মুওয়ায্‌যিনের আযান অনুরূপ শ্রবণকারীর বলা …

মুওয়ায্‌যিনের আযান অনুরূপ শ্রবণকারীর বলা …

মুওয়ায্‌যিনের আযান অনুরূপ শ্রবণকারীর বলা …>> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

৭. অধ্যায়ঃ মুওয়ায্‌যিনের আযান অনুরূপ শ্রবণকারীর বলা, নবী[সাঃআঃ]-এর উপর দুরূদ পাঠ করা এবং তাহাঁর জন্যে ওয়াসীলাহ্‌ প্রার্থনা করা

৭৩৪

আবু সাঈদ আল খুদরী [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেনঃ যখন তোমরা আযান শুনতে পাও তখন মুওয়ায্‌যিন যা বলে তোমরা তাই-ই বল। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭৩২, ইসলামিক সেন্টার-৭৪৭]

৭৩৫

আবদুল্লাহ ইবনি আম্‌র ইবনিল আস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি নবী[সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনেছেনঃ তোমরা যখন মুওয়ায্‌যিনকে আযান দিতে শুন, তখন সে যা বলে তোমরা তাই বল। অতঃপর আমার উপর দুরূদ পাঠ কর। কেননা, যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরূদ পাঠ করে আল্লাহ তাআলা এর বিনিময়ে তার উপর দশবার রহমাত বর্ষণ করেন। অতঃপর আমার জন্যে আল্লাহর কাছে ওয়াসীলাহ্‌ প্রার্থনা কর। কেননা, ওয়াসীলাহ্‌ জান্নাতের একটি সম্মানজনক স্থান। এটা আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে একজনকেই দেয়া হইবে। আমি আশা করি, আমিই হব সে বান্দা। যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে আমার জন্যে ওয়াসীলাহ্‌ প্রার্থনা করিবে তার জন্যে [আমার] শাফাআত ওয়াজিব হয়ে যাবে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭৩৩, ইসলামিক সেন্টার-৭৪৮]

৭৩৬

উমর ইবনিল খাত্তাব [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ মুওয়ায্‌যিন যখন

 اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ

“আল্ল-হু আকবার, আল্ল-হু আকবার” বলে তখন তোমাদের কোন ব্যক্তি আন্তরিকতার সাথে তার জবাবে বলেঃ

 اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ

“আল্লহু আকবার, আল্ল-হু আকবার”। যখন মুওয়ায্‌যিন বলেঃ

أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ

“আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ” এর জবাবে সেও বলেঃ

أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ

“আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ”। অতঃপর মুওয়ায্‌যিন বলে:

أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ

আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রসূলুল্লা-হ” এর জবাবে সে বলেঃ

أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ

“আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রসূলুল্ল-হ্‌। অতঃপর মুওয়ায্‌যিন বলেঃ

حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ

“হাইয়্যা আলাস সলা-হ্‌” এর জবাবে সে বলেঃ

لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ

“লা-হাওলা ওয়ালা-কুও্‌ওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ”। অতঃপর মুওয়ায্‌যিন বলেঃ

 حَىَّ عَلَى الْفَلاَحِ

“হাইয়্যা আলাল ফালা-হ্‌” এর জবাবে সে বলেঃ

لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ

““লা-হাওলা ওয়ালা-কুও্‌ওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ”। অতঃপর মুওয়ায্‌যিন বলেঃ

اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ

“আল্ল-হু আকবার, আল্ল-হু আকবার”এর জবাবে সে বলেঃ

اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ

“আল্ল-হু আকবর, আল্ল-হু আকবার”। অতঃপর মুওয়ায্‌যিন বলেঃ

 لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ

“লা-ইলা-হা ইল্লাল-হ” এর জবাবে সে বলেঃ

 لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ

“লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ”। আযানের এ জবাব দেয়ার কারণে সে বেহেশতে যাবে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭৩৪, ইসলামিক সেন্টার-৭৪৯]।

৭৩৭

সাদ ইবনি আবু ওয়াক্কাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেনঃ মুওয়ায্‌যিনের আযান শুনে যে ব্যক্তি বলে,

أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولاً وَبِالإِسْلاَمِ دِينًا

“আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্‌দাহু, লা-শারীকা লাহু, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু, ওয়া রসূলুহু, রাযীতু বিল্লা-হি রব্বান ওয়াবি মুহাম্মাদিন রসূলান ওয়াবিল ইসলা-মী দীনান” তার গুনাহ মাফ করা হইবে। কুতাইবাহ্‌ তার হাদীসে [আরবী] শব্দটি উল্লেখ করেননি। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭৩৫, ইসলামিক সেন্টার-৭৫০]

By বুলূগুল মারাম

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। তবে আমরা রাজনৈতিক পরিপন্থী কোন মন্তব্য/ লেখা প্রকাশ করি না। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই লেখাগুলো ফেসবুক এ শেয়ার করুন, আমল করুন

Leave a Reply