জীব-জন্তু বেঁধে তীরের লক্ষ্যবস্তু বানানোর নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে

জীব-জন্তু বেঁধে তীরের লক্ষ্যবস্তু বানানোর নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে

জীব-জন্তু বেঁধে তীরের লক্ষ্যবস্তু বানানোর নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

১২. অধ্যায়ঃ জীব-জন্তু বেঁধে তীরের লক্ষ্যবস্তু বানানোর নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে

৪৯৫১

শুবাহ্‌ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি হিশাম ইবনি যায়দ ইবনিন আনাস ইবনি মালিক [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর নিকট শুনেছি। তিনি বলেন, আমি আমার দাদা আনাস ইবনি মালিক [রাদি.]-এর সাথে হাকাম ইবনি আইয়ূব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর গৃহে গেলাম। সেখানে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তি একটি মুরগী বেঁধে তার দিকে তীর নিক্ষেপ করছিল। তিনি বলেন, তখন আনাস [রাদি.] বলিলেন, রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] কোন জন্তু বেঁধে সেটিকে তীরের লক্ষ্য বানাতে বারণ করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৯৯, ইসলামিক সেন্টার- ৪৯০১]

৪৯৫২

যুহায়র ইবনি হারব, ইয়াহ্ইয়া ইবনি হাবীব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি], আবু কুরায়ব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] প্রমুখ সকলেই শুবাহ্ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

উল্লেখিত সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৯৯, ইসলামিক সেন্টার- ৪৯০২]

৪৯৫৩

ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেছেনঃ তোমরা এমন কোন বস্তুকে [তীর বা বন্দুকের] লক্ষ্যবস্তু বানিও না যার মধ্যে প্রাণ আছে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯০০, ইসলামিক সেন্টার- ৪৯০৩]

৪৯৫৪

মুহাম্মাদ ইবনি জাফার ও আবদুর রহমান ইবনি মাহ্দী উভয়ে শুবাহ্ হইতে বর্ণীতঃ

উল্লেখিত ধারাবাহিকতায় উপরের হাদীসের অবিকল রিওয়ায়াত করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- নেই, ইসলামিক সেন্টার- ৪৯০৪]

৪৯৫৫

সাঈদ ইবনি জুবায়র [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, ইবনি উমর [রাদি.] একদল লোকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যারা একটি মুরগী বেঁধে সেটির প্রতি তীর নিক্ষেপ করছিল। তারা ইবনি উমরকে দেখে মুরগীটি ছেড়ে দিয়ে চলে গেল। ইবনি উমর [রাদি.] বলিলেন, কে এ কাজ করলো? যে এমন কাজ করে রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] তাকে লানাত করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯০১, ইসলামিক সেন্টার- ৪৯০৫]

৪৯৫৬

সাঈদ ইবনি জুবায়র [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, ইবনি উমর [রাদি.] কতিপয় কুরায়শ যুবকের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তারা একটি পাখি বেঁধে সেটির দিকে তীর নিক্ষেপ করছিল। আর প্রত্যেকটি নিশানা ব্যর্থ হওয়ার কারণে তারা পাখির মালিকের জন্য একটি করে তীর নির্ধারণ করছিল। তারপর তারা ইবনি উমর [রাদি.]-কে দেখে আলাদা হয়ে গেল। ইবনি উমর [রাদি.] বলিলেন, কে এ কাজ করলো? যে ব্যক্তি এরূপ করেছে তার প্রতি আল্লাহর লানাত। রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] লানাত করিয়াছেন, যে কোন জীব-জন্তুকে লক্ষ্যস্থল বানায়। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯০২, ইসলামিক সেন্টার- ৪৯০৬]

৪৯৫৭

মুহাম্মাদ ইবনি হাতিম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] ইবনি জুরায়জ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে, ভিন্ন সূত্রে আব্দ ইবনি হুমায়দ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] ইবনি জুরায়জ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে, আর একটি সূত্রে হারূন ইবনি আবদুল্লাহ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] ইবনি জুরায়জ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আবু যুবায়র [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] আমাকে বলেছেন যে, তিনি জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.]-কে বলিতে শুনেছেন যে, রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] কোন প্রাণীকে বেঁধে হত্যা করিতে বারণ করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯০৩, ইসলামিক সেন্টার- ৪৯০৭]

By মুসলিম শরীফ

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply