শুকনা খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর বিক্রি করা হারাম .

শুকনা খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর বিক্রি করা হারাম

শুকনা খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর বিক্রি করা হারাম >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

১৪. অধ্যায়ঃ শুকনা খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর বিক্রি করা হারাম কিন্তু আরায়া {১১} হারাম নয়

{১১} আরায়া হলো, বাগানের মালিক কিছু গাছ কোন গরীবকে প্রদান করিল। সে গাছগুলোতে তাজা রসালো খেজুর রয়েছে। এমতাবস্থায় সে গবীব লোকটির দ্বারা বাগানের মালিক বা অন্য কারো কাছে শুকনা খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর বিক্রি করে দেয়াকে আরায়া বলে। এটা জায়েয, তবে ৫ ওয়াকাক বা ১৮ মণ ৩০ কেজির বেশি হইতে পারবে না। [সহীহ মুসলিম- শারহে নাবাবী, ২য় খণ্ড, ৮ পৃ:।

৩৭৬৭

য়াহ্ইয়া ইবনি ইয়াহ্ইয়া, ইবনি নুমায়র ও যুহায়র ইবনি হার্ব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] ভিন্ন সূত্রে ইবনি উমর [রা.] সূ্রেত নবী [সাঃআঃ] হইতে বর্ণীতঃ

খাওয়ার যোগ্য হওয়ার আগে তা বিক্রি করিতে নিষেধ করিয়াছেন এবং শুক্না খেজুরের বিনিময়ে রসালো তাজা খেজুর বিক্রি করিতে নিষেধ করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৩২, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৩২]

৩৭৬৮

ইবনি উমর [রা.] বর্ণনা করেন, যায়দ ইবনি সাবিত [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আরায়া ধরনের কেনা-বেচার অনুমতি দান করিয়াছেন। ইবনি নুমায়র তাহাঁর বর্ণনায় [আরবী] শব্দটি বাড়িয়েছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৩২, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৩২]

৩৭৬৯

আবু হুরাইরাহ [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন: তোমরা ফল ক্রয় করো না খাওয়ার যোগ্য হওয়ার আগে এবং তাজা রসালো খেজুর খরিদ করো না শুকনো খেজুরের বিনিময়ে।

ইবনি শিহাব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেনঃ সালিম তাহাঁর পিতা আবদুল্লাহ ইবনি উমর [রাদি.]-এর সূত্রে নবী [সাঃআঃ] থেকে সম্পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৩৩, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৩৩]

৩৭৭০

ইবনিল মুসাইয়্যিব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] মুযাবানাহ্‌ ও মুহাকালাহ্‌ নিষেধ করিয়াছেন। মুযাবানাহ্‌ হল, গাছের খেজুর খুরমার [শুকনো খেজুর] বিনিময়ে ক্রয়-বিক্রয় করা। আর মুহাকালাহ্‌ হল, ক্ষেতের শস্য অনুমান করে সংগৃহীত শস্যের বিনিময়ে বিক্রি করা এবং সংগৃহীত গমের পরিবর্তে জমি বর্গা দেয়া।

ইবনি শিহাব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] সালিম ইবনি আবদুল্লাহ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] সূ্ত্রে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ ফল খাওয়ার যোগ্য হওয়ার আগে ক্রয় করো না। আর খুরমার বিনিময়ে তাজা খেজুর ক্রয় করো না।

সালিম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] … আবদুল্লাহ ইবনি সাবিত [রাদি.] সূত্রে রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] থেকে বর্ণনা করেন যে, অতঃপর আরায়া প্রক্রিয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্যে তাজা অথবা শুকনা খেজুরের ক্রয়-বিক্রয়ে অনুমতি দান করিয়াছেন। এ ছাড়া অন্য কোন ফলের ব্যাপারে তিনি এমন অনুমতি দেননি। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৩৪, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৩৪]

৩৭৭১

যায়দ ইবনি সাবিত [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আরায়ার মালিককে এ অনুমতি দিয়েছে যে, সে আরায়াকৃত গাছের তাজা খেজুর অনুমানের ভিত্তিতে শুকনা খেজুরের বিনিময়ে বিক্রি করিতে পারবে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৩৫, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৩৫]

৩৭৭২

যায়দ ইবনি সাবিত [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আরায়া পদ্ধতির অনুমতি প্রদান করিয়াছেন। বাড়ীর মালিক আরায়া করা ফল অনুমান করে খুরমার বদলে রাখতে পারে তাজা রসযুক্ত খেজুর খাওয়ার জন্যে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৩৬, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৩৬]

৩৭৭৩

নাফি [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

নাফি [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে একই সূত্রে এরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৩৭, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৩৭]

৩৭৭৪

ইয়াহ্ইয়া ইবনি সাঈদ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর সূত্রে হইতে বর্ণীতঃ

উক্তরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি কিছু অতিরিক্ত বলেছেন যে, খেজুর গাছের আরায়া হল: নির্দিষ্ট সংখ্যক গাছ কাউকে দান করা। এরপর তার ঐ গাছগুলোর খেজুর অনুমান করে শুকনা খেজুরের বিনিময়ে বিক্রি করে দেয়। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৩৮, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৩৮]

৩৭৭৫

যায়দ ইবনি সাবিত [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আরায়া পদ্ধতির ক্রয়-বিক্রয়ে অনুমানে পরিমাণ নির্ধারণ করে শুকনা খেজুরের বিনিময়ে বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন।

ইয়াহ্‌ইয়া বলেন, আরায়া হলো নিজের পরিবারবর্গকে তাজা রসাল খেজুর খাওয়াবার জন্যে গাছের ঝুলন্ত খেজুর অনুমান দ্বারা পরিমাণ করে শুকনা খেজুরের বিনিময়ে খরিদ করে রাখা। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৩৯, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৩৯]

৩৭৭৬

যায়দ ইবনি সাবিত [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] দানকৃত খেজুর অনুমানে পরিমাপ করে বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৪০, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৪০]

৩৭৭৭

উবাইদুল্লাহর সূত্রে হইতে বর্ণীতঃ

উক্ত হাদীস বর্ণনা করেন এবং বলেন, তা অনুমান করে নিবে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৪১, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৪১]

৩৭৭৮

রাফি [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] সূত হইতে বর্ণীতঃ

রাফি [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] সূত্রে উক্ত সানাদে বর্ণনা করেন যে, আরায়া প্রক্রিয়ার ক্রয়-বিক্রয় অনুমানের ভিত্তিতে করিতে রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] অনুমোদন দিয়েছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৪২, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৪২]

৩৭৭৯

সাহ্‌ল ইবনি আবু হাস্‌মাহ্‌ [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] শুক্‌না খেজুরের বদলে তাজা খেজুর বিক্রি করিতে নিষেধ করিয়াছেন এবং বলেছেন: এটাই সুদ, এটাই মুযাবানাহ্‌। অবশ্য তিনি আরায়াকৃত দু একটা খেজুর গাছের খেজুর বিক্রয়ের অনুমতি দিয়েছেন। বাড়ীর মালিক এর পরিমাণ অনুমান করে শুকনা খেজুরের বিনিময়ে রেখে দিবে এবং তাজা ফল খাবে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৪৩, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৪৩]

৩৭৮০

বাশীর ইবনি ইয়াসার [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর সু্ত্রে রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর কতিপয় সাহাবী হইতে বর্ণীতঃ

তাঁরা বলেছেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আরায়াকৃত খেজুর গাছের ফল অনুমান করে খুরমার বিনিময়ে বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৪৪, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৪৪]

৩৭৮১

বাশীর ইবনি ইয়াসার [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর সূত্রে তার মহল্লায় বসবাসকারী রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর কয়েকজন সাহাবী হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] নিষেধ করিয়াছেন-বর্ণনাকারী সাকাফী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] সুলাইমান ইবনি বিলাল [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বর্ণিত পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। অবশ্য ইসহাক্ ও ইবনি মুসান্না সুদ-এর জায়গার মুযাবানা বলেছেন। আর ইবনি আবী উমর বলেছেন সুদ। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৪৫, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৪৫]

৩৭৮২

সাহল ইবনি আবু হাস্মার সূত্রে নবী [সাঃআঃ] হইতে বর্ণীতঃ

উপরোক্ত বর্ণনায় অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৪৬, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৪৬]

৩৭৮৩

রাফি ইবনি খাদীজ ও সাহল ইবনি আবু হাস্মাহ্ [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] মুযাবানাহ্ অর্থাৎ- শুকনা খেজুরের বদলে গাছের কাঁচা খেজুর বিক্রি করিতে নিষেধ করিয়াছেন, কিন্তু আরায়ার মালিকগণ ছাড়া। কেননা তাদেরকে তিনি এর অনুমতি দিয়েছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৪৭, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৪৭]

৩৭৮৪

আবু হুরাইরাহ [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আরায়া প্রক্রিয়ার ক্রয়-বিক্রয়ে ফলের পরিমাণ অনুমানের ভিত্তিতে পাঁচ ওয়াসাকের চেয়ে স্বল্প বা পাঁচ ওয়াসাকের ভেতরে করার জন্য অনুমতি প্রদান করিয়াছেন। বর্ণনাকারী দাঊদের এ ব্যাপারে সন্দেহ যে, কথা এভাবে বলেছেন- পাঁচ বা পাঁচের কম। তখন মালিক বলিলেন, হ্যাঁ। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৪৮, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৪৮]

৩৭৮৫

ইবনি উমর [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] মুযাবানাহ থেকে নিষেধ করিয়াছেন। মুযাবানাহ্‌ হলো বৃক্ষের তাজা খেজুর পরিমাপ করে খুরমার বদলে বিক্রি করা এবং গাছের তাজা আঙ্গুর পরিমাপ করে কিশমিশের বিনিময়ে বিক্রি করা। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৪৯, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৪৯]

৩৭৮৬

আবদুল্লাহ ইবনি উমর [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, নবী [সাঃআঃ] মুযাবানাহ্‌ করিতে নিষেধ করিয়াছেন। আর মুযাবানাহ্ হলো বৃক্ষের তাজা খেজুর অনুমানে খুরমার বিনিময়ে বিক্রি করা ও কাঁচা আঙ্গুর পরিমাপ নির্ধারণ করে কিশমিশের বিনিময়ে বিক্রি করা এবং ক্ষেতের গম অনুমানে পরিমাপ করে সংগৃহীত গমের বিনিময়ে বিক্রি করা। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৫০, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৫০]

৩৭৮৭

উবাইদুল্লাহ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] সূত্রে হইতে বর্ণীতঃ

উবাইদুল্লাহ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] সূত্রে উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৫১, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৫১]

৩৭৮৮

ইবনি উমর [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] মুযাবানাহ্‌র উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করিয়াছেন। মুযাবানাহ্‌ হলো গাছের খেজুর পরিমাপ করে খুরমার বিনিময়ে বিক্রি করা এং কাঁচা আঙ্গুর পরিমাপ করে কিশমিশের বিনিময়ে বিক্রি করা। আর যে কোন ফল অনুমানের বিত্তিতে বিক্রি করিতেও তিনি নিষেধ করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৫২, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৫২]

৩৭৮৯

ইবনি উমর [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] মুযাবানাহ্‌ নিষেধ করিয়াছেন। মুযাবানাহ্‌ হলো গাছের মাথায় যে খেজুর আছে তার পরিমাণ অনুমান করে নির্ধারিত পরিমাণ শুকনো খেজুরের বিনিময়ে বিক্রি করা- এ শর্তের উপর যে, যদি বেশী হয় তবে তা আমার থাকিবে। আর যদি কম হয় তবে সে ক্ষতি আমার উপরই আসবে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৫৩, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৫৩]

৩৭৯০

আইয়ূব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর সূত্রে হইতে বর্ণীতঃ

আইয়ূব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর সূত্রে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৫৪, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৫৪]

৩৭৯১

আবদুল্লাহ [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] মুযাবানাহ্‌ নিষেধ করিয়াছেন। অর্থাৎ- বাগানে যদি খেজুর গাছ থাকে তবে তার কাঁচা খেজুর পরিমাপ করে শুকনো খেজুরের বিনিময়ে ক্রয়-বিক্রয় করা। আর যদি আঙ্গুর থাকে তবে তা পরিমাপ করে কিশমিশের বিনিময়ে ক্রয়-বিক্রয় করা। আর যদি তা ক্ষেতের ফসল হয় তবে তার পরিমাণ অনুমান করে সে পরিমাণ খাদ্য ক্রয়-করা-এসব করিতে তিনি নিষেধ করিয়াছেন।

কুতাইবার অন্য বর্ণনায় রয়েছে “অথবা যদি তা ক্ষেতের ফসল হয়”। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৫৫, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৫৫]

৩৭৯২

আবু তাহির, ইবনি রাফি ও সুওয়াইদ ইবনি সাঈদ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] ভিন্ন ভিন্ন সূ্ত্রে নাফি [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

উক্ত সানাদে হাদীসটি অন্যান্যের অনুরূপ বর্ণনা করেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৫৬, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৫৬]

By মুসলিম শরীফ

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply