নতুন লেখা

ফারায়িজ বা মৃতের পরিত্যক্ত সম্পত্তির বণ্টন বিধি

ফারায়িজ বা মৃতের পরিত্যক্ত সম্পত্তির বণ্টন বিধি

 ফারায়িজ বা মৃতের পরিত্যক্ত সম্পত্তির বণ্টন বিধি >> বুলুগুল মারাম এর মুল সুচিপত্র দেখুন

অধ্যায়-২০ঃ ফারায়িজ বা মৃতের পরিত্যক্ত সম্পত্তির বণ্টন বিধি

পরিচ্ছেদ ০১. আসাবাদের পূর্বে আসহাবুল ফারায়েয মীরাস পাবে {১০১৯}

৯৪৫ – ইবনু আব্বাস [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, সুনির্দিষ্ট অংশের হকদারদের মীরাসে পৌঁছে দাও । অতঃপর যা বাকী থাকিবে তা [মৃতের] নিকটতম পুরুষের জন্য । {১০২০}

{১০২০} বুখারি ৬৭৩২, ৬৭৩৫, ৬৭৩৭, ৬৭৪৫, মুসলিম ১৬১৫, তিরমিজি ২০৯৪, আবূ দাউদ ২৮৯৮, ইবনু মাযাহ ২৭৪০, ২৬৫২, ২৬৫৭, দারেমী ২৯৮৬- হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

পরিচ্ছেদ ০২. মুসলমান এবং কাফেরের মাঝে উত্তরাধিকার সূত্র নেই

৯৪৬ – উসামাহ বিন যায়দ [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

নবী [সাঃআঃ] বলেছেন, মুসলিম কাফেরের উত্তরাধিকারী হয় না, আর কাফিরও মুসলিমের উত্তরাধিকারী হয় না । {১০২১}

{১০২১} বুখারিতে [আরবী] শব্দের স্থলে [আরবী] শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে; দু স্থানেই। বুখারি ১৫৮৮, ৩০৫৮, ৪২৮৩, ৬৭৬৩, মুসলিম ১৬১৪, তিরমিজি ২১০৭, আবূ দাউদ ২৯০৯, ইবনু মাযাহ ২৭২৯, ২৭৩০, আহমাদ ২১৩০১, ২১৩১৩, মুয়াত্তা মালেক ১১০৪, ১১০৫, দারেমী ২৯৯৮, ৩০০০ । হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

পরিচ্ছেদ ০৩. বোনেরা মেয়ের সাথে আসাবাহ হয়

৯৪৭ – ইবনু মাস`ঊদ [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

নবী [সাঃআঃ] ফয়সলা করিয়াছেন, কন্যা পাবে অর্ধাংশ আর পৌত্রী পাবে ষষ্ঠাংশ । এভাবে দু`তৃতীয়াংশ পূর্ণ হইবে । বাকী তৃতীয়াংশ পাবে বোন । {১০২২}

{১০২২} বুখারির বর্ণনায় রয়েছে, [আরবী] হুযায়ল ইব্‌নু শূরাহ্‌বীল [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আবূ মূসা [রাঃআঃ]-কে কন্যা, পুত্রের কন্যা এবং ভগ্নির [মীরাস] সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল । তখন তিনি বলিলেন, কন্যার জন্য অর্ধেক আর ভগ্নির জন্য অর্ধেক । [তিনি বলিলেন] তোমরা ইব্‌নু মাস`ঊদ [রাঃআঃ]-এর কাছে যাও, তিনিও হয়ত আমার মতই বলবেন । অতঃপর ইব্‌নু মাস`ঊদ [রাঃআঃ]-কে জিজ্ঞেস করা হল এবং আবূ মূসা [রাঃআঃ] যা বলেছেন সে সম্পর্কে তাঁকে জানানো হল । তিনি বলিলেন, [ও রকম সিদ্ধান্ত দিলে] আমি তো পথভ্রষ্ট হয়ে যাব, হেদায়েতপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত থাকব না । আমি এ ব্যাপারে ঐ ফায়সালাই দিচ্ছি, যে ফায়সালা নবী [সাঃ] প্রদান করেছিলেন । কন্যা পাবে অর্ধাংশ আর পৌত্রী পাবে ষষ্ঠাংশ । এভাবে দু`তৃতীয়াংশ পূর্ণ হইবে । বাকী এক তৃতীয়াংশ পাবে বোন । এরপর আমরা আবূ মূসা [রাঃআঃ]-এর কাছে আসলাম এবং ইব্‌নু মাস`ঊদ [রাঃআঃ] যা বলিলেন, তা তাকে জানালাম । তখন তিনি বললেনঃ এ অভিজ্ঞ মনীষী যতদিন তোমাদের মাঝে থাকিবে ততদিন আমার কাছে কিছু জিজ্ঞেস করো না । বুখারি ৬৭৩৬, ৬৭৪২, তিরমিজি ২০৯৩, আবূ দাউদ ২৮৯০, ইবনু মাযাহ ২৭২১, আহমাদ ৩৬৮৪,৪০৬২ – হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

পরিচ্ছেদ ০৪. দুই ভিন্ন ধর্মের লোকদের মাঝে উত্তরাধিকার সূত্র নেই

৯৪৮ – আবদুল্লাহ বিন `আম্‌র [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, দু`টি ভিন্ন ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিরা একে অপরের ওয়ারিস হইবে না । -ইমাম হাকিম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] উসমাহ [রাঃআঃ]-এর বর্ণিত শব্দ বিন্যাসে এবং নাসায়ী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] উসমাহ [রাঃআঃ]-এর হাদিসকে অত্র [`আবদুল্লাহ্‌-এর] হাদীসের শব্দে বর্ণনা করিয়াছেন । {১০২৩}

{১০২৩} আবূ দাউদ ২৯১১, ইবনু মাযাহ ২৭৩১, আহমাদ ৬৬২৬, ৬৮০৫ । সনদ জাইয়িদ, তাওযিহুল আহকাম ৫/১৬০ পৃঃ- হাদিসের তাহকিকঃ অন্যান্য

পরিচ্ছেদ ০৫. দাদার মীরাছ [উত্তারধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদ]

৯৪৯ – ইমরান বিন হুসাইন [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, কোন লোক নবী [সাঃআঃ] এর নিকট এসে বললো, আমার ছেলের ছেলে নাতির মৃত্যু হয়েছে, তার মিরাস থেকে আমার জন্য কি হক রয়েছে? তিনি বলিলেন- এক ষষ্ঠাংশ । লোকটি ফিরে গেলে আবার তাকে নবী [সাঃআঃ] ডেকে বলিলেন, তোমরা জন্য আর এক ষষ্ঠাংশ । লোকটি ফিরলে পুনরায় তাকে ডেকে নবী [সাঃআঃ] বলে দিলেন এর পরবর্তী ষষ্ঠাংশ তোমার খাদ্যের জন্য [আসবাবরূপে] প্রাপ্ত । -তিরমিজি একে সহিহ বলেছেন, এটা `ইমরান থেকে হাসান বাসরীর বর্ণনায় রয়েছে । এ সম্বন্ধে বলা হয়েছে-হাসান বাসরী `ইমরান [রা] থেকে শ্রবণ করেননি । {১০২৪}

{১০২৪} তিরমিজি ২০৯৯, আবূ দাউদ ২৮৯৬। ইবনু উসাইমীন শরহে বুলগুল মারাম ৪/৩৬৯ গ্রন্থে একে মুনকাতি বলেছেন । আবদুর রহমান মুবারকপুরী তুহফাতুল আহওয়াযী ৫/৫১৮ গ্রন্থে বলেন, [আরবী] এর সনদ রয়েছে হাসান, ইবনু আবূ হাতিম ইমামগণ থেকে এটি বর্ণনা করেন যে, হাসান ইমরান বিন হুসাইন থেকে কোন কিছুই শুনেনি । শাইখ আলবানী তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ ২৯৯৬ ও জঈফ আবূ দাউদে [২৮৯৬] গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন । হাদিসের তাহকিকঃ হাসান হাদিস

পরিচ্ছেদ ০৬. দাদীর মীরাছ

৯৫০ – ইবনু বুরাইদাহ [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

নবী [সাঃআঃ] মৃতের মাতা না থাকার অবস্থায় সম্পত্তি থেকে দাদীর জন্য এক ষষ্ঠাংশ দিয়েছেন । -ইবনু হিব্বান, ইবনু খুযাইমাহ ও ইবনু জারূদ সহিহ, বলেছেন আর ইবনু আদী হাদিসটিকে শক্তিশালী বলেছেন । {১০২৫}

{১০২৫} আবূ দাউদ ২৮৯৫ । হাদিসের তাহকিকঃ হাসান হাদিস

পরিচ্ছেদ ০৭. রক্ত সম্পর্কীয়দের মীরাছ

৯৫১ – মিকদাদ্‌ ইবনু মা`দীকারিব [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন- যার কোন ওয়ারিস নেই, তার মামা তার ওয়ারিস হইবে । -আবু যুর`আতার্‌ রাযী হাসান বলেছেন এবং হাকিম ও ইবনু হিব্বান একে সহিহ বলেছেন । {১০২৬}

{১০২৬} ইবনু মাযাহ ২৭৩৮, আবূ দাউদ ২৮৯৯, ২৯০০, ২৯০১, আহমাদ ১৬৭২৩, ১৬৭৪৮ । হাদিসের তাহকিকঃ হাসান হাদিস

৯৫২ – আবূ উমামাহ ইবনু সহ্‌ল [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেছেন, `উমার [রাঃআঃ] আবূ উবায়দাহ [রাঃআঃ]-কে লিখে জানিয়েছিলেন যে, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যার কোন অভিভাবক নেই আল্লাহ ও তাহাঁর রাসূলই তার অভিভাবক এবং যার কোন ওয়ারিস নেই মামাই তার ওয়ারিস । -তিরমিজি একে হাসান বলেছেন এবং ইবনু হিব্বান সহীহ্‌ বলেছেন । {১০২৭}

{১০২৭} তিরমিজি ২১০৩, ইবনু মাযাহ ২৭৩৭ । হাদিসের তাহকিকঃ হাসান হাদিস

পরিচ্ছেদ ০৮. বাচ্চার মীরাস

৯৫৩ – জাবির [রা] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি নবী [সাঃআঃ] হইতে বর্ণনা করিয়াছেন, তিনি বলেছেন, ভূমিষ্ঠ সন্তান যদি শব্দ করে চীৎকার দেয় তাহলে তাকে ওয়ারিস বলে গণ্য করিতে হইবে । -ইবনু হিব্বান সহীহ্‌ বলেছেন । {১০২৮}

{১০২৮} তিরমিজি ১০৩২, ইবনু মাযাহ ১৫০৮, ২৭৫০, ২৭৫১, দারেমী ৩১২৫ । হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

পরিচ্ছেদ ০৯. হত্যাকারীকে উত্তরাধিকারী করার বিধান

৯৫৪ – আম্‌র বিন শু`আইব হইতে বর্ণিতঃ

তিনি তাহাঁর পিতা হইতে, তিনি তাহাঁর দাদা [রাঃআঃ] থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, হত্যাকারীর জন্য নিহিত ব্যক্তির পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে কোন অধিকার নেই । -হাদিসটিকে ইবনু `আবদিল বার্‌ শক্তিশালী বলেছেন, নাসায়ী ইল্লাত বা ত্রুটিযুক্ত হাদিস বলেছেন, কিন্তু হাদিসটির `আম্‌র এর উপর মাওকূফ হওয়াটাই সঠিক । {১০২৯}

{১০২৯} ইমাম সনআনী তাহাঁর সুবুল সালাম [৩/১৫৯] গ্রন্থে বলেন, এর অনেক শাহেদ থাকার কারণে সামগ্রিকভাবে এর আমল রহিত হয় না । শাইখ আলবানী সহীহুল জামে [৫৪২২] গ্রন্থে আবদুল্লাহ ইবনু উমার হইতে বর্ণিত একই হাদিসকে সহিহ বলেছেন। পক্ষান্তরে ইবনু হাজার আসকালানী তাহাঁর মাওয়াফিকাতুল খবরিল খবর [২/১০৫] গ্রন্থে বলেন, হাদিসটি ত্রুটিযুক্ত । ইমাম ইবনু কাসীর তাহাঁর মুসনাদ আল ফারুক [১/৩৭৭] গ্রন্থে বলেন, এটি ইসমাঈল বিন আইয়্যাশ হেজাযীদের থেকে বর্ণনা করিয়াছেন যে কিনা ইসলামের প্রসিদ্ধ ইমামগণের নিকট অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি । ইবনু উসাইমীন তাহাঁর শরহে বুলগুল মারাম [৪/৩৮১] গ্রন্থে বলেন, এ হাদিসটি রাসূলুল্লাহ [সাঃ] থেকে বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত হয়নি। আর তিনি তাহাঁর শরহুল মুমতি` [১১/৩১৯] গ্রন্থে বলেছেন, এটি বিশুদ্ধ নয় । ইমাম যাহাবী তাহাঁর তানকীহুত তাহকীক [২৫/১৫৯] গ্রন্থে বলেন, হেজাযীদের থেকে ইসমাইলের বর্ণনাসূত্রটি জঈফ। হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

পরিচ্ছেদ ১০. ওয়ালা সূত্রে উত্তরাধিকারী

৯৫৫ – উমার বিন খাত্তাব [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] কে বলিতে শুনিয়াছি, মৃতের পিতা ও পুত্র যা অধিকার করিবে তা আসাবা সূত্রেই পাবে, সে যেই হোন না কেন ।–ইবনুল মাদানী ও ইবনু `আবদিল বার্‌ সহীহ্‌ বলেছেন । {১০৩০}

{১০৩০} আবূ দাউদ ২৯১৭, ইবনু মাযাহ ২৭৩২- হাদিসের তাহকিকঃ হাসান হাদিস

পরিচ্ছেদ ১১. ওয়ালার বিধানাবলী

৯৫৬ – আবদুল্লাহ ইবনু `উমার [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, দাসমুক্ত করার দ্বারা `ওয়ালা` {১০৩১} নামে যে সম্পর্ক মুক্তকারী মুনিব ও দাসের মধ্যে স্থাপিত হয় তা বংশীয় সম্পর্কের ন্যায় [স্থায়ী] । সেটি বিক্রয় হয় না ও দানও করা যায় না । হাকিম শাফি`ঈ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর সূত্রে তিনি মুহাম্মদ বিন হাসান বিন থেকে, তিনি আবূ ইউসুফ হইতে বর্ণনা করিয়াছেন। হাদিসটিকে ইবনু হিব্বান সহিহ বলেছেন; ইমাম বাইহাকি ত্রুটিযুক্ত বা দুর্বল বলেছেন । {১০৩২}

{১০৩১} ওয়ালা হচ্ছে সেই মুক্ত দাস, যাকে মুক্ত করে দেয়া হলেও শুধুমাত্র সুসম্পর্কের কারণে মুনিব কর্তৃক সম্পত্তি থেকে কিছু প্রদান করা হয় । {১০৩২} ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ তাহাঁর নাযরিয়াতুল আকদ [৮০] গ্রন্থে বলেন, এটি হাসান থেকে মুরসাল রূপে উত্তম সনদে বর্ণিত । বিন বায হাশিয়া বুলগুল মারাম ৫৬২ গ্রন্থে বলেন, এর শাহেদ থাকার কারনে হাসান । ইবনু উসাইমীনও ৪/৩৮৪ গ্রন্থে একই কথা বলেছেন । শাইখ আলবানী ইরওয়াল গালীল ১৭৩৮ ও ১৬৬৮ গ্রন্থে একে সহিহ বলেছেন । ইমাম সুয়ূত্বীও আল জামেউস সগীর ৯৬৮৭ গ্রন্থেও একে সহিহ বলেছেন । হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

পরিচ্ছেদ ১২. ফারায়েযের ক্ষেত্রে যায়েদ বিন হারেছ [রাঃআঃ] সাহাবীদের মাঝে সবচেয়ে বিজ্ঞ

৯৫৭ আবূ কিলাবাহ [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি আনাস বিন মালিক [রাঃআঃ] থেকে বর্ণনা করিয়াছেন, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, যায়েদ বিন সবিত [রাঃআঃ] তোমাদের মধ্যে ফারায়িয বা মৃতের পরিত্যক্ত সম্পত্তি বন্টন বিষয়ে অধিক পারদর্শী । -তিরমিজি, ইবনু হিব্বান ও হাকিম সহিহ বলেছেন কিন্তু এর উপর মুরসাল হবার ত্রুটি আরোপ হয়েছে । {১০৩৩}

{১০৩৩} ইমাম সনআনী তাহাঁর সুবুলুস সালাম [৩/১৬১] গ্রন্থে বলেন, হাদিসটি ত্রুটিযুক্ত কেননা, আবূ কিলাবা আনাস থেকে হাদিসটি শ্রবণ করেননি । বিন বায [তাহাঁর] হাশিয়া বুলুলুগুল মারাম [৫৬৩] গ্রন্থে বলেন, মুরসালের কারেণে হাদিসটি ত্রুটিযু্ক্ত । ইবনু উসাইমীন তাহাঁর বুলুলুগুল মারামের শরাহ [৪/৩৮৬] গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন । হাদিসের তাহকিকঃ অন্যান্য

About halalbajar.com

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। তবে আমরা রাজনৈতিক পরিপন্থী কোন মন্তব্য/ লেখা প্রকাশ করি না। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই লেখাগুলো ফেসবুক এ শেয়ার করুন, আমল করুন

Check Also

পর্ব-১৬ঃ বিবিধ প্রসঙ্গ হাদীস ( বুলুগুল মারাম বাংলা pdf )

বুলুগুল মারাম বাংলা pdf পর্ব-১৬ঃ বিবিধ প্রসঙ্গ হাদীস বুলুগুল মারাম বাংলা pdf গুলো নিচে লিঙ্ক …

Leave a Reply

%d bloggers like this: