নতুন লেখা

প্রতিটি রোগের প্রতিকার রয়েছে এবং চিকিৎসা করা মুস্তাহাব

প্রতিটি রোগের প্রতিকার রয়েছে এবং চিকিৎসা করা মুস্তাহাব

প্রতিটি রোগের প্রতিকার রয়েছে এবং চিকিৎসা করা মুস্তাহাব >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

২৬. অধ্যায়ঃ প্রতিটি রোগের প্রতিকার রয়েছে এবং চিকিৎসা করা মুস্তাহাব

৫৬৩৪

জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

হারূন ইবনি মারূফ এবং আবু তাহির ও আহমাদ ইবনি ঈসা [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] ……জাবির [রাদি.] এর সানাদে রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] হইতে বর্ননা করেন যে, তিনি বলেছেন-প্রতিটি ব্যাধির প্রতিকার রয়েছে। অতএব রোগে যথাযথ ঔষধ প্রয়োগ করা হলে আল্লাহর ইচ্ছায় আরোগ্য লাভ হয়। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৩, ইসলামিক সেন্টার- ৫৫৭৮]

৫৬৩৫

আসিম ইবনি উমর ইবনি কাতাদাহ্ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] আল-মুকাননা [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] কে অসুস্থতার দরুন দেখিতে গেলেন। কিছুক্ষন পরে তিনি বলিলেন-যে পর্যন্ত না তুমি শিঙ্গা লাগাবে সে পর্যন্ত আমি স্থান ত্যাগ করব না। কারণ, আমি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] কে বলিতে শুনেছি যে, তাতে শিফা রয়েছে।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৪, ইসলামিক সেন্টার- ৫৫৭৯]

৫৬৩৬

আসিম ইবনি উমর ইবনি কাতাদাহ্ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, একদা জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] আমাদের পরিবারে এলেন, তখন জনৈক লোক খুজলী-পাঁচড়ায় অথবা [বর্ণনা সংশয়] -তিনি বলিলেন, আঘাতে অসুস্থ হয়েছিল। তিনি বলিলেন, তুমি কি অসুস্থতাবোধ করছো? সে বলিল-আমার খুজলি-পাঁচড়া আমাকে ভয়স্কর অবস্থায় ফেলে দিয়েছে। তিনি তখন [খাদিমকে] বলিলেন, হে যুবক! আমার নিকট একজন শিঙ্গা প্রয়োগকারী [বৈদ্য] নিয়ে আসো। তখন তিনি তাকে বলিলেন, বৈদ্যকে দিয়ে আপনি কি করবেন, হে আবু আবদুল্লাহ? তিনি বলিলেন, আমি তাতে একটা শিঙ্গার নল ঝুলাতে চাই। সে বলিল, আল্লাহর শপথ! মাছি আমার শরীরে বসলে কিংবা কাপড়ের ছোঁয়া আমার শরীরে লাগলে তা-ই আমাকে বেদনা দেয় এবং আমার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে- [তাহলে শিঙ্গার বেদনা কি করে সহ্য করবো]? তারপরে তিনি যখন ঐ ব্যাপারে তার ধৈর্যহারা লক্ষ্য করিলেন তখন বলিলেন, আমি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] কে বলিতে শুনেছি যে, তোমাদের ব্যবস্থাপত্রের কোন কিছুতে যদি কল্যাণ থেকে থাকে তাহলে তা শিঙ্গার নল অথবা মধুর শরবত পান অথবা আগুনের সেঁকে রয়েছে। রসুলূল্লাহ্ [সাঃআঃ] [আরও] বলেছেন-[নিতান্ত প্রয়োজন না পড়লে আমি গরম লোহার সেঁক লাগিয়ে চিকিৎসা করা অপছন্দ করি। বর্ণনাকারী বলেন, সে একজন শিঙ্গাবিদ [বৈদ্য] নিয়ে এলো, সে তার শিঙ্গা লাগাল। ফলে ব্যথানুভুতি বিদুরিত হয়ে গেল।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৫, ইসলামিক সেন্টার- ৫৫৮০]

৫৬৩৭

জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

কুতাইবাহ্ ইবনি সাঈদ এবং মুহাম্মাদ ইবনি রুম্হ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] …… জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণনা করেন যে, উম্মু সালামাহ্ [রাদি.] রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] এর নিকট শিঙ্গা লাগানোর বিষয়ে অনুমতি চাইলেন। তখন রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] তাকে শিঙ্গা লাগিয়ে দেয়ার জন্য আবু তাইবাহ্ [রাদি.] কে নির্দেশ করিলেন।

বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় যে, তিনি [ঊর্ধ্বতন বর্ণনাকারী] বলেছেন যে, সে ছিল তাহাঁর দুধ ভাই অথবা নাবালক কিশোর। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৬, ইসলামিক সেন্টার-৫৫৮১]

৫৬৩৮

জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] উবাই ইবনি কাব [রাদি.] এর নিকট জনৈক ডাক্তার প্রেরণ করিলেন। সে তার একটি ধমনী কর্তন করে দিল, পরে লোহা গরম করে [রক্ত বন্ধ করার জন্য] তাতে সেঁক দিয়ে দিল। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৭, ইসলামিক সেন্টার-৫৫৮২]

৫৬৩৯

আমাশ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

উসমান ইবনি আবু শাইবাহ্ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি], ইসহাক ইবনি মানসুর [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] …… আমাশ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। কিন্তু তিনি সে তাহাঁর একটি ধমনী কর্তন করে দিল- কথাটি বর্ণনা করেননি। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৮, ইসলামিক সেন্টার-৫৫৮৩]

৫৬৪০

আবু সুফ্ইয়ান [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

বিশ্র ইবনি খালিদ…… আবু সুফ্ইয়ান [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেন, আমি জাবির [রাদি.] কে বলিতে শুনেছি যে, খন্দক যুদ্ধে উবাই [রাদি.] এর হাত [কিংবা পা] এর মূল ধমনীতে তীর লাগানো হলো, তাই রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] তাকে লোহা গরম করে দাগ দিলেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৫৯, ই. সে.৫৫৮৪]

৫৬৪১

জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, সাদ ইবনি মুআয [রাদি.] এর মূল রগে তীর লাগানো হলো। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] তাহাঁর স্বহস্তে একটি তীর ফলক দ্বারা তার রগ কর্তন করে দাগ দিয়ে দিলেন। তারপর তা ফুলে উঠলে দ্বিতীয়বার দাগ দিয়ে দিলেন।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬০, ইসলামিক সেন্টার-৫৫৮৫]

৫৬৪২

ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

আহ্মাদ ইবনি সাঈদ ইবনি সাখ্র দারিমী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] …… ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে রিওয়ায়াত করেন যে, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] [একবার] শিঙ্গা নিলেন ও শিঙ্গাবিদকে তার বিনিময় দিলেন এবং একবার তিনি নাকে ঔষধের ফোটা নিলেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬১, ইসলামিক সেন্টার-৫৫৮৬]

৫৬৪৩

আম্‌র ইবনি আমির আনসারী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনি মালিক [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] কে বলিতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] শিঙ্গা নিয়েছিলেন – আর তিনি [যথার্থ পারিশ্রমিকও দিয়েছিলেন- কেননা, তিনি] মজুরির বিষয়ে কারো প্রতি যুল্ম করিতেন না।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬২, ইসলামিক সেন্টার-৫৫৮৭]

৫৬৪৪

ইবনি উমর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

যুহায়র ইবনি হার্ব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] ও মুহাম্মাদ ইবনিল মুসান্না [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] …… ইবনি উমর [রাদি.] এর সানাদে রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] হইতে রিওয়ায়াত করেন যে, তিনি বলেছেনঃ জ্বর হলো জাহান্নামের উত্তাপ তাই পানি দিয়ে তাকে শীতল করো। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৩, ইসলামিক সেন্টার-৫৫৮৮]

৫৬৪৫

ইবনি উমর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

ইবনি নুমায়র ও আবু বকর ইবনি আবু শাইবাহ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] …… ইবনি উমর [রাদি.] এর সানাদে রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] হইতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জ্বরের প্রচন্ডতা আসে জাহান্নামের তাপ হইতে। তাই পানি দিয়ে তোমরা তাকে শীতল করিবে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৪, ইসলামিক সেন্টার-৫৫৮৯]

৫৬৪৬

ইবনি উমর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ জ্বর জাহান্নামের সঞ্চিত উত্তাপ; তাই তাকে পানি দিয়ে নিভিয়ে দাও।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৫, ইসলামিক সেন্টার-৫৫৯০]

৫৬৪৭

ইবনি উমর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

আহ্‌মাদ ইবনি আবদুল্লাহ ইবনি হাকাম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] এবং হারূন ইবনি আবদুল্লাহ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] …… ইবনি উমর [রাদি.] থেকে রিওয়ায়াত করেন যে, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ জ্বর জাহান্নামের সঞ্চিত উত্তাপ; তাই তাকে পানি দিয়ে শীতল করে দাও। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৬, ইসলামিক সেন্টার-৫৫৯১]

৫৬৪৮

আয়েশাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

আবু বাক্‌র ইবনি আবু শাইবাহ্‌ ও আবু কুরায়ব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] …… আয়িশা [রাদি.] হইতে রিওয়ায়াত করেন যে, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ জ্বর জাহান্নামের সঞ্চিত উত্তাপ; তাই তাকে পানি দ্বারা শীতল করো। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৭, ইসলামিক সেন্টার-৫৫৯২]

৫৬৪৯

হিশাম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

ইসহাক্‌ ইবনি ইব্‌রাহীম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] …… হিশাম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে উপরোল্লিখিত সূত্রে অবিকল রিওয়ায়াত করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৮, ইসলামিক সেন্টার-৫৫৯৩]

৫৬৫০

আসমা [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তার নিকট জ্বরাক্রান্ত কোন স্ত্রীলোককে নিয়ে আসা হলে তিনি পানি নিয়ে আসতে বলিতেন। এরপর তা তার বক্ষের উপর ঢেলে দিতেন এবং বলিতেন- রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তাকে পানি দিয়ে শীতল করো। তিনি আরও বলেছেন, তা জাহান্নামের সঞ্চিত উত্তাপ।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৬৯, ইসলামিক সেন্টার-৫৫৯৪]

৫৬৫১

হিশাম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

আবু কুরায়ব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] …… হিশাম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস রিওয়ায়াত করিয়াছেন। তবে {আবু কুরায়ব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] -এর ঊর্ধ্বতন বর্ণনাকারী} ইবনি নুমায়র [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] – এর বর্ণিত হাদীসে আছে- তার [রোগিনী] ও তার জামার ফাঁকা জায়গার মধ্যে পানি প্রবাহিত করে দিতেন।

আর [অন্য ঊর্ধ্বতন বর্ণনাকারী] উসামাহ্‌ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] -এর হাদীসে তা জাহান্নামের সঞ্চিত তাপ কথাটি তিনি বর্ণনা করেননি। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭০, ইসলামিক সেন্টার-৫৫৯৫]

৫৬৫২

আবায়াহ্‌ ইবনি রিফাআহ্‌ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

হান্নাদ ইবনি সারী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] …… আবায়াহ্‌ ইবনি রিফাআহ্‌ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] -এর সানাদে তাহাঁর দাদা রাফি ইবনি খাদিজ [রাদি.] হইতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] -কে আমি বলিতে শুনেছি যে, জ্বর জাহান্নামের তীব্র উত্তাপের অংশ বিশেষ, তাই তোমরা তাকে পানি দ্বারা শীতল করো। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭১, ইসলামিক সেন্টার-৫৫৯৬]

৫৬৫৩

মুহাম্মাদ ইবনিল মুসান্না [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

আবু বাক্‌র ইবনি শাইবাহ্‌ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] …… মুহাম্মাদ ইবনিল মুসান্না [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] , মুহাম্মাদ ইবনি হাতিম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] ও আবু বাক্‌র ইবনি নাফি [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] …… রাফি ইবনি খাদীজ [রাদি.] রিওয়ায়াত করেন, তিনি বলেন, আমি রসূলিল্লাহ [সাঃআঃ] -কে বলিতে শুনেছি যে, জ্বর জাহান্নামের উত্তাপ হইতে [উদ্ভূত] । তাই তোমাদের পক্ষ হইতে তাকে পানি দিয়ে শীতল করো। তবে বর্ণনাকারী আবু বাক্‌র [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] তোমাদের পক্ষ হইতে অংশটুকু বর্ণনা করেননি। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭২, ইসলামিক সেন্টার-৫৫৯৭]

About halalbajar.com

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Check Also

মহান আল্লাহর বাণী : “তারা দুটি বিবদমান পক্ষ তাদের প্রতিপালক সম্পর্কে বাক-বিতণ্ডা করে”

মহান আল্লাহর বাণী : “তারা দুটি বিবদমান পক্ষ তাদের প্রতিপালক সম্পর্কে বাক-বিতণ্ডা করে” মহান আল্লাহর …

Leave a Reply

%d bloggers like this: