মাদীনাবাসীদেরকে যুল হুলায়ফার মাসজিদ এর নিকট ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দেয়া হয়েছে

মাদীনাবাসীদেরকে যুল হুলায়ফার মাসজিদ এর নিকট ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দেয়া হয়েছে

মাদীনাবাসীদেরকে যুল হুলায়ফার মাসজিদ এর নিকট ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দেয়া হয়েছে >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

৪. অধ্যায়ঃ মাদীনাবাসীদেরকে যুল হুলায়ফার মাসজিদ এর নিকট ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দেয়া হয়েছে

২৭০৬

সালিম ইবনি আবদুল্লাহ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] থেকে তার পিতা সূত্রে হইতে বর্ণীতঃ

তিনি তার পিতাকে বলিতে শুনেছেন, তোমাদের এ বায়দা নামক স্থান সম্পর্কে তোমরা রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] -এর দিকে সম্পৃক্ত করে ভূল বর্ণনা করে থাক। রসুলূল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] কেবলমাত্র যুল হুলায়ফার মাসজিদের নিকটেই ইহরাম বাঁধতেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২৬৮৩, ইসলামিক সেন্টার- ২৬৮২]

২৭০৭

সালিম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, ইবনি উমর [রাদি.]-কে যখন বলা হল, বায়দা নামক স্থানে ইহরাম বাঁধতে হইবে- তখন তিনি বলিলেন, এ বায়দাকে কেন্দ্র করেই তোমরা রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] -এর দিকে সম্পৃক্ত করে ভুল বর্ণনা করে থাক। অথচ রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] সে গাছের নিকট ইহরাম বেঁধে লাব্বায়কা ধ্বনি উচ্চারণ করিতেন- যেখান থেকে তাহাঁর উট তাঁকে নিয়ে রওনা হতো। {১৪} [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২৬৮৪, ইসলামিক সেন্টার- ২৬৮৩]

{১৪} বায়দা মাক্কার রাস্তায় অবস্থিত যুল-হুলায়ফায় মাসজিদের নিকটবর্তী একটি টিলাকে বলা হয়। যেখানে বন-জঙ্গলের হালকা চিহ্ন আছে, আর প্রত্যেক বালুময় স্থানকেই বায়দা বলা হয়। তবে বিশেষভাবে এ স্থানকে বায়দা বলা হয়। যা হোক রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] যে মাসজিদে দুরাকআত নামাজ আদায় করেছিলেন সেখান থেকেই তালবিয়াহ্ পাঠ শুরু করেন।

By বুলূগুল মারাম

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। তবে আমরা রাজনৈতিক পরিপন্থী কোন মন্তব্য/ লেখা প্রকাশ করি না। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই লেখাগুলো ফেসবুক এ শেয়ার করুন, আমল করুন

Leave a Reply