৭, ইসলামিক সেন্টার- ৬৩৬৭]

৬৪৪৬

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর আযাদকৃত গোলাম সাওবান [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন রোগীর সেবা-শুশ্রূষা করিতে থাকে সে প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত বেহেশ্তের ফলমূল আহরণে রত থাকে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩১৮, ইসলামিক সেন্টার- নেই]

৬৪৪৭

সাওবান [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যখন কোন মুসলিম তার মুসলিম ভাইয়ের রোগ সেবায় নিয়োজিত হয় তখন সে প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত জান্নাতের ফল-ফলাদি আহরণে রত থাকে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩১৯, ইসলামিক সেন্টার- ৬৩৬৮]

৬৪৪৮

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর আযাদকৃত গোলাম সাওবান [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, যে ব্যক্তি কোন রোগীর সেবা করে, সে খুরফাতুল জান্নাতে রত থাকে। জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রসূল! খুরফাতুল জান্নাত কী? তিনি বলিলেন, এর ফল-ফলাদি সংগ্রহ করা। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩২০, ইসলামিক সেন্টার- ৬৩৬৯]

৬৪৪৯

আসিম আহওয়াল [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

আসিম আহওয়াল [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] থেকে এ সানাদে বর্ণনা করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩২১, ইসলামিক সেন্টার- ৬৩৭০]

৬৪৫০

আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা কিয়ামাতের দিনে বলবেন, হে আদাম সন্তান! আমি অসুস্থ হয়েছিলাম; কিন্তু তুমি আমার সেবা-শুশ্রূষা করনি। সে বলবে, হে পরওয়ারদিগার! আমি কী করে তোমার সেবা-শুশ্রূষা করব, অথচ তুমি সারা জাহানের প্রতিপালক। আল্লাহ বলবেন, তুমি কি জানতে না যে, আমার অমুক বান্দা অসুস্থ হয়েছিল, আর তুমি তার সেবা করনি, তুমি কি জানতে না যে, তুমি তার সেবা-শুশ্রূষা করলে আমাকে তার কাছেই পেতে। হে আদাম সন্তান! আমি তোমার কাছে খাবার চেয়েছিলাম; কিন্তু তুমি আমাকে খেতে দাওনি। সে [বান্দা] বলবে, হে আমার পরওয়ারদিগার! আমি কী করে তোমাকে আহার করাতে পারি? তুমি তো সারা জাহানের প্রতিপালক। তিনি [আল্লাহ] বলবেন, তুমি কি জানতে না যে, আমার অমুক বান্দা তোমার কাছে আহার চেয়েছিল? তুমি তাকে খেতে দাওনি। তুমি কি জানতে না যে, যদি তুমি তাকে আহার করাতে তাহলে তা অবশ্যই আমার কাছে পেতে। হে আদাম সন্তান! আমি তোমার কাছে পানীয় চেয়েছিলাম; কিন্তু তুমি আমাকে পানি পান করাওনি। সে [বান্দা] বলবে, হে আমার পরওয়ারদিগার! আমি কী করে তোমাকে পান করাব, অথচ তুমি সারা জাহানের প্রতিপালক। তিনি [আল্লাহ] বলবেন, আমার অমুক বান্দা তোমার কাছে পানীয় চেয়েছিল, তুমি তাকে পান করাওনি। যদি তুমি তাকে পান করাতে, তবে তা আমার কাছে পেয়ে যেতে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩২২, ইসলামিক সেন্টার- ৬৩৭১]

By মুসলিম শরীফ

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply