মেহমানদের আপ্যায়ন এবং অনুরূপ বিষয়

মেহমানদের আপ্যায়ন এবং অনুরূপ বিষয়

মেহমানদের আপ্যায়ন এবং অনুরূপ বিষয় >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

৩. অধ্যায়ঃ মেহমানদের আপ্যায়ন এবং অনুরূপ বিষয়

৪৪০৫

আবু শুরাইহ্‌ আদাবী [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমার দুকান শুনেছে এবং দুচক্ষু দেখেছে, যখন রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস রাখে সে যেন ভালভাবে নিজ মেহমানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। তখন সাহাবীগন বলিলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম]! ভালভাবে মানে কি? তখন তিনি বলিলেন, তাকে একদিন ও এক রাত্রি আপ্যায়ন করিবে। আর [সাধারনভাবে] মেহমানদারীর সময়কাল তিন দিন। এর চাইতে বেশি দিন মেহমানদারী করা তার জন্য সাদকাহ্‌ স্বরূপ। তিনি আরো বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন উত্তম কথা বলে অথবা চুপ থাকে। {দ্রষ্টব্য হাদীস ১৭৬} [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৩৬৪, ইসলামিক সেন্টার- ৪৩৬৪]

৪৪০৬

আবু শুরাইহ্‌ খুযাঈ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] বলেছেনঃ মেহমানদারী তিন দিন এবং উত্তমরূপে মেহমানদারী একদিন ও একরাত্রি। কোন মুসলিম ব্যক্তির জন্য বৈধ নয় যে সে তার ভাই-এর নিকট অবস্থান করে তাকে পাপে নিপতিত করিবে। তখন সাহাবাগন বলিলেন, হে আল্লাহর রসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম]! কিভাবে সে তাকে পাপে নিপতিত করিবে? তিনি বলিলেন, সে [মেহমান] তার নিকট [এমন বেশী দিন] থাকিবে, অথচ তার [মেযবানের] এমন সম্বল নেই যা দ্বারা সে তার মেহমেনদারী করিবে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৩৬৫, ইসলামিক সেন্টার- ৪৩৬৫]

৪৪০৭

আবু শুরায়হ্ খুযাঈ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমার দুকান শুনেছে, আমার দুচক্ষু দেখেছে এবং আমার অন্তর স্মরণ রেখেছে যখন রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] এ কথা বলেছিলেন। তারপর তিনি লায়স-এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। তাতে তিনি উল্লেখ করিয়াছেন, কারো জন্য বৈধ নয় তার ভাই-এর নিকট এত সময় অবস্থান করা, যাতে সে তাকে পাপে ফেলে দেয়। বাকী অংশ ওয়াকী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৩৬৬, ইসলামিক সেন্টার- ৪৩৬৬]

৪৪০৮

উকবাহ্ ইবনি আমির [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমরা বললাম হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমাদের [বিভিন্ন স্থানে] পাঠিয়ে থাকেন। আমরা এমন এক সম্প্রদায়ের কাছে অবতরণ করি, যারা আমাদের মেহমানদারী করে না। এ সম্পর্কে আপনি কী মনে করেন? রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] আমাদের বললেনঃযদি তোমরা কোন সম্প্রদায়ের কাছে অবতরণ কর, আর তারা তোমাদের জন্য এমন সব আসবাব পত্র প্রদান করার হুকুম করে যা মেহমানদারীর জন্য প্রয়োজন, তবে তোমরা তা গ্রহণ করিবে। আর যদি তারা তা না করে তবে তোমরা তাদের থেকে মেহমানদারীর হক আদায় করে নেবে, যা তাদের করণীয়। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৩৬৭, ইসলামিক সেন্টার-৪৩৬৭]

By Muslim

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply