যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল নামাজে কুনূ্তে নাজিলা পাঠ মুস্তাহাব

যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল নামাজে কুনূ্তে নাজিলা পাঠ মুস্তাহাব

যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল নামাজে কুনূ্তে নাজিলা পাঠ মুস্তাহাব >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

৫৪. অধ্যায়ঃ যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল নামাজে কুনূ্তে নাজিলা পাঠ মুস্তাহাব

১৪২৬

আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] ফাজ্‌রের নামাজে ক্বিরাআত শেষ তাকবীর দিয়ে রুকূতে গিয়ে রুকূ থেকে যখন মাথা উঠাতেন তখন বলিতেনঃ

 سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ

“সামিআল্ল-হু লিমান হামিদাহ, রব্বানা-ওয়ালাকাল হাম্‌দ” – [অর্থাৎ – যে আল্লাহর প্রশংসা করে আল্লাহ তাহাঁর প্রশংসা শুনেন। হে আমাদের প্রভু ! সকল প্রশংসা তোমারই জন্য নির্দিষ্ট।]। এরপর তিনি দাঁড়িয়ে বলিতেনঃ

اللَّهُمَّ أَنْجِ الْوَلِيدَ بْنَ الْوَلِيدِ وَسَلَمَةَ بْنَ هِشَامٍ وَعَيَّاشَ بْنَ أَبِي رَبِيعَةَ وَالْمُسْتَضْعَفِينَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ اللَّهُمَّ اشْدُدْ وَطْأَتَكَ عَلَى مُضَرَ وَاجْعَلْهَا عَلَيْهِمْ كَسِنِي يُوسُفَ اللَّهُمَّ الْعَنْ لِحْيَانَ وَرِعْلاً وَذَكْوَانَ وَعُصَيَّةَ عَصَتِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ ‏

হে আল্লাহ! ওয়ালীদ ইবনি ওয়ালীদ, সালামাহ্‌ ইবনি হিশাম ও আইয়্যাশ ইবনি রবীআহ্‌ এবং দুর্বল ও নিপীড়িত মুমিনদের নাযাত দান করো। হে আল্লাহ ! তুমি মুযার গোত্রকে কঠোরহস্তে পাকড়াও করো। আর ইউসুফ [আঃ] -এর সময়ের দুর্ভিক্ষের মতো দুর্ভিক্ষ দিয়ে তাদের শায়েস্তা করো। হে আল্লাহ ! তুমি লিহ্‌ইয়ান, রিলান, যাক্‌ওয়ান ও উসাইয়্যাহ্‌ গোত্রের ওপর অভিসম্পাত বর্ষণ করো। কেননা তারা আল্লাহ এবং তাহাঁর রসূলের অবাধ্য হয়েছে। অতঃপর আমরা জানতে পারলাম যে, আয়াত- “হে নবী ! এর ব্যাপারে তোমার কোন করণীয় নেই। আল্লাহ তাদের তাওবাহ্‌ কবূল করুন আর তাদেরকে শাস্তি দান করুন এ ব্যাপারে তিনি পূর্ণ ইখতিয়ারের অধিকারী। কেননা তারা তো যালিম” – [সুরা আ-লি ইমরান ৩: ১২৮]। অবতীর্ণ হওয়ার পর নবী [সাঃআঃ] এভাবে কুনূত পড়া ছেড়ে দিয়েছিলেন। [ই.ফা.১৪১১, ইসলামিক সেন্টার-১৪২২]

১৪২৭

আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] থেকে হাদীসটি বর্ণনা করিয়াছেন। তবে এতে ইউসুফের সময়ে দুর্ভিক্ষের মত দুর্ভিক্ষের মুখোমুখী করা পর্যন্ত উল্লেখ করিয়াছেন। পরের অংশটুকু উল্লেখ করেননি। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪১২, ইসলামিক সেন্টার- ১৪২২]

১৪২৮

আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, নবী [সাঃআঃ] এক সময় একমাস যাবৎ ফাজরের নামাজে দ্বিতীয় রাকআতে রুকূ থেকে ওঠার পরে কুনূত পড়েছেন। এতে তিনি যখন রুকূ থেকে উঠে

 سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ

“সামিআল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলিতেন তখন কুনূত পড়তে গিয়ে বলিতেনঃ

اللَّهُمَّ أَنْجِ الْوَلِيدَ بْنَ الْوَلِيدِ اللَّهُمَّ نَجِّ سَلَمَةَ بْنَ هِشَامٍ اللَّهُمَّ نَجِّ عَيَّاشَ بْنَ أَبِي رَبِيعَةَ اللَّهُمَّ نَجِّ الْمُسْتَضْعَفِينَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ اللَّهُمَّ اشْدُدْ وَطْأَتَكَ عَلَى مُضَرَ اللَّهُمَّ اجْعَلْهَا عَلَيْهِمْ سِنِينَ كَسِنِي يُوسُفَ 

হে আল্লাহ, ওয়ালীদ ইবনি ওয়ালীদকে মুক্ত করে দাও। হে আল্লাহ ! সালামাহ্‌ ইবনি হিশামকে মুক্তি দাও। হে আল্লাহ ! আয়েশাহ ইবনি আবু রাবীআহ্‌কে মুক্তি দাও। হে আল্লাহ ! দুর্বল অসহায় মুমিনদেরকেও মুক্তি দাও। হে আল্লাহ ! তুমি মুযার গোত্রকে তোমার কঠোরতা দ্বারা পিষে মারো। হে আল্লাহ ! তুমি তাদের ওপর ইউসুফ [আঃ] -এর সময়ের দুর্ভিক্ষের মতো দুর্ভিক্ষ দান করো। আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.] বলেছেন, পরে আমি রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] -কে এ দুআ পরিত্যাগ করিতে দেখেছি। এতে আমি বিস্মিত হয়ে বললামঃ আমি দেখছি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] এখন তাদের জন্য দুআ করা ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেনঃ আমাকে তখন বলা হলো তুমি কি দেখছনা যে, তারা সবাই মুক্ত হয়ে চলে এসেছেন? [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪১৩, ইসলামিক সেন্টার- ১৪২৩]

১৪২৯

আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] ইশার নামাজ আদায় করেছিলেন। সেজদা করার পূর্বে রুকূ থেকে উঠে যখন তিনি

 سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ

“সামিআল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলিলেন তখন এ বলে দুআ করলেনঃ

اللَّهُمَّ نَجِّ عَيَّاشَ بْنَ أَبِي رَبِيعَةَ 

“হে আল্লাহ! আইয়্যাশ ইবনি রাবীআকে মুক্তিদান করো” এতটুকু বর্ণনা করার পর আবু হুরায়রাহ্ আওযাঈ বর্ণিত হাদীসের বা সিনী ইউসুফ {অর্থাৎ- ইউসুফ [আঃ] }-এর যুগের দুর্ভিক্ষের ন্যায় দুর্ভিক্ষ দিয়ে শাস্তিদান করো পর্যন্ত উল্লেখ করিলেন। এতে তিনি আওযাঈ বর্ণিত হাদীসের পরের অংশটুকু উল্লেখ করেননি। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪১৪, ইসলামিক সেন্টার- ১৪২৪]

১৪৩০

আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ আমি তোমাদেরকে রাসুলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] -এর মতো করে [প্রায় অনুরূপ] নামাজ আদায় করে দেখাব। এরপর আবু হুরায়রাহ্ যুহর, ইশা ও ফাজরের নামাজে কুনূত পড়তেন। এতে তিনি মুমিনদের জন্য দুআ করিতেন এবং কাফিরদেরকে অভিসম্পাত করিতেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪১৫, ইসলামিক সেন্টার- ১৪২৫]

১৪৩১

আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, “বিরি মাউনাহ্‌” নামক স্থানে যে মুমিনদেরকে হত্যা করা হয়েছিল, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] তাদের হত্যাকারীদের জন্য ত্রিশদিন পর্যন্ত ফাজরের নামাজে বদ দুআ করেছিলেন। আনাস বর্ণনা করিয়াছেন, “বিরি মাউনাহ্‌” নামক স্থানে নিহতদের সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা আয়াত অবতীর্ণ করে ছিলেন যা আমরা পাঠ করতাম। অবশেষে তা মানসুখ বা রহিত করে দেয়া হয়েছিল। আয়াতটি ছিল-

অর্থাৎ“আমাদের ক্বওমকে এ সংবাদ পৌছিয়ে দাও যে, আমরা আমাদের প্রভুর সাক্ষাৎ লাভ করেছি। তিনি আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন। আর আমরাও তাহাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছি।” [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪১৬, ইসলামিক সেন্টার- ১৪২৬]

১৪৩২

মুহাম্মাদ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাসকে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] কি ফাজ্‌রের নামাজে কুনূত পড়তেন? জবাবে তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, রুকূর পরে সংক্ষিপ্তভাবে পড়তেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪১৭, ইসলামিক সেন্টার-১৪২৭]

১৪৩৩

আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] এক মাস যাবৎ ফাজ্‌রের নামাজে রুকূ করার পর কুনূত পড়েছেন। এতে তিনি রিল ও যাক্‌ওয়ান গোত্রদ্বয়ের জন্য বদ-দুআ করিতেন। আর উসাইয়্যাহ্‌ গোত্র সম্পর্কে বলিতেন যে, উসায়ইয়্যাহ্‌ আল্লাহ ও তার রাসূলের অবাধ্য হয়েছে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪১৮, ইসলামিক সেন্টার- ১৪২৮]

১৪৩৪

আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] এক মাস যাবৎ ফাজ্‌রের নামাজে রুকূ থেকে উঠার পর কুনূতে বানূ উসাইয়্যাহ্‌ গোত্রের জন্য বদ-দুআ করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪১৯, ইসলামিক সেন্টার- ১৪২৯]

১৪৩৫

আসিম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] – কে কুনূত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে, কুনূত রুকূ করার পূর্বে পড়তে হইবে না পরে? জবাবে তিনি বললেনঃ রুকূ করার পূর্বে পড়তে হইবে। তিনি বলেন, এ কথা শুনে আমি আবার বললাম যে, কোন কোন লোক বলে থাকে, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] রুকূ করার পর কুনূত পড়তেন। আনাস [রাদি.] বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] [রুকূর পরে] একমাস কুনূত পাঠ করিয়াছেন। তখন তিনি ঐ সব লোকদের জন্য বদ-দুআ করিতেন যারা তাহাঁর [নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর] সহাবীকে হত্যা করেছিল যাদেরকে ক্বারী বলে সম্বোধন করা হত। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪২০, ইসলামিক সেন্টার- ১৪৩০]

১৪৩৬

আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, বিরি মাউনাহ্‌-এর ঘটনায় ক্বারী বলে পরিচিত সত্তর জন সহাবীকে হত্যার কারণে নবী [সাঃআঃ] যতখানি বেদনাহত হয়ে ছিলেন এমনটি আর কোন সেনাদলের ক্ষেত্রে হইতে দেখিনি। এ ঘটনার পর তিনি একমাস পর্যন্ত [ঐসব সাহাবার] হত্যাকারীদের জন্য বদ-দুআ করেছিলেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪২১, ই.সে ১৪৩১]

১৪৩৭

আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] থেকে হাদীসটি বর্ণনা করিয়াছেন। তবে উভয়েই কিছুটা অতিরিক্ত শাব্দিক তারতম্যসহ বর্ণনা করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪২২, ইসলামিক সেন্টার-১৪৩২]

১৪৩৮

আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

এক সময়ে নবী [সাঃআঃ] রিল, যাক্‌ওয়ান ও উসাইয়্যাহ্‌ গোত্রসমূহকে লানত করে একমাস পর্যন্ত নামাজে কূনূত পড়েছেন। এরা সবাই আল্লাহ ও তাহাঁর রসূলের সাথে নাফরমানী করেছিল। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪৩২, ইসলামিক সেন্টার- ১৪৩৩]

১৪৩৯

আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] থেকে অনুরূপ [অর্থবোধক] হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪২৪, ইসলামিক সেন্টার- ১৪৩৪]

১৪৪০

আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আরবে কিছু গোত্রের জন্য এক সময়ে একমাস যাবৎ বদ-দুআ করেছিলেন। কিন্তু পরে তিনি তা পরিত্যাগ করেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪২৫, ইসলামিক সেন্টার-১৪৩৫]

১৪৪১

বারা ইবনি আযিয [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] ফাজ্‌র এবং মাগরিবের নামাজে কুনূত পড়তেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪২৬, ইসলামিক সেন্টার- ১৪৩৬]

১৪৪২

বারা ইবনি আযিব [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] ফাজ্‌র ও মাগরিবের নামাজে কুনূত পড়তেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪২৭, ইসলামিক সেন্টার- ১৪৩৭]

১৪৪৩

খুফাফ ইবনি ঈমা আল গিফারী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, কোন এক নামাজে রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] এ বলে বদ- দুআ করলেনঃ

اللَّهُمَّ الْعَنْ بَنِي لِحْيَانَ وَرِعْلاً وَذَكْوَانَ وَعُصَيَّةَ عَصَوُا اللَّهَ وَرَسُولَهُ غِفَارُ غَفَرَ اللَّهُ لَهَا وَأَسْلَمُ سَالَمَهَا اللَّهُ ‏

হে আল্লাহ ! তুমি বানী লিহ্‌ইয়ান, রিল যাক্‌ওয়ান ও উসাইয়্যাহ্‌ গোত্রসমূহের ওপর লানাত বর্ষণ করো। তারা আল্লাহ ও তাহাঁর রসূলের নাফরমানী করেছে। আর গিফার গোত্রকে আল্লাহ তাআলা ক্ষমা করুন এবং আসলাম গোত্রকে নিরাপদ রাখুন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪২৮, ইসলামিক সেন্টার- ১৪৩৮]

১৪৪৪

হারিস ইবনি খুফাফ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, খুফাফ ইবনি ঈমা বর্ণনা করিয়াছেন। তিনি [খুফাফ ইবনি ঈমা] বলেন, একদিন নামাজে রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] রুকূ করিলেন এবং তারপর রুকূ থেকে মাথা তুলে বললেনঃ

غِفَارُ غَفَرَ اللَّهُ لَهَا وَأَسْلَمُ سَالَمَهَا اللَّهُ وَعُصَيَّةُ عَصَتِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ اللَّهُمَّ الْعَنْ بَنِي لِحْيَانَ وَالْعَنْ رِعْلاً وَذَكْوَانَ

গিফার গোত্রকে আল্লাহ তাআলা ক্ষমা করুন। আসলাম গোত্রকে আল্লাহ নিরাপদে রাখুন। আর উসাইয়্যাহ্‌ গোত্র তো আল্লাহ ও তাহাঁর রসূলের নাফরমানী করেছে। এরপর তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ ! তুমি বানী লিহ্‌ইয়ান গোত্রের ওপর লানাত বর্ষণ করো, রিল ও যাকওয়ান গোত্রদ্বয়ের ওপর লানাত বর্ষণ করো। এরপর তিনি সাজদায় চলে গেলেন। খুফাফ ইবনি ঈমা বলেছেনঃ এ কারণেই কুনূতে কাফিরদের লানাত করা হয়ে থাকে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪২৯, ইসলামিক সেন্টার- ১৪৩৯]

১৪৪৫

খুফাফ ইবনি ঈমা [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করিয়াছেন। কিন্তু তিনি তাতে “এ কারণেই কুনূতে কাফিরদের লানাত করা হয়ে থাকে” কথাটি বলেননি। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৪৩০, ইসলামিক সেন্টার- নেই]

By বুলূগুল মারাম

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। তবে আমরা রাজনৈতিক পরিপন্থী কোন মন্তব্য/ লেখা প্রকাশ করি না। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই লেখাগুলো ফেসবুক এ শেয়ার করুন, আমল করুন

Leave a Reply