রমযান বিষয়ে জাল ও দুর্বল হাদিসসমুহ

হাদিস নং-১

রমযান কাছে এলে আমরা নিম্নের দুয়াটি পড়ে থাকি, তবে এমন অনেক লোক আছি যারা এর বিশুদ্ধতা এবং অসুদ্ধতা সম্পর্কে জানিনা “হে আল্লাহ , আপনি রজব ও শাবান মাসে আমাদের জন্য বরকত রাখুন এবং আমাদেরকে রমজান পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দিন”

হাদিসটি মুনকার

হাদিস নং-২

“রমজান মাসের প্রথম অংশ রহমত, মধ্যম অংশ মাগফেরাত ও শেষ অংশ জাহান্নাম থেকে মুক্তির”

এ হাদিসটি মুনকার

হাদিস নং -৩

“সাওম পালন কর সুস্থ থাক”

হাদিসটি দুর্বল

হাদিস নং -৪

“প্রত্যেক ইফতারের সময় জাহান্নাম থেকে আল্লাহর কিছু মুক্তিপ্রাপ্ত বান্দা থাকে ।”

হাদিসটি দুর্বল

হাদিস নং – ৫

বান্দারা যদি জানত যে , রমজানে কি রয়েছে , তাহলে তাঁরা আশা করত পুর বছর যেন রমজান হয়, নিশ্চয় জান্নাতকে বছরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রমজানের জন্য সাজানো হত ।”

হাদিসটি দুর্বল

হাদিস নং -৬

বর্ণনাকারী থেকে বর্ণিতঃ

“এক বেদুঈন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বলেঃ আমি চাঁদ দেখেছি, তিনি বললেনঃ তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল ? সে বললঃ হ্যাঁ, তিনি বললেনঃ হে বেলাল মানুষকে জানিয়ে দাও, তারা যেন আগামী কাল সওম পালন করে।

শায়খ আলবানি “ইরওয়াউল গালিল”: (৯০৭) গ্রন্থে হাদিসটি দুর্বল বলেছেন।

হাদিস নং -৭

বর্ণনাকারী থেকে বর্ণিতঃ

কাব ইব্‌ন আসেম আশআরি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “সফরে সওম পালন করা নেকির কাজ নয়।হদিসটি নির্নিত নয়।হাদিসের মানঃ নির্ণীত নয়

হাদিস নং -৮

বর্ণনাকারী থেকে বর্ণিতঃ

“সওম পালনকারীদের মুখ থেকে মিসকের সুগন্ধি বের হবে এবং আরশের নিচে তাদের জন্য দস্তরখান বিছানো হবে।”

সুয়ূতি “দুররুল মানসুর” (১/১৮২) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, ইব্‌ন রজব প্রমুখগণ হাদিসটি দুর্বল বলেছেন।

হাদিসের মানঃ দুর্বল হাদিস

Leave a Reply