মৃতের ঋণ পরিশোধ করা এবং তার দাফনের কাজে শীঘ্রতা করা

মৃতের ঋণ পরিশোধ করা এবং তার দাফনের কাজে শীঘ্রতা করা

মৃতের ঋণ পরিশোধ করা এবং তার দাফনের কাজে শীঘ্রতা করা >> রিয়াদুস সালেহীন  হাদিস শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে রিয়াদুস সালেহীন হাদিস শরীফ এর একটি পরিচ্ছেদের হাদিস পড়ুন

পরিচ্ছেদ – ১৫৯: মৃতের ঋণ পরিশোধ করা এবং তার কাফন-দাফনের কাজে শীঘ্রতা করা প্রসঙ্গে। কিন্তু হঠাৎ মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত বিলম্ব করা কর্তব্য

1/950 عَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ، قَالَ: « نَفْسُ المُؤْمِنِ مُعَلَّقَةٌ بِدَيْنِهِ حَتَّى يُقْضَى عَنْهُ ». رواه الترمذي، وَقَالَ: «حديث حسن » .

 ১/৯৫০। আবূ হুরাইরা রাঃআঃ হতে বর্ণিত, নবী সাঃআঃ বলেছেন, ‘‘ঋণ পরিশোধ অবধি মু’মিনের আত্মা ঝুলানো থাকে।’’ [অর্থাৎ তার জান্নাতে অথবা জাহান্নামে যাওয়ার ফায়সালা হয় না।] [তিরমিযী হাসান][1]

 1/951 وعن حُصَيْنِ بن وحْوَحٍ رضي الله عنه أَنْ طَلْحَةَ بنَ الْبُرَاءِ بن عازب رضِي اللهُ عنْهما مَرِض، فَأتَاهُ النَّبيُّ ﷺ يَعُودُهُ فَقَالَ: «إنّي لا أُرَى طَلْحةَ إلاَّ قدْ حَدَثَ فِيهِ المَوْتُ فَآذِنُوني بِهِ وَعَجِّلُوا بِهِ، فَإنَّهُ لا يَنْبَغِي لجِيفَةِ مُسْلِمٍ أنْ تُحْبَسَ بَيْنَ ظَهْرَانَيْ أَهْلِهِ » .  رواه أبو داود .

২/৯৫১। হুসাইন ইবনু ওয়াহ্ওয়াহ রাঃআঃ হতে বর্ণিত, ত্বালহা ইবনুল বারা রাঃআঃ রোগগ্রস্ত হয়ে পড়লে নবী সাঃআঃ  তাঁকে দেখিতে গেলেন। তিনি বললেনঃ ত্বালহার মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এসেছে, তার বিষয়ে এছাড়া আমি আর কিছুই চিন্তা করি না। আমাকে তার মৃত্যুর খবর জানাবে। আর তার দাফন-কাফনের কাজ দ্রুত সমাধা করিবে। কারণ, মুসলিমের লাশ তার পরিবারবর্গের নিকট আটকে রাখা উচিত নয়। [আবূ দাউদ][2]


[1] তিরমিযী ১০৭৮, ইবনু মাজাহ ২৪১৩, আহমাদ ৯৩৭৮, ৯৮০০, দারেমী ২৫৯১

[2] আমি [আলবানী] বলছিঃ এর সনদটি দুর্বল যেমনটি ‘‘আহকামুল জানায়েয’’ গ্রন্থে [পৃ ১৩-১৪] এবং ‘‘য‘ঈফাহ্’’ গ্রন্থে [৩২৩২] আলোচনা করেছি। এ সনদটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। হুসাইন ইবনু অহ্অহ্ এর নিচের বর্ণনাকারীদেরকে চেনা যায় না। হাফিয ইবনু হাজার ‘‘উরওয়া ইবনু সা‘ঈদ আনসারী এবং তার পিতা সম্পর্কে বলেনঃ তারা উভয়েই মাজহূল [অপরিচিত]। আর সা‘ঈদ ইবনু উসমান বালাওয়ী হচ্ছেন মাকবূল [গ্রহণযোগ্য] [অর্থাৎ মুতাবা‘য়াত পাওয়া যাওয়ার শর্তে]। এ ছাড়াও বালাওয়ী থেকে ঈসা ইবনু ইউনুস ছাড়া কেউ বর্ণনা করেননি। আর ইবনু হিববান ছাড়া অন্য কেউ তাকে নির্ভরযোগ্যও আখ্যা দেননি। [দেখুন ‘‘য‘ঈফাহ্’’ [৩২৩২], আবূ দাউদ ৩১৫৯।

By রিয়াদুস সালেহিন

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply