দুয়ার ফজিলত ও দুয়া করার সময় দুই হাত উত্তোলন

দুয়ার ফজিলত ও দুয়া করার সময় দুই হাত উত্তোলন

দুয়ার ফজিলত ও দুয়া করার সময় দুই হাত উত্তোলন >> সুনান তিরমিজি শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন

অধ্যায়ঃ ৪৫, অনুচ্ছেদঃ (১-১২)=১২টি

অনুচ্ছেদ-১: দুয়ার ফাযীলাত
অনুচ্ছেদ-২: [দুয়াই ইবাদাত]
অনুচ্ছেদ-৩: [আল্লাহর অসন্তুষ্টি]
অনুচ্ছেদ-৪: [জান্নাতের গুপ্তধন]
অনুচ্ছেদ-৫: যিকিরের ফযীলত প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে
অনুচ্ছেদ-৬: [সর্বোত্তম আমাল]
অনুচ্ছেদ-৭: যে সকল লোক বসে বসে আল্লাহ তাআলার যিক্‌র করে তাহাদের মর্যাদা
অনুচ্ছেদ-৮ঃ যারা মাজলিসে বসে আছে অথচ আল্লাহ তাআলার যিক্‌র করে না
অনুচ্ছেদ-৯ঃ মুসলিম লোকের দুয়া ক্ববূল হয়
অনুচ্ছেদ-১০ঃ দুয়াকারী নিজের জন্য প্রথমে দুয়া করিবে
অনুচ্ছেদ-১১ঃ দুয়া করার সময় দুই হাত উত্তোলন
অনুচ্ছেদ-১২ঃ যে ব্যক্তি দুয়ায় [প্রতিফল লাভে] তাড়াহুড়া করে

অনুচ্ছেদ-১: দুয়ার ফাযীলাত

৩৩৭০: আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলার নিকট দুয়ার চেয়ে কোন জিনিস বেশি সম্মানিত নয়।

হাসানঃ ইবনি মাজাহ হাদীস নং-[হাঃ ৩৮২৯]। এই হাদীসটির তাহকিকঃ হাসান হাদীস

৩৩৭১: আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেনঃ দুয়া হল ইবাদাতের মূল বা সার।

এই শব্দে হাদীসটি যঈফ, রাওজুন নাযীর[২/২৮৯], মিশকাত[২২৩১], আবু ঈসা বলেনঃ উপরোক্ত সনদসূত্রে এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু ইবনি লাহীআর রিওয়ায়াত হিসেবে এ হাদীস জ়েনেছি। এই হাদীসটির তাহকিকঃ দুর্বল হাদীস

অনুচ্ছেদ-২: [দুয়াই ইবাদাত]

৩৩৭২ ঃ নুমান ইবনি বাশীর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ দুয়াই হল ইবাদাত। তারপর তিনি পাঠ করেন [অনুবাদ]ঃ “এবং তোমাদের রব বলেছেন, আমাকে তোমরা আহ্বান কর, আমি তোমাদের আহ্বানে সাড়া দিব। নিশ্চয় যে সকল লোক আমার ইবাদাত করিতে অহংকার করে [বিরত থাকে], শীঘ্রই তারা ভর্ৎ‍সনার সঙ্গে জাহান্নামে প্রবেশ করিবে”- [সূরা মুমিন ৬০]।

সহীহঃ ইবনি মাজাহ হাদীস নং-[৩৮২৮]। এই হাদীসটির তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

অনুচ্ছেদ-৩: [আল্লাহর অসন্তুষ্টি]

৩৩৭৩ঃ আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলার কাছে যে লোক চায় না, আল্লাহ তাআলা তার উপর নাখোশ হন।

হাসানঃ ইবনি মাজাহ হাদীস নং-[হাঃ ৩৮২৭] এই হাদীসটির তাহকিকঃ হাসান হাদীস

অনুচ্ছেদ-৪: [জান্নাতের গুপ্তধন]

৩৩৭৪ঃ আবু মূসা আল-আশআরী [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমরা কোন এক যুদ্ধে রসুলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর সাথেই ছিলাম। আমরা যখন ফিরে আসলাম এবং মাদীনার উপকণ্ঠে উপস্থিত হলাম তখন কিছু লোক উচ্চৈঃস্বরে তাকবীর বলিলেন। তখন রসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলিলেন, তোমাদের পালনকর্তা বধিরও নন এবং অনুপস্থিতও নন। তিনি তোমাদের মাঝে তোমাদের সৈন্য দলের সাথেই আছেন। তারপর তিনি বলিলেন, হে আবদুল্লাহ ইবনি ক্বাইস আমি কি তোমাকে জান্নাতের গুপ্তঘন শিখিয়ে দিব না? তা হল

لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

“লা- হাওলা ওয়ালা কু-ওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হ”

সহীহঃ ইবনি মাজাহ হাদীস নং-[হাঃ ৩৮২৪], বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ। এই হাদীসটির তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

অনুচ্ছেদ-৫: যিকিরের ফযীলত প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে

৩৩৭৫:আবদুল্লাহ্ ইবনি বুস্‌র [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

এ লোক বলিল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমার জন্য ইসলামের শারীআতের বিষয়াদি অতিরিক্ত হয়ে গেছে। সুতরাং আমাকে এমন একটি বিষয় জানান, যা আমি শক্তভাবে আঁকড়ে থাকতে পারি। তিনি বললেনঃ সর্বদা তোমার জিহ্বা যেন আল্লাহ তাআলার যিকিরের দ্বারা সিক্ত থাকে।

সহীহঃ ইবনি মাজাহ হাদীস নং-[হাঃ ৩৭৯৩]। এই হাদীসটির তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

৩৩৭৬: আবু সাঈদ আল-খুদরী [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসুলুল্লাহ [সাঃআঃ]কে প্রশ্ন করা হল, কিয়ামতের দিন আল্লাহ্‌ তাআলার নিকট বান্দাদের মধ্যে কে মর্যাদায় সর্বোত্তম হইবে? তিনি বললেনঃ আল্লাহ তাআলার অধিক পরিমাণে যিকিরকারীগণ। রাবী বলেনঃ আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আল্লাহ্‌ তাআলার রাস্তায় জিহাদকারীর চেয়েও অধিক মর্যাদাশালী? তিনি বললেনঃ যদি কেউ নিজের তলোয়ার দিয়ে কাফির ও মুশরিকদের উপর এমনভাবে আঘাত হানে যে, তা ভেঙ্গে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায় এবং নিজেও রক্তাক্ত হয়ে যায়, তবে অধিক পরিমাণে আল্লাহ্‌ তাআলার যিকিরকারী বান্দাগণ মর্যাদায় তার চেয়েও উত্তম।

যঈফ,তালীকুর রাগীব [২/২২৮], আবু ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু দার্‌রাজের রিওয়ায়াত হিসেবে তা জেনেছি। এই হাদীসটির তাহকিকঃ দুর্বল হাদীস

অনুচ্ছেদ-৬: [সর্বোত্তম আমাল]

৩৩৭৭ঃ আবুদ্‌ দারদা [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, নাবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আমি তোমাদেরকে কি তোমাদের অধিক উত্তম কাজ প্রসঙ্গে জানাব না, যা তোমাদের মনিবের নিকট সবচেয়ে পবিত্র, তোমাদের সম্মানের দিক হইতে সবচেয়ে উঁচু, স্বর্ণ ও রৌপ্য দান-খাইরাত করার চেয়েও বেশি ভাল এবং তোমাদের শত্রুর মুকাবিলায় অবতীর্ণ হয়ে তাহাদেরকে তোমাদের সংহার করা ও তোমাদেরকে তাহাদের সংহার করার চাইতেও ভাল? তারা বলিলেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তাআলার যিক্‌র। মুআয ইবনি জাবাল [রাদি.] বলেন, আল্লাহ তাআলার শাস্তি হইতে মুক্তি পাওয়ার জন্য আল্লাহ তাআলার যিক্‌রের তুলনায় অগ্রগণ্য কোন জিনিস নেই।

সহীহ ঃ ইবনি মাজাহ হাদীস নং-[হাঃ ৩৭৯০]। এই হাদীসটির তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

অনুচ্ছেদ-৭: যে সকল লোক বসে বসে আল্লাহ তাআলার যিক্‌র করে তাহাদের মর্যাদা

৩৩৭৮ঃ আবু হুরাইরাহ্‌ ও আবু সাঈদ আল-খুদরী [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

আবু হুরাইরাহ্‌ ও আবু সাঈদ আল-খুদরী [রাদি.] প্রত্যেকে রসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] প্রসঙ্গে সাক্ষ্য দেন যে, তিনি বলেছেন ঃ যখনই কোন এক স্থানে কিছু সংখ্যক লোক আল্লাহ তাআলার যিক্‌রে মাশগুল হয়, তখনই ফেরেশতাগণ তাহাদের আবৃত করে রাখে, তাহাদেরকে আল্লাহ তাআলার রাহমাত ও করুণা ছেয়ে ফেলে এবং তাহাদের প্রতি প্রশান্তি অবতীর্ণ হয়। আর আল্লাহ তাআলা স্বয়ং তাহাঁর সমীপে উপস্থিতদের কাছে তাহাদের আলোচনা করেন।

সহীহ ঃ ইবনি মাজাহ হাদীস নং-[হা ঃ ৩৭৯১], মুসলিম। আবু ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ। এই হাদীসটির তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

৩৩৭৯ঃ আবু সাঈদ আল-খুদরী [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, মুআবিয়াহ্‌ [রাদি.] মাসজিদে গেলেন। তিনি [মাসজিদে কিছুলোক বসা দেখে তাহাদেরকে] বলিলেন, তোমাদের কিসে বসিয়ে রেখেছে? তারা বলিলেন, আমরা বসে বসে আল্লাহ তাআলার যিক্‌র করছি। তিনি বলিলেন, আল্লাহর ক্বসম! তোমাদেরকে আল্লাহ তাআলার যিক্‌রই কি বসিয়ে রেখেছে? তারা বলিলেন, আল্লাহর শপথ! আল্লাহ তাআলার যিক্‌রই আমাদেরকে বসিয়ে রেখেছে। তিনি বলিলেন, শোন! তোমাদের মিথ্যা বলার সন্দেহে আমি তোমাদেরকে শপথ করাইনি। রসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] হইতে আমার চেয়ে কম হাদীস বর্ণনাকারীও কেউ নেই। একদিন রসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] তাহাঁর সাথীদের এক দরবারে পৌঁছে বললেনঃ তোমাদেরকে কিসে বসিয়ে রেখেছে? তারা বলেন, এখানে বসে আমরা আল্লাহ তাআলার যিক্‌র করছি এবং তাহাঁর প্রশংসা করছি, কেননা ইসলামের দিকে তিনিই আমাদেরকে পথ দেখিয়েছেন এবং ইসলামের মাধ্যমে আমাদের প্রতি বিরাট অনুগ্রহ করিয়াছেন। তিনি বললেনঃ আল্লাহর শপথ! এটাই তোমাদেরকে বসিয়ে রেখেছে কি? তারা বলিলেন, আল্লাহর শপথ! আমাদেরকে শুধুমাত্র এটাই বসিয়ে রেখেছে। তিনি বললেনঃ তোমাদের মিথ্যা বলার সন্দেহে আমি তোমাদেরকে ক্বসম দেইনি। জিবরীল [আঃ] আমার কাছে এসে আমাকে জানিয়েছেন যে, আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাহাদের সম্মুখে তোমাদের নিয়ে গর্ব করছেন।

সহীহ ঃ মুসলিম [হাঃ ৮/৭২] এই হাদীসটির তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

অনুচ্ছেদ-৮ঃ যারা মাজলিসে বসে আছে অথচ আল্লাহ তাআলার যিক্‌র করে না

৩৩৮০ঃ আবু হুরাইরাহ্‌ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নাবী [সাঃআঃ] বলেনঃ যে সমস্ত লোক কোন দরবারে বসেছে অথচ তারা আল্লাহ তাআলার যিক্‌র করেনি এবং তাহাদের নাবীর প্রতি দরূদও পড়েনি, তারা বিপদগ্রস্ত ও আশাহত হইবে। আল্লাহ তাআলা চাইলে তাহাদেরকে শাস্তিও দিতে পারেন কিংবা মাফও করিতে পারেন।

সহীহ ঃ সহীহাহ্‌ [হাঃ ৭৪] এই হাদীসটির তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

অনুচ্ছেদ-৯ঃ মুসলিম লোকের দুয়া ক্ববূল হয়

৩৩৮১ঃ জাবির [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে আমি বলিতে শুনিয়াছি ঃ কোন ব্যক্তি [আল্লাহ তাআলার কাছে] কোন কিছু দুয়া করলে আল্লাহ তাআলা তাকে তা দান করেন কিংবা তার পরিপ্রেক্ষিতে তার হইতে কোন অকল্যান প্রতিহত করেন, যতক্ষণ পর্যন্ত সে কোন গুনাহের কাজে লিপ্ত হওয়ার বা আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার জন্য প্রার্থনা না করে।

হাসান ঃ মিশকাত [হা ঃ ২২৩৬]। এই হাদীসটির তাহকিকঃ হাসান হাদীস

৩৩৮২ঃ আবু হুরাইরাহ্‌ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যে লোক বিপদাপদ ও সংকটের সময় আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ লাভ করিতে চায় সে যেন সুখ-স্বাচ্ছন্দের সময় বেশি পরিমাণে দুয়া করে।

হাসান ঃ সহীহাহ্‌ [হাঃ ৫৯৫]। এই হাদীসটির তাহকিকঃ হাসান হাদীস

৩৩৮৩ঃ জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] বলেন, রসুলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে আমি বলিতে শুনিয়াছি ঃ

لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ

(লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ) ( আল্লাহ ছারা কোন মাবুদ নাই )

অতি উত্তম যিক্‌র এবং

 الْحَمْدُ لِلَّ

( আলাহামদু লিল্লাহ ) ( সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর )

অধিক উত্তম দুয়া।

হাসান ঃ ইবনি মাজাহ হাদীস নং-[হাঃ ৩৮০০]। আবু ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান গারীব। এ হাদীসটি আমরা শুধু মূসা ইবনি ইব্‌রাহীমের সূত্রে অবগত হয়েছি। আলী ইবনিল মাদীনী প্রমুখ মূসা ইবনি ইব্‌রাহীম হইতে হাদীসটি রিওয়ায়াত করিয়াছেন। এই হাদীসটির তাহকিকঃ হাসান হাদীস

৩৩৮৪ঃ আয়িশাহ্‌ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] তাহাঁর প্রতিটি সময়েই আল্লাহ তাআলার যিক্‌র করিতেন।

সহীহ ঃ ইবনি মাজাহ হাদীস নং-[হাঃ ৩০২], মুসলিম। এই হাদীসটির তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

অনুচ্ছেদ-১০ঃ দুয়াকারী নিজের জন্য প্রথমে দুয়া করিবে

৩৩৮৫ঃ উবাই ইবনি কাব [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] উল্লেখপূর্বক কারো জন্য দুয়া করলে প্রথমে তার নিজের জন্য দুয়া করিতেন।

সহীহ ঃ মিশকাত তাহক্বীক্ব সানী [হাঃ ২২৫৮]। এই হাদীসটির তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

অনুচ্ছেদ-১১ঃ দুয়া করার সময় দুই হাত উত্তোলন

৩৩৮৬ঃ উমার ইবনিল খাত্তাব [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেনঃ রসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] দুয়া করার সময় যখন তাহাঁর উভয় হাত উঠাতেন, তিনি তা দিয়ে তাহাঁর মুখমন্ডল মর্দন না করা পর্যন্ত নামাতেন না।

যঈফ, মিশকাত [২২৪৫], ইরওয়া [৪৩৩], মুহাম্মাদ ইবনিল মুসান্নার বর্ণনায় আছেঃ তাহাঁর মুখমন্ডলে না মোছা পর্যন্ত হাত দুখানা তিনি সরিয়ে নিতেন না। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু হাম্মাদ ইবনি ঈসার সূত্রেই এ হাদীস জেনেছি। এ হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে তিনি একাকী। উপরন্তু তিনি অতিঅল্প সংখ্যক হাদীস বর্ণনাকারী। লোকেরা তার থেকে হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। হানজালা ইবনি আবু সুফিয়ান আল-জুমাহী একজন বিশ্বস্ত রাবী। ইয়াহইয়া ইবনি সাঈদ আল-কাত্তান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। এই হাদীসটির তাহকিকঃ দুর্বল হাদীস

অনুচ্ছেদ-১২ঃ যে ব্যক্তি দুয়ায় [প্রতিফল লাভে] তাড়াহুড়া করে

৩৩৮৭ঃ আবু হুরাইরাহ্‌ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসুলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তোমাদের যে কোন ব্যক্তির দুয়াই ক্ববূল হয়ে থাকে, যতক্ষণ না সে তাড়াহুড়া করে বলিতে থাকে, দুয়া তো করলাম অথচ আমার দুয়া ক্ববূল হয়নি।

সহীহ ঃ সহীহ আবু দাঊদ [হাঃ ১৩৩৪], বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ। এই হাদীসটির তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

By ইমাম তিরমিজি

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply