ফোরাত / ফুরাত নদির সোনার পাহাড় জেগে উঠা – দেখুন সরাসরি হাদিস থেকে

ফুরাত নদির সোনার পাহাড় জেগে উঠা

হাদিসঃ সহিহুল বুখারি –৭১১৯ (আধুনিক প্রঃ- ৬৬২০, ইঃ ফাঃ- ৬৬৩৪)

আবদুল্লাহ ইবনু সাঈদ কিন্দী (রাহিমাহুল্লাহ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অদ্য ভবিষ্যতে ফোরাত নদী তার গর্ভস্ত স্বর্ণের খনি বের করে দেবে সে সময় যারা উপস্থিত থাকিবে তারা যেন তা থেকে কিছুই গ্রহণ না করে।

উকবা (রাহিমাহুল্লাহ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) সুত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ হাদিসটি অনুরূপ বর্ণনা করিয়াছেন। তবে সেখানে كَنْزٍ مِنْ ذَهَبٍ এর স্থলে جَبَلٍ مِنْ ذَهَبٍ (স্বর্ণের পাহাড়) উল্লেখ আছে।

হাদিসঃ সহিহ মুসলিম –৬০৯৮ (হাদিস এঃ)

আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (অন্য সনদে) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রাহিমাহুল্লাহ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সায়হান, জায়হান, ফুরাত ও নীল এসব জান্নাতের নহর সমূহেরই অন্তর্ভুক্ত।

হাদিসঃ সহিহ মুসলিম –৭০৬৩ (হাদিস এঃ) (ইঃ ফাঃ ৬৮৯৮, ইসলামিক সেন্টার ৬৯৫৫)

আবু বকর ইবনু আবু শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রাহিমাহুল্লাহ) ……… আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাইহান, জাইহান (দু’টি নদ) এবং ফুরাত ও নীল (দু’টি নদ) এসবের প্রত্যেকটিই জান্নাতের নহরসমূহেরই অন্তর্ভুক্ত হইবে।

হাদিসঃ সহিহ মুসলিম –৭১৬৪ (হাদিস এঃ) (ইঃ ফাঃ ৭০০৮, ইসলামিক সেন্টার ৭০৬৫)

কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রাহিমাহুল্লাহ) ……… আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কিয়ামাত সংঘটিত হইবে না ততক্ষণ পর্যন্ত, যতক্ষণ না ফুরাত তার মধ্যস্থিত স্বর্ণের পাহাড় বের করে দেয়। লোকেরা এ নিয়ে যুদ্ধ করিবে এবং একশতের মধ্যে নিরানব্বই জন মৃত্যুবরণ করিবে। তাদের সকলেই বলবে, আমার মনে হয় আমি জীবন্ত থাকব।

হাদিসঃ সহিহ মুসলিম –৭১৬৫ (হাদিস এঃ) (ইঃ ফাঃ ৭০০৯, ইসলামিক সেন্টার ৭০৬৬)

উমাইয়্যাহ ইবনু বিস্‌তাম (রাহিমাহুল্লাহ) ……… সুহায়ল (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে এ সূত্রে অবিকল বর্ণনা করিয়াছেন। তবে তিনি এতে বর্ধিত বর্ণনা করিয়াছেন যে, আমার পিতা বলেছেন, যদি তোমরা ঐ পাহাড় দেখো তবে তোমরা এর নিকটেও যেও না।

হাদিসঃ সহিহ মুসলিম –৭১৬৬ (হাদিস এঃ) (ইঃ ফাঃ ৭০১০, ইসলামিক সেন্টার ৭০৬৭)

আবূ মাসউদ সাহল ইবনু উসমান (রাহিমাহুল্লাহ) ……… আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শীঘ্রই ফুরাত তার গর্ভস্থত স্বর্ণভাণ্ডার বের করে দিবে। সুতরাং এ সময় যারা উপস্থিত থাকিবে তারা যেন এ থেকে কিছুই গ্রহণ না করে।

হাদিসঃ সহিহ মুসলিম –৭১৬৭ (হাদিস এঃ) (ইঃ ফাঃ ৭০১১, ইসলামিক সেন্টার ৭০৬৮)

সাহল ইবনু উসমান (রাহিমাহুল্লাহ) ……… আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শীঘ্রই ফুরাত তার গর্ভস্থত পাহাড়সম স্বর্ণ বের করে দিবে। তাই এ সময় যারা সমুপস্থিত থাকিবে তারা যেন এ থেকে কিছুই গ্রহণ না করে।

হাদিসঃ সহিহ মুসলিম –৭১৬৮ (হাদিস এঃ) (ইঃ ফাঃ ৭০১২, ইসলামিক সেন্টার ৭০৬৯)

আবূ কামিল ফুযায়ল ইবনু হুসায়ন ও আবু মা’ন আর রাকাশী (রাহিমাহুল্লাহ) ……… আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস ইবনু নাওফাল (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উবাই ইবনু কা’ব (রাযিঃ) এর সাথে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এমন সময় তিনি বলিলেন, বিভিন্ন প্রক্রিয়া গ্রহণ করতঃ মানুষ জাগতিক সম্পদ উপার্জনের কাজে সর্বদা নিয়োজিত থাকিবে। আমি বললাম, হ্যাঁ, ঠিকই। তখন তিনি বলিলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলিতে শুনেছি, শীঘ্রই ফুরাত তার গর্ভস্থিত স্বর্ণসম পর্বত বের করে দিবে। এ কথা শুনামাত্রই লোকজন সেদিকে চলতে রওনা হইবে। সেখানকার লোকেরা বলবে, আমরা যদি লোকদেরকে ছেড়ে দেই তবে তারা সমস্ত কিছুই নিয়ে চলে যাবে। এ নিয়ে তারা পরস্পর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে এবং এতে একশতের মধ্যে নিরানব্বই জন লোকই নিহত হইবে। বর্ণনাকারী আবু কামিল (রাহিমাহুল্লাহ) তার হাদীসে উল্লেখ করিয়াছেন যে, আমি এবং উবাই ইবনু কা’ব (রাযিঃ) হাসসান এর কিল্লার ছায়ায় দাঁড়িয়ে ছিলাম।

হাদিসঃ সহিহ মুসলিম –৭১৬৯ (হাদিস এঃ) (ইঃ ফাঃ ৭০১৩, ইসলামিক সেন্টার ৭০৭০)

উবায়দ ইবনু ইয়াঈশ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রাহিমাহুল্লাহ) ……… আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইরাক তার রৌপ্য মুদ্রা এবং কাফীয দিতে বারণ করিবে। সিরিয়াও তার মুদ এবং স্বর্ণমুদ্রা প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানাবে। অনুরূপভাবে মিসরও তাদের আরদাব এবং স্বর্ণমুদ্রা প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানাবে। পরিশেষে তোমরা পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তন করিবে, তোমরা পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তন করিবে, তোমরা পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তন করিবে। এ কথার প্রতি আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর রক্ত-গোশত সাক্ষ্য দিচ্ছে।

হাদিসঃ  সুনান আত তিরিমিজি –২৫৭০ (আলবানি তাহকীককৃত) তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৫৬৯ (আল মাদানী প্রঃ)

আবূ সাঈদ আশাজ্জ (রাহিমাহুল্লাহ) ……… আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অচিরেই ফুরাত নদী তার গোপন স্বর্ণ-ভন্ডার পানি অপসৃত করে প্রকাশ করে দিবে। যে ব্যক্তি তখন সেখানে হাযির থাকিবে সে যেন তা থেকে কিছুই গ্রহণ না করে।

হাদিসটি হাসান-সহিহ।

হাদিসঃ  সুনান আত তিরিমিজি –২৫৬৯ (আলবানি তাহকীককৃত)

আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হইতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ফুরাত নদী শীঘ্রই তার স্বর্ণের ভাণ্ডার প্রকাশ করে দিবে। তখন যে লোক সেখানে উপস্থিত থাকিবে, সে যেন তা থেকে কিছুই না নেয়।

আবূ ঈসা বলেন, এই হাদিসটি হাসান সহিহ।

হাদিসঃ  সুনান আত তিরিমিজি –২৫৭০ (আলবানি তাহকীককৃত)

আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ)-এর সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হইতে উপরোক্ত হাদীসের একই রকম বর্ণনা আছে। তবে এতে তিনি বলেছেনঃ “ফুরাত হইতে স্বর্ণের একটি পাহাড় বের হইবে”।

আবূ ঈসা বলেন, এই হাদিসটি হাসান সহিহ।

হাদিসঃ  সুনান আবূ দাউদ –৪৩১৩ (আলবানি তাহকীককৃত)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অচিরেই ফুরাত নদী স্বর্ণের খনি উন্মুক্ত করিবে। অতএব যে কেউ সেখানে উপস্থিত থাকিবে সে যেন তা থেকে কিছুই গ্রহণ না করে।(1)

সহিহ।

হাদিসঃ  সুনান আবূ দাউদ -৪৩১৪ (আলবানি তাহকীককৃত)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করিয়াছেন। কিন্তু তিনি বলেনঃ ফুরাত নদী স্বর্ণের পাহাড় উন্মুক্ত করিবে।(1)

সহিহ।

হাদিসঃ  সুনানে ইবনে মাজাহ –৪০৪৬ (মুসনাদে আহমাদ৭৫০১, ৮০০১, ৮১৮৮, ৮৩৫৪, ৯১০৩)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ফোরাত নদীতে সোনার পাহাড় জেগে না উঠা পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হইবে না এবং লোকজন সেখানে যুদ্ধ-সংঘাতে লিপ্ত হইবে। তাদের প্রতি দশজনে নয়জন নিহত হইবে।

তাহকীক আলবানীঃ مِنْ كُلِّ عَشَرَةٍ تِسْعَةٌ কথাটি ব্যাতিত হাসান সহিহ; কারণ বাক্যটি শাজ। আর মাহফুয হল من كل مائة تسعة وتسعون । উক্ত হাদিসের রাবী মুহাম্মাদ বিন আমর বিন হুরায়স সম্পর্কে ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি সিকাহ তবে ইমাম যাহাবী বলেন, তার পরিচয় সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। ইবরাহীম বিন ইয়াকুব আল-জাওযুজানী বলেন, তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। ইমাম দারাকুতনী তাকে দুর্বল বলেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫১৩, ২৬/২১২ নং পৃষ্ঠা)

হাদিসঃ  মুসনাদে আহমাদ -৭৫০১, ৮০০১, ৮১৮৮, ৮৩৫৪, ৯১০৩

উক্ত রাবী রাদিয়াল্লাহু আনহু হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ততদিন পর্যন্ত মহাপ্রলয় সংঘটিত হইবে না, যতদিন পর্যন্ত ফুরাত নদী (তার গর্ভস্থ) একটি সোনার পাহাড় বের না করে দেবে; যা নিয়ে যুদ্ধ চলবে। তাতে নিরানববই শতাংশ মানুষ নিহত হইবে! তাদের প্রত্যেকেই বলবে যে, সম্ভবত: আমি বেঁচে যাব।’’

অন্য এক বর্ণনায় আছে, অদূর ভবিষ্যতে ফুরাত নদী তার গর্ভস্থ স্বর্ণের খনি বের করে দেবে। সুতরাং সে সময় যে সেখানে উপস্থিত হইবে, সে যেন তা থেকে কিছুই গ্রহণ না করে।’’ 

হাদিসঃ  সুনান আদ-দারাকুতনী –২৯

আবু বাক্‌র আন-নায়সাপুরী (রাহিমাহুল্লাহ) … আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমাকে সপ্তম আকাশের ছিদরাতুল মুনতাহায় নিয়ে যাওয়া হলে আমি সেখানে (একটি বড়ই গাছে) হাজার এলাকার মশকের ন্যায় বৃহদাকারের বড়ই এবং হাতীর কানের ন্যায় বড়ই পাতা দেখলাম। তার শিকড় (বা উৎসমূল) থেকে দুইটি দৃশ্যমান ঝর্না ও দুইটি অদৃশ্যমান ঝর্না প্রবাহিত হচ্ছে। আমি বললাম, হে জিবরীল! এগুলো কি? তিনি বলেন, অদৃশ্যমান ঝর্না দু’টি জান্নাতে প্রবাহিত এবং দৃশ্যমান ঝর্না দু’টি হলো (পৃথিবীর) নীল নদ ও ফোরাত নদী।

হাদিসঃ  যঈফ জাল হাদিস – ১৪৩৮ (আলবানি তাহকীককৃত)

এমন কোন দিন নেই যে দিনে ফুরাত নদীতে বহু পরিমাণে জান্নাতের বরকত অবতরণ না করে।

হাদিসটি খুবই দুর্বল।

এটিকে ইবনু আদী “আলকামেল” গ্রন্থে (২/১৩২) রাবী’ ইবনু বাদর হইতে, তিনি আ’মাশ হইতে, তিনি আবূ ওয়েল হইতে, তিনি আব্দুল্লাহ্ (রাঃ) হইতে, তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হইতে বর্ণনা করিয়াছেন …।

ইবনু আদী বলেনঃ হাদিসটিকে একমাত্র রাবী’ ইবনু বাদর এর হাদিস হইতে চিনি।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি খুবই দুর্বল। ইবনু আদী তার জীবনীর শেষে বলেনঃ তার অধিকাংশ হাদীসের কেউ মুতাবা’য়াত করেনি। হাফিয যাহাবী “আযযুয়াফা অল মাতরূকীন” গ্রন্থে বলেনঃ তাকে দারাকুতনী প্রমুখ ত্যাগ করিয়াছেন।

হাফিয ইবনু হাজার “আততাকরীব” গ্রন্থে বলেনঃ তিনি মাতরূক।

ইবনুল জাওযী বলেনঃ হাদিসটি সহিহ নয়। এর মধ্যে বর্ণনাকারী রাবী’ রয়েছেন, তিনি নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের উদ্ধৃতিতে উলটপাললটকৃত হাদিস আর দুর্বলদের উদ্ধৃতিতে বানোয়াট হাদিস বর্ণনাকারী।

হাদিসটিকে সুয়ূতী “আলজামে” গ্রন্থে ইবনু মারদীবিয়ার উদ্ধৃতিতে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন। কিন্তু তার নিকট থেকে উপরের উদ্ধৃতি ছুটে গেছে। এ ধ্বংসাত্মক বর্ণনাকারীর আরেকটি হাদিস

By রিয়াদুস সালেহিন

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply