নামাযের প্রতীক্ষা করার ফযীলত -রিয়াদুস সালেহিন

নামাযের প্রতীক্ষা করার ফযীলত -রিয়াদুস সালেহিন

নামাযের প্রতীক্ষা করার ফযীলত -রিয়াদুস সালেহিন  >> রিয়াদুস সালেহীন  হাদিস শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে রিয়াদুস সালেহীন হাদিস শরীফ এর একটি পরিচ্ছেদের হাদিস পড়ুন

পরিচ্ছেদ – ১৯০: নামাযের প্রতীক্ষা করার ফযীলত

1/1068 وَعَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ:  «لاَ يَزَالُ أحَدُكُمْ فِي صَلاَةٍ مَا دَامَتِ الصَّلاَةُ تَحْبِسُهُ، لاَ يَمنَعُهُ أَنْ يَنقَلِبَ إِلَى أَهْلِهِ إِلاَّ الصَّلاةُ». متفقٌ عَلَيْهِ

১/১০৬৮। আবূ হুরায়রা রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ বলেছেন, “নামাযের প্রতীক্ষা যতক্ষণ [কাউকে] আবদ্ধ রাখে, ততক্ষণ সে আসলে নামাযের মধ্যেই থাকে; যখন নামায ছাড়া অন্য কোনো কিছু [তাকে] তার স্বীয় পরিবারের কাছে ফিরে যেতে বাধা না দেয়।” [অর্থাৎ নামাযের উদ্দেশ্যে যতক্ষণ বসে থাকে, পুণ্য-প্রাপ্তির দিক দিয়ে সে পরোক্ষভাবে নামাযেই প্রবৃত্ত থাকে।] [বুখারী ও মুসলিম] [1]

2/1069 وَعَنْه رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «اَلْمَلائِكَةُ تُصَلِّي عَلَى أَحَدِكُمْ مَا دَامَ فِي مُصَلاَّهُ الَّذِيْ صَلَّى فِيهِ، مَا لَمْ يُحْدِثْ، تَقُولُ:  اَللهم اغْفِرْ لَهُ،  اَللهم ارْحَمْهُ». رواه البُخَارِيُّ

২/১০৬৯। উক্ত রাবী রাঃআঃ কর্তৃক বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাঃআঃ বলেন, “ফেরেশতাবর্গ তোমাদের প্রত্যেকের জন্য দো‘আ করে থাকেন, যতক্ষণ সে সেই স্থানে অবস্থান করে, যেখানে সে নামায পড়েছে; যতক্ষণ পর্যন্ত না তার ওযু নষ্ট হয়েছে; বলেন, ‘হে আল্লাহ! ওকে ক্ষমা করে দাও। হে আল্লাহ! ওর প্রতি সদয় হও।” [বুখারী] [2]

3/1070 وَعَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم  أَخَّرَ لَيْلَةً صَلاَةَ العِشَاءِ إِلَى شَطْرِ اللَّيْلِ ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَيْنَا بِوَجْهِهِ بَعْدَمَا صَلَّى، فَقَالَ: «صَلَّى النَّاسُ وَرَقَدُوا، وَلَمْ تَزَالُوا فِي صَلاَةٍ مُنْذُ انْتَظَرْتُمُوهَا». رواه البُخَارِيُّ

৩/১০৭০। আনাস রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক রাত্রে রসুলুল্লাহ  সাঃআঃ এশার নামায অর্ধেক রাত পর্যন্ত পিছিয়ে দিলেন। অতঃপর নামায পড়ার পর আমাদের দিকে মুখ করে বলিলেন, “লোকেরা নামায পড়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। আর তোমরা নামাযেই ছিলে; যখন থেকে তার অপেক্ষায় ছিলে।” [বুখারী] [3]


[1] সহীহুল বুখারী ৬৫৯, ১৭৬, ৪৪৫, ৪৭৭, ৬৪৭, ৬৪৯, ২১১৯, ৩২২৯, ৪৭১৭, মুসলিম ৬৪৯, তিরমিযী ২১৫, ২১৬, নাসায়ী ৭৩৩,৭৩৮, আবূ দাউদ ৪৬৯, ৪৭০, ৪৭১, ৫৫৬, ইবনু মাজাহ ৭৮৭, আহমাদ ৭১৪৫, ৭৩৬৭, ৭৩৮২, ৭৪৯৮, ৭৫৩০, ৭৫৫৭, ৭৫৫৯, ৭৮৩২, মুওয়াত্তা মালিক ২৯১, ৩৮২, ৩৮৩, ৩৮৫, দারেমী ১২৭৬

[2] বুখারী ৪৪৫, ৪৭৭, ৬৪৭, ৬৪৯, ২১১৯, ৩২২৯, ৪৭১৭, মুসলিম ৬৪৯, তিরমিযী ২১৫,২১৬, নাসায়ী ৭৩৩, ৭৩৮, আবূ দাউদ ৪৬৯, ৪৭০, ৪৭১, ৫৫৬, ইবনু মাজাহ ৭৮৭, আহমাদ ৭১৪৫, ৭৩৬৭, ৭৩৮২, ৭৪৯৮, ৭৫৩০, ৭৫৫৭, ৭৫৫৯, ৭৮৩২, মুওয়াত্তা মালিক ২৯১, ৩৮২, ৩৮৩, ৩৮৫, দারেমী ১২৭৬

[3] সহীহুল বুখারী ৬০০, ৫৭২, ৬৬১, ৮৪৮, ৫৮৬৯, মুসলিম ৬৪০, নাসায়ী ৫৩৯, ৫২০২, ৫২৮৫, ইবনু মাজাহ ৬৯২, আহমাদ ১২৪৬৯, ১২৫৫০, ১২৬৫৬, ১৩৪০৭

By রিয়াদুস সালেহিন

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply