রুকবা । এ প্রসঙ্গে যায়দ ইবনি সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত

রুকবা

রুকবা । এ প্রসঙ্গে যায়দ ইবনি সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত >> সুনানে নাসাই শরিফের মুল সুচিপত্র দেখুন

পর্বঃ ৩৩, রুকবা, হাদীস (৩৭০৬ – ৩৭১৯)

১.পরিচ্ছেদঃ এ প্রসঙ্গে যায়দ ইবনি সাবিত [রাঃআঃ] থেকে বর্ণিত হাদীসে আলী ইবনি আবু নাজীহ্ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] -এর বর্ণনায় বর্ণনা বিরোধ
২.পরিচ্ছেদঃ আবু যুবায়র [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] -এর বর্ণনায় বর্ণনা বিরোধ

১.পরিচ্ছেদঃ এ প্রসঙ্গে যায়দ ইবনি সাবিত [রাঃআঃ] থেকে বর্ণিত হাদীসে আলী ইবনি আবু নাজীহ্ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] -এর বর্ণনায় বর্ণনা বিরোধ

৩৭০৬. যায়দ ইবনি সাবিত [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

নাবী [সাঃআঃ] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ {১} বৈধ [কার্যকর]।

{১}- এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে বললোঃ আমি এই ঘর তোমাকে দান করলাম। এই শর্তে যে, যদি তোমার পূর্বে আমার মৃত্যু হয়, তবে এ ঘর তোমার হইবে। আর আমার পূর্বে তোমার মৃত্যু হলে, ঘর আমার থাকিবে। এইরূপভাবে দান করাকে রুক-বা বলা হয়।

হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

৩৭০৭. যায়দ ইবনি সাবিত [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

নাবী [সাঃআঃ] রুক বা-কে ঐ ব্যক্তির জন্য সাব্যস্ত করিয়াছেন [আইনগত মালিকানা দিয়েছেন] যাকে তা রুক বা [-রূপে দান] করা হইয়াছে।

হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ লিগাইরিহি

৩৭০৮. ইবনি আব্বাস [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রুকবা করা উচিত নয়, তবে যাহার জন্য কিছু রুক বা করা হয় তা মীরাসের পন্থায় চলবে।

হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

২.পরিচ্ছেদঃ আবু যুবায়র [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] -এর বর্ণনায় বর্ণনা বিরোধ

৩৭০৯. ইবনি আব্বাস [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নিজেদের মালে তোমরা রুকবা করো না। তবুও যদি কেউ কোন বস্তুর রুক বা করে, তবে যাহার জন্য রুক বা করা হয়, ঐ বস্তু তারই হইয়া যাবে।

হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

৩৭১০. ইবনি আব্বাস [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ উম্‌রা [কাউকে তার হায়াতকালের জন্য কিছু দান করা] জায়েয [কার্যকর], আর তখন তা তারই হইয়া যাবে, যাকে দেয়া হইবে। আর রুক বা ঐ ব্যক্তির জন্য [কার্যকর] হইয়া যায়, যাহার জন্য তা করা হয়। দান করে ফেরত গ্রহণকারী ঐ ব্যক্তির মত, যে বমি করে তা আবার খায়।

হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

৩৭১১. ইবনি আব্বাস [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেনঃ উম্‌রা এবং রুকবা সমান [কার্যকর]।

হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ মারফু

৩৭১২. ইবনি আব্বাস [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেনঃ রুকবা এবং উম্‌রা করা [উচিত] নয়। যাকে উম্‌রা হিসেবে কোন বস্তু দান করা হয়, তা তারই হইয়া যায়। আর যাকে রুকবা হিসাবে কোন কিছু দেয়া হয়, তা তারই হইয়া যায়।

হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

৩৭১৩. ইবনি আব্বাস [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেনঃ উম্‌রা এবং রুকবা করা সুষ্ঠু [পদ্ধতি] নয়। তবে যদি কোন ব্যক্তি উম্‌রা বা রুকবা হিসেবে কাউকে কোন বস্তু দান করে, তবে জীবনে ও মরণে তা ঐ ব্যক্তিরই হইয়া যায় যাকে উম্‌রা বা রুকবা করা হইয়াছে।

হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

৩৭১৪. হান্‌যালা [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি তাউস [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-কে বলিতে শুনেছেন যে, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ রুকবা করা হালাল নয়। এরপরও কাউকে রুকবা হিসাবে কোন বস্তু দান করা হয়, তবে তা মীরাসরূপে গণ্য হইবে।

হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ লিগাইরিহি

৩৭১৫. যায়দ ইবনি সাবিত [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ উম্‌রা মীরাস হইবে।

হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

৩৭১৬. যায়দ [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, উমরা ওয়ারিসদের জন্য।

হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

৩৭১৭. যায়দ ইব্ন সাবিত [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

নাবী [সাঃআঃ] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ উমরা বৈধ [কার্যকর]।

হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

৩৭১৮. যায়দ ইব্ন সাবিত [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

নাবী [সাঃআঃ] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ উমরা ওয়ারিসদের জন্য।

হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

৩৭১৯. যায়দ ইব্ন সাবিত [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ উমরা ওয়ারিসদের জন্য। আল্লাহ সম্যক অবহিত।

হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

By ইমাম নাসাঈ

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply