নতুন লেখা

স্বীয় ক্রীতদাসীকে আযাদ করে বিবাহ করার ফযিলত প্রসঙ্গে

স্বীয় ক্রীতদাসীকে আযাদ করে বিবাহ করার ফযিলত প্রসঙ্গে

স্বীয় ক্রীতদাসীকে আযাদ করে বিবাহ করার ফযিলত প্রসঙ্গে >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

১৪. অধ্যায়ঃ স্বীয় ক্রীতদাসীকে আযাদ করে বিবাহ করার ফযিলত প্রসঙ্গে

৩৩৮৮

আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] খায়বারের যুদ্ধে যান। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা খায়বারের কাছে অন্ধকার থাকতেই ফাজ্‌রের নামাজ আদায় করলাম। তারপর নবী [সাঃআঃ] এবং আবু ত্বলহাহ্‌ [রাদি.] সওয়ার হলেন। আমি ছিলাম আবু ত্বলহাহ [রাদি.]-এর রাদীফ [তাহাঁর বাহনে তার পশ্চাতে উপবিষ্ট] নবী [সাঃআঃ] খায়বারের গলি দিয়ে রওনা দিলেন। এ সময় আমার হাঁটু রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর উরুদেশ স্পর্শ করছিল এবং নবী [সাঃআঃ]-এর উরু থেকে লুঙ্গি সরে যাচ্ছিল। আর আমি নবী [সাঃআঃ]-এর উরুর শুভ্রতা দেখছিলাম। যখন তিনি বস্তিতে প্রবেশ করিলেন তখন বলিলেন, আল্লাহু আকবার, খায়বার ধ্বংস হোক। বস্তুত আমরা যখন কোন সম্প্রদায়ের আঙ্গিনায় অবতরণ করি তখন সতর্ককৃতদের প্রভাত হইবে কত মন্দ! এ কথা তিনি তিনবার বলেন। বর্ণনাকারী বলেন, ঐ সময় লোকজন তাদের কাজে বের হচ্ছিল। তারা বলিতে লাগলো, মুহাম্মাদ রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] [এসেছেন]।

বর্ণনাকারী আবদুল আযীয বলেন, আমাদের কোন কোন উস্তায বলেছেন, পুরো বাহিনী সহ।

বর্ণনাকারী বলেন, আমরা খায়বার জয় করলাম এবং বন্দীদের একত্রিত করা হল। তখন দিহ্‌ইয়া [রাদি.] নবী [সাঃআঃ]-এর নিকট এসে বলিলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! কয়েদীদের মধ্যে থেকে আমাকে একজন দাসী প্রদান করুন। তিনি বললেনঃযাও, একজন দাসী নিয়ে নাও। তিনি সফিয়্যাহ্‌ বিন্‌ত হুয়াইকে নিয়ে নিলেন। তখন এক ব্যক্তি নবী [সাঃআঃ]-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলিল, হে আল্লাহর নবী! আপনি বানূ কুরায়যাহ্‌ ও বানূ নাযীর-এর সর্দার হুয়াইয়ের কন্যা সফিয়্যাকে দিহ্‌ইয়াকে দিয়ে দিয়েছেন। ইনি একমাত্র আপনারই উপযুক্ত হইতে পারে। তিনি বলিলেন তাকে সফিয়্যাহ্‌সহ ডাক। তারপর দিহ্‌ইয়া [রাদি.] সফিয়্যাহ্‌সহ উপস্থিত হলেন। যখন নবী [সাঃআঃ] তার প্রতি দৃষ্টিপাত করিলেন, তখন তিনি দিহ্‌ইয়া, [রাদি.]-কে বলিলেন, তুমি সফিয়্যাহ্‌ ব্যতীত কয়েদীদের মধ্য থেকে অন্য কোন দাসী নিয়ে নাও।

বর্ণনাকারী বলেন, তিনি সফিয়্যাকে আযাদ করিলেন এবং তাঁকে বিবাহ করিলেন। আনাসকে লক্ষ্য করে সাবিত [রাদি.] বলিলেন, হে আবু হামযাহ্‌! তিনি তাঁকে কী মোহর দিলেন? তিনি বলিলেন, তিনি তাহাঁর সত্তাকে মুক্তি দান করেন এবং এর বিনিময়ে তাঁকে বিবাহ করেন। তারপর তিনি যখন [ফেরার] পথে ছিলেন তখন উম্মু সুলায়ম [রাদি.] সফিয়্যাহ্‌ [রাদি.]-কে তাহাঁর জন্য প্রস্তুত করেন এবং রাতে তাহাঁর কাছে পাঠিয়ে দেন। নবী [সাঃআঃ] তাহাঁর সঙ্গে বাসর উদযাপনের পর ভোর হলে তিনি ঘোষণা করিলেন, যার নিকট যা কিছু আছে তা নিয়ে যেন উপস্থিত হয়। আর তিনি চামড়ার বড় দস্তরখান বিছালেন। বর্ণনাকারী বলেন, এ কথা শুনে কেউ পানীয়, কেউ খেজুর ও কেউ ঘি নিয়ে হাযির হল। তারপর এসব মিলিয়ে তারা হায়স তৈরী করেন। আর তাই ছিল রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর ওয়ালীমাহ্‌। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৩৬২, ইসলামিক সেন্টার- ৩৩৬১]

৩৩৮৯

আনাস [রাদি.] সূত্রে নবী [সাঃআঃ] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি সফিয়্যাকে আযাদ করিলেন এবং তাহাঁর আযাদ করাকে মোহর ধার্য করিলেন।

অপর এক হাদীসে মুআয তাহাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, “নবী [সাঃআঃ] সফিয়্যাকে বিবাহ করেন এবং তাহাঁর আযাদ করাটাই ছিল মোহর।”[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৩৬৩, ইসলামিক সেন্টার- ৩৩৬২]

৩৩৯০

আবু মূসা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন: যে তার দাসী আযাদ করে তাকে বিয়ে করে, তার জন্য রয়েছে দ্বিগুণ সাওয়াব। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৩৬৪, ইসলামিক সেন্টার- ৩৩৬৩]

৩৩৯১

আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, খায়বারের যুদ্ধে আমি আবু ত্বল্‌হাহ্‌ [রাদি.]-এর পিছনে সওয়ার ছিলাম। আমার পা তখন রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর কদম মুবারক স্পর্শ করছিল। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা সূর্যোদয়ের সময় খায়বারবাসীদের নিকট পৌছলাম। তারা তখন চতুষ্পদ জন্তু, কোদাল, বস্তু ও রশি নিয়ে বের হচ্ছিল। তারা বলিতে লাগলো রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] তাহাঁর পঞ্চবাহিনী [পূর্ণ বাহিনী] নিয়ে এসে গেছেন। রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বললেনঃখায়বার ধ্বংস হোক, আমরা যখন কোন শত্রু দলের আঙ্গিনায় অবতরণ করি তখন সতর্কীকৃত লোকদের প্রভাত হয় মন্দ। বর্ণনাকারী বলেন, [ঐ অভিযানে] আল্লাহ তাদের পরাজিত করিয়াছেন। দিহ্‌ইয়া [রাদি.]-এর ভাগে পড়ে সুন্দরী দাসী। এরপর রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] সাতজন দাসের বিনিময়ে সে দাসীকে খরিদ করে নেন। অত:পর তিনি তাকে উম্মু সুলায়ম [রাদি.]-এর হাওয়ালা করেন যাতে তিনি তাঁকে ঠিকঠাক করে প্রস্তুত করে দেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় রাবী এ কথাও বলেছেন, সে যেন তাহাঁর ঘরে ইদ্দাত পূর্ণ করে। তিনি ছিলেন হুয়াইর কন্যা সফিয়্যাহ্‌। বর্ণনাকারী বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] খেজুর, পানীয় ও ঘি দিয়ে তার ওয়ালীমাহ্‌ করিলেন। এ উদ্দেশে জমিনের কিছু অংশ গর্ত আকারের করে তাতে চামড়ার বড় দস্তরখান বিছিয়ে দেয়া হয়। এতেই পানীয় ও ঘি রাখা হয়। সকলেই তা তৃপ্তির সাথে আহার করিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা বলিতে লাগল: আমরা জানি না, তিনি তাকে বিবাহ করিলেন, না উম্মু ওয়ালাদ [দাসী] রূপে গ্রহণ করিলেন। আবার কয়েকজন বলিতে লাগল, যদি তিনি তাহাঁর পর্দার ব্যবস্থা না করেন তবে তিনি তাহাঁর উম্মু ওয়ালাদ। তিনি যখন বাহনে সওয়ার হওয়ার ইচ্ছা করিলেন, তখন তাহাঁর জন্য পর্দার ব্যবস্থা করিলেন। এরপর সফিয়্যাহ্‌ [রাদি.] উটের পিছনের দিকে বসলেন। তখন লোকেরা জানতে পারল যে, তিনি তাঁকে বিবাহ করিয়াছেন। সাহাবীগণ যখন মাদীনার নিকটবর্তী হলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] তখন দ্রুত অগ্রসর হইতে থাকলেন এবং আমরাও দ্রুত চললাম। তখন রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আদবা নামক উষ্ট্রী হোঁচট খেলে তিনি উটের পিঠ থেকে জমিনে পড়ে গেল। রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] জমিনে পড়ে যান এবং সফিয়্যাহ্‌ [রাদি.]ও পড়ে যান। তিনি দাঁড়িয়ে সফিয়্যাহ্‌ [রাদি.]-কে পর্দার দ্বারা আবৃত করে দেন। এ দেখে কতিপয় মহিলা বলিতে লাগল, ইয়াহুদী মহিলাকে আল্লাহ তাহাঁর রহমাত থেকে বঞ্চিত করুন।

বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, হে আবু হামযাহ্‌! সত্যিই কি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] উটনী থেকে জমিনে পড়ে গিয়েছিলেন? তিনি শপথ করে বলিলেন, হাঁ। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৩৬৫, ইসলামিক সেন্টার- ৩৩৬৪]

৩৩৯২

আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

আমি নিজে যায়নাব [রাদি.]-এর ওয়ালীমাহ্ অনুষ্ঠানে ছিলাম। সে অনুষ্ঠানে র সূলূল্লাহ [সাঃআঃ] লোকদের তৃপ্তি সহকারে রুটি ও গোশত আহার করিয়ে ছিলেন। সে ওয়ালীমার দাওয়াত দেয়ার জন্য তিনি আমাকে পাঠিয়েছিলেন। তিনি যখন ওয়ালীমার কাজ শেষ করে উঠলেন আমিও তাহাঁর পিছনে চললাম। তখনও দুজন লোক ঘরে কথাবার্তায় ব্যস্ত রইল, তারা বের হল না। তখন রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] তাহাঁর স্ত্রীগনের নিকট গেলেন এবং প্রত্যেককেই আস্সালামু আলায়কুম বলে সালাম জানিয়ে জিজ্ঞেস করিলেন, হে গৃহবাসী! তোমরা কেমন আছো? উত্তরে প্রত্যেকেই বলেন, “আমরা ভাল আছি, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি আপনার নব পরিণীতাকে কেমন পেয়েছেন? বলিলেন, ভালই। তিনি যখন এ কাজ শেষ করে ফিরে এলেন আমিও তাহাঁর সঙ্গে ফিরে এলাম। যখন তিনি দরজার কাছে এলেন- দেখলেন যে, সে দুজন আলোচনায় রত আছে। তারা তাঁকে ফিরে যেতে দেখে উঠে চলে গেল। আনাস [রাদি.] বলেন, আল্লাহর শপথ! আমার মনে নেই, ঘর থেকে ঐ দুজন লোকের বের হয়ে যাওয়ার কথা আমি তাঁকে জানিয়ে ছিলাম, না এ ব্যাপারে তাহাঁর উপর ওয়াহী নাযিল হয়েছিল। তিনি আবার ফিরে এলেন এবং আমিও তার সঙ্গে ফিরে এলাম। যখন তিনি দরজার চৌকাঠে পা রাখলেন তখন তিনি আমার ও তাহাঁর মাঝে পর্দা টেনে দিলেন, আর আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করেন- “তোমরা নবীর ঘরে তাহাঁর বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করিবে না।” [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৩৬৫, ইসলামিক সেন্টার- ৩৩৬৪]

৩৩৯৩

আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, সফিয়্যাহ্‌ [রাদি.] দিহ্‌ইয়া [রাদি.]-এর ভাগে পড়েন। লোকেরা রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর কাছে তাহাঁর প্রশংসা করে বলিতে লাগলো, আমরা কয়েদীদের মধ্যে তাহাঁর কোন জুড়ি দেখিনি। আনাস [রাদি.] বলেন, তখন তিনি দিহ্‌ইয়াকে ডেকে পাঠালেন এবং সফিয়্যার বদলে তাকে যা তিনি চাইলেন তা দিয়ে দিলেন। অত:পর তিনি সফিয়্যাকে আমার মা [উম্মু সুলায়ম]-এর কাছে দিয়ে বলিলেন, তুমি তাকে [সাজিয়ে] ঠিকঠাক করে দাও। আনাস [রাদি.] বলেন, এরপর রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] খায়বার থেকে বের হয়ে পড়লেন। যখন ছেড়ে আসলেন তখন অবতরণ করিলেন। অত:পর সফিয়্যার উপর একটি তাঁবু খাটিয়ে দিলেন। ভোরে উঠে রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলিলেন, যার কাছে উদ্বৃত্ত খাদ্য আছে সে যেন তা আমার কাছে নিয়ে আসে। আনাস [রাদি.] বলেন, তখন লোকজন তার উদ্বৃত্ত খেজুর এবং উদ্বৃত্ত ছাতু আনতে লাগল। এমনকি এগুলোর একটি স্তুপ পরিমাণ জমা করে হায়স তৈরী করিল। অত:পর সকলে হায়স থেকে খেতে লাগল এবং বৃষ্টির পানির হাওয থেকে তারা পানি পান করিতে লাগল। বর্ণনাকারী [সাবিত] বলেন, আনাস [রাদি.] বলেন, তাই ছিল সফিয়্যাহ্‌ [রাদি.]-এর ওয়ালীমাহ্‌। তিনি বলেন, অত:পর আমরা রওনা দিলাম এবং যখন মাদীনার প্রাচীরগুলো দেখিতে পেলাম তখন মাদীনার জন্য আমাদের মন উৎফুল্ল হয়ে উঠলো। আমরা আমাদের সওয়ারীগুলোকে দ্রুত চালনা করলাম এবং রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] ও তাহাঁর সওয়ারীকে দ্রুত চালালেন। আনাস [রাদি.] বলেন, সফিয়্যাহ্‌ তাহাঁর পিছনে তাহাঁর সাথে সওয়ার করে গিয়েছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর উটনী হোঁচট খায়। ফলে তিনি ও সফিয়্যাহ্‌ [রাদি.] পড়ে যান। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা কেউ তাহাঁর ও সফিয়্যার দিকে দৃষ্টিপাত করেননি। ইতোমধ্যে রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] দাঁড়িয়ে তাঁকে আবৃত করিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমরা মাদীনায় প্রবেশ করলাম। রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর অপরাপর সহধর্মিণীগণ বের হয়ে সফিয়্যাকে একজন আর একজনকে দেখাতে লাগলেন এবং তাহাঁর মাটিতে পড়ে যাওয়ার কারণে আফসোস করিতে লাগলেন।[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৩৬৬, ইসলামিক সেন্টার- ৩৩৬৫]

About halalbajar.com

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Check Also

মহান আল্লাহর বাণী : “তারা দুটি বিবদমান পক্ষ তাদের প্রতিপালক সম্পর্কে বাক-বিতণ্ডা করে”

মহান আল্লাহর বাণী : “তারা দুটি বিবদমান পক্ষ তাদের প্রতিপালক সম্পর্কে বাক-বিতণ্ডা করে” মহান আল্লাহর …

Leave a Reply

%d bloggers like this: