পরনিন্দা বিষয়ক হাদিস সমূহ বাংলা ভাষায়

পরনিন্দা বিষয়ক হাদিস সমূহ বাংলা ভাষায়

পরনিন্দা বিষয়ক হাদিস সমূহ বাংলা ভাষায় , এই অধ্যায়ে মোট  (১৮৩-১৯৯) =১৭টি হাদীস >> উপদেশ হাদিস এর মুল সুচিপত্র দেখুন

অধ্যায়-১৩ঃ পরনিন্দা

পরিচ্ছেদঃ পরনিন্দা

১৮৩.. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে জিজ্ঞেস করা হল, কোন জিনিস মানুষকে সবচেয়ে বেশী জান্নাতে প্রবেশ করাবে? তিনি বলেন, তা হচ্ছে- আল্লাহভীতি ও উত্তম চরিত্র। আর জিজ্ঞেস করা হল, মানুষকে কোন জিনিস সবচেয়ে বেশী জাহান্নামে প্রবেশ করাবে? তিনি বলিলেন, তা হচ্ছে- মুখ বা জিহ্বা ও অপরটি লজ্জাস্থান [তিরমিজি, বঙ্গানুবাদ মেশকাত হাদিস/৪৬২১, হাদিস ছহীহ]। অত্র হাদিস দ্বারা বুঝা যায় যে, মানুষকে জাহান্নামে প্রবেশ করানোর সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে জিহ্বা। কারণ জিহ্বা দ্বারা মানুষ সত্যকে মিথ্যা ও মিথ্যাকে সত্যে পরিণত করিতে পারে। এর কারণে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সমাজে বিশৃংখলা, অশান্তি, অরাজকতা ও নৈরাজ্য নেমে আসে। এজন্য জিহ্বা নিয়ন্ত্রণ করা যরূরী।

পরনিন্দা বিষয়ক হাদিস – এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১৮৪. সাহল ইবনি সাদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার কাছে [এই অঙ্গীকার করিবে যে, সে] তার দুই চোয়ালের মধ্যস্থিত বস্তুর এবং তার দুপায়ের মধ্যস্থিত বস্তুর যিম্মাদার হইবে তবে আমি তার জন্য জান্নাতের যিম্মাদার হব [বুখারী, বঙ্গানুবাদ মেশকাত হাদিস/৪৬০১]। অর্থাৎ যে ব্যক্তি তার জিহ্বা ও লজ্জাস্থানের হেফাযত করিবে, রাসূল [সাঃআঃ] তার জন্য জান্নাতের যিম্মাদার হইবেন। কারণ লজ্জাস্থান হচ্ছে সমাজে অশ্লীলতা বিস্তারের মাধ্যম। এর কারণে মানুষ অপমানিত ও লাঞ্ছিত হয়। এসব থেকে বেঁচে থাকার জন্য লজ্জাস্থানের হেফাযত করা আবশ্যক।

পরনিন্দা বিষয়ক হাদিস -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১৮৫. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, তোমরা ক্বিয়ামতের দিন সর্বাপেক্ষা মন্দ লোক ঐ ব্যক্তিকে পাবে, যে দ্বিমুখী। সে এক মুখ নিয়ে এদের কাছে আসে এবং আরেক মুখ নিয়ে তাদের কাছে যায় [বুখারী, মুসলিম, মেশকাত হাদিস/৪৮২২; বাংলা মেশকাত ৯ম খণ্ড, হাদিস/৪৬১১]। অত্র হাদিস দুটি হইতে প্রতীয়মান হয় যে, মানুষের জিহ্বা ও লজ্জাস্থান কবীরা গুনাহ সমূহের উৎস। কেননা মানুষ মুখ দ্বারা মিথ্যাচার, গালমন্দ, চোগলখুরী, ধোঁকাবাজি, গীবত-তোহমত, অভিসম্পাৎ প্রভৃতি কবীরা গোনাহ করে থাকে। কিন্তু মানুষ এসব পাপ থেকে সাবধান হওয়ার ন্যূনতম চেষ্টা করে না। এগুলি থেকে বেঁচে থাকার জন্য আমাদের জিহ্বাকে সংবরণ করা অত্যাবশ্যক। কেননা এগুলির ব্যাপারে কঠিন হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করে রাসূল [সাঃআঃ] বলেন, চোগলখোর ও খোটাদানকারী জান্নাতে প্রবেশ করিবে না

[বুখারী, মুসলিম, বাংলা মেশকাত হাদিস/৪৬১২]। পরনিন্দা বিষয়ক হাদিস -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১৮৬. আবুদ্দারদা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

রাসূল [সাঃআঃ]-কে আমি বলিতে শুনিয়াছি, নিশ্চয়ই অভিশাপকারী কখনো ক্বিয়ামতের মাঠে সাক্ষী ও সুপারিশকারী হইতে পারবে না

[মুসলিম, মেশকাত হাদিস/৪৮২০; বাংলা মেশকাত ৯ম খণ্ড, হাদিস/৪৬০৯]। এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১৮৭. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, নিশ্চয়ই বান্দা কখনও এমন কথা বলে যাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি বিদ্যমান। অথচ সে তার গুরুত্ব জানে না। আল্লাহ এর দ্বারা তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন। পক্ষান্তরে বান্দা এমন কথা বলে, যাতে আল্লাহর অসন্তুষ্টি বিদ্যমান। অথচ সে তার অনিষ্ট সম্পর্কে অবগত নয়। আর এ কথাই তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করে। বুখারী ও মুসলিমের অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, এই কথাই তাকে জাহান্নামের এত গভীরে পৌঁছে দেয়, যার পরিধি পূর্ব ও পশ্চিমের দূরত্ব পরিমাণ

[বুখারী, মেশকাত হাদিস/৪৮১৩; বাংলা মেশকাত ৯ম খণ্ড, হাদিস/৪৬০২ শিষ্টাচার অধ্যায়]। উল্লিখিত হাদিস সমূহ দ্বারা বুঝা যায় যে, মানুষের যবান সাংঘাতিক জিনিস, যা মানুষকে জান্নাতের উচ্চ শিখরে পৌঁছে দেয়, আবার জাহান্নামের গভীর গহ্বরেও নিক্ষেপ করে। পরনিন্দা বিষয়ক হাদিস -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১৮৮. আব্দুল্লাহ ইবনি মাসুদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, নিশ্চয়ই সত্যবাদিতা একটি পুণ্যময় কাজ। আর পুণ্য জান্নাতের পথ দেখায়। যে ব্যক্তি সর্বদা সত্যের উপর দৃঢ় থাকে তাকে আল্লাহর খাতায় সত্যনিষ্ঠ বলে লিখে নেয়া হয়। পক্ষান্তরে মিথ্যা হচ্ছে পাপকাজ। পাপাচার জাহান্নামের পথ দেখায়। যে ব্যক্তি সদা মিথ্যা কথা বলে এবং মিথ্যায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, তাকে আল্লাহর খাতায় মিথ্যুক বলে লিখে নেয়া হয়

বুখারী, মুসলিম, বাংলা মেশকাত ৯ম খণ্ড হাদিস/৪৬১৩]। তাই আমাদের সকলের উচিত কথা বলার পূর্বে চিন্তা-ভাবনা করে বলা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিপূর্ণ কথা বলার চেষ্টা করা। যাতে আল্লাহর অসন্তোষ রয়েছে, সেসব কথা বলা থেকে বিরত থাকা। অনুরূপভাবে সত্য বলার চেষ্টা করা এবং মিথ্যা বলা থেকে বেঁচে থাকা। সেই সাথে আল্লাহর যিকরে মশগূল থাকা। আল্লাহর বাণী নিশ্চয়ই যে সকল নারী-পুরুষ বেশী বেশী আল্লাহকে স্মরণ করে আল্লাহ তাদের জন্য মাগফিরাত ও মহা প্রতিদান প্রস্তুত করে রেখেছেন [আহযাব ৩৫]। পরনিন্দা বিষয়ক হাদিস – এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১৮৯. হুযায়ফা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি, চোগলখোর জান্নাতে প্রবেশ করিবে না

[মুত্তাফাক্ব আলাইহ, বাংলা মেশকাত হাদিস/৪৬১২]। এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১৯০. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] জিজ্ঞেস করিলেন, তোমরা কি জান গীবত কি? তাঁরা বলিলেন, আল্লাহ ও তাহাঁর রাসূল অধিক জানেন। তিনি বলিলেন, তোমার কোন ভাই সম্পর্কে এমন কথা বল, যা সে অপসন্দ করে। জিজ্ঞেস করা হল, আমি যা বলি যদি তা আমার ভাইয়ের মধ্যে বিদ্যমান থাকে, তাহলে আপনার কি অভিমত? তখন তিনি বলিলেন, তুমি যা বল তার মধ্যে তা থাকলে তুমি তার গীবত করলে। আর যদি তার মধ্যে তা না থাকে যা তুমি বল, তখন তুমি তার প্রতি মিথ্যা অপবাদ আরোপ করলে

[মুসলিম, বাংলা মেশকাত হাদিস/৪৬১৭]। এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১৯১,. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট মর্যাদায় সেই ব্যক্তিই মন্দ বলে সাব্যস্ত হইবে, যার অনিষ্টের ভয়ে লোকেরা তাকে ত্যাগ করেছে। অপর এক বর্ণনায় আছে, যার অশ্লীলতার ভয়ে লোকেরা তাকে পরিত্যাগ করেছে

[বুখারী, মুসলিম, বাংলা মেশকাত হাদিস/৪৬১৮]। এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১৯২. উকবা ইবনি আমির [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

একদা আমি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং বললাম, নাজাতের উপায় কি? তিনি বলিলেন, নিজের জিহ্বা আয়ত্তে রাখ, নিজের ঘরে পড়ে থাক এবং নিজের পাপের জন্য রোদন কর

[আহমাদ, তিরমিজি, মেশকাত হাদিস/৪৮৩৭; বাংলা মেশকাত হাদিস/৪৬২৬, সনদ হাসান]। এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১৯৩. আম্মার ইবনি ইয়াসার [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, যে ব্যক্তি দুনিয়াতে দ্বিমুখী, ক্বিয়ামতের দিন তার [মুখে] আগুনের দুটি জিহ্বা হইবে

[দারেমী, মেশকাত হাদিস/৪৮৪৬; বাংলা মেশকাত হাদিস/৪৬৩৩, সনদ হাসান]। এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১৯৪. আব্দুল্লাহ ইবনি মাসুদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, মুমিন ব্যক্তি ভর্ৎসনাকারী, অভিসম্পাৎকারী, অশ্লীল গালমন্দকারী ও নির্লজ্জ হইতে পারে না

[তিরমিজি, বায়হাক্বী, মেশকাত হাদিস/৪৮৪৭; বাংলা মেশকাত হাদিস/৪৬৩৪, সনদ ছহীহ]। এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১৯৫. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী করীম [সাঃআঃ]-কে বললাম, ছাফিয়্যা সম্পর্কে আপনাকে এইটুকু বলাই যথেষ্ট যে, সে এইরূপ এইরূপ। তিনি এটা দ্বারা বুঝাতে চাইলেন যে, তিনি বেঁটে। রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলিলেন, যদি তোমার এ কথাকে সমুদ্রের সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়, তবে তা সমুদ্রের রং পরিবর্তন করে দেবে

[আহমাদ, তিরমিজি, আবুদাউদ, মেশকাত হাদিস/৪৮৫৩; বাংলা মেশকাত হাদিস/৪৬৪০, সনদ ছহীহ]। এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১৯৬. উবাদাহ বিন ছামেত [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, তোমরা নিজেদের পক্ষ হইতে আমাকে ছয়টি বিষয়ের জামানত দাও, আমি তোমাদের জন্য জান্নাতের যামিন হব। [১] তোমরা যখন কথাবার্তা বল, তখন সত্য বলবে। [২] যখন ওয়াদা কর, তা পূর্ণ করিবে। [৩] যখন তোমাদের কাছে আমানত রাখা হয়, তা আদায় করিবে। [৪] নিজেদের লজ্জাস্থানকে হেফাযত করিবে। [৫] স্বীয় দৃষ্টিকে অবনমিত রাখবে এবং [৬] স্বীয় হস্তকে [অন্যায় কাজ হইতে] বিরত রাখবে

[আহমাদ, বায়হাক্বী, মেশকাত হাদিস/৪৮৭০; বাংলা মেশকাত হাদিস/৪৬৫৬, সনদ হাসান]। পরনিন্দা বিষয়ক হাদিস -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১৯৭. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, কারো সম্পর্কে [মন্দ] ধারণা হইতে বেঁচে থাক। কেননা ধারণা বড় ধরনের মিথ্যা। কারো কোন দোষের কথা জানতে চেষ্টা কর না। গোয়েন্দাগিরি কর না, ক্রয়-বিক্রয়ে ধোঁকাবাজি কর না, পরস্পর হিংসা রেখ না, পরস্পর শত্রুতা কর না এবং একে অন্যের পিছনে লেগ না। বরং পরস্পর এক আল্লাহর বান্দা ও ভাই ভাই হয়ে থাক। অপর এক বর্ণনায় আছে, পরস্পর লোভ-লালসা কর না।

[মুত্তাফাক্ব আলাইহ, বাংলা মেশকাত হাদিস/৪৮০৮]। পরনিন্দা বিষয়ক হাদিস – এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১৯৮. আব্দুল্লাহ ইবনি ওমর [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] মিম্বরে আরোহন করে উচ্চৈঃস্বরে বলিলেন, হে ঐ সকল লোক! যারা মুখে ইসলাম গ্রহণ করেছে, কিন্তু ঈমান তাদের অন্তরে প্রোথিত হয়নি, তোমরা মুসলমানদেরকে কষ্ট দিয়ো না, তাদেরকে ভর্ৎসনা কর না এবং তাদের দোষ-ত্রুটি অনুসন্ধান কর না। কেননা যে তার মুসলিম ভাইয়ের দোষ-ত্রুটি অনুসন্ধান করে বেড়ায়, আল্লাহ তার দোষ-ত্রুটি অনুসন্ধান করবেন। আর আল্লাহ যার দোষ-ত্রুটি অনুসন্ধান করবেন, তাকে অপদস্থ করবেন, সে তার বাহনের পেটের মধ্যে অবস্থান করলেও

[তিরমিজি হাদিস/২০৩২, হাদিস হাসান, মুমিনকে সম্মান করা অনুচ্ছেদ; বাংলা মেশকাত হাদিস/৪৮২৩]। পরনিন্দা বিষয়ক হাদিস – এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১৯৯. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন, আমার পরওয়ারদেগার যখন আমাকে মিরাজে নিয়ে গেলেন, তখন আমি কতিপয় লোকের নিকট দিয়ে গমন করলাম, যাদের নখ ছিল তামার। তা দ্বারা তারা নিজেদের মুখমণ্ডল ও বক্ষ আঁচড়াতে ছিল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে জিবরাঈল! এরা কারা? তিনি বলিলেন, ঐ সকল লোক যারা মানুষের গোশত খেত এবং তাদের ইযযত আব্রুর হানি করত

[আবুদাউদ, বাংলা মেশকাত হাদিস/৪৮২৫]।,পরনিন্দা বিষয়ক হাদিস – এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

Leave a Reply