পানি প্রার্থনার দুআয় হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে

পানি প্রার্থনার দুআয় হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে

পানি প্রার্থনার দুআয় হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

১. অধ্যায়ঃ পানি প্রার্থনার দুআয় হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে

১৯৫৫

আব্বাদ ইবনি তামীম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

আবদুল্লাহ ইবনি যায়দ আল মাযিনী [রাদি.]-কে বলিতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] নামাজের নির্ধারিত স্থানে চলে গেলেন এবং তথায় পৌঁছে ইস্‌তিস্‌ক্বার নামাজ আদায় করিলেন। যখন ক্বিবলামুখী হলেন, তিনি তাহাঁর চাদরটা উল্টিয়ে নিলেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৯৪০, ইসলামিক সেন্টার- ১৯৪৭]

১৯৫৬

আব্বাদ ইবনি তামীম [রাদি.] থেকে তাহাঁর চাচার সূত্রে হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, নবী [সাঃআঃ] নামাজের নির্ধারিত স্থানে গিয়ে ইস্‌তিস্‌ক্বার দুআ করিলেন এবং ক্বিবলামুখী হয়ে তাহাঁর চাদরটা উল্টিয়ে দিলেন। অতঃপর দু রাকআত নামাজ আদায় করিলেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৯৪১, ইসলামিক সেন্টার- ১৯৪৮]

১৯৫৭

আবদুল্লাহ ইবনি যায়দ আল আনসারী [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] ইস্‌তিস্‌ক্বার উদ্দেশ্যে মাঠের দিকে বের হয়ে গেলেন। যখন তিনি [সাঃআঃ] দুআ করার ইচ্ছা করিলেন, ক্বিবলামুখী হলেন এবং নিজের চাদর উল্টিয়ে দিলেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৯৪২, ইসলামিক সেন্টার- ১৯৪৯]

১৯৫৮

আব্বাদ ইবনি তামীম আল মাযিনী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] থেকে তাহাঁর চাচার সূত্রে হইতে বর্ণীতঃ

যিনি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর সাহাবীগণের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] একদিন ইস্‌তিস্‌ক্বার উদ্দেশে বের হলেন। তিনি লোকদের দিকে পিঠ রেখে আল্লাহর নিকট দুআ করিতে লাগলেন এবং ক্বিবলার দিকে মুখ করে তাহাঁর চাদরটা উল্টিয়ে দিলেন। অতঃপর তিনি দু রাকআত নামাজ আদায় করিলেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৯৪৩, ইসলামিক সেন্টার- ১৯৫০]

১৯৫৯

আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে দুআ করার সময় উভয় হাত উপরে উঠাতে দেখেছি। এতে তাহাঁর বগলের শুভ্রতা পরিদৃষ্ট হচ্ছিল। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৯৪৪, ইসলামিক সেন্টার- ১৯৫১]

১৯৬০

আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] ইস্‌তিস্‌ক্বার দুআ করিয়াছেন এবং দুআর সময় তিনি উভয় হাতের পিঠ দ্বারা আকাশের দিকে ইশারা করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৯৪৭, ইসলামিক সেন্টার- ১৯৫৪]

১৯৬১

আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] তাহাঁর কোন দুআয় হাত উঠাতেন না; কেবল ইস্তিস্ক্বার হাত উঠাতেন। এমনকি এতে তাহাঁর বগলের শুভ্রতা পরিদৃষ্ট হতো। তবে আবদুল আলা তাহাঁর বর্ণনায় বলেছেন, বগলের শুভ্রতা বা উভয় বগলের শুভ্রতা। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৯৪৫, ইসলামিক সেন্টার- ১৯৫২]

১৯৬২

আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] নবী [সাঃআঃ] হইতে বর্ণীতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করে শুনিয়েছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ১৯৪৬, ইসলামিক সেন্টার- ১৯৫৩]

By মুসলিম শরীফ

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply