নবী [সাঃআঃ] -এর বীরত্ব ও যুদ্ধে অগ্রগামী

নবী [সাঃআঃ] -এর বীরত্ব ও যুদ্ধে অগ্রগামী

নবী [সাঃআঃ] -এর বীরত্ব ও যুদ্ধে অগ্রগামী

১১. অধ্যায়ঃ নবী [সাঃআঃ] -এর বীরত্ব ও যুদ্ধে অগ্রগামী

৫৯০০

আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] সব লোকের মাঝে অতি সুন্দর, অতি দানশীল এবং শ্রেষ্ঠ বীর ছিলেন। কোন এক রাত্রে মাদীনাবাসীরা ভীত হয়ে পড়েছিল। অতঃপর যেদিক থেকে শব্দ আসছিল, লোকেরা সেদিকে ছুটে চলল। রাস্তায় রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর সাথে তাদের দেখা হয়, তখন তিনি ফিরে আসছিলেন। কারণ শব্দের দিকে প্রথম তিনিই দৌঁড়ে গিয়েছিলেন। তখন তিনি আবু তাল্হাহ্ [রাদি.]-এর গদিবিহীন ঘোড়ায় চড়ে ছিলেন। তার কাঁধে তলোয়ার ছিল। তিনি বলছিলেন, তোমরা শঙ্কিত হয়ো না, তোমরা শঙ্কিত হয়ো না। তিনি আরো বললেনঃ আমি এ ঘোড়াকে পেয়েছি সমুদ্রের মতো। কিংবা বলিলেন, এ তো সমুদ্র। ইতোপূর্বে এ ঘোড়ার গতি ছিল ক্ষীণ। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮০১, ইসলামিক সেন্টার- ৫৮৩৫]

৫৯০১

আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, কোন এক সময় মাদীনায় ভয়ের কারণ সৃষ্টি হয়েছিল। নবী [সাঃআঃ] আবু তাল্হাহ্ [রাদি.]-এর একটি ঘোড়া চেয়ে নিলেন। এটিকে মানদূব বলা হত। তিনি তার উপর সওয়ার হলেন। অতঃপর বলিলেন, আমি ঘাবড়ানোর কোন কারণ দেখিতে পাইনি। আর এ ঘোড়াটিকে সমুদ্রের মতো পেয়েছি। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮০২, ইসলামিক সেন্টার- ৫৮৩৬]

৫৯০২

শুবাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

উপরোক্ত সূত্রে এ হাদীস রিওয়ায়াত করেন। ইবনি জাফারের হাদীসে আমাদের ঘোড়ার কথা বলা হয়েছে, আবু তাল্হাহ্ [রাদি.]-এর কথা বলা হয়নি। কাতাদাহ্ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর সূত্রে খালিদ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বর্ণিত হাদীসে বলা হয়েছে, আমি আনাস [রাদি.] হইতে শুনেছি। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮০৩, ইসলামিক সেন্টার- ৫৮৩৭]

By মুসলিম শরীফ

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply