বৃষ্টি বন্ধের দোয়া । বৃষ্টি চাওয়া, বায়ূ ও মেঘের গর্জন শুনলে দুয়া

বৃষ্টি বন্ধের দোয়া । বৃষ্টি চাওয়া, বায়ূ ও মেঘের গর্জন শুনলে দুয়া

বৃষ্টি বন্ধের দোয়া । বৃষ্টি চাওয়া, বায়ূ ও মেঘের গর্জন শুনলে দুয়া << হিসনুল মুসলিম এর মুল সুচিপত্র দেখুন

এ বিষয়ে আরও পড়ুন >> মুয়াত্তা মালিক >> সহীহ বুখারী >> সহীহ মুসলিম >> আবু দাউদ >> ইবনে মাজাহ >> তিরমিজি >> নাসাঈ >> মিশকাত >> বুলুগুল মারাম হাদীস হতে

বৃষ্টি দোয়া

বায়ূ প্রবাহিত হলে পড়ার দো‘আ
মেঘের গর্জন শুনলে পড়ার দো‘আ
বৃষ্টি চাওয়ার কিছু দো‘আ
বৃষ্টি দেখলে দো‘আ
বৃষ্টি বর্ষণের পর যিকির
অতিবৃষ্টি বন্ধের জন্য কিছু দো‘আ

৬১. বায়ূ প্রবাহিত হলে পড়ার দো‘আ

اللَّهُمَّ  إِنِّي أَسْــــــأَلُكَ خَيْرَهَا، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا

(আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা খাইরাহা ওা আ‘ঊযু বিকা মিন শাররিহা)।

১৬৬-(১) “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট এর কল্যাণ চাই। আর আমি আপনার নিকট এর অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।”

আবূ দাউদ ৪/৩২৬, নং ৫০৯৯; ইবন মাজাহ ২/১২২৮, নং ৩৭২৭। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ ২/৩০৫।

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا، وَخَيْرَ مَا فِيهَا، وَخَيْرَ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا، وَشَرِّ مَا فِيهَا، وَشَرِّ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ

(আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস’আলুকা খাইরাহা ওয়া খাইরা মা-ফীহা ওয়া খাইরা মা উরসিলাত বিহী। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন শাররিহা, ওয়া শাররি মা-ফীহা, ওয়া শাররি মা উরসিলাত বিহী)।

১৬৭-(২) “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করি এর কল্যাণ, এর মধ্যকার কল্যাণ এবং যা এর সাথে প্রেরিত হয়েছে তার কল্যাণ। আর আমি আপনার আশ্রয় চাই এর অনিষ্ট থেকে, এর ভেতরে নিহিত অনিষ্ট থেকে এবং যা এর সাথে প্রেরিত হয়েছে তার অনিষ্ট থেকে।”

মুসলিম, আর শব্দ তাঁরই, ২/৬১৬, নং ৮৯৯; বুখারী, ৪/৭৬, নং ৩২০৬ ও ৪৮২৯।

৬২. মেঘের গর্জন শুনলে পড়ার দো‘আ

سُبْحَانَ الَّذِي يُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلاَئِكةُ مِنْ خِيفَتِهِ

(সুবহা-নাল্লাযী ইউসাব্বিহুর –রা‘দু বিহামদিহি ওয়াল-মালা-ইকাতু মিন খীফাতিহি)।

১৬৮- “পবিত্র-মহান সেই সত্তা, রা‘দ ফিরিশতা যার মহিমা ও পবিত্রতা ঘোষণা করে প্রশংসার সাথে, আর ফিরিশতাগণও তা-ই করে যাঁর ভয়ে।”

‘‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা মেঘের গর্জন শুনলে কথা বলা বন্ধ করে দিতেন এবং এই দো‘আ পড়তেন…। মুওয়াত্তা ইমাম মালেক ২/৯৯২। আর আলবানী তাঁর সহীহুল কালেমিত তাইয়্যেব গ্রন্থে পৃ. ১৫৭, বলেন, “এর সনদটি মওকূফ সহীহ”।

৬৩. বৃষ্টি চাওয়ার কিছু দো‘আ

اللَّهُمَّ اسْقِنَا غَيْثاً مُغِيثاً مَرِيئاً مَرِيعاً، نَافِعاً غَيْرَ ضَارٍّ، عَاجِلاً غَيْرَ آجِلٍ

(আল্লা-হুম্মা আসক্বিনা গাইসান মুগীসান মারীয়ান মারীআন না-ফিআন গাইরা দ্বাররিন আ-জিলান গাইরা আ-জিলিন)।

আবূ দাউদ, ১/৩০৩, নং ১১৭১। আর শাইখ আলবানী সহীহ আবি দাউদে একে সহীহ বলেছেন, ১/২১৬।

১৬৯-(১) “হে আল্লাহ! আমাদেরকে এমন বৃষ্টির পানি দান করুন যা সাহায্যকারী, সুপেয়, উর্বরকারী; কল্যাণকর, ক্ষতিকর নয়; শীঘ্রই, বিলম্বে নয়।”

اللَّهُمَّ أَغِثْنَا، اللَّهُمَّ أَغِثْنَا، اللَّهُمَّ أَغِثْنَا

(আল্লা-হুম্মা আগিসনা, আল্লা-হুম্মা আগিসনা, আল্লা-হুম্মা আগিসনা)।

১৭০-(২) “হে আল্লাহ! আমাদেরকে বৃষ্টি দিন। হে আল্লাহ! আমাদেরকে বৃষ্টি দিন। হে আল্লাহ! আমাদেরকে বৃষ্টি দিন।”

বুখারী ১/২২৪, নং ১০১৪; মুসলিম ২/৬১৩, নং ৮৯৭।

اللَّهُمَّ اسْقِ عِبَادَكَ، وَبَهَائِمَكَ، وَانْشُرْ رَحْمَتَكَ، وَأَحْيِي بَلَدَكَ الْمَيِّتَ

(আল্লা-হুম্মাসক্বি ইবা-দাকা ওয়া বাহা-ইমাকা ওয়ানশুর রহমাতাকা ওয়া আহয়ি বালাদাকাল মায়্যিতা)।

১৭১-(৩) “হে আল্লাহ! আপনি আপনার বান্দাগণকে ও জীব-জন্তুগুলোকে পানি পান করান, আর আপনার রহমত বিস্তৃত করুন এবং আপনার মৃত শহরকে সজীব করুন।”

আবূ দাউদ ১/৩০৫, নং ১১৭৮। আর শাইখ আলবানী তাঁর সহীহ আবি দাউদে একে হাসান বলেছেন, ১/২১৮।

৬৪. বৃষ্টি দেখলে দো‘আ

اللَّهُمَّ صَيِّباً نَافِعاً

(আল্লা-হুম্মা সায়্যিবান নাফিআন)।

১৭২- “হে আল্লাহ! মুষলধারায় উপকারী বৃষ্টি বর্ষণ করুন।”

বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ২/৫১৮, নং ১০৩২।

৬৫. বৃষ্টি বর্ষণের পর যিকির

مُطِرْنَا بِفَضْلِ اللَّهِ وَرَحْمَتِهِ

(মুতিরনা বিফাদলিল্লা-হি ওয়া রহমাতি-হি)।

১৭৩- “আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়ায় আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে।”

বুখারী ১/২০৫, নং ৮৪৬; মুসলিম ১/৮৩, নং ৭১।

৬৬. অতিবৃষ্টি বন্ধের জন্য কিছু দো‘আ

اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلاَ عَلَيْنَا، اللَّهُمَّ عَلَى الآكَامِ وَالظِّرَابِ، وَبُطُونِ الْأَوْدِيَةِ، وَمَنَابِتِ الشَّجَرِ

(আল্লা-হুম্মা হাওয়ালাইনা ওয়ালা আলাইনা। আল্লা-হুম্মা আলাল-আ-কা-মি ওয়ায্যিরা-বি ওয়াবুতূনিল আওদিয়াতি ওয়ামানা-বিতিশ শাজারি)

১৭৪- “হে আল্লাহ! আমাদের পার্শ্ববর্তী এলাকায় (বর্ষণ করুন), আমাদের উপর নয়। হে আল্লাহ! উঁচু ভূমিতে, পাহাড়ে, উপত্যকার কোলে ও বনাঞ্চলে (বর্ষণ করুন)।”

বুখারী ১/২২৪, নং ৯৩৩; মুসলিম ২/৬১৪, নং ৮৯৭।


Leave a Reply