তাফসীরে ইবনে আব্বাস pdf Tafseer Ibne Abbas Bangla

তাফসীরে ইবনে আব্বাস pdf

তাফসীরঃ তাফসীরে ইবনে আব্বাস pdf
তাফসীর পরিচিতিঃ তাফসীরে ইবনে আব্বাস
লেখকঃ আবু তাহের মুহাম্মদ ইব্‌ন ইয়াকুব ফিরোযাবাদী
সম্পূর্ণ নামঃ আবু তাহের মুহাম্মদ ইব্‌ন ইয়াকুব ফিরোযাবাদী
জন্মস্থানঃ
জন্মঃ হিজরি
মৃত্যুঃ ৮১৭ হিজরি
অনুবাদঃ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহিম
প্রকাশনীঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ

সনদঃ আবু তাহের মুহাম্মদ ইব্‌ন ইয়াকুব ফিরোযাবাদী (মৃত্যু ৮১৭ হিঃ) বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন বিশ্বস্ত আবদুল্লাহ ইব্‌ন মামুন হিরাবা (র) তিনি বলেন, আমার পিতা >> ২০ টির অধিক তাফসীর ডাউনলোড
বর্ণনা করেন যে, আব্‌ আবদুল্লাহ বলেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবূ ওবায়দুল্লাহ মাহমুদ ইবন মুহাম্মদ রামী (র) বলেন, আম্মার ইবন আব্দুল মজিদ হেরাবী (র) বর্ণনা করেন যে, আলী ইব্‌ন ইসহাক সমর কান্দী (র)-বর্ণনা করেন মুহাম্মদ ইব্‌ন মারওয়ান থেকে, তিনি কালবী থেকে, তিনি আবু সালেহ (র) থেকে, তিনি হযরত ইব্‌ন আববাস (র) থেকে

History of publication and scholarship

The earliest print edition of Tanwir al-Miqbas was produced in Bombay, India in 1864 by Matba‘
Muhammadi. The next edition to appear was the 1873 Bulaq edition which was subsequently reprinted in
1951 by Mustafa al-Babi al-Halabi and Sons. In 1937, a private edition was printed in the margins of the
Qur’an at the expense of ‘Abd al-Hamid Ahmad Hanafi. In 1972, Dar al-Anwar al-Muhammadiyya in Cairo
issued a work edited by Muhammad al-Sadiq al-Qamhawi and ‘Abd al-Hafiz Muhammad ‘Isa. In 1976, an
edition was produced in Multan, India, presumably a reprint of the 1864 Bombay edition. In 1995 (2001),
Dar al-Fikr in Beirut under the supervision of an editorial committee issued the work in a re-edited vocalised
edition. In 2000, Dar al-Kutub al-‘Ilmiyyah issued a vocalised edition. Other editions and reprints include Dar
al-Fikr in Beirut (2001) and Al-Maktabah Al-‘Asriyyah in Sidon (2005). The authoritative Arabic text of the
work is now available on the Altafsir.com website (http://www.altafsir.com).

তাফসীরে ইবনে আব্বাস সকল খন্ড

ভুমিকা

তাফসীরে ইবনে আব্বাস pdf এর নিচের ভুমিকা টুকু তাফসীরে ইবনে আব্বাস, বাংলাদেসে ইসলামিক ফাউন্ডেসন এর বই অবলম্বনে লিখিত –

আবদুল্লাহ ইব্‌ন আববাস (রা)। তাঁর উপাধি আল-হিবর (বা হিবরুল উক্মাহ্‌) অর্থাৎ মহাজ্ঞানী বা আল-বাহ্‌র অর্থাৎ সাগর । কারণ তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট ফকীহ ও মুফাস্সির। ইনি আবদুল্লাহ নামক পাচজন বিশিষ্ট সাহাবীর অন্যতম । তিনি হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর পিতৃব্য-পুত্র ছিলেন। উদ্মুল মু’মিনীন মায়মুনা (রা) তার আপন খালা ছিলেন।

প্রথম যুগের মুসলিমদের মধ্যে তাকে সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞানী বলা না গেলেও নিঃসন্দেহে অন্যতম শ্রেষ্ঠ আলিম ও ইসলাম ধর্মবিশারদ বলে মনে করা হত। কুরআন করীমের তাফসীরের ক্ষেত্রে তার অসাধারণ প্রজ্ঞা, দক্ষতা ও অরতদৃষ্টির দরুন তাকে রঈসুল মুফাস্সিরীন অর্থাৎ তাফসীরকারদের প্রধান বলে অভিহিত করা হত; তিনি এমন এক সময়ে কুরআন করীমের ব্যাখ্যা দানে আত্মনিয়োগ করেন, যখন মুসলিম সমাজে যুগ-জিজ্ঞাসার
প্রেক্ষিতে কুরআন করীমের সঠিক ব্যাখ্যা প্রদানের তীব্র প্রয়োজনীয়তা দেখা গিয়েছিল। তিনি অত্যন্ত দক্ষতা ও যোগ্যতা সহকারেই এই বিরাট দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

হিজরতের তিন বছর পূর্বে আবদুল্লাহ ইবৃন আববাস (রা) মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন । সে সময় তার গোত্র বানু হাশিম শি’ব আবূ তালিবে অস্তরীণ অবস্থায় জীবন-যাপন করছিলেন। তীর মাতা লুবাবাঃ বিন্তুল হারিছ হিজরতের পূর্বেই ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। সেহেতু তাকে আশৈশব মুসলিম বলে গণ্য করা হয়।

বাল্যকাল হতেই তার মধ্যে অনন্ত জ্ঞান সাধনা ও গবেষণার প্রেরণা পরিলক্ষিত হয়। অতি শীঘ্র তীর মনে এই ধারণা জন্মলাভ করে যে, সাহাবীগণের নিকট জিজ্ঞাসাবাদ করে হযরত মুহাষ্মদ এ এর সম্পর্কে জান সঞ্চয় করা উচিত। অল্প বয়সেই তিনি শিক্ষকের মর্যাদা লাভ করেন এবং জ্ঞান-পিপাসু শিক্ষার্থীরা তার চতুষপার্থে একত্রিত হতে থাকে। কেবল স্ৃতি শক্তিই তাঁর জ্ঞান-গরিমার ভিত্তি ছিল না বরং তীর নিকট বিভিন্ন বিষয়ের লিখিত সংকলনের এক বিরাট সন্ভারও মওজুদ ছিল নিদিষ্ট সময়সূচী অনুসারে সপ্তাহের বিভিন্ন দিনে
বিভিন্ন বিষয়ে যেথাঃ তাফসীর, ফিক্হ, হযরত মুহা -এর গাওয়ার বিষয়াদি, ইসলাম,পূর্ব যুগের ইতিহাস, প্রাচীন আরবী কাব্য) বন্তৃতাও দান করতেন। কুরআন করীমের শব্দ ও বাক্য ধারা ব্যাখ্যা দান প্রসঙ্গ স্বীয় বব্যের সমর্থন গ্রাচীন আরব কবিদের কাব্য হতেও উদ্ধৃতি দান তার রীতি ছিল। এই রীতি অনুসরণের ফলে আলিমদের মধ্যে প্রাচীন আরবী কাব্যের গুরুত্ব স্বীকৃতি লাভ করে। তিনি যেহেতু একজন সুবিজ্ঞ ফিক্হবিদ ছিলেন, সেহেতু সাধারণ লোকগণ তীর নিকট হতে বিভিন্ন বিষয়ে ফাতওয়া গ্রহণ করত।
বহু গুরুত্বপূর্ণ ফাতওয়া দানের জন্য তিনি অতিশয় প্রসিদ্ধি লাভ করেন। কিছু ফাতওয়ার সমর্থনে পরে তাকে প্রমাণ পেশ করতে হয়েছিল। কুরআনের মর্ম সম্পর্কে তার বক্তব্য ও ভাষ্যসমূহ একর্রিত রুরে পরবর্তীকালে কতিপয় সংকলনও প্রস্তুত করা হয়েছে। তার সরাসরি শাগরিদগণের কোন না কোন জনের সাথে এর ভাষের সনদ সম্পর্কিত রয়েছে। তার ফাত্ওয়াসমূহের সংকলনও প্রস্তুত করা হয়েছিল। এ সমস্ত তাফসীরের বিভিন্ন হস্তলিখিত কপি বা মুদ্রিত কপি আজও বিদ্যমান। তবে এই সংকলনগুলোর নির্ভরযোগ্যতা সম্পর্কে পন্তিত মহলে কিছু মতভেদ রয়েছে।

ইব্‌ন আব্বাস (রা) বাল্যকাল হতে হযরত মুহাম্মদ সু -এর ইন্তিকাল পর্যন্ত ৮/১০ বছর তার সান্নিদ্ধে কাটিয়েছিলেন। হযরত মুহাম্মদ -এর ইন্তিকালের পর তিনি খ্যাতনামা সাহাবীগণের সাহচর্য লাভ করেন এবং তাঁদের নিকট হতে হযরত মুহান্মদু্ -এর হাদীস শ্রবণ ও কষ্ঠস্থ করার বিশেষ পরয়াস পান। হাদীস গ্রস্থষমূহে তার ১৬৬০টি হাদীস স্থান লাভ করেছে। সম্যবহার, গাল্ীর্য, সহিষ্ণুতা এবং আল-কুরআন সম্পর্কে অগাধ পান্তিত্য ইত্যাদির কারণে উমর (রা) তাকে অত্যন্ত মর্যাদা দিতেন, কঠিন সমস্যায় তার সাথে পরামর্শ
করতেন এবং অধিকাংশ সময় তাঁর পরামর্শ অনুসারে কাজ করতেন। তিনি বলতেন, ইবুন আব্বাস তোমাদের সকলের অপেক্ষা বড় বিদ্বান। উমর (রা) তীর সম্পর্কে আরও বলতেন যে, বয়সে তরুণ, জ্ঞানে প্রবীণ, তিনি জিজ্ঞাসু রসনা ও বুদ্ধিদীপ্ত মনের অধিকারী । তাঁর সম্পর্কে আলী (রা) উক্তি করেছেন , কুরআনে করীমের তাফসীর বর্ণনার সময় মনে হয় যেন তিনি একটি স্বচ্ছ পর্দার অন্তরাল হতে অদৃশ্য বনতুসমূহ প্রত্যক্ষ করছেন। ইব্‌ন মাসউদ (রা) বলতেন $ ইনি কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষ্যকার । ইব্‌ন উমর (রা) বলতেন ,
হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর উপর যা কিছু অবতীর্ণ হয়েছে তৎসম্পর্কে ইবৃন আব্বাস এই উম্মাতের মধ্যে সর্বাপেক্ষা জ্ানী। মুহাম্মদ হুসায়ন আযূ-যাহাবী (আত-তাফসীর ওয়াল মুফাস্সিরন, ১খ. ৬৫প.) ইব্‌ন আব্বাসের বিদ্যাবস্তার পাঁচটি কারণ বর্ণনা করেছেন & ১. হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) নিজে তার জন্য এই দু’আ করেছিলেন- হে আল্লাহ্‌ ! তুমি তাকে কিতাব ও হিকমার জ্ঞান, দীন সম্পর্কে অনুধাবন এবং কুরআন ভাষ্যের
প্রজ্ঞা দান কর। ২. নবী-পরিবারে তাঁর প্রশিক্ষণ লাভ । ৩. বড় বড় সাহাবীগণের সংসর্গ লাভ। ৪. অসাধারণ স্মরণ শক্তি এবং আরবী ভাষা ও সাহিত্যের অগাধ জ্ঞান। তিনি বিখ্যাত আরব কৰি উমর ইবৃন আবী রাবীআ রচিত কালীদার আশিটি পডড্তি মাত্র একবার শুনে মুখস্থ করে ফেলেছিলেন [(স্বাল-মুবাররাদ, আল-কামিল, বাব আখবারুল খাওয়ারিজ)। ৫. তিনি ইজতিহাদের যোগ্যতা লাভ করেছিলেন।

মুসলিম বাহিনীর সাথে বহু জিহাদে তিনি শরীক হয়েছেন জুরজান ও তাবারিস্তানে (৩০/৬৫০) এবং বহু পরে জাঙ্গে জামাল উ্রযদ্ধ ৩৬/৬৫৬)-এর এবং সিফ্ফীন (৩৭/৬৫৭)-এর তিনি আলী (রা)-এর সেনাদলের একটি বাহুর সেনাপতি ছিলেন। তিনি দ্বিতীয় খলীফা উমর (রা) ও তৃতীয় খলীফা উসমান (রা)-এর বিশেষ পরামর্শদাতা ছিলেন। উভয়ই তার অত্যন্ত মর্যাদা দিতেন। আলী (রা) এবং তৎপুত্র আল-হুসাইন (রা)-এরও
তিনি পরামর্শদাতা ছিলেন। তার পরামর্শকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হত। আলী (রা) খলীফা মনোনীত হওয়ার
পূর্ব পর্যন্ত ইবৃন আব্বাস (রা) রাজনীতিতে প্রত্যক্ষ কোন ভূমিকা গ্রহণ করেন নি। আলী (রা)-এর
খিলাফতকালেও শুধু তিন অথবা চার বছর কাল রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিলেন। উসমান (রা) যখন বিদ্রোহীদের দারা মদীনায় স্বীয় গৃহে অবরুদ্ধ ছিলেন, সেই বছর ইবৃন আব্বাসকে আমীরুল হাজ্জ নিযুক্ত
করা হয়েছিল, এই কারণে উসমান (রা)-এর শাহাদাতকালে তিনি মদীনায় অনুপস্থিত ছিলেন। এর কিছুদিন পর মদীনার প্রত্যাবর্তন করে আলী (রা)-এর নিকট আনুগত্যের (বায়আত) শপথ গ্রহণ করেন।

আল-হাসান (রা) তাঁকে স্বীয় সেনাবাহিনীর সেনাপতি নিযুক্ত করেন। এই সময় তিনি আমীর মু’আবিয়া (রা)-এর সন্ধির প্রচেষ্টা চালান। কিনতু এটা স্পষ্ট নয় যে, ইব্‌ন আববাস (রা) এই প্রচেষ্টা নিজেই শুরু করেছিলেন অথবা আল-হাসান (রা)-এর নির্দেশে তা করেছিলেন। খুব সম্ভব, ইবৃন আব্বাস (রা) নিজেই খিলাফতের এই দুই প্রতি্ব্ীর মধ্যে সন্ধি স্থাপন করে দিয়েছিলেন। আমীর মু’আবিয়া (রা)-এর সুদীর্ঘ রাজত্বকালে ইবন আববাস (রা) হিজাযেই অবস্থান করতে থাকেন।

তাফসীরে ইবনে আব্বাস pdf ডাউনলোড লিঙ্ক

তাফসীরে ইবনে আব্বাস pdf ডাউনলোড করুন নিচের লিঙ্কে কিলিক করে।

তাফসির নামডাউনলোড লিঙ্ক
Tafseer Ibne Abbashttps://www.fussilatbd.com/Islamic/English/Tafsir-Books/Tafsir-Ibn-Abbas/TafseerIbnAbbasR.aenglish.pdf
ক্রয় এর জন্যhttps://www.kitabghor.com/books/tafsir-ibn-abbas-1st-3rd-part.html
Arabichttps://www.altafsir.com/Books/IbnAbbas.pdf

নিচের শব্দ গুলো দিয়ে খুজলে আপনি সহজেই বইটি খুজে পাবেন। ইনশাআল্লাহ

তাফসীরে ইবনে আব্বাস pdf , তাফসীর ইবনে আব্বাস , তাফসির ইবনে আব্বাস , তাফসীর ইবনে আব্বাস বাংলা

তাফসীরে ইবনে আব্বাস pdf >> কুরআন শরিফের সকল তাফসীর কিতাব গুলো পড়ুন

আহকামুল কুরআন বাংলা ৩য় খন্ড বইটি আপনার প্রয়োজন হলে নিচে Leave a Reply এ গিয়ে Comment করুন । Enter your comment here… এখানে বিস্তারিত লিখুন, তাহলে আমরা আপনাকে বইটি পাঠিয়ে দিব, ইনশাআল্লাহ।

By রিয়াদুস সালেহিন

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply