পানির পবিত্রতা – যে পরিমাণ পানি হলে অপবিত্র হয় না

পানির পবিত্রতা – যে পরিমাণ পানি হলে অপবিত্র হয় না

পানির পবিত্রতা – যে পরিমাণ পানি হলে অপবিত্র হয় না >> সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস এর মুল সুচিপত্র পড়ুন

পর্বঃ ১, অধ্যায় (৭৫-৮৩)=৯ টি, হাদীস (৫৭১-৫৪২)=৩০ টি

৭৫. অধ্যায়ঃ যে পরিমাণ পানি হলে অপবিত্র হয় না
৭৬. অধ্যায়ঃ কূপ বা জলাশয়
৭৭. অধ্যায়ঃ যে শিশু শক্ত খাবার ধরেনি তার পেশাব সম্পর্কে
৭৮. অধ্যায়ঃ পেশাবে সিক্ত মাটি কিভাবে ধুয়ে পরিস্কার করিতে হয়
৭৯. অধ্যায়ঃ মাটির একাংশ অপরাংশকে পবিত্র করে
৮০. অধ্যায়ঃ নাপাক ব্যক্তির সাথে মুসাফাহা করা
৮১. অধ্যায়ঃ পরিধেয় বস্ত্রে বীর্য লাগলে
৮২. অধ্যায়ঃ কাপড় থেকে বীর্য খুঁটে তুলে ফেলা
৮৩. অধ্যায়ঃ সহবাসকালের পরিধেয় বস্ত্রে সলাত আদায় করা

৭৫. অধ্যায়ঃ যে পরিমাণ পানি হলে অপবিত্র হয় না

৫১৭. আবদুল্লাহ্‌ বিন উমার [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] এর নিকট জঙ্গলের কুয়ার পানি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করিতে শুনেছি, যা থেকে হিংস্র প্রাণী ও গৃহপালিত পশু পানি পান করে এবং তাতে নামে। রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, পানি দু কুল্লা পরিমাণ হলে তাকে কোন কিছুই অপবিত্র করে না। {৫১৫}

{৫১৫} তিরমিজি ৬৭, আবু দাউদ ৬৩, ৬৫; আহমাদ ৪৫৯১, ৪৭৩৯, ৪৯৪১, ৫৮২১; দারিমি ৭৩১, ইবনি মাজাহ ৫১৮। তাহকিক আলবানিঃ সহিহ। তাখরিজ আলবানিঃ মিশকাত ৪৭৭, ইরওয়াহ ২৩, সহিহ আবু দাউদ ৫৬, ৫৭। উক্ত হাদিসের রাবি মুহাম্মাদ বিন ইসহাক সম্পর্কে ইবনি মাঈন ও আজালী বলেন, তিনি সিকাহ। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি হাসানুল হাদিস। আলী ইবনিল মাদীনী বলেন, তিনি সালিহ।পানির পবিত্রতা হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৫১৮. আবদুল্লাহ বিন উমার [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, পানি দু বা তিন কুল্লা পরিমাণ হলে, একে কোন কিছু অপবিত্র করে না। {৫১৬}

{৫১৬} তিরমিজি ৬৭, আবু দাউদ ৬৩, ৬৫; আহমাদ ৪৫৯১, ৪৭৩৯, ৪৯৪১, ৫৮২১; দারিমি ৭৩১, ইবনি মাজাহ ৫১৭। তাহকিক আলবানিঃ সহিহ।পানির পবিত্রতা হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৭৬. অধ্যায়ঃ কূপ বা জলাশয়

৫১৯. আবু সাঈদ আল-খুদরী [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

মাক্কাহ ও মাদীনাহ্‌র মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত কূপ বা জলাশয়, যা থেকে হিংস্র প্রাণী, কুকুর ও গাধা পানি পান করে এবং তার পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন সম্পর্কে নবী [সাঃআঃ]-কে জিজ্ঞেস করা হলো। তিনি বলেন, সেগুলো যা তাহাদের পেটে পুরেছে তা সেগুলোর জন্যই এবং তাছাড়া যা আছে তা আমাদের জন্য পবিত্র। {৫১৭}

{৫১৭} জইফ। তাখরিজ আলবানিঃ যঈফাহ ১৬০৯, মিশকাত ৪৮৮। উক্ত হাদিসের রাবি আব্দুর রহমান বিন যায়দ বিন আসলাম সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি দুর্বল। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তার থেকে কোন হাদিস গ্রহণযোগ্য নয়। আলী ইবনিল মাদীনী ও মুহাম্মাদ বিন সাদ তিনি খুবই দুর্বল। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী ও আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল।পানির পবিত্রতা হাদিসের তাহকিকঃ দুর্বল হাদিস

৫২০. জাবির বিন আবদুল্লাহ [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমরা একটি পুকুরের পাড়ে গিয়ে পৌছালাম,যাতে একটি গাধার লাশ পতিত ছিল। তিনি বলেন, আমরা তার পানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকি, যাবত না রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আমাদের নিকট এসে পৌঁছেন। তিনি বললেনঃ “কোন জিনিস পানিকে অপবিত্র করে না”। আমরা পানি পান করলাম পরিতৃপ্ত হলাম এবং তা আমাদের সাথে করে নিলাম। {৫১৮}

তাহকিক আলবানিঃ গাধার লাশ এর ঘটনা মুনকার, আর বাকী অংশ সহিহ।{৫১৮} গাধার লাশ এর ঘটনা মুনকার, আর বাকী অংশ সহিহ। তাখরিজ আলবানিঃ মিশকাত ৪৭৮, সহিহ আবু দাউদ ৫৯, ইরওয়াহ ১৪। উক্ত হাদিসের রাবি তরীফ বিন শিহাব সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তার মাঝে কোন সমস্যা নেই কিন্তু তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যাবে না। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইমাম বোখারি বলেন, তিনি হাদিস বিশারদদের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সিকাহ নন বরং হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। পানির পবিত্রতা হাদিসের তাহকিকঃ অন্যান্য

৫২১. আবু উমামাহ আল-বাহিলী [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, কোন জিনিস পানিকে অপবিত্র করে না, যতক্ষণ না তার ঘ্রাণে, স্বাদে ও রং-এর পরিবর্তন আসে। {৫১৯}

{৫১৯} জইফ। তাখরিজ আলবানিঃ যঈফাহ ২৬৪৪। উক্ত হাদিসের রাবি রিশদীন বিন সাদ সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল তাকে দুর্বল বলেছেন। ইয়াহইয়া বিন মাঈন তার থেকে কোন হাদিস লিপিবদ্ধ করেন নি। আমর ইবনিল ফাল্লাস ও আবু যুরআহ আর-রাযী তাকে দুর্বল বলেছেন। আবু হাতিম আর-রাযী মুনকারুল হাদিস ও তার মাঝে অমনোযোগিতার কথা উল্লেখ করিয়াছেন।হাদিসের তাহকিকঃ দুর্বল হাদিস

৭৭. অধ্যায়ঃ যে শিশু শক্ত খাবার ধরেনি তার পেশাব সম্পর্কে

৫২২. লুবাবাহ বিনতুল হারিস [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আলী [রাঃআঃ]-এর পুত্র হুসায়ন [রাঃআঃ] নবী [সাঃআঃ] এর কোলে পেশাব করে দিলে আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনার পরিধেয় বস্ত্রটি আমাকে দিন এবং এটা ছাড়া অন্য একটি বস্ত্র পরে নিন। তিনি বললেনঃ দুগ্ধপোষ্য বালকের পেশাবের উপর পানি ছিটালেই চলবে কিন্তু বালিকার পেশাব ধুতে হইবে। {৫২০}

{৫২০} আবু দাউদ ৩৭৫ তাহকিক আলবানিঃ হাসান সহিহ। তাখরিজ আলবানিঃ মিশকাত ৫০১, সহিহ আবু দাউদ ৩৯।হাদিসের তাহকিকঃ হাসান সহিহ

৫২৩. আয়িশা [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নবী [সাঃআঃ]-এর নিকট একটি [দুগ্ধপোষ্য] শিশু আনা হলো। সে তাহাঁর কোলে পেশাব করে দেয়। তিনি তাতে পানি ছিটিয়ে দেন এবং তা ধৌত করেননি। {৫২১}

{৫২১} বোখারি ২২২, ৫৪৬৮, ৬০০২, ৬৩৫৫; মুসলিম ২৮১-২, নাসায়ি ৩০৩, আহমাদ ২৩৭৩৫, ২৫২৪০; মুওয়াত্ত্বা মালিক ১৪২। তাহকিক আলবানিঃ সহিহ।হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৫২৪. উম্মু কায়স বিনতু মিহসান [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার [দুগ্ধপোষ্য] শিশু পুত্রকে নিয়ে রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর নিকট গেলাম। সে তখনও শক্ত খাবার ধরেনি। সে তাহাঁর কোলে পেশাব করে দেয়। তিনি পানি নিয়ে ডাকেন এবং তা তাতে ছিটিয়ে দেন। {৫২২}

{৫২২} বোখারি ২২৩, ৫৬৯৩; মুসলিম ২৮১-৩, ২২১৪, তিরমিজি ৭১, নাসায়ি ৩০২, আবু দাউদ ৩৭৪, আহমাদ ২৬৪৫৬, ২৬৪৬০; মুওয়াত্ত্বা মালিক ১৪৩, দারিমি ৭৪১। তাহকিক আলবানিঃ সহিহ। তাখরিজ আলবানিঃ সহিহ আবু দাউদ ৩৯৮, ইরওয়াহ ১৬৯। পানির পবিত্রতা হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৫২৫. আলী [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

নবী [সাঃআঃ] বলেন, দুগ্ধপোষ্য শিশু পুত্র সন্তান হলে তার পেশাবে পানি ছিটালেই চলবে, কিন্তু কন্যা সন্তান হলে তার পেশাব ধুয়ে ফেলতে হইবে।

৪/৫২৫[১]. আবুল ইয়ামান আল-মিসরী, তিনি বলেন, আমি ইমাম শাফিঈ [রহঃ]-কে নবী [সাঃআঃ]-এর হাদীস “দুগ্ধপোষ্য শিশু পুত্র সন্তান হলে তার পেশাবে পানি ছিটালে হইবে এবং কন্যা সন্তান হলে তার পেশাব ধুয়ে ফেলতে হইবে” সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে, এখানে উভয়ের পানি [পেশাব হিসেবে] একই পর্যায়ের। তিনি বলেন, কেননা পুত্র সন্তানের পেশাব পানি ও মাটি থেকে নির্গত এবং কন্যা সন্তানের পেশাব গোশত ও রক্ত থেকে নির্গত। অতঃপর তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করেন, তুমি কি হৃদয়ঙ্গম করিতে পেরেছ অথবা তিনি বলেন, তোমার কি বোধগম্য হয়েছে? আল-মিসরী বলেন, আমি বললাম, না। শাফিঈ [ রহঃ] বলেন, আল্লাহ্‌ তাআলা আদাম [আঃ] কে সৃষ্টি করার পর তাহাঁর পাঁজরের ক্ষুদ্র হাড় থেকে হাওয়া [আঃ]-কে সৃষ্টি করা হয়। এ হিসাবে পুত্র সন্তানের পেশাব পানি ও মাটি থেকে তৈরি হয় এবং কন্যা সন্তানের পেশাব গোশত ও রক্ত থেকে নির্গত হয়। আল-মিসরী বলেন, শাফিঈ [রহঃ] আমাকে জিজ্ঞেস করেন, এবার তুমি কি বুঝতে পেরেছ? আমি বললাম, হাঁ। তিনি আমাকে বলিলেন, আল্লাহ্‌ এই জ্ঞান দ্বারা তোমাকে উপকৃত করুক। {৫২৩} তাহকিক আলবানিঃ সহিহ।{৫২৩} তিরমিজি ৬১০, আবু দাউদ ৩৭৭, আহমাদ ৫৬৪, ৭৫৯, ১১৫২। তাহকিক আলবানিঃ সহিহ। তাখরিজ আলবানিঃ ইরওয়াহ ১৬৬, সহিহ আবু দাউদ ৪০২।হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৫২৬. আবু সাম্‌হ [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

আমি নবী [সাঃআঃ]-এর খাদিম ছিলাম। তাহাঁর নিকট হাসান অথবা হুসায়ন [রাঃআঃ]-কে নিয়ে আসা হলো। সে তাহাঁর বুকের উপর পেশাব করে দেয়। উপস্থিত লোকেরা তা ধোয়ার উদ্যোগ নিলে রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, তাতে পানি ছিটিয়ে দাও। কেননা শিশু কন্যা সন্তান হলে তার পেশাব ধৌত করিতে হয় এবং পুত্র সন্তান হলে তার পেশাবের উপর পানি ছিটিয়ে দেয়াই যথেষ্ট। {৫২৪}

{৫২৪} আবু দাউদ ৩৭৬ তাহকিক আলবানিঃ সহিহ। তাখরিজ আলবানিঃ মিশকাত ৫০২, সহিহ আবু দাউদ, ৪০০। হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৫২৭,. উম্মু কুর্‌য [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, [দুগ্ধপোষ্য শিশু] বালকের পেশাবের উপর পানি ছিটাতে হইবে এবং বালিকার পেশাব ধুতে হইবে। {৫২৫}

{৫২৫} সহিহ লিগাইরিহী। উক্ত হাদিসের রাবি উসামাহ বিন যায়াদ সম্পর্কে ইবনি হিব্বান তাকে সিকাহ উল্লেখ করে বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। আল আজালী তাকে সিকাহ বলেছেন। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায় তবে দলীল হিসেবে নয়। ইমাম নাসাই বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। উক্ত হাদিসটি শাহিদ এর ভিত্তিতে সহিহ। পানির পবিত্রতা হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ লিগাইরিহি

৭৮. অধ্যায়ঃ পেশাবে সিক্ত মাটি কিভাবে ধুয়ে পরিস্কার করিতে হয়

৫২৮. আনাস [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

এক বেদুঈন মাসজিদে [নাববীতে] পেশাব করে দিল। কতক লোক তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্যত হলো। রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বললেনঃ তাকে পেশাব করিতে বাধা দিও না। অতঃপর তিনি এক বালতি পানি নিয়ে ডাকলেন এবং তা পেশাবের উপর ঢেলে দিলেন। {৫২৬}

{৫২৬} বোখারি ২১৯, ২২১, ৬০২৫; মুসলিম ২৮-১২, ২৮৫; তিরমিজি ১৪৭, নাসায়ি ৫৩-৫৫, ৩২৯; আহমাদ ১১৬৭২, ১১৭২২, ১২২৯৮, ১২৫৭২, ১২৯৫৫; দারিমি ৭৪০। তাহকিক আলবানিঃ সহিহ। তাখরিজ আলবানিঃ ইরওয়াহ ১৯১।হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৫২৯. আবু হুরাইরাহ [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

এক বেদুইন মাসজিদে [নাববীতে] প্রবেশ করলো, তখন রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] মাসজিদে বসা ছিলেন। সে বললো, হে আল্লাহ্‌! আমাকে ও মুহাম্মাদ [সাঃআঃ]-কে ক্ষমা করুন এবং আমাদের সাথে অপর কাউকে ক্ষমা না করুন। রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] হেসে দিয়ে বললেনঃ তুমি একটি প্রশস্ত বিষয়কে সংকীর্ণ করে দিলে। অতঃপর সে ফিরে মোড় ঘুরে মাসজিদের এক কোণায় গিয়ে পেশাব করিতে লাগলো। বেদুঈন তার অশিষ্ট আচরণ উপলব্ধি করে আমার নিকট দাঁড়িয়ে বললো, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হোক। তিনি তাকে ধমকও দেননি এবং গালি-গালাজও করেননি। তিনি শুধু বললেনঃ এই মাসজিদে, এতে পেশাব করা সঙ্গত নয়, বরং তা নির্মাণ করা হয়েছে আল্লাহ্‌র যিকির ও নামাজের জন্য। অতঃপর তিনি এক বালতি পানি আনার নির্দেশ দেন এবং তা পেশাবের উপর ঢেলে দেয়া হয়। {৫২৭}

{৫২৭} বোখারি ২২০, ৬০১০, ৬১২৮; তিরমিজি ১৪৭, নাসায়ি ৫৬, ৩৩০, ১২১৬-১৭; আবু দাউদ ৩৮০, ৮৮২; আহমাদ ৭২১৪, ৭৭৪০, ১০১৫৫। তাহকিক আলবানিঃ হাসান সহিহ। তাখরিজ আলবানিঃ সহিহ আবু দাউদ ৪০৪, ৮৮৫, ইরওয়াহ ১৭১। উক্ত হাদিসের রাবি মুহাম্মাদ বিন আমর সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল কাত্তান বলেন, তিনি সালিহ। ইবনি হিব্বান বলেন, তিনি কখনো হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। ইবনি আদী বলেন, তার হাদিস বর্ণনায় সমস্যা নেই। ইমাম নাসাঈ তাকে সিকাহ বলেছেন।হাদিসের তাহকিকঃ হাসান সহিহ

৫৩০. ওয়াসিলাহ ইবনিল আসক্বা [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, এক বেদুইন নবী [সাঃআঃ]-এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহ্‌! আমার উপর ও মুহাম্মাদ [সাঃআঃ]-এর উপর রহমত বর্ষণ করুন এবং বিশেষ করে আমাদের সাথে আপনার রহমতের মধ্যে অন্য কাউকে যোগ না করুন। নবী [সাঃআঃ] বলেন, তোমার জন্য দুঃখ হয়! তুমি প্রশস্তকে সংকীর্ণ করে ফেলেছ। রাবি বলেন, এরপর সে সরে গিয়ে পেশাব করিতে লাগলো। নবী [সাঃআঃ]-এর সহাবীগন বলেন, থামো! রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, তোমরা তাকে ত্যাগ করো। অতঃপর তিনি এক বালতি পানি আনালেন এবং তা পেশাবের উপর ঢেলে দিলেন। {৫২৮}

{৫২৮} সহিহ লিগাইরিহী। উক্ত হাদিসের রাবি উবায়দুল্লাহ আল-হুযালী সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, মানুষেরা তার হাদিস প্রত্যাখ্যান করিয়াছেন। ইয়াহইয়া বিন মাঈন, ইয়াকুব বিন সুফইয়ান ও দুহায়ম বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইমাম বোখারি ও আবু হাতিম আর-রাযী তাকে মুনকার ও দুর্বল বলেছেন। উক্ত হাদিসটি শাহিদ এর ভিত্তিতে সহিহ।হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ লিগাইরিহি

৭৯. অধ্যায়ঃ মাটির একাংশ অপরাংশকে পবিত্র করে

৫৩১. আবদুর রহমান বিন আওফ [রহঃ]-এর উম্মু ওয়ালাদ হইতে বর্ণিতঃ

তিনি নবী [সাঃআঃ]-এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ [রাঃআঃ]-কে বলিলেন, আমার পরিধেয় বস্ত্রের আঁচল বেশ লম্বা। এ অবস্থায় আমি আবর্জনার স্থান দিয়ে যাতায়াত করি। উম্মু সালামাহ [রাঃআঃ] বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, তার পরের স্থান একে পবিত্র করে দেয়। {৫২৯}

{৫২৯} তিরমিজি ১৪৩, আবু দাউদ ৩৮৩, আহমাদ ২৫৯৪৯, ২৬১৪৬; মুওয়াত্ত্বা মালিক ৪৭, দারিমি ৭৪২। তাহকিক আলবানিঃ সহিহ। তাখরিজ আলবানিঃ মিশকাত ৫০৪, সহিহ আবু দাউদ ৪০৭।হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৫৩২. আবু হুরাইরাহ [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, বলা হলো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা মাসজিদে যাতায়াতকালে আবর্জনার স্থানও অতিক্রম করি। রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, ভূমির একাংশ অপরাংশকে পবিত্র করে। {৫৩০}

{৫৩০} জইফ। উক্ত হাদিসের রাবি ১. ইবরাহীম বিন ইসমাইল আল ইয়াশকুরী সম্পর্কে ইমাম যাহাবী বলেন, তার সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। ২. ইবনি আবু হাবীবাহ সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন তাকে সালিহ বললেও অন্যত্র তাকে দুর্বল আখ্যায়িত করিয়াছেন। ইমাম বোখারি বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় মুনকার। ইমাম নাসাঈ তাকে দুর্বল বলেছেন। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নন।হাদিসের তাহকিকঃ দুর্বল হাদিস

৫৩৩. আবদুল আশহাল গোত্রের এক মহিলা [ইসমু মুবহাব বা নাম অস্পষ্ট] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী [সাঃআঃ]-এর নিকট জানতে চেয়ে বললাম, আমার ও মাসজিদের মাঝখানে আবর্জনাপূর্ণ কিছু পথ আছে। তিনি বলেন, তার পরবর্তী পথ হয়ত পরিচ্ছন্ন হইবে? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বলেন, এই অংশ ঐ অংশের সমান বা পরিপূরক। {৫৩১}

{৫৩১} আবু দাউদ ৩৮৪ তাহকিক আলবানিঃ সহিহ। তাখরিজ আলবানিঃ মিশকাত ৫১২, সহিহ আবু দাউদ ৪০৮।হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৮০. অধ্যায়ঃ নাপাক ব্যক্তির সাথে মুসাফাহা করা

৫৩৪. আবু হুরাইরাহ [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

মাদীনাহ্‌র কোন এক পথে নবী [সাঃআঃ]-এর সাথে নাপাক অবস্থায় তার সাক্ষাৎ হয়। তিনি নিজেকে লুকিয়ে ফেলেন এবং নবী [সাঃআঃ] তাকে হারিয়ে ফেলেন। অতঃপর তিনি ফিরে এলে নবী [সাঃআঃ] জিজ্ঞেস করেনঃ হে আবু হুরাইরাহ! তুমি কোথায় ছিলে? তিনি বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি যখন আমাকে দেখেছেন তখন আমি নাপাক ছিলাম। এমতাবস্থায় গোসল না করে আপনার সাথে বসা আমি সঙ্গত মনে করিনি। রসূলল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, মুমিন ব্যক্তি নাপাক হয় না। {৫৩২}

{৫৩২} বোখারি ২৮৩, ২৮৫; মুসলিম ৩৭১, তিরমিজি ১২১, নাসায়ি ২৬৯, আবু দাউদ ২৩১, আহমাদ ৭১৭০, ৮৭৪৫, ৯৭৩৫। তাহকিক আলবানিঃ সহিহ। তাখরিজ আলবানিঃ ইরওয়াহ ৪৭৪, সহিহ আবু দাউদ ২২৫।হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৫৩৫. হুযায়ফাহ [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নবী [সাঃআঃ] বের হয়ে এসে আমার সাথে সাক্ষাৎ করেন। আমি নাপাক অবস্থায় ছিলাম। তাই আমি তাঁকে পাশ কাটিয়ে গোসল করিতে গেলাম। অতঃপর আমি ফিরে এলে তিনি বলেন, তোমার কি হলো? আমি বললাম, আমি নাপাক ছিলাম। রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেন, মুসলিম ব্যক্তি নাপাক হয় না। {৫৩৩}

{৫৩৩} মুসলিম ৩৭২, নাসায়ি ২৬৭-৬৮, আবু দাউদ ২৩০, আহমাদ ২২৭৫৩, ২২৯০৭। তাহকিক আলবানিঃ সহিহ। তাখরিজ আলবানিঃ সহিহা ২২৪।হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৮১. অধ্যায়ঃ পরিধেয় বস্ত্রে বীর্য লাগলে

৫৩৬. আয়িশা [রাঃআঃ] [আম্‌র বিন মায়মূন] হইতে বর্ণিতঃ

আমি সুলায়মান বিন ইয়াসারকে বীর্য লেগে যাওয়া পরিধয় বস্ত্র সম্পর্কে জিজ্ঞেস করি যে, আমরা কি শুধু বীর্য লেগে যাওয়া অংশ ধৌত করবো, না গোটা কাপড়টিই ধৌত করবো? সুলায়মান [রহঃ] বলেন, আয়িশা [রাঃআঃ] বলেছেন যে, নবী [সাঃআঃ]-এর পরিধেয় বস্ত্রে বীর্য লেগে গেলে তিনি তা পরিহিত অবস্থায় ধুয়ে ফেলতেন, অতঃপর ঐ কাপড় পরেই নামাজ আদায় করিতে বেরিয়ে যেতেন এবং আমি তাতে ধোয়ার চিহ্ন দেখিতে পেতাম। {৫৩৪}

{৫৩৪} বোখারি ২২৯-৩২, মুসলিম ২৮৯, তিরমিজি ১১৭, নাসায়ি ২৯৫, আবু দাউদ ৩৭৩, আহমাদ ২৩৬৮৭, ২৪৫৭৪, ২৪৭৬৫। তাহকিক আলবানিঃ সহিহ। তাখরিজ আলবানিঃ ইরওয়াহ ১৮০, সহিহ আবু দাউদ ৩৯৭।হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৮২. অধ্যায়ঃ কাপড় থেকে বীর্য খুঁটে তুলে ফেলা

৫৩৭. আয়িশা [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

কখনো কখনো আমি নিজ হাতে রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর কাপড় থেকে বীর্য খুঁটে তুলে ফেলতাম। {৫৩৫}

{৫৩৫} মুসলিম ২৮১-২, ২৯০; তিরমিজি ১১৬, নাসায়ি ২৯৬-৩০১, আবু দাউদ ৩৭১-৭২, আহমাদ ২৩৫৪৪, ২৩৬৩৮, ২৩৮৫৭, ২৪১৩৮, ২৪৪১৫, ২৪৪৮৭, ২৪৫১৩, ২৫২৫০, ২৫৪৯৩, ২৫৬৫৪, ২৫৭৩৩, ২৫৮৬৩; ইবনি মাজাহ ৫৩৮-৩৯। তাহকিক আলবানিঃ সহিহ।হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৫৩৮. হাম্মাম ইবনিল হারিস হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আয়িশা [রাঃআঃ] এর ঘরে একজন মেহমান আসলে তিনি তার জন্য একটি হলুদ বর্ণের তোষক বিছিয়ে দেয়ার নির্দেশ দিলেন। তাতে মেহমানের স্বপ্নদোষ হল এবং স্বপ্নদোষের চিহ্ন বিদ্যমান থাকা অবস্থায় সে তোষকটি ফেরত পাঠাতে লজ্জা বোধ করে। তাই সে তা পানিতে ডুবিয়ে ধৌত করার পর সেটি তাকে ফেরত পাঠায়। তখন আয়িশা [রাঃআঃ] বলিলেন, সে আমাদের কাপড়টি কেন নষ্ট করলো? তার জন্য তো আঙ্গুল দিয়ে তা খুঁটে ফেলা যথেষ্ট ছিল। কখনো কখনো আমি আমার আঙ্গুল দ্বারা রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর কাপড় থেকে বীর্য খুঁটে তুলে ফেলেছি। {৫৩৬}

{৫৩৬} মুসলিম ২৮১-২, ২৯০; তিরমিজি ১১৬, নাসায়ি ২৯৬-৩০১, আবু দাউদ ৩৭১-৭২, আহমাদ ২৩৫৪৪, ২৩৬৩৮, ২৩৮৫৭, ২৪১৩৮, ২৪৪১৫, ২৪৪৮৭, ২৪৫১৩, ২৫২৫০, ২৫৪৯৩, ২৫৬৫৪, ২৫৭৩৩, ২৫৮৬৩; ইবনি মাজাহ ৫৩৭, ৫৩৯। তাহকিক আলবানিঃ সহিহ।হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৫৩৯. আয়িশা [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি স্বচক্ষে রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর কাপড়ে বীর্যের চিহ্ন দেখে তা নিজ হাতে খুঁটে তুলে ফেলেছি। {৫৩৭}

{৫৩৭} মুসলিম ২৮১-২, ২৯০; তিরমিজি ১১৬, নাসায়ি ২৯৬-৩০১, আবু দাউদ ৩৭১-৭২, আহমাদ ২৩৫৪৪, ২৩৬৩৮, ২৩৮৫৭, ২৪১৩৮, ২৪৪১৫, ২৪৪৮৭, ২৪৫১৩, ২৫২৫০, ২৫৪৯৩, ২৫৬৫৪, ২৫৭৩৩, ২৫৮৬৩; ইবনি মাজাহ ৫৩৭-৩৮। তাহকিক আলবানিঃ সহিহ।হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৮৩. অধ্যায়ঃ সহবাসকালের পরিধেয় বস্ত্রে নামাজ আদায় করা

৫৪০. মুআবিয়াহ বিন আবু সুফ্ইয়ান হইতে বর্ণিতঃ

তিনি তার বোন ও নবী [সাঃআঃ] এর স্ত্রী উম্মু হাবীবাহ [রাঃআঃ] কে জিজ্ঞেস করেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] যে কাপড় পরে সহবাস করিতেন তা পরেই কি তিনি নামাজও আদায় করিতেন? তিনি বলেন, হাঁ, যদি তাতে নাপাকী না লাগতো। {৫৩৮}

{৫৩৮} নাসায়ি ২৯৪, আবু দাউদ ৩৬৬। তাহকিক আলবানিঃ সহিহ। তাখরিজ আলবানিঃ সহিহ আবু দাউদ ৩৯০।হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

৫৪১. আবুদ-দারদা [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] তাহাঁর মাথা থেকে পানির ফোঁটা পতিত হওয়া অবস্থায় আমাদের নিকট বের হয়ে আসেন। তিনি আমাদের এক কাপড়ে নামাজ আদায় করালেন, যার দু প্রান্ত দু [কাঁধে] বিপরীত দিকে ছিল। তিনি নামাজ শেষ করলে পর উমার ইবনিল খাত্তাব [রাঃআঃ] বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি আমাদের সাথে এক কাপড়ে নামাজ আদায় করালেন। তিনি বলিলেন, হাঁ, তাতেই নামাজ আদায় করেছি এবং এই কাপড় পরিহিত অবস্থায় আমি সহবাস করেছি। {৫৩৯}

{৫৩৯} হাসান লিগাইরিহী। উক্ত হাদিসের রাবি হাসান বিন ইয়াহইয়া আল খুশানী সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি সিকাহ। আহমাদ বিন হাম্বল ও দুহায়ম বলেন, কোন সমস্যা নেই। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী কিন্তু স্মৃতিশক্তি দুর্বল। ইয়াহইয়া বিন মাঈন তাকে দুর্বলও বলেছেন।হাদিসের তাহকিকঃ হাসান লিগাইরিহি

৫৪২. জাবির বিন সামুরাহ [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী [সাঃআঃ] কে জিজ্ঞেস করলো, কোন ব্যক্তি যে কাপড় পরে সহবাস করেছে সে কাপড় পরেই কি সে নামাজ আদায় করিতে পারে? তিনি বলিলেন, হাঁ, তবে তাতে নাপাকী দৃষ্টিগোচর হলে তা ধুয়ে নিতে হইবে। {৫৪০}

{৫৪০} আহমাদ ২০৩১৪ তাহকিক আলবানিঃ সহিহ। তাখরিজ আলবানিঃ সহিহ আবু দাউদ ৩৯০। পানির পবিত্রতা হাদিসের তাহকিকঃ সহিহ হাদিস

By মুসলিম শরীফ

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply