যে ব্যাক্তি নামাজের এক রাকআতও পেয়েছে, সে উক্ত নামাজ পেয়েছে

যে ব্যাক্তি নামাজের এক রাকআতও পেয়েছে, সে উক্ত নামাজ পেয়েছে

যে ব্যাক্তি নামাজের এক রাকআতও পেয়েছে, সে উক্ত নামাজ পেয়েছে >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

৩০. অধ্যায়ঃ যে ব্যাক্তি নামাজের এক রাকআতও পেয়েছে, সে উক্ত নামাজ পেয়েছে

১২৫৮

আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, নবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ কেউ যদি [জামাআতের সাথে] কোন নামাজের এক রাকআত পেয়ে যায় সে উক্ত নামাজ পেয়ে গেল। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১২৪৬, ইসলামিক সেন্টার- ১২৫৯]

১২৫৯

আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ইমামের সাথে [জামাআতে] এক রাকআত নামাজ আদায় করিতে পারল সে উক্ত নামাজই ইমামের সাথে আদায় করিল। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১২৪৭, ইসলামিক সেন্টার- ১২৬০]

১২৬০

আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] থেকে মালিক – এর মাধ্যমে ইয়াহ্‌ইয়া কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। তবে কারোর বর্ণিত হাদীসেই “মাআল ঈমাম” [ইমামের সাথে] কথাটি নেই। তবে উবায়দুল্লাহ বর্ণিত হাদীসে তিনি বর্ণনা করিয়াছেন যে, নবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ সে পুরো নামাজই পেয়ে গেল। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১২৪৮, ইসলামিক সেন্টার- ১২৬১]

১২৬১

আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ সূর্যোদয়ের পূর্বে কেউ যদি ফাজ্‌রের এক রাকআত নামাজ আদায় করিতে পারে তাহলে সে ফাজ্‌রের নামাজ আদায় করিল। আর তেমনি যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে আস্‌রের এক রাকআত নামাজ আদায় করিতে পারল সে যেন ঠিক ওয়াক্তেই আস্‌রের নামাজ আদায় করিল।{১৬}

{১৬} হাদীসের মর্ম হল-প্রথমতঃ কোন কাফির মুসলিম হয়ে, পাগল বা অজ্ঞান ব্যক্তি সুস্থতা লাভ করে, নাবালক-সাবালক হয়ে এবং হায়য বা নিফাসগ্রস্ত মহিলা পবিত্র হয়ে সে সময় চলমান ওয়াক্তের এক রাকআত পেলেও তার উপর ঐ ওয়াক্তের নামাজ অপরিহার্য হইবে। সে তা আদায় করিবে এবং তাতে সে পূর্ণ সাওয়াবপ্রাপ্ত হইবে। দ্বিতীয়তঃ অবহেলা না করে নিতান্ত অপারগ হয়ে কদাচ কোন ওয়াক্তের শেষ সময়ে কেউ এ ওয়াক্তের এক রাকআত পেলেও ওয়াক্ত পাওয়া বলে গণ্য হইবে। তাতে সে নামাজেরই সাওয়াব পাবে। [শরহে মুসলিম -১ম খণ্ড ২২১ পৃষ্ঠা]

১২৬২

আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

হাদীসটি যায়দ ইবনি আসলাম মালিক – এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১২৫০, ইসলামিক সেন্টার- ১২৬৩]

১২৬৩

আয়েশাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে আস্‌রের নামাজের একটি সেজদা করিতে পারল কিংবা সূর্যোদয়ের পূর্বে ফাজ্‌রের নামাজের একটি সেজদা করিতে পারল সে উক্ত নামাজ পেয়ে গেল। আর সেজদা অর্থ রাকআত। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১২৫১, ইসলামিক সেন্টার- ১২৬৪]

১২৬৪

আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে আস্‌রের এক রাকআত নামাজ আদায় করিল সে ওয়াক্ত মতোই নামাজ আদায় করিল। আবার যে ব্যক্তি সূর্যোদয়ের পূর্বে ফাজ্‌রের এক রাকআত নামাজ আদায় করিল সেও ওয়াক্ত মতোই ফাজ্‌রের নামাজ আদায় করিল। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১২৫২, ইসলামিক সেন্টার- ১২৬৫]

১২৬৫

মামার [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১২৫৩, ইসলামিক সেন্টার- ১২৬৬]

By বুলূগুল মারাম

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। তবে আমরা রাজনৈতিক পরিপন্থী কোন মন্তব্য/ লেখা প্রকাশ করি না। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই লেখাগুলো ফেসবুক এ শেয়ার করুন, আমল করুন

Leave a Reply