পাথর, দেওয়াল, মুদ্রা ইত্যাদিতে প্রাণীর মূর্তি খোদাই করা হারাম।

পাথর, দেওয়াল, মুদ্রা ইত্যাদিতে প্রাণীর মূর্তি খোদাই করা হারাম।

পাথর, দেওয়াল, মুদ্রা ইত্যাদিতে প্রাণীর মূর্তি খোদাই করা হারাম। >> রিয়াদুস সালেহীন  হাদিস শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে রিয়াদুস সালেহীন হাদিস শরীফ এর একটি পরিচ্ছেদের হাদিস পড়ুন

পরিচ্ছেদ – ৩০৫ : পাথর, দেওয়াল, ছাদ, মুদ্রা ইত্যাদিতে প্রাণীর মূর্তি খোদাই করা হারাম। অনুরূপভাবে দেওয়াল, ছাদ, বিছানা, বালিশ, পর্দা, পাগড়ী, কাপড় ইত্যাদিতে প্রাণীর চিত্র অঙ্কন করা হারাম এবং মূর্তি ছবি নষ্ট করার নির্দেশ

1/1687 عَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ الَّذِينَ يَصْنَعُونَ هَذِهِ الصُّوَرَ يُعَذَّبُونَ يَوْمَ القِيَامَةِ، يُقَالُ لَهُمْ : أَحْيُوا مَا خَلَقْتُمْ» . متفق عليه

১/১৬৮৭। ইবনি উমার রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, ‘‘যারা এ জাতীয় [প্রাণীর] মূর্তি বা ছবি তৈরি করে, কিয়ামতের দিন তাহাদেরকে শাস্তি দেওয়া হইবে। তাহাদেরকে বলা হইবে, তোমার যা বানিয়েছিলে তাতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা কর।’’ [বুখারী] [1]

2/1688. وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ : قَدِمَ رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ سَفَرٍ، وَقَدْ سَتَرْتُ سَهْوَةً لِي بِقِرامٍ فِيهِ تَمَاثيلُ، فَلَمَّا رَآهُ رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم تَلَوَّنَ وَجْهُهُ، وَقَالَ: «يَا عَائِشَةُ، أَشَدُّ النَّاسِ عَذَاباً عِندَ اللهِ يَوْمَ القِيَامَةِ الَّذِينَ يُضَاهُونَ بِخَلْقِ اللهِ» قَالَتْ : فَقَطَعْنَاهُ فَجَعَلْنَا مِنهُ وِسَادَةً أَوْ وِسَادَتَيْنِ . متفق عليه

২/১৬৮৮। হাদিসের রাদিয়াল্লাহু আনহা হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাঃআঃ [তাবূক যুদ্ধের] সফর থেকে ফিরে এলেন। আমি আমার কক্ষের তাক বা জানালায় পাতলা কাপড়ের পর্দা টাঙ্গিয়ে ছিলাম; তাতে ছিল [প্রাণীর] অনেকগুলি চিত্র। রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ যখন ওটা দেখলেন, তখন তার চেহারা পরিবর্তন হয়ে গেল। তিনি বলিলেন, ‘‘হে হাদিসের! কিয়ামতের দিন সেসব মানুষের সবচেয়ে বেশি শাস্তি হইবে, যারা আল্লাহর সৃষ্টির অনুরূপ তৈরি করিবে।’’ হাদিসের রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, ‘সুতরাং আমরা তা ছিঁড়ে ফেললাম এবং তা দিয়ে একটি বা দু’টি হেলান-বালিশ তৈরি করলাম।’ [বুখারী ও মুসলিম][2]

3/1689 وَعَنِ ابنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ : «كُلُّ مُصَوِّرٍ فِي النَّارِ يُجْعَلُ لَهُ بِكُلِّ صُورَةٍ صَوَّرَهَا نَفْسٌ فَيُعَذِِّبُهُ فِي جَهَنَّمَ» . قَالَ ابنُ عَبَّاسٍ : فَإِنْ كُنْتَ لاَ بُدَّ فَاعِلاً، فَاصْنعِ الشَّجَرَ وَمَا لاَ رُوحَ فِيهِ. متفق عليه

৩/১৬৮৯। ইবনি আব্বাস রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ-কে বলিতে শুনিয়াছি যে, ‘‘প্রত্যেক ছবি [বা মূর্তি]  নির্মাতা জাহান্নামে যাবে, তার নির্মিত প্রতিটি ছবি বা মূর্তির পরিবর্তে একটি করে প্রাণ সৃষ্টি করা হইবে, যা তাকে জাহান্নামে শাস্তি দিতে থাকিবে।’’ ইবনি আব্বাস রাঃআঃ বলেন, ‘যদি তুমি করিতেই চাও, তাহলে গাছপালা ও নিষ্প্রাণ বস্তুর ছবি বা মূর্তি তৈরি করিতে পার।’ [বুখারী ও মুসলিম] [3]

4/1690. وَعَنْهُ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ : «مَنْ صَوَّرَ صُورَةً فِي الدُّنْيَا، كُلِّفَ أَنْ يَنْفُخَ فِيهَا الرُّوْحَ يَومَ القِيَامَةِ وَلَيْسَ بِنَافِخٍ» . متفق عليه

৪/১৬৯০। উক্ত রাবী হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাঃআঃ-কে বলিতে শুনিয়াছি যে, ‘‘যে ব্যক্তির দুনিয়াতে কোনো [প্রাণীর] চিত্র বানিয়েছে তাকে কিয়ামতের দিনে তাতে রূহ ফুঁকার জন্য বাধ্য করা হইবে, অথচ সে রূহ ফুঁকতে পারবে না।’’ [বুখারী ও মুসলিম] [4]

5/1691 وَعَنِ ابنِ مَسعُود رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُوْلُ : «إِنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَذَاباً يَومَ القِيَامَةِ المُصَوِّرُونَ». متفق عليه

৫/১৬৯১। ইবনি মাসঊদ রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ-কে বলিতে শুনিয়াছি যে, ‘‘কিয়ামতের দিনে ছবি বা মূর্তি নির্মাতাহাদের সর্বাধিক কঠিন শাস্তি হইবে।’’ [বুখারী-মুসলিম] [5]

6/1692 وَعَنْ أَبِيْ هُرَيرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُوْلُ : «قَالَ اللهُ تَعَالَى : وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ ذَهَبَ يَخْلُقُ كَخَلْقِي ؟ فَلْيَخْلُقُوا ذَرَّةً أَوْ لِيَخْلُقُوا حَبَّةً، أَوْ لِيَخْلُقُوا شَعِيرَةً». متفق عليه

৬/১৬৯২। আবূ হুরায়রা রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ-কে বলিতে শুনিয়াছি যে, আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘তার চাইতে বড় জালেম কে আছে, যে আমার সৃষ্টির অনুরূপ সৃষ্টি তৈরি করিতে চায়? সুতরাং তারা একটি ধূলিকণা বা পিঁপড়ে সৃষ্টি করুক অথবা একটি শস্যদানা সৃষ্টি করুক অথবা একটি যবদানা সৃষ্টি করুক।’’ [বুখারী ও মুসলিম][6]     

7/1693 وَعَنْ أَبِي طَلْحَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهُ : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «لاَ تَدْخُلُ المَلاَئِكَةُ بَيْتاً فِيهِ كَلْبٌ وَلاَ صُورَةٌ». متفق عليه

৭/১৬৯৩। আবূ ত্বালহা রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, ‘‘সে ঘরে [রহমতের] ফিরিশ্তা প্রবেশ করেন না যে ঘরে কুকুর থাকে এবং সে ঘরেও নয় যে ঘরে ছবি বা মূর্তি থাকে।’’ [বুখারী ও মুসলিম][7]

8/1694 وعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: وَعَدَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم جِبْرِيلُ أَنْ يَأتِيَهُ، فَرَاثَ عَلَيْهِ حَتَّى اشْتَدَّ عَلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فَخَرَجَ فَلَقِيَهُ جِبرِيلُ فَشَكَا إِلَيهِ، فَقَالَ: إِنَّا لاَ نَدْخُلُ بَيْتاً فِيهِ كَلْبٌ وَلاَ صُورَةٌ . رواهُ البُخاري

৮/১৬৯৪। ইবনি উমার রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, [একবার] জিব্রীল রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ-এর নিকট আসার ওয়াদা দিলেন। কিন্তু তিনি আসতে বিলম্ব করিলেন, এমনকি শেষ পর্যন্ত [এ বিলম্ব] নবী সাঃআঃ-এর পক্ষে অত্যন্ত ভারী বোধ হইতে লাগল। অবশেষে তিনি বাইরে বের হয়ে গেলেন। তখন জিব্রীল তাহাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করিলেন। তিনি বিলম্ব হওয়ার অভিযোগ করলে জিব্রীল বলিলেন, আমরা সেই ঘরে প্রবেশ করি না যে ঘরে কুকুর কিম্বা ছবি থাকে।’ [বুখারী] [8]

9/1695 وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ : وَاعَدَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم جِبرِيلُ عليه السلام، في سَاعَةٍ أَنْ يَأتِيَهُ، فَجَاءتْ تِلْكَ السَّاعَةُ وَلَمْ يَأتِهِ ! قَالَتْ : وَكَانَ بِيَدِهِ عَصاً، فَطَرَحَهَا مِنْ يَدِهِ وَهُوَ يَقُولُ : «مَا يُخْلِفُ اللهُ وَعْدَهُ وَلاَ رُسُلُهُ». ثُمَّ التَفَتَ، فَإِذَا جَرْوُ كَلْبٍ تَحْتَ سَرِيرِهِ . فَقَالَ: «مَتَى دَخَلَ هَذَا الكَلْبُ ؟» فَقُلْتُ : وَاللهِ مَا دَرَيْتُ بِهِ، فَأَمَرَ بِهِ فَأُخْرِجَ، فَجَاءَهُ جِبْرِيلُ عليه السلام، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «وَعَدْتَنِي، فَجَلَسْتُ لَكَ وَلَمْ تَأَتِنِي» فَقَالَ: مَنَعَنِي الكَلْبُ الَّذِي كَانَ فِي بَيْتِكَ، إِنَّا لاَ نَدْخُلُ بَيْتاً فِيهِ كَلْبٌ وَلاَ صُورَةٌ . رواه مسلم

৯/১৬৯৫। হাদিসের রাদিয়াল্লাহু আনহা হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা জিব্রীল আল্লাহর রসূল সাঃআঃ-এর সঙ্গে কোন এক সময়ে সাক্ষাৎ করার জন্য ওয়াদা করেন। সুতরাং সে নির্ধারিত সময়টি এসে পৌঁছল; কিন্তু জিব্রীল আসলেন না। হাদিসের রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, নবী সাঃআঃ-এর হাতে একটি লাঠি ছিল। তিনি তা ফেলে দিলেন এবং বলিলেন, ‘‘আল্লাহ নিজ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না এবং তাহাঁর দূতগণও না।’’ তারপর তিনি ফিরে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে দেখিতে পেলেন যে, তাহাঁর খাটের নীচে একটি কুকুর ছানা বসে আছে। তখন তিনি বলিলেন, ‘‘এ কুকুরটি কখন এখানে ঢুকে পড়েছে?’’ [হাদিসের বলেন] আমি বললাম, ‘আল্লাহর কসম! আমি ওর ব্যাপারে জানতেই পারিনি।’ সুতরাং তিনি আদেশ দিলে ওটাকে বাইরে বের করা হল। তারপর জিব্রীল -এর আগমন ঘটল। তখন আল্লাহর রসূল সাঃআঃ [অভিযোগ করে] বলিলেন, ‘‘আপনি আমার সঙ্গে ওয়াদা করেছিলেন, আর আমি আপনার প্রতীক্ষায় বসেছিলাম, অথচ আপনি আসলেন না?’’ জিব্রীল বলিলেন, ‘আমাকে ঐ কুকুর ছানাটি [ঘরে ঢুকতে] বাধা দিয়েছিল; যেটা আপনার ঘরের মধ্যে ছিল। নিশ্চয় আমরা সে ঘরে প্রবেশ করি না, যে ঘরে কুকুর কিম্বা কোন ছবি বা মূর্তি থাকে।’ [মুসলিম][9]

10/1696 وَعَنْ أبي الهَيَّاجِ حَيَّانَ بِن حُصَيْنٍ، قَالَ: قَالَ لِيْ عَليُّ بنُ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللهُ عنه: أَلاَ أَبْعَثُكَ عَلَى مَا بَعَثَنِي عَلَيْهِ رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم ؟ أَنْ لاَ تَدَعَ صُورَةً إِلاَّ طَمَسْتَهَا، وَلاَ قَبْراً مُشْرَفاً إِلاَّ سَوَّيْتَهُ. رواه مسلم

১০/১৬৯৬। আবুল হাইয়াজ হাইয়ান ইবনি হুসাইন হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আলী ইবনি আবী তালেব রাঃআঃ আমাকে বলিলেন, ‘তোমাকে সে কাজের জন্য পাঠাব না কি, যে কাজের জন্য আল্লাহর রসূল সাঃআঃ আমাকে পাঠিয়েছিলেন? [তা হচ্ছে এই যে,] কোন [প্রাণীর] ছবি বা মূর্তি দেখলেই তা নিশ্চিহ্ন করে দেবে এবং কোন উঁচু কবর দেখলে তা সমান করে দেবে।’ [মুসলিম] [10]


[1] সহীহুল বুখারী ৫৯৫১, ৭৫৫৮, মুসলিম ২১০৮, নাসায়ী ৫৩৬১, আহমাদ ৪৪৬১, ৪৬৯৩, ৪৭৭৭, ৫১৪৬, ৫৭৩৩, ৬০৪৮, ৬২০৫, ৬২২৬, ৬২৯০

[2] সহীহুল বুখারী ৫৯৫৪, মুসলিম ২১০৭

[3] সহীহুল বুখারী ২২২৫, ৫৯৬৩, ৭০৪২, মুসলিম ২১১০, তিরমিযী ১৭৫১, ২২৮৩, নাসায়ী ৫৩৫৮, ৫৩৫৯, আবূ দাউদ ৫০২৪, ইবনু মাজাহ ৩৯১৬, আহমাদ ১৮৬৯, ২১৬৩, ২২১৪, ২৮০৬, ৩২৬২, ৩৩৭৩, ৩৩৮৪

[4] সহীহুল বুখারী ২২২৫, ৫৯৬৩, ৭০৪২, মুসলিম ২১১০, তিরমিযী ১৭৫১, ২২৮৩, নাসায়ী ৫৩৫৮, ৫৩৫৯, আবূ দাউদ ৫০২৪, ইবনু মাজাহ ৩৯১৬, আহমাদ ১৮৬৯, ২১৬৩, ২২১৪, ২৮০৬, ৩২৬২, ৩৩৭৩, ৩৩৮৪

[5] সহীহুল বুখারী ৫৯৫০, মুসলিম ২১০৯, নাসায়ী ৫৩৬৪, আহমাদ ৩৫৪৮, ৪০৪০

[6] সহীহুল বুখারী ৫৯৫৩, ৭৫৫৯, মুসলিম ২১১১, আহমাদ ৭১২৬, ৭৪৬৯, ৮৮৩৪, ১০৪৩৮, ২৭৭৯৪

[7] সহীহুল বুখারী ৩২২৫, ৩২২৬, ৩৩২২, ৪৩০২, ৪০০২, ৫৯৪৯, ৫৯৫৮, মুসলিম ২১০৬, তিরমিযী ২৮০৪, নাসায়ী ৪২৮২, ৫৩৪৭-৫৩৫০, আবূ দাউদ ৪১৫৩, ৪১৫৫, ইবনু মাজাহ ৩৬৪৯, আহমাদ ১৫৯১০, ১৫৯১৮, ১৫৯৩৪, মুওয়াত্তা মালিক ১৮০২

[8] সহীহুল বুখারী ৫৯৬৬০, ৩২২৭

[9] মুসলিম ২১০৪, আহমাদ ২৪৫৭৬

[10] মুসলিম ৯৬৯, তিরমিযী ১০৪৯, নাসায়ী ২০৩১, আবূ দাউদ ৩১১৮, আহমাদ ৬৮৫, ৭৪৩, ৮৯১, ১০৬৭, ১১৭৪, ১১৭৯, ১২৪৩, ১২৮৬

By রিয়াদুস সালেহিন

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply