নতুন লেখা

দুনিয়া ও আখিরাত -নেক্কার ব্যক্তিদের বিদায় হয়ে যাওয়া

দুনিয়া ও আখিরাত -নেক্কার ব্যক্তিদের বিদায় হয়ে যাওয়া

দুনিয়া ও আখিরাত -নেক্কার ব্যক্তিদের বিদায় হয়ে যাওয়া >> বুখারী শরীফ এর মুল সুচিপত্র পড়ুন

পর্বঃ ৮১, কোমল হওয়া, অধ্যায়ঃ (১-৯)=১০টি

৮১/১. অধ্যায় : সুস্থতা আর অবসর, আখিরাতের জীবনই সত্যিকারের জীবন ।
৮১/২. অধ্যায় : আখিরাতের তুলনায় দুনিয়ার উদাহরণ ।
৮১/৩. অধ্যায় : নাবী (সাঃআঃ) এর বাণী : দুনিয়াতে থাক যেন তুমি একজন প্রবাসী অথবা পথচারী
৮১/৪. অধ্যায় : আশা এবং এর দৈর্ঘ্য ।
৮১/৫. অধ্যায় : যে ব্যক্তি ষাট বছর বয়সে পৌঁছে গেল, আল্লাহ তার বয়সের ওযর পেশ করার সুযোগ রাখেননি ।
৮১/৬. অধ্যায় : যে আমালের দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করা হয় ।
৮১/৭. অধ্যায় : দুনিয়ার শোভা ও তার প্রতি আসক্তি থেকে সতর্কতা
৮১/৮. অধ্যায় : আল্লাহর বাণী : হে মানুষ! আল্লাহর ওয়াদা সত্য, কাজেই পার্থিব জীবন কিছুতেই যেন তোমাদেরকে প্রতারিত না করে; আর সেই প্রধান প্রতারক (শয়ত্বান) যেন কিছুতেই তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে প্রতারিত না করে । শয়ত্বান তোমাদের শত্রু, কাজেই তাকে শত্রু হিসেবে গ্রহণ কর । সে কেবল তার দলবলকে ডাকে, যাতে তারা জ্বলন্ত অগ্নির সঙ্গী হয় । (সুরা ফাতির ৩৫/৫-৬)
৮১/৯. অধ্যায় : নেক্কার ব্যক্তিদের বিদায় হয়ে যাওয়া ।

৮১/১. অধ্যায় : সুস্থতা আর অবসর, আখিরাতের জীবনই সত্যিকারের জীবন ।

৬৪১২

ইবনু আব্বাস (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ) বলেছেনঃ এমন দুটি নিয়ামত আছে, যে দুটোতে অধিকাংশ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। তা হচ্ছে, সুস্থতা আর অবসর। আব্বাস আম্বরী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)…..সাঈদ ইবনু আবু হিন্দ (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) থেকে ইবনু আব্বাস (রাদি.) সূত্রে নাবী (সাঃআঃ) থেকে এ রকমই হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন।(আঃপ্রঃ- ৫৯৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৭০)

৬৪১৩

আনাস (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

নাবী (সাঃআঃ) বলেছেনঃ আয় আল্লাহ! আখিরাতের জীবনই সত্যিকারের জীবন। কাজেই আপনি আনসার আর মুহাজিরদের কল্যাণ করুন। (আঃপ্রঃ- ৫৯৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৭১)

৬৪১৪

সাহল ইবনু সাঈদী (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমরা খন্দকের যুদ্ধে রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি (মাটি) খনন করছিলেন এবং আমরা মাটি সরিয়ে দিচ্ছিলাম। তিনি আমাদের দেখছিলেন। তখন তিনি বলছিলেন : হে আল্লাহ! আখিরাতের জীবনই সত্যিকারের জীবন। কাজেই আপনি আনসার ও মুহাজিরদেরকে ক্ষমা করুন। [১](আঃপ্রঃ- ৫৯৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৭২)

[১] (৬৪১৩-১৪) এ দুটি হাদীস থেকে দুনিয়ার পঙ্কিলতা ও নোংরামি এবং ধ্বংসের দ্রুততা প্রকাশে দুনিয়ার জীবন যাত্রার প্রতি অবজ্ঞার ইঙ্গিত পাওয়া যায় । (ফাতহুল বারী)

৮১/২. অধ্যায় : আখিরাতের তুলনায় দুনিয়ার উদাহরণ ।

আল্লাহর বাণী : “তোমরা জেনে রেখ, দুনিয়ার জীবন ক্রীড়া-কৌতুক, শোভা-সৌন্দর্য, পারস্পরিক গর্ব-অহঙ্কার আর ধন-মাল ও সন্তানাদিতে আধিক্যের প্রতিযোগিতা মাত্র । তার উদাহরন হল বৃষ্টি, আর তা হইতে উৎপন্ন শষ্যাদি কৃষকের মনকে আনন্দে ভরে দেয়, তারপর তা পেকে যায়, তখন তুমি তাকে হলুদ বর্ণ দেখিতে পাও, পরে তা খড় ভুষি হয়ে যায় । (আর আখিরাতের চিত্র অন্যরকম, পাপাচারীদের জন্য), আখিরাতে আছে কঠিন শাস্তি, (আর নেক্‌কারদের জন্য আছে) আল্লাহর ক্ষমা ও সন্তুষ্টি । আর দুনিয়ার জীবনটা তো ধোঁকার বস্তু ছাড়া আর কিছুই না ।” (সুরা আল-হাদীদ ৫৭/২০)

৬৪১৫

সাহল ইবনু সাদ (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি নাবী (সাঃআঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছি, জান্নাতের মাঝে এক চাবুক পরিমিত জায়গা দুনিয়া এবং তার মাঝে যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম। আর আল্লাহর পথে সকালের এক মুহূর্ত কিংবা বিকালের (সন্ধ্যা) এক মুহূর্ত দুনিয়া ও তার মাঝে যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম।(আঃপ্রঃ- ৫৯৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৭৩)

৮১/৩. অধ্যায় : নাবী (সাঃআঃ) এর বাণী : দুনিয়াতে থাক যেন তুমি একজন প্রবাসী অথবা পথচারী

৬৪১৬

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ) একবার আমার দু কাঁধ ধরে বললেনঃ তুমি দুনিয়াতে থাক যেন তুমি একজন প্রবাসী অথবা পথচারী।

আর ইবনু উমার (রাদি.) বলিতেন, তুমি সন্ধ্যায় উপনীত হলে সকালের আর অপেক্ষা করো না এবং সকালে উপনীত হলে সন্ধ্যার আর অপেক্ষা করো না। তোমার সুস্থতার সময় তোমার পীড়িত অবস্থার জন্য প্রস্তুতি লও। আর তোমার জীবিত অবস্থায় তোমার মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি লও। [২](আঃপ্রঃ- ৫৯৬৮, ই.ফা ৫৯৭৪)

[২] (৬৪১৬) অর্থাৎ সুস্থ থাকা অবস্থায় তুমি মহৎ কাজে ব্যস্ত থাক । কারন রোগ ব্যধির সময় যদি তুমি তা পালনে অক্ষম হও তখন যেন তা পালন করিতে বাধ্য করা না হয় ।

হাদীসটি থেকে শিক্ষণীয়ঃ

(১) শিক্ষক ছাত্রকে শিক্ষা বা উপদেশ দেয়ার সময় মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য ছাত্রের কোন অঙ্গ ধরা । অধিকাংশ ক্ষেত্রে কাউকে আকৃষ্ট করার জন্য এমন করা হয় ।

(২) একজনকে সম্বোধন করা হলেও সবাইকে উদ্দেশ্য নেয়া ।

(৩) উম্মতের কল্যাণ হইবে এমন প্রত্যেক কাজের প্রতি নাবী (সাঃআঃ)র আগ্রহ ।

(৪) দুনিয়াদারী ত্যাগ করা এবং যা অপরিহার্য তার প্রতি সীমাবদ্ধ থাকার উৎসাহ প্রদান । (ফাতহুল বারী)

৮১/৪. অধ্যায় : আশা এবং এর দৈর্ঘ্য ।

আল্লাহর বাণী : যে ব্যক্তিকে জাহান্নামের আগুন হইতে রক্ষা করা হল এবং জান্নাতে দাখিল করা হল, অবশ্যই সে ব্যক্তি সফলকাম হল, কেননা পার্থিব জীবন ছলনার বস্তু ছাড়া আর কিছুই নয় । – (সুরা আল ইমরান ৩/১৮৫) । ছেড়ে দাও ওদেরকে, ওরা খেতে থাক আর ভোগ করিতে থাক, আর (মিথ্যে) আশা ওদেরকে উদাসীনতায় ডুবিয়ে রাখুক, শীঘ্রই ওরা (ওদের আমালের পরিণতি) জানতে পারবে । (সুরা আল-হিজ্‌র ১৫/৩) । আলী (রাদি.) বলেন, এ দুনিয়া পেছনের দিকে যাচ্ছে, আর আখিরাত সামনের দিকে এগিয়ে আসছে । এ দুটির প্রতিটির আছে সন্তানাদি । অতএব তোমরা আখিরাতের সন্তানদের অন্তর্ভুক্ত হও । দুনিয়ার সন্তানদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না । কারণ, আজ আমালের দিন, অতএব হিসাব নেই । আর আগামীকাল হিসাব, কোন আমাল নেই । [৩] [৩] যারা সতর্ক হয়ে জীবিকা নির্বাহ করে তারা পরকালের সন্তান আর হিসাব ছাড়াই জীবিকা নির্বাহ করে তারা ইহকালের সন্তান । ইহকাল শুধু কর্মের জায়গা কোন হিসাব লাগে না আর পরকাল শুধু হিসাবের জায়গা কোন কর্ম চলে না ।

৬৪১৭

আবদুল্লাহ ইবনু মাস্‌ঊদ (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, একদিন নাবী (সাঃআঃ) একটি চতুর্ভুজ আঁকলেন এবং এর মধ্যখানে একটি রেখা টানলেন, যা তাত্থেকে বের হয়ে গেল। তারপর দুপাশ দিয়ে মধ্যের রেখার সঙ্গে ভেতরের দিকে কয়েকটা ছোট ছোট রেখা মিলালেন এবং বলিলেন, এ মাঝের রেখাটা হলো মানুষ। আর এ চতুর্ভুজটি হলো তার আয়ু, যা বেষ্টন করে আছে। আর বাইরে বেড়িয়ে যাওয়া রেখাটি হলো তার আশা। আর এ ছোট ছোট রেখাগুলো বাধা-বন্ধন। যদি সে এর একটি এড়িয়ে যায়, তবে আরেকটি তাকে দংশন করে। আর আরেকটি যদি এড়িয়ে যায় তবে আরেকটি তাকে দংশন করে।(আঃপ্রঃ-৫৯৬৯ , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৭৫)

৬৪১৮

আনাস (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন একবার নাবী (সাঃআঃ) কয়েকটি রেখা টানলেন এবং বলিলেন, এটা আশা আর এটা তার আয়ু। মানুষ যখন এ অবস্থার মাঝে থাকে হঠাৎ নিকটবর্তী রেখা (মৃত্যু) এসে যায়।(আঃপ্রঃ- ৫৯৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৭৬)

৮১/৫. অধ্যায় : যে ব্যক্তি ষাট বছর বয়সে পৌঁছে গেল, আল্লাহ তার বয়সের ওযর পেশ করার সুযোগ রাখেননি ।

আল্লাহর বাণী : আমি কি তোমাদেরকে এতটা বয়স দেইনি যে, তখন কেউ নাসীহাত গ্রহণ করিতে চাইলে নাসীহাত গ্রহণ করিতে পারতে? আর তোমাদের কাছে সতর্ককারীও এসেছিল….. । (সুরা ফাতির ৩৫/৩৭)

৬৪১৯

আবু হুরাইরাহ (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

নাবী (সাঃআঃ) বলেছেন, আল্লাহ যার আয়ু দীর্ঘ করিয়াছেন, এমনকি তাকে ষাট বছরে পৌঁছে দিয়েছেন তার ওযর পেশ করার সুযোগ রাখেননি।

ইবনু আজলান মুকবেরী হইতেও এরূপ বর্ণনা করিয়াছেন।(আঃপ্রঃ- ৫৯৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৭৭)

৬৪২০

আবু হুরাইরাহ (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছি যে, বৃদ্ধ লোকের অন্তর দুটি ব্যাপারে সর্বদা যুবক থাকে। দুনিয়ার প্রতি ভালবাসার ব্যাপারে আর দীর্ঘ আশার ব্যাপারে। আরেকটি হল উচ্চাকাঙ্ক্ষা। লায়স (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) ….. সাঈদ ও আবু সালামাহ (রাদি.) থেকে বর্ণনা করিয়াছেন।[মুসলিম ১২/৩৮, হাদীস ১০৪৬, আহমাদ ১০৫১৯] (আঃপ্রঃ- ৫৯৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৭৮)

৬৪২১

আনাস (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ) বলেছেনঃ আদাম সন্তানের বয়স বাড়ে আর তার সঙ্গে দুটি জিনিসও বাড়ে; ধন-মালের প্রতি ভালবাসা আর দীর্ঘ বয়সের আশা।

শুবাহ কাতাদাহ (রাদি.) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন। [মুসলিম ১২/৩৮, হাদীস ১০৪৭, আহমাদ ১২১৪৩] (আঃপ্রঃ- ৫৯৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৭৯)

৮১/৬. অধ্যায় : যে আমালের দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করা হয় ।

এ বিষয়ে সাদ (রাদি.) বর্ণিত হাদীস

৬৪২২

মাহমুদ (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ)-এর কথা তিনি স্মরণ করেন। আর তিনি বলেন, তাদের ঘরের পানির বালতি থেকে পানি মুখে নিয়ে তিনি তার মুখে ছিটিয়েছিলেন তাও তিনি স্মরণ করেন। (আঃপ্রঃ- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৮০)

৬৪২৩

মাহমুদ (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, ইতবান ইবনু মালিক আনসারীকে, অতঃপর বানী সালিমের এক লোককে বলিতে শুনিয়াছি, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ) সকালে আমার নিকট এলেন এবং বলিলেন, আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় যে ব্যক্তি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলবে এবং এ বিশ্বাস সহকারে ক্বিয়ামাতের দিন উপস্থিত হইবে, আল্লাহ তার উপর জাহান্নাম হারাম করে দেবেন। [৪] [৪] হাদীসটি সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করা হয়েছে । রাসুল (সাঃআঃ) তাহাঁর বাড়িতে সকালে আগমন করার পরপরই এ কথাটি বলেননি । বরং এতদুভয়ের মাঝে অনেক কাজই হয়েছিল । যেমন, রাসুল (সাঃআঃ) তাহাঁর বাড়িতে প্রবেশ করেন । সলাত আদায় করেন । তাদের নিকট অপেক্ষা করার আবদার করেন । অবশেষে তারা তাকে পানাহার করান । তিনি মালেক বিন দাখশাম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন ইত্যাদি । সব শেষে হাদীসে উল্লেখিত কথাটি বলেন । (ফাতহুল বারী)

মক্কা নগরীর লোকেরা আল্লাহকে সৃষ্টিকর্তা হিসাবে মানলেও তিনিই যে একমাত্র ইলাহ, যাবতীয় ইবাদত বন্দেগী লাভের একমাত্র মাবূদ (উপাস্য), সকল ক্ষমতার একচ্ছত্র অধিকারী, আইন দাতা, বুদ্ধিদাতা, বিপদে উদ্ধারকর্তা, একমাত্র হুকুম-বিধান দাতা এটা তারা স্বীকার করত না । তারা নানান দেবদেবীর পূজা করত এবং বিশ্ব পরিচালনায় সে সব দেবদেবীদের আল্লাহর অংশীদার মনে করত । তাই আল্লাহ তাআলা তাহাঁর নাবীর মাধ্যমে জানিয়ে দিলেন, যারা আল্লাহকে একমাত্র ইলাহ বলে স্বীকার করে নিবে এবং এ বিশ্বাসের উপর অটল থেকে শির্কমুক্ত অবস্থায় মারা যাবে, জাহান্নাম তাদের জন্য হারাম করে দেয়া হইবে । নবুয়তের প্রাথমিক অবস্থায় সলাত, সওম, হজ্জ, যাকাত কিছুই ফরয করা হয়নি । সে সময় আল্লাহকে একমাত্র ইলাহ হিসেবে বিশ্বাস করে নেয়াই ছিল বড় কঠিন ব্যাপার । তাই তখন তাওহীদের প্রতি ঈমান আনাই জান্নাতে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল । অতঃপর যখন উক্ত ইবাদাতগুলো ফরয হিসাবে বিধিবদ্ধ করা হল, তখন শুধুমাত্র আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোন মাবূদ নাই এর স্বীকৃতি প্রদানই জান্নাতের প্রবেশের জন্য আর যথেষ্ট থাকল না । অতএব এখন আল্লাহর তাওহীদে বিশ্বাস করার অর্থই হল তাহাঁর যাবতীয় নির্দেশকে মান্য করা । তবে বর্তমানে কেউ যদি নতুনভাবে ইসলাম কবূল করে কোন ফরয ইবাদাত কার্যকর করার আগেই তার মৃত্যু হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে এ হাদীস প্রযোজ্য হইবে । তাওহীদে বিশ্বাসী কোন লোক যদি এমন অবস্থা ও পরিবেশে বাস করে যেখানে কোন ফরয এবাদাত করা একেবারেই অসম্ভব তবে সেক্ষেত্রেও এ হাদীস প্রযোজ্য হইতে পারে । আল্লাহই ভাল জানেন ।

৬৪২৪

আবু হুরাইরাহ (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাঃআঃ) বলেছেনঃ আল্লাহ বলেন, আমি যখন আমার মুমিন বান্দার কোন প্রিয়বস্তু দুনিয়া হইতে উঠিয়ে নেই আর সে ধৈর্য ধারণ করে, আমার কাছে তার জন্য জান্নাত ছাড়া অন্য কিছু (প্রতিদান) নেই। [৫] (আঃপ্রঃ- ৫৯৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৮১)

[৫] ইবনু বাত্তাল অত্র হাদীস দ্বারা যে ব্যক্তির তিনটি অথবা দুটি সন্তান মৃত্যুবরণ করেছে তাদের সাথে কিতাবুল জানায়িযের অন্তর্গত যে ব্যক্তির একটি সন্তান মারা গেছে তার ফযীলত অধ্যায়ের বর্ণনা অনুযায়ী যে ব্যক্তির একটি সন্তান মারা গেছে তাকেও সম্পৃক্ত করার প্রমাণ গ্রহণ করছেন । (ফাতহুল বারী)

৮১/৭. অধ্যায় : দুনিয়ার শোভা ও তার প্রতি আসক্তি থেকে সতর্কতা

৬৪২৫

আমর ইবনু আওফ (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

আমর ইবনু আওফ (রাদি.), তিনি বানী আমর ইবনু লুওয়াই-এর সঙ্গে চুক্তিতে আবদ্ধ ছিলেন এবং রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ)-এর সঙ্গে বদরের যুদ্ধেও অংশ গ্রহণ করেন। তিনি বর্ণনা করেন, একবার রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ) আবু উবাইদাহ ইবনু জাররাহকে জিযিয়া আদায় করার উদ্দেশ্যে বাহরাইনে প্রেরণ করেন। রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ) বাহরাইনের অধিবাসীদের সঙ্গে সন্ধি করেছিলেন এবং তাদের জন্য আলা ইবনু হায্‌রামী (রাদি.)-কে আমীর নিযুক্ত করেছিলেন। আবু উবাইদাহ (রাদি.) বাহরাইন হইতে ধনসম্পদ নিয়ে আসেন, আনসারগণ তাহাঁর আগমনের সংবাদ শুনলেন এবং ফাজ্‌রের সালাতে রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ)-এর সঙ্গে শরীক হলেন। সলাত শেষ হলে তাঁরা তাহাঁর সামনে এলেন। তখন তিনি তাঁদের দেখে হেসে দিলেন এবং বললেনঃ আমি মনে করি তোমরা আবু উবাইদাহ (রাদি.)-এর আগমনের খবর শুনেছ এবং তিনি যে মাল নিয়ে এসেছেন তাও (শুনেছ)। তাঁরা বলিলেন, হে আল্লাহর রাসুল! হাঁ। তিনি বললেনঃ তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো এবং তোমরা আশা পোষণ কর, যা তোমাদের খুশী করিবে। তবে, আল্লাহর কসম! আমি তোমাদের জন্য দারিদ্রের ভয় করছি না বরং ভয় করছি যে, তোমাদের উপর দুনিয়া প্রশস্ত করে দেয়া হইবে তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতের উপর যেমন দুনিয়া প্রশস্ত করে দেয়া হয়েছিল। আর তোমরা তা পাওয়ার জন্য প্রতিযোগিতা করিবে যেমন তারা তা পাওয়ার জন্য প্রতিযোগিতা করেছিল। আর তা তোমাদেরকে আখিরাত বিমুখ করে ফেলবে, যেমন তাদেরকে আখিরাত বিমুখ করেছিল। [৬] (আঃপ্রঃ- ৫৯৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৮২)

[৬] দুনিয়ার তুলনায় আখিরাতকে সব সময় প্রাধান্য দিতে হইবে । অর্জিত ধন সম্পদ আমাদেরকে যেন আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্ত না করে । আখিরাতের চিন্তা মাথায় রেখে দুনিয়াতে বেঁচে থাকার জন্য হালাল উপায়ে রিযক আহরণে সচেষ্ট থাকতে হইবে ।

৬৪২৬

উক্‌বাহ ইবনু আমির (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

যে, একদিন রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ) বের হলেন এবং উহুদের শহীদদের জন্য সলাত আদায় করিলেন, যেমন তিনি মৃতদের জন্য সলাত আদায় করিতেন। তারপর মিম্বরে ফিরে এসে বললেনঃ আমি তোমাদের অগ্রবর্তী। আমি তোমাদের সাক্ষী হব। আল্লাহর কসম! নিশ্চয়ই আমি এখন আমার হাওয্‌কে দেখছি। আমাকে তো দুনিয়ার ধনাগারের চাবিসমূহ অথবা দুনিয়ার চাবিসমূহ দেয়া হয়েছে। আল্লাহর কসম! আমি তোমাদের ব্যাপারে এ আশংকা করছি না যে, তোমরা আমার পরে শির্কে লিপ্ত হইবে, তবে আমি আশংকা করছি যে, তোমরা দুনিয়ার সম্পদ লাভের জন্য পরস্পর প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হইবে। (আঃপ্রঃ- ৫৯৭৭ , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৮৩)

৬৪২৭

আবু সাঈদ (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ) বলেছেনঃ আমি তোমাদের জন্য এ ব্যাপারেই সর্বাধিক আশংকা করছি যে, আল্লাহ তোমাদের জন্য যমীনের বারাকাতসমূহ প্রকাশিত করে দেবেন। জিজ্ঞেস করা হলো, যমীনের বারাকাতসমূহ কী? তিনি বললেনঃ দুনিয়ার চাকচিক্য। তখন এক ব্যক্তি তাহাঁর কাছে বলিলেন, কল্যাণ কি অকল্যাণ নিয়ে আসবে? তখন নাবী (সাঃআঃ) কিছুক্ষণ নীরব থাকলেন, যাতে আমরা ধারণা করলাম যে, তাহাঁর উপর ওয়াহী নাযিল হচ্ছে। এরপর তিনি তাহাঁর কপাল থেকে ঘাম মুছে জিজ্ঞেস করিলেন, প্রশ্নকারী কোথায়? সে বলিল, আমি। আবু সাঈদ (রাদি.) বলেন, যখন এটি প্রকাশ পেল, তখন আমরা প্রশ্নকারীর প্রশংসা করলাম। রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ) বললেনঃ কল্যাণ কেবল কল্যাণই বয়ে আনে। নিশ্চয়ই এ ধনদৌলত সবুজ সুমিষ্ট। অবশ্য বসন্ত যে সবজি উৎপাদন করে, তা ভক্ষণকারী পশুকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয় অথবা মৃত্যুর নিকটবর্তী করে, তবে যে প্রাণী পেট ভরে খেয়ে সূর্যের দিকে তাকিয়ে জাবর কাটে, মল-মূত্র ত্যাগ করে এবং আবার খায় (এর অবস্থা ভিন্ন)। এ পৃথিবীর ধনদৌলত তেমন সুমিষ্ট। যে ব্যক্তি তা সৎভাবে গ্রহণ করিবে এবং সৎভাবে ব্যয় করিবে, তা তার খুবই উপকারী হইবে। আর যে তা অন্যায়ভাবে গ্রহণ করিবে, সে ঐ ব্যক্তির মত যে খেতে থাকে কিন্তু পরিতৃপ্ত হয় না। [৭] [৯২১; মুসলিম ১২/৪১, হাদীস ১০৫২, আহমাদ ১১১৫৭] (আঃপ্রঃ- ৫৯৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৮৪)

[৭] হাদীসটি হইতে জানা যায় :

(১) বক্তার চারপাশে শ্রোতাদের বসা এবং পার্থিব কোন বিষয়ের প্রতিযোগিতা থেকে ভীতি প্রদর্শন ।

(২) জটিল কোন বিষয়ে জ্ঞানী ব্যক্তিকে প্রশ্ন করা এবং বিরোধ নিরসনের জন্য প্রমাণ চাওয়া ।

(৩) রাসুল (সাঃআঃ)-কে প্রশ্ন করা হলে তিনি তার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য ওয়াহীর অপেক্ষা করিতেন ।

(৪) যদি কোন বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণার প্রয়োজন হয় তবে সে ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া করে উত্তর দেয়া পরিহার করা । (ফাতহুল বারী)

৬৪২৮

ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

যে, নাবী (সাঃআঃ) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে আমার যুগের লোকেরাই সর্বোত্তম। তারপর এর পরবর্তী যুগের লোকেরা। তারপর এর পরবর্তী যুগের লোকেরা। ইমরান (রাদি.) বর্ণনা করেন, নাবী (সাঃআঃ) এ কথাটি দুবার কি তিনবার বলিলেন, তা আমার স্মরণ নেই- তারপর এমন লোকেরা আসবে যে, তারা সাক্ষ্য দিবে, অথচ তাদের সাক্ষ্য চাওয়া হইবে না। তারা খিয়ানতকারী হইবে। তাদের নিকট আমানত রাখা হইবে না। তারা মানত করে তা পূরণ করিবে না। তারা দেখিতে মোটা তাজা হইবে। [৮] (আঃপ্রঃ- ৫৯৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৮৫)

[৮] তারা দেখিতে মোটা তাজা হইবে অর্থাৎ তারা যে কোন উপায়ে অর্জিত হারাম মাল ভক্ষণ করে নিজেদেরকে মোটা তাজা করিবে ।

৬৪২৯

আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

যে, নাবী (সাঃআঃ) বলেছেনঃ সর্বোত্তম হল আমার যুগের লোকেরা। তারপর উত্তম হল এদের পরবর্তী যুগের লোকেরা, তারপর উত্তম হল তাদের পরবর্তী যুগের লোকেরা, তারপর এমন সব লোকের আবির্ভাব ঘটবে, যাদের সাক্ষ্য হইবে কসমের পূর্বে, আর কসম হইবে সাক্ষ্যের পূর্বে।(আঃপ্রঃ- ৫৯৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৮৬)

৬৪৩০

কায়স (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, খাব্বাব (রাদি.) তার পেটে সাতটি উত্তপ্ত লোহার দাগ নেয়ার পর আমি তাঁকে বলিতে শুনিয়াছি যে, যদি রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ) মৃত্যু কামনা করা নিষিদ্ধ না করিতেন, তাহলে আমি মৃত্যু কামনা করতাম। নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ (সাঃআঃ)-এর সহাবার অনেকেই (দুনিয়া থেকে কিছু না নিয়েই) চলে গেছেন। অথচ দুনিয়া তাঁদের (আখিরাতের) কোনই ক্ষতি করিতে পারেনি। আর আমরা দুনিয়ার ধনসম্পদ সংগ্রহ করেছি, তাই মাটি ব্যতীত আর কোন জায়গা পাচ্ছি না।(আঃপ্রঃ- ৫৯৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৮৭)

৬৪৩১

কায়স (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি একবার খাব্বাব (রাদি.) -এর কাছে এলাম। তখন তিনি একটা দেয়াল তৈরী করছিলেন। তখন তিনি বলিলেন, আমাদের যেসব সঙ্গীরা দুনিয়া হইতে চলে গেছেন, দুনিয়া তাদের কোন ক্ষতি করিতে পারেনি। আর আমরা তাদের পর দুনিয়ার মালধন জোগাড় করেছি, যেগুলোর জন্য আমরা মাটি ভিন্ন আর কোন জায়গা পাচ্ছি না।(আঃপ্রঃ- ৫৯৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৮৮)

৬৪৩২

খাব্বাব (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

খাব্বাব (রাদি.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমরা রাসুলুল্লাহ (সাঃআঃ)-এর সঙ্গে হিজরাত করেছিলাম। (আঃপ্রঃ- ৫৯৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৮৯)

৮১/৮. অধ্যায় : আল্লাহর বাণী : হে মানুষ! আল্লাহর ওয়াদা সত্য, কাজেই পার্থিব জীবন কিছুতেই যেন তোমাদেরকে প্রতারিত না করে; আর সেই প্রধান প্রতারক (শয়ত্বান) যেন কিছুতেই তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে প্রতারিত না করে । শয়ত্বান তোমাদের শত্রু, কাজেই তাকে শত্রু হিসেবে গ্রহণ কর । সে কেবল তার দলবলকে ডাকে, যাতে তারা জ্বলন্ত অগ্নির সঙ্গী হয় । (সুরা ফাতির ৩৫/৫-৬)

আবু আবদুল্লাহ বলেন, (আরবী)-এর বহুবচন (আরবী) আর মুজাহিদ বলেন, (আরবী) এর অর্থ শয়ত্বান ।

৬৪৩৩

ইবনু আবান হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি উসমান ইবনু আফফান (রাদি.)-এর কাছে অযূর পানি নিয়ে এলাম। তখন তিনি বসার স্থানে বসা ছিলেন। তিনি সুন্দরভাবে অযূ করিলেন। তারপর তিনি বলিলেন, আমি নাবী (সাঃআঃ)-কে এ স্থানেই দেখেছি, তিনি সুন্দরভাবে অযূ করিলেন, অতঃপর তিনি বলিলেন, যে লোক এ অযূর মতো অযূ করিবে, তারপর মসজিদে এসে দুরাকআত সলাত আদায় করে সেখানে বসবে, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হইবে। তিনি বলিলেন, নাবী (সাঃআঃ) আরও বলেন যে, তোমরা ধোঁকায় পড়ো না। [৯]

আবু আব্দুল্লাহ বলেন, তিনি হুমরান ইবনু আবান।(আ.প্র. ৫৯৮৪, ই.ফা. ৫৯৯০)

[৯] ভাল করে ওযু করে মসজিদে ঢুকে বসার পূর্বেই দুরাকাত সালাত আদায় করা সুন্নাত এবং রাসুল (সাঃআঃ) দুরাকআত সুন্নাত আদায় না করে বসতেও নিষেধ করিয়াছেন । অনেককেই দেখা যায় তারা মসজিদে ঢুকে বসে পড়েন অতঃপর উঠে সুন্নাত পড়েন, এটা সুন্নাতের বিপরীত কাজ ।

হাদীসের শেষ বাক্য দ্বারা উদ্দেশ্য শুধুমাত্র ছোট গুনাহ ক্ষমা হইবে । জেনে রাখা প্রয়োজন যে, ছোট গুনাহগুলোও যদি বারবার করা হয় তাহলে তা কাবীরা গুনাহে রূপান্তরিত হয়ে যায় । আর তখন কিন্তু ক্ষমা করা হইবে না । (ফাতহুল বারী)

৮১/৯. অধ্যায় : নেক্কার ব্যক্তিদের বিদায় হয়ে যাওয়া ।

৬৪৩৪

মিরদাস আসলামী (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নাবী (সাঃআঃ) বলেছেন, নেক্‌কার ব্যক্তিরা একে একে চলে যাবেন। আর অবশিষ্টরা যব ও খেজুরের অব্যবহার্য অংশের মত পড়ে থাকবে। আল্লাহ এদের প্রতি গ্রাহ্যও করবেন না।(আঃপ্রঃ- ৫৯৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৯১)

About halalbajar.com

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Check Also

চিকিৎসা বিষয়ক হাদিস, মধু, কালজিরা, চন্দন, শিঙং ও ঝাড়ফুঁক

চিকিৎসা বিষয়ক হাদিস, মধু, কালজিরা, চন্দন, শিঙং ও ঝাড়ফুঁক চিকিৎসা বিষয়ক হাদিস, মধু, কালজিরা, চন্দন, …

Leave a Reply

%d bloggers like this: