মৃত ব্যক্তির জন্য মানুষের প্রশংসা এর মাহাত্ম্য – রি.সা.

মৃত ব্যক্তির জন্য মানুষের প্রশংসা এর মাহাত্ম্য – রি.সা.

মৃত ব্যক্তির জন্য মানুষের প্রশংসা এর মাহাত্ম্য – রি.সা. >> রিয়াদুস সালেহীন  হাদিস শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে রিয়াদুস সালেহীন হাদিস শরীফ এর একটি পরিচ্ছেদের হাদিস পড়ুন

পরিচ্ছেদ – ১৬৩: মৃত ব্যক্তির জন্য মানুষের প্রশংসা এর মাহাত্ম্য

1/957 عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: مَرُّوا بِجَنَازَةٍ، فَأَثْنَوْا عَلَيْهَا خَيْراً، فَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ: « وَجَبَتْ » ثُمَّ مَرُّوا بِأُخْرَى، فَأثْنَوْا عَلَيْهَا شَرّاً، فَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ: « وَجَبَتْ »، فَقَالَ عُمَرُ بنُ الخَطَّابِ رضي الله عنه: مَا وَجَبَت ؟ فَقَالَ: « هَذَا أَثْنَيْتُمْ عَلَيْهِ خَيْراً، فَوَجَبتْ لَهُ الجَنَّةُ، وَهَذَا أَثْنَيْتُمْ عَلَيْهِ شَرّاً، فَوَجَبَتْ لَهُ النَّارُ، أَنْتُمْ شُهَدَاءُ اللهِ فِي الأَرضِ ». متفقٌ عَلَيْهِ

১/৯৫৭। আনাস রাঃআঃ বলেন, কিছু লোক একটা জানাযা নিয়ে পার হয়ে গেল। লোকেরা তার প্রশংসা করিতে লাগল। নবী সাঃআঃ বলিলেন, ‘‘অবধারিত হয়ে গেল।’’ অতঃপর দ্বিতীয় আর একটি জানাযা নিয়ে পার হলে লোকেরা তার দুর্নাম করিতে লাগল। নবী সাঃআঃ বলিলেন, ‘‘অবধারিত হয়ে গেল।’’ উমার ইবন খাত্ত্বাব রাঃআঃ বলিলেন, ‘কী অবধারিত হয়ে গেল?’ তিনি বলিলেন, ‘‘তোমরা যে এর প্রশংসা করলে তার জন্য জান্নাত, আর ওর দুর্নাম করলে তার জন্য জাহান্নাম অবধারিত হয়ে গেল। তোমরা হলে পৃথিবীতে আল্লাহর সাক্ষী।’’ [বুখারী ও মুসলিম][1]

2/958 وَعَنْ أَبي الأَسْوَدِ، قَالَ: قَدِمْتُ المَدِينَةَ، فَجَلَسْتُ إِلَى عُمَرَ بنِ الخَطَّاب رضي الله عنه فَمَرَّتْ بِهمْ جَنَازَةٌ، فَأُثْنِيَ عَلَى صَاحِبِهَا خَيْراً، فَقَالَ عُمَرُ: وَجَبَتْ، ثُمَّ مُرَّ بَأُخْرَى فَأُثْنِيَ عَلَى صَاحِبِهَا خَيْراً، فَقَالَ عُمَرُ: وَجَبَتْ، ثُمَّ مُرَّ بِالثَّالِثَةِ، فَأُثْنِيَ عَلَى صَاحِبِهَا شَرّاً، فَقَالَ عُمَرُ: وَجَبَتْ، قَالَ أَبُو الأَسوَدِ: فَقُلتُ: وَمَا وَجَبَتْ يَا أَمْيرَ المُؤمِنِينَ ؟ قَالَ: قُلْتُ كَمَا قَالَ النَّبِيُّ ﷺ: « أيُّمَا مُسْلِمٍ شَهِدَ لَهُ أرْبَعَةٌ بِخَيرٍ، أَدْخَلَهُ اللهُ الجَنَّةَ » فَقُلْنَا: وَثَلاثَةٌ ؟ قَالَ: « وَثَلاثَةٌ » فَقُلنَا: وَاثْنَانِ ؟ قَالَ: «وَاثْنَانِ » ثُمَّ لَمْ نَسْأَلْهُ عَنِ الوَاحِدِ . رواه البخاري

২/৯৫৮। আবূল আসওয়াদ রাঃআঃ বলেন, আমি মদীনায় এসে উমার ইবনি খাত্ত্বাব রাঃআঃ-এর নিকট বসলাম। অতঃপর তাঁদের পাশ দিয়ে একটি জানাযা পার হলে তার প্রশংসা করা হল। উমার রাঃআঃ বলিলেন, ‘ওয়াজেব [অনিবার্য] হয়ে গেল।’ অতঃপর আর একটা জানাযা পার হলে তারও প্রশংসা করা হলে উমার রাঃআঃ বলিলেন, ‘ওয়াজেব হয়ে গেল।’ অতঃপর তৃতীয় একটা জানাযা পার হলে তার নিন্দা করা হলে উমার রাঃআঃ বলিলেন, ‘ওয়াজেব হয়ে গেল।’ আবুল আসওয়াদ বলেন, আমি বললাম, ‘কী ওয়াজেব হয়ে গেল? হে আমীরুল মু’মিনীন!’ তিনি বলিলেন, ‘আমি বললাম, যেমন নবী সাঃআঃ বলেছিলেন, ‘‘যে মুসলিমের নেক হওয়ার ব্যাপারে চারজন লোক সাক্ষ্য দেবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।’’ আমরা বললাম, ‘আর তিনজন?’ তিনি বলিলেন, ‘‘তিনজন হলেও।’’ আমরা বললাম, ‘আর দু’জন?’ তিনি বলিলেন, ‘‘দু’জন হলেও।’’ অতঃপর আমরা এক জনের [সাক্ষ্য] সম্পর্কে আর জিজ্ঞাসা করলাম না। [বুখারী] [2]


[1] সহীহুল বুখারী ১৩৬৭,২৬৪২, মুসলিম ৯৪৯, তিরমিযী ১০৫৮, নাসায়ী ১৯৩২, ইবনু মাজাহ ১৪৯১, আহমাদ ১২৪২৬, ১২৫২৬, ১২৬২৭, ২৭৯১, ১৩১৬০

[2] সহীহুল বুখারী ১৩৬৮,২৬৪৩, তিরমিযী ১০৫৯, নাসায়ী ১৯৩৪, আহমাদ ১৪০,২০৪,৩২০,৩৯১

By রিয়াদুস সালেহিন

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply