আহকামুল কুরআন ডাউনলোড – প্রাচীনতম কুরানের তাফসীর

আহকামুল কুরআন ডাউনলোড

তাফসীরঃ তাফসির আহকামুল কুরআন ডাউনলোড
তাফসীর পরিচিতিঃ আহকামুল কুরআন
লেখকঃ আবূ বকর আহমাদ ইবনে আলী আর-রায়ী আল-যাস্সাস’
সম্পূর্ণ নামঃ আহমাদ ইবনে আলী আবূ বকর আর-রায়ী আল-যাস্সাস আল হানাফী ‘
জন্মস্থানঃ বাগদাদ
জন্মঃ হিজরি
মৃত্যুঃ ৩৭০ হিজরি
অনুবাদঃ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহিম
প্রকাশনীঃ খাইরুন প্রকাশনী

আহকামুল কুরআন

তাফসির আহকামুল কুরআন ছারাও পড়তে পারেন কোরআন শরিফের তাফসির। ২০ টির অধিক তাফসীর ডাউনলোডপবিত্র কোরআন শরীফ এর ১১৪ টি সুরা বাংলা অনুবাদ ও mp3 সহ। আমাদের এই কিতাবটি ইন্টারনেটে বিভিন্ন নামে খুজে পাবেন যেমন আহকামুল কুরআন pdf, আহকামুল হাদীস pdf, বাংলা কিতাব আহকামুল কুরআন, আহকামুল জানায়িয pdf, বাংলা কিতাব আহকামুল কুরআন ইত্যাদি

তাফসির আহকামুল কুরআন সকল খন্ড

গ্রস্থকারের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

আহমাদ ইবনে আলী আবূ বকর আর-রায়ী আল-যাস্সাস’ তার : জীবনকালে হানাফী মাযহাবের ইমাম ছিলেন। তার শিক্ষক ছিলেন আবু সহল আজ্-জুজাজ ও আবুল হাসান আল-কারাখী । তাঁরা জ্ঞান লাভ করেছেন আবূ সাঈদ আল-বারদয়ী থেকে, তিনি মূসা ইবনে নুসাইর আর-রাষী থেকে, তিনি মুহাম্মাদ থেকে । আহমাদ আবূ বকর আর-রাষী নিজে বাগদাদে অধ্যাপনা শুরু করেন। তার বিদেশ যাত্রা এখানেই সমাপ্ত হয়। তাক্ওয়া পরহেজগারীতে তিনি ইমাম আল-কারমীর পদ্থার অনুসারী ছিলেন। তিনি তার নিকট থেকে উপকৃত হন, হাদীসের শিক্ষাও তিনি তার নিকটই লাভ করেন।

ইমাম আল-যাস্সাস বেশ কয়টি থ্রস্থ রচনা করেন। তন্মধ্যে আহকামুল কুরআন ডাউনলোড , মুখতাসার আল-কারধীর শরাহ, মুখতাসার তাহাভীর শরাহ, জামে মুহাম্মাদ-এর শরাহ প্রভৃতি গ্রন্থ বিশেষভাবে উল্লেখ্য। ফিকাহ শানে মৌলনীতি উসুল) রাও সর একখানি রয়েছে নি শরহে আল-আসমাউল হুসনা’ ও “আদাবুল কাযা” এ দুইটি | তিনি বাগদাদে ৩০৫ হিজরীতে জন্গ্রহণ করেন এবং ৩৭০ হিজরীতে ইন্তিকাল করেন।

আল-জামে বলেছেন, তিনি “জিপসাম’ নরম খনিজ পদার্থ)-এর কারিগর ছিলেন বলেই “আল-যাস্সার’ নামে খ্যাত। সাময়ানীও এই কথার উল্লেখ করেছেন। “তাবকাতুল কারী” গ্রন্থে লিখিত হয়েছে, আহ্মাদ ইবনে আলী আবূ বকর আর-রাধী বিপুল খ্যাতিসম্পন্ন ইমাম ছিলেন। তিনি আল-যাস্সাস অভিধায় পরিচিত। এটা তার জন্যে উপাধি বা উপনাম বিশেষ । তার সঙ্গীদের মধ্যে কেউ কেউ তাকে “আর- রাষী’ অভিধায় অভিহিত করেছেন, আর কেউ কেউ ‘আল-যাস্সাস’ বলে। মূলত একই ব্যক্তিত্ব। যদিও কোন কোন লোক এ দুই অভিধায় অভিহিত দুইজন ব্যক্তি মনে করেছেন নিতান্তই ভুলবশত । ‘আল-কামুস’ তার “তাবাকাত’ গ্রন্থে এ কথাটি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেছেন।

আহমাদ আবূ বকর বাগদাদেই বসবাস করেছেন। এই নগরীর ফিকাহ শিক্ষার্থিগণ তার নিকট শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। হানাফী মতের প্রাধান্য ভার নিকটই পরিণত হয়। খতীব বাগদাঁদী বলেছেন, তার জীবনকাল অবধি ইমাম আবূ হানীফার মাযহাবের. অনুসারীদের তিনি-ই ছিলেন ইমাম । তিনি তাকওয়া-পরহেজগারীতে বিশেষ প্রখ্যাত ছিলেন।

তাকে বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তাব দিলে তিনি তা গ্রহণ করতে অসম্মতি জানান। পরে আরও একবার এই প্রস্তাব দেয়া হয় কিন্তু সেবারেও তিনি তা গ্রহণ করতে প্রস্তুত হন নি। তিনি আবূ সহল ও. আবুল হাসান আল-কারবীর নিকট ফিকাহ শাস্ত্র শিক্ষা লাভ করেন। তিনি ৩২৫ হিজরীতে বাগদাদ নগরে প্রবেশ করেন। পরে আহওয়াজ চলে যান এবং পুনরায় বাগদাদে ফিরে আসেন। পরে তার শিক্ষক ও শায়খ আবুল হাসান আল-কারখীর মত ও পরামর্শক্রমে নিশাপুরের শাসকের সঙ্গে নিশাপুর চলে যান। তিনি নিশাপুর-এ থাকাকালে আল-কারখী ইন্তিকাল করেন। তাই ৩৪৪ হিজরীতে তিনি আবার বাগদাদে চলে আসেন।

বিপুল সংখ্যক লোক তার নিকট ফিকাহ শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। তার নিকট শিক্ষা গ্রহণকারীদের মধ্যে আবূ আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-জুরজানী কুদুরীর শায়খ এবং আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ আল-জাফরানী বিশেষভাবে উল্লেখ্য । তিনি হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল বাকী ইবনে কানে-এর নিকট থেকে । কুরআনের আহকাম-বিধি-বিধান পর্যায়েও তার নিকট থেকে অনেক জ্ঞান অর্জন করেন। তিনি বহু প্রশ্নের জবাৰ দিয়েছেন। খতীব বাগদাদীর মতে তিনি ৩৭০ হিজরীতে ইন্তিকাল করেন।

এই জীবনী লেখকের বক্তব্য হল, একাধিক ব্যক্তিই এরূপ উল্লেখ করেছেন। মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল বাকী আজ-জুরকানী তার ‘শরহিল-মাওয়াহিবুল-লাদুনিয়া’ গ্রন্থের সপ্তম ভাগের দ্বিতীয় অধ্যায়ে লিখেছেন, তার মৃত্যু হয়েছিল ৩১৫ হিজরীতে । তিনি এ-ও লিখেছেন যে, আবূ বকর আর-রাযী ইমাম, হাদীসের হাফেজ এবং নিশাপুরস্থ হানাফী ইমামগণের মুহাদ্দিস ছিলেন। তিনি আবূ হাতিম ও উসমান আদ-দারেমীর নিকট হাদীস শ্রবণ করেছেন। আর তীর নিকট থেকে শুনেছেন আবৃ আলী ও আবূ আহমদ আল-হাকেম। ইবনে উক্দা বলেছেন, আবূ বকর আরা-রাষী- হাদীসের. হাফেয ছিলেন। তিনি ৩১৫ হিজরীতে ইন্তিকাল করেছেন।

‘কাশফুয-যুনূন’ খরস্থকারআহকামুল কুরআন ডাউনলোড গ্রস্থের উল্লেখ প্রসঙ্গে বলেছেন, এ গ্রন্থটি আল-যাস্সাস আর-রাধী অভিধায় পরিচিত মুহাম্মাদ ইবনে আহ্মাদের রচিত। তিনি মৃত্যুবরণ করেন ৩৭০ হিজরীতে । ‘উসুলে ফিকাহর উল্লেখ পর্যায়েও এ মৃত্যুসনেরই উদ্মেখ করেছেন। আদাবুল কাষীর শরাহ লেখকদের সঙ্গেও এ মৃত্যুসনই লিখেছেন। “জামে সগীর’ গ্রন্থের শরাহ লেখকদের প্রসঙ্গে ইমাম আবূ বকর আহমাদ ইবনে আলী আল-জাস্সাস-এর মৃত্যুসন ৩৭০ লিখেছেন ।

“আল-জাম’ আল কবীর গ্রন্থে শরাহ প্রসঙ্গেও তাই লিখেছেন। মুখতাসার আল-কারখীর শরাহ গরস্থাবলীর উল্লেখ পর্যায়েও আবূ বকর আল-যাস্সাস-এর মৃত্যু সন ৩৭০ হিজরী লিখেছেন। মৃত্যু সন পর্যায়ে এই মতপার্থক্যের সঙ্গে সঙ্গে নামের পার্থক্যও লক্ষণীয়। কোথাও আহমাদ ইবনে আলী, কোথাও মুহাম্মাদ ইবনে আলী এবং কোথাও মুহাম্মাদ ইবনে আহ্মাদ লিখিত হয়েছে। কিন্তু এই জীবনী লেখকের মতে প্রথমোক্ত কথাই সত্য ও যথার্থ।

ডাউনলোড

নিচের শব্দ গুলো দিয়ে খুজলে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় অবশ্যই বইটি খুজে পাবেন ইনশাল্লাহ।

আহকামুল কুরআন ডাউনলোড , তাফসীরে আহকামুল কুরআন , আহকামুল কুরআন , আহকামুল কুরআন বাংলা

আহকামুল কুরআন ডাউনলোড বই গুলো আপনার প্রয়োজন হলে নিচে Leave a Reply এ গিয়ে Comment করুন । Enter your comment here… এখানে বিস্তারিত লিখুন, তাহলে আমরা আপনাকে বইটি পাঠিয়ে দিব, ইনশাআল্লাহ।

Leave a Reply