নাম রাখার হাদিস – উপাধি, প্রশংসা ও পরামর্শদাতা আমানতদার

নাম রাখার হাদিস – উপাধি, প্রশংসা ও পরামর্শদাতা আমানতদার

নাম রাখার হাদিস – উপাধি, প্রশংসা ও পরামর্শদাতা আমানতদার >> সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস এর মুল সুচিপত্র পড়ুন

পর্বঃ ৩৩, অধ্যায়ঃ (৩০-৩৭)=৮টি

৩০. অধ্যায়ঃ যেসব নাম পছন্দনীয়
৩১. অধ্যায়ঃ যেসব নাম অপছন্দনীয়
৩২. অধ্যায়ঃ নাম পরিবর্তন করা
৩৩. অধ্যায়ঃ নবী [সাঃআঃ]-এর নাম ও তাহাঁর উপনাম একত্র করা
৩৪. অধ্যায়ঃ সন্তান ভূমিষ্ঠ না হইতেই কোন ব্যক্তির উপনাম গ্রহণ
৩৫. অধ্যায়ঃ উপাধি
৩৬. অধ্যায়ঃ প্রশংসা বা চাটুকারিতা
৩৭. অধ্যায়ঃ পরামর্শদাতা আমানতদার

৩০. অধ্যায়ঃ যেসব নাম পছন্দনীয়

৩৭২৮. ইবনি উমার [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] বলেনঃ মহান আল্লাহর নিকট সর্বাধিক পছন্দনীয় নাম হলো আবদুল্লাহ ও আবদুর রহমান। {৩০৬০}

{৩০৬০} মুসলিম ২১৩২, তিরমিজি ২৮৩৩, আবু দাউদ ৪৯৪৯, আহমাদ ৪৭৬০, ৬০৮৭, দারেমী ২৬৯৫। ইরওয়া ১১৭৬।ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৩১. অধ্যায়ঃ যেসব নাম অপছন্দনীয়

৩৭২৯. উমার ইবনিল খাত্তাব [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ ইনশাআল্লাহ আমি বেঁচে থাকলে রাবাহ, নাজীহ, আফলাহ, নাফেও ইয়াসার নাম রাখতে নিষেধ করিব। {৩০৬১}

{৩০৬১} তিরমিজি ২৮৩৫। সহীহাহ ২১৪৩।ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ নির্ণীত নয়

৩৭৩০. সামুরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আমাদের দাসদের চারটি নামে নামকরণ করিতে নিষেধ করিয়াছেন ঃ আফলাহ, নাফে, রাবাহ ও ইয়াসার। {৩০৬২}

{৩০৬২} মুসলিম ২১৩৬, ২১৩৭, তিরমিজি ২৮৩৬, আবু ৪৯৫৮, ৪৯৫৯, আহমাদ ১৯৫৭৪, ১৯৬০১, ১৯৬১৮, ১৯৬২৫, ১৯৭৩২, দারেমী ২৬৯৬। ইরওয়া ১১৭৭।ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ নির্ণীত নয়

৩৭৩১. উমার ইবনিল খাত্তাব [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

[মাসরূক] বলেন, আমি উমার ইবনিল খাত্তাব [রাদি.]-এর সাথে সাক্ষাত করিলে তিনি বলেন, তুমি কে? আমি বললাম, মাসরূক ইবনিল আজদা। উমার [রাদি.] বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] কে বলিতে শুনিয়াছি ঃ আজদাএক শয়তানের নাম। {৩০৬৩}

{৩০৬৩} আবু দাউদ ৪৯৫৭, আহমাদ ২১১। মিশকাত ৪৭৬৭।উক্ত হাদিসের রাবি মুজালিদ বিন সাঈদ সম্পর্কে ঈমাম বুখারী ও ইয়াকূব বিন সুফিয়ান বলেন, তিনি সত্যবাদী। ঈমাম নাসাঈ বলেন, তিনি সিকাহ। ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান বলেন, তিনি দঈফ বা দুর্বল। ইবনি মাঈন বলেন, তাহার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যাবে না। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ৫৭৮০, ২৭/২১৯ নং পৃষ্ঠা]ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ দুর্বল হাদিস

৩২. অধ্যায়ঃ নাম পরিবর্তন করা

৩৭৩২. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

যায়নাব [রাদি.] এর নাম ছিলো বাররাহ [পুণ্যবতী]। এতে বলাবলি হলো যে, তিনি নিজেই নিজের পবিত্রতা প্রকাশ করছেন। তখন রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] তাহার নাম রাখলেন যায়নাব। {৩০৬৪}

{৩০৬৪} সহিহুল বুখারি হাদিস নং ৬১৯২, মুসলিম ২১৪১, আহমাদ ৯২৭৬, ৯৫৯৮, দারেমী ২৬৯৮। সহীহাহ ২১১।ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৩৭৩৩. ইবনি উমর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

উমার [রাদি.] এর এক কন্যাকে আসিয়াহ [গুনাহগার] নামে ডাকা হতো। রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] তাহার নাম রাখলেন জামীলাহ [সুন্দরী]। {৩০৬৫}

{৩০৬৫} মুসলিম ২১৩৯, তিরমিজি ২৮৩৮, আবু দাউদ ৪৯৫২, আহমাদ ৪৬৬৮, দারেমী ২৬৯৭। সহীহাহ ২১৩।ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৩৭৩৪. আবদুল্লাহ বিন সালাম [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি এসে রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর নিকট উপস্থিত হলাম, তখন আমার নাম রাখেন আবদুল্লাহ বিন সালাম। {৩০৬৬}

{৩০৬৬} আবু দাউদ ২৩২৮০।ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ মুনকার

৩৩. অধ্যায়ঃ নবী [সাঃআঃ]-এর নাম ও তাহাঁর উপনাম একত্র করা

৩৭৩৫. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আবুল কাসিম [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রেখো, কিন্তু আমার উপনামে নাম রেখো না। {৩০৬৭}

{৩০৬৭} সহিহুল বুখারি হাদিস নং ১১০, ৬১৮৮, মুসলিম ২১৩৪, তিরমিজি ২২৮০, ২৮৪১, আবু দাউদ ৪৯৬৫, আহমাদ ৭৩৩০, ৭৪৭৯, ৭৫৯৭, ৭৬৭১, ৮০৪৭, ৮৮৫০, ৮৮৮৬, ৯৫৫৪, ৯৫৮০, ৯৭২৭, ৯৮৩৫, ৯৯৯৯, ১০১০৪, ১০২৪৯। ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৩৭৩৬. জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রাখো, কিন্তু আমার উপনামে নাম রেখো না। {৩০৬৮}

৩০৬৮. সহিহুল বুখারি হাদিস নং ৩১১৪, মুসলিম ২১৩৩, তিরমিজি ২৮৪২, আহমাদ ১৩৭৭১, ১৩৮৩৭, ১৩৯৪৭, ১৪৫৪৬, ১৪৭১০।ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৩৭৩৭. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বাকী নামক স্থানে ছিলেন। তখন এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে ডাক দিয়ে বলল, হে আবুল কাসিম! এতে রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] তাহার দিকে ফিরে তাকালেন। সে বলল, আমি আপনাকে ডাকিনি। তখন রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বললেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রাখো, কিন্তু আমার উপনামে নাম রেখো না। {৩০৬৯}

{৩০৬৯} সহিহুল বুখারি হাদিস নং ২১২০, ২১২১, ৩৫৩৭, মুসলিম ২১৩১, তিরমিজি ২৮৪১, আহমাদ ১১৭২০, ১১৮০৮, ১২৩২০, ১২৫৪৯।ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৩৪. অধ্যায়ঃ সন্তান ভূমিষ্ঠ না হইতেই কোন ব্যক্তির উপনাম গ্রহণ

৩৭৩৮. উমার [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

উমার [রাদি.] সুহায়ব [রাদি.] কে বলিলেন, ব্যাপার কী, তুমি যে আবু ইয়াহইয়া উপনাম গ্রহণ করেছো, অথচ তোমার কোন সন্তান নেই? তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আমার উপনাম রেখেছেন আবু ইয়াহইয়া। {৩০৭০}

{৩০৭০} আহমাদ ২৩৪০৮। সহীহাহ ৪৪।উক্ত হাদিসের রাবি যুহায়র বিন মুহাম্মাদ সম্পর্কে আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল ও সিকাহ রাবীর বিপরীত হাদিস বর্ণনা করেন। আহমাদ বিন শুআয়ব আন নাসাঈ বলেন, তিনি দুর্বল। ইবনি আবদুল বার আল-আন্দালাসী বলেন, তিনি সকলের নিকট দুর্বল। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ২০১৭, ৯/৪১৪ নং পৃষ্ঠা] ২. আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আকীল সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তাহার থেকে হাদিস গ্রহণ করা যায়। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি যাচাই বাছাই ছাড়া হাদিস গ্রহণ করেন ও তা বর্ণনা করেন। আবু দাউদ আস সাজিসতানী তাহাকে দুর্বল বলেছেন। ইবনি হাজার আল-আসকালনী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় শিথিল। [তাহজিবুল কামালঃ রাবী নং ৩৫৪৩, ১৬/৭৮ নং পৃষ্ঠা]ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ হাসান হাদিস

৩৭৩৯. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি নবী [সাঃআঃ] কে বলেন, আমি ছাড়া আপনার সকল স্ত্রীর উপনাম রেখেছেন। তিনি বলেনঃ তাহলে তুমি উম্মু আবদুল্লাহ। {৩০৭১}

৩০৭১. আবু দাউদ ৪৯৭০। সহীহাহ ১৩২।ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৩৭৪০. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, নবী [সাঃআঃ] আমাদের এখানে আসতেন এবং আমার এক ছোট্ট ভাইকে আবু উমাইর বলে ডাকতেন। {৩০৭২}

{৩০৭২} বুখারী ৬১২৯, ৬২০৩, মুসলিম ৪০০৩, তিরমিজি ৩৩৩, ১৯৮৯, আবু দাউদ ৬৫৮, ৪৯৫৯, আহমাদ ১১৭২৭, ১১৭৮৯, ১২৩৪২, ১২৫৪৫, ১২৬৬৪, ১২৭৯৭, ১২৯১২।ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৩৫. অধ্যায়ঃ উপাধি

৩৭৪১. আবু জাবীরাহ ইবনিদ দাহ্‌হাক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন,

وَلاَ تَنَابَزُوا بِالأَلْقَابِ

“তোমরা একে অপরকে মন্দ উপাধিতে ডেকো না” [সূরা হুজুরাত ঃ ১১]

আয়াতটি আমাদের আনসারদের সম্পর্কে নাযিল হইয়াছে। নবী [সাঃআঃ] আমাদের এখানে আসলেন। আমাদের কারো কারো দু-তিনটি নাম ছিলো। নবী [সাঃআঃ] কখনো কখনো সে সব নামের কোন কোনটি ধরে ডাকতেন। তাহাঁকে বলা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এ নামে সে চটে যায়। তখন

وَلاَ تَنَابَزُوا بِالأَلْقَابِ

“তোমরা পরস্পরকে মন্দ নামে ডেকো না” শীর্ষক আয়াত নাযিল হয়। {৩০৭৩}

{৩০৭৩} তিরমিজি ৩২৬৮।ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৩৬. অধ্যায়ঃ প্রশংসা বা চাটুকারিতা

৩৭৪২. মিকদাদ বিন আমর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আমাদেরকে চাটুকারদের মুখে ধুলা নিক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন। {৩০৭৪}

{৩০৭৪} মুসলিম ৩০০২, তিরমিজি ২৩৯৩, আবু দাউদ ৪৮০৪, আহমাদ ২৩৩১১। সহীহাহ ৯১১।ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৩৭৪৩. মুআবিয়াহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] কে বলিতে শুনিয়াছি ঃ তোমরা পরস্পরের সামনাসামনি প্রশংসা করো না, কেননা তা হত্যার সমতুল্য। {৩০৭৫}

{৩০৭৫} হাদিসটি ঈমাম ইবনি মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করিয়াছেন। সহীহাহ ১১৯৬, ১২৮৪।ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ হাসান হাদিস

৩৭৪৪. আবু বাকরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর সামনে আরেক ব্যক্তির প্রশংসা করিল। রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেনঃ তোমার জন্য আমার দুঃখ হয়, তুমি তোমার সাথীকে হত্যা করিলে। তিনি কথাটি কয়েকবার বলিলেন। অতঃপর তিনি বলেনঃ তোমাদের কেউ যদি তাহার ভাইয়ের প্রশংসা করিতে চায়, তবে সে যেন বলে, আমি এরূপ ধারণা করি। আমি আল্লাহর নিকট কারো সাফাই গাওয়ার অধিকারী নই। {৩০৭৬}

{৩০৭৬} সহিহুল বুখারি হাদিস নং ২৬৬২, ৬১৬২, মুসলিম ৩০০০, আবু দাউদ ৪৮০৫, আহমাদ ১৯৯০৯।ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৩৭. অধ্যায়ঃ পরামর্শদাতা আমানতদার

৩৭৪৫. আবু হুরাইরাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ পরামর্শদাতা হলো আমানতদার। {৩০৭৭}

{৩০৭৭} তিরমিজি ২৮২২, আবু দাউদ ৫১২৮। সহীহাহ ১৬৪১।ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৩৭৪৬. আবু মাসঊদ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যাহার কাছে পরামর্শ চাওয়া হয়, তাহাকে বিশ্বস্ততা রক্ষা করিতে হইবে। {৩০৭৮}

{৩০৭৮} আহমাদ ২১৮৫৫, দারেমী ২৪৪৯।ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ সহীহ হাদিস

৩৭৪৭. জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তোমাদের কেউ তাহার ভাইয়ের নিকট পরামর্শ চাইলে সে যেন তাহাকে সঠিক পরামর্শ দেয়। {৩০৭৯}

{৩০৭৯} হাদিসটি ঈমাম ইবনি মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করিয়াছেন। দঈফাহ ২৩১৬, ২৩১৭, দঈফ আল-জামি ৩৫৫।ইবনে মাজাহ নাম রাখার হাদিস এর তাহকিকঃ দুর্বল হাদিস

By মুসলিম শরীফ

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply