জামা-পায়জামা ঝুলিয়ে পরা হারাম – রিয়াদুস সালেহীন

জামা-পায়জামা ঝুলিয়ে পরা হারাম – রিয়াদুস সালেহীন

জামা-পায়জামা ঝুলিয়ে পরা হারাম – রিয়াদুস সালেহীন >> রিয়াদুস সালেহীন  হাদিস শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে রিয়াদুস সালেহীন হাদিস শরীফ এর একটি পরিচ্ছেদের হাদিস পড়ুন

পরিচ্ছেদ – ১১৯: জামা-পায়জামা, জামার হাতা, লুঙ্গি তথা পাগড়ীর প্রান্ত কতটুকু লম্বা হবে? অহংকারবশতঃ ওগুলি ঝুলিয়ে পরা হারাম ও নিরহংকারে তা ঝুলানো অপছন্দনীয়

1/794 عَن أَسمَاءَ بِنتِ يَزِيدَ الأَنصَارِيَّةِ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ: كَانَ كُمُّ قَمِيصِ رَسُولِ اللهِ ﷺ إِلَى الرُّسْغِ . رواه أَبُو داود والترمذي، وقال: «حديث حسن »

১/৭৯৪। আসমা বিনতে য়্যাযীদ আনসারী রাদিয়াল্লাহু‘‘আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ এর জামার হাতা কব্জি পর্যন্ত লম্বা ছিল।’ [আবূ দাঊদ, তিরমিযী হাসান][1]

2/795 وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ، قَالَ: « مَنْ جَرَّ ثَوْبَهُ خُيَلاءَ لَمْ يَنْظُرِ اللهُ إِلَيْهِ يَوْمَ القِيَامَةِ ». فَقَالَ أَبُو بَكرٍ: يَا رَسُولَ اللهِ، إِنَّ إِزَارِي يَسْتَرْخِي إِلاَّ أنْ أَتَعَاهَدَهُ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللهِ ﷺ: « إنَّكَ لَسْتَ مِمَّنْ يَفْعَلُهُ خُيَلاءَ ». رواه البخاري وروى مسلم بعضه .

২/৭৯৫। ইবনি উমার রাঃআঃ হতে বর্ণিত, নবী সাঃআঃ বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি অহংকারের সাথে নিজের পোশাক মাটিতে ছেঁচড়ে চলবে, আল্লাহ তার প্রতি কিয়ামতের দিন [রহমতের দৃষ্টিতে] তাকাবেন না।’’ আবূ বকর রাঃআঃ বলিলেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! খেয়াল না করলে আমার লুঙ্গি ঢিলে হয়ে নেমে যায়।’ রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ বলিলেন, ‘‘তুমি তাহাদের শ্রেণীভুক্ত নও, যারা তা অহংকারবশতঃ করে থাকে।’’ [বুখারী, মুসলিম এর আংশিক বর্ণনা করিয়াছেন।][2]

3/796 وَعَن أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ، قَالَ: « لاَ يَنْظُرُ اللهُ يَوْمَ القِيَامَةِ إِلَى مَنْ جَرَّ إِزَارَهُ بَطَراً ». متفقٌ عَلَيْهِ

৩/৭৯৬। আবূ হুরাইরা রাঃআঃ হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ বলেছেন, ‘‘যে অহংকারের সাথে নিজের লুঙ্গি ঝুলিয়ে চলে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার প্রতি [রহমতের দৃষ্টিতে] তাকাবেন না।’’ [বুখারী ও মুসলিম][3]

4/797 وَعَنهُ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ، قَالَ: « مَا أسْفَلَ مِنَ الكَعْبَيْنِ مِنَ الإِزَارِ فَفِي النَّارِ ». رواه البخاري

৪/৭৯৭।  উক্ত রাবী হতে বর্ণিত, নবী সাঃআঃ বলেছেন, ‘লুঙ্গির যে পরিমাণটুকু পায়ের গাঁটের নীচে যাবে, সে পরিমাণ জাহান্নামে যাবে।’ [বুখারী][4]

5/798 وَعَن أَبي ذَرٍّ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ، قَالَ: « ثَلاَثَةٌ لاَ يُكَلِّمُهُمُ اللهُ يَوْمَ القِيَامَةِ، وَلاَ يَنْظُرُ إِلَيْهِمْ، وَلاَ يُزَكِّيهِمْ، وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ ». قَالَ: فَقَرَأَهَا رَسُولُ اللهِ ﷺ ثَلاَثَ مِرَارٍ، قَالَ أَبُو ذرٍّ: خَابُوا وَخَسِرُوا ! مَنْ هُمْ يَا رَسُولَ اللهِ ؟ قَالَ: «المُسْبِلُ، وَالمنَّانُ، وَالمُنْفِقُ سِلْعَتَهُ بِالحَلِفِ الكاذِبِ ». رواه مسلم . وفي رواية لَهُ: «المُسْبِلُ إزَارَهُ » .

৫/৭৯৮।  আবূ যার্র রাঃআঃ হইতে বর্ণিত, নবী সাঃআঃ বলেছেন, ‘‘তিন ব্যক্তির সাথে কিয়ামতের দিন আল্লাহ কথা বলবেন না, তাহাদের দিকে [দয়ার দৃষ্টিতে] তাকাবেন না, তাহাদেরকে পবিত্র করিবেন না এবং তাহাদের জন্য থাকবে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি।’’ বর্ণনাকারী বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ উক্ত বাক্যগুলি তিনবার বলিলেন।’ আবূ যার্র বলিলেন, ‘তারা ব্যর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত হোক! তারা কারা? হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বলিলেন, ‘‘[লুঙ্গি-কাপড়] পায়ের গাঁটের নীচে যে ঝুলিয়ে পরে, দান করে যে লোকের কাছে দানের কথা বলে বেড়ায় এবং মিথ্যা কসম খেয়ে যে পণ্য বিক্রি করে।’’ [মুসলিম][5] তাহাঁর অন্য বর্ণনায় আছে, ‘‘যে লুঙ্গি ঝুলিয়ে পরে।’’

6/799 وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ، قَالَ: « الإِسْبَالُ فِي الإِزَارِ، وَالقَمِيصِ، وَالعِمَامَةِ، مَنْ جَرَّ شَيْئاً خُيَلاءَ لَمْ ينْظُرِ الله إِلَيْهِ يَوْمَ القِيَامَةِ ». رواه أَبُو داود والنسائي بإسناد صحيح

৬/৭৯৯। ইবনি উমার রাঃআঃ হতে বর্ণিত, নবী সাঃআঃ বলেছেন, ‘‘লুঙ্গি, জামা ও পাগড়ীতে ঝুলানোর কাজ হয়ে থাকে। [অর্থাৎ এগুলি ঝুলিয়ে পরলে গুনাহ হয়।] যে ব্যক্তি অহংকারবশতঃ কিছু মাটিতে ছেঁচড়ে চলবে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার দিকে [দয়ার দৃষ্টিতে] তাকিয়ে দেখবেন না।’’ [আবূ দাঊদ, নাসায়ী বিশুদ্ধ সূত্রে][6]

7/800 وَعَن أَبي جُرَيٍّ جَابِرِ بنِ سُلَيْمٍ رضي الله عنه، قَالَ: رَأَيْتُ رَجُلاً يَصْدُرُ النَّاسُ عَنْ رَأْيهِ، لا يَقُولُ شَيْئاً إِلاَّ صَدَرُوا عَنْهُ، قُلْتُ: مَنْ هَذَا ؟ قَالُوا: رَسُولُ اللهِ ﷺ . قُلْتُ: عَلَيْكَ السَّلامُ يَا رَسُولَ اللهِ – مَرَّتَينِ – قَالَ: « لاَ تَقُلْ: عَلَيْكَ السَّلامُ، عَلَيْكَ السَّلامُ تَحِيَّةُ المَوْتَى، قُلْ: السَّلامُ عَلَيْكَ ». قَالَ: قُلْتُ: أنْتَ رَسُولُ اللهِ ؟ قَالَ: « أنَا رَسُولُ اللهِ الَّذِي إِذَا أَصَابَكَ ضُرٌّ فَدَعَوْتَهُ كَشَفَهُ عَنْكَ، وَإِذَا أَصَابَكَ عَامُ سَنَةٍ فَدَعَوْتَهُ أَنْبَتَهَا لَكَ، وَإِذَا كُنْتَ بِأَرْضٍ قَفْرٍ أَوْ فَلاَةٍ فَضَلَّتْ رَاحِلَتُكَ، فَدَعَوْتَهُ رَدَّهَا عَلَيْكَ ». قَالَ: قُلْتُ: اِعْهَدْ إِلَيَّ. قَالَ: « لاَ تَسُبَّنَ أحَداً ». قَالَ: فَمَا سَبَبْتُ بَعْدَهُ حُرّاً، وَلاَ عَبْداً، وَلاَ بَعِيراً، وَلاَ شَاةً، « وَلاَ تَحْقِرَنَّ مِنَ المَعْرُوفِ شَيْئاً، وَأَنْ تُكَلِّمَ أخَاكَ وَأنْتَ مُنْبَسِطٌ إِلَيْهِ وَجْهُكَ، إنَّ ذَلِكَ مِنَ المَعْرُوفِ، وَارْفَعْ إزَارَكَ إِلَى نِصْفِ السَّاقِ، فَإنْ أبَيْتَ فَإلَى الكَعْبَينِ، وَإيَّاكَ وَإسْبَالَ الإِزَارِ فَإنَّهَا مِنَ المَخِيلَةِ. وَإنَّ اللهَ لاَ يُحِبُّ المَخِيلَةَ ؛ وَإِنِ امْرُؤٌ شَتَمَكَ وَعَيَّرَكَ بِمَا يَعْلَمُ فِيكَ فَلاَ تُعَيِّرْهُ بِمَا تَعْلَمُ فِيهِ، فَإنَّمَا وَبَالُ ذَلِكَ عَلَيْهِ ». رواه أَبُو داود والترمذي بإسناد صحيح، وقال الترمذي: «حديث حسن صحيح »

৭/৮০০। আবূ জুরাই জাবের ইবনি সুলাইম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এমন এক ব্যক্তিকে দেখলাম, যাঁর মতানুযায়ী লোকে কাজ করছে, তাহাঁর কথা তারা মেনে নিচ্ছে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ‘এ লোকটি কে?’ লোকেরা বলিল, ‘ইনি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম।’ আমি তাঁকে ‘আলাইকাস সালাম ইয়া রাসূলাল্লাহ’ দু’বার বললাম। তিনি বলিলেন, ‘‘আলাইকাস সালাম’ বলো না। ‘আলাইকাস সালাম’ তো মৃতদের জন্য অভিবাদন বাণী। তুমি বলো ‘আসসালামু আলাইকা।’’

জাবের বলেন, আমি বললাম, ‘আপনি আল্লাহর রসূল?’ তিনি বলিলেন, ‘‘আমি সেই আল্লাহর রসূল, যে আল্লাহকে কোনো বিপদের সময় যদি ডাকো, তাহলে তিনি তোমার বিপদ দূর করে দেবেন। যদি দুর্ভিক্ষে আক্রান্ত হয়ে তাহাঁর কাছে প্রার্থনা কর, তাহলে তিনি তোমার জন্য যমীন থেকে ফসল উৎপাদন করিবেন। কোন গাছপালা বিহীন জনশূন্য মরুভূমিতে তোমার বাহন হারিয়ে গেলে তুমি যদি তাহাঁর নিকট দো‘আ কর, তাহলে তিনি তোমার বাহন তোমার কাছে ফিরিয়ে দেবেন।’’

জাবের বলেন, আমি বললাম, ‘আপনি আমাকে বিশেষ উপদেশ দান করুন।’ তিনি বলিলেন, ‘‘তুমি কাউকে কখনো গালি-গালাজ করো না।’’ সুতরাং তারপর থেকে আমি না কোন স্বাধীন-পরাধীন ব্যক্তিকে, না কোন উট আর না কোন ছাগলকে গালি দিয়েছি।

[দ্বিতীয় উপদেশ হচ্ছে এই যে,] ‘‘কোন পুণ্যকর্মকে তুচ্ছ জ্ঞান করো না। নিঃসন্দেহে সহাস্য বদনে কোন মুসলিম ভাইয়ের সঙ্গে তোমার বাক্যালাপ করা নেকীর কাজ। নিজ লুঙ্গি পায়ের অর্ধ রলা পর্যন্ত উঁচু রেখো। তা যদি মানতে না চাও, তাহলে গাঁট পর্যন্ত ঝুলাতে পার। লুঙ্গি ঝুলিয়ে পরা থেকে দূরে থেকো। কেননা, এতে অহংকার জন্মায়। আর নিশ্চয় আল্লাহ অহংকারকে পছন্দ করেন না। যদি কেউ তোমাকে গালি দেয় অথবা এমন দোষ ধরে তোমাকে লজ্জা দেয়, যা তোমার মধ্যে বিদ্যমান আছে বলে জানে, তাহলে তুমি তার এমন দোষ ধরে তাকে লজ্জা দিয়ো না, যা তার মধ্যে বিদ্যমান আছে বলে জানো। যেহেতু তার কুফল তার উপরই বর্তাবে [তোমার উপর নয়]।’’ [আবূ দাঊদ, তিরমিযী হাসান সহীহ][7]

8/801 وَعَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: بَيْنَمَا رَجُلٌ يُصَلِّى مُسْبِلٌ إِزَارَهُ، قَالَ لَهُ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ: « اِذْهَبْ فَتَوَضَّأْ » فَذَهَبَ فَتَوضَّأَ، ثُمَّ جَاءَ، فَقَالَ: «اِذْهَبْ فَتَوَضَّأْ » فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ: يَا رَسُوْلَ اللهِ . مَالَكَ أَمَرْتَهُ أَن يَّتَوَضَّأَ ثُمَّ سَكَتَّ عَنْهُ ؟ قَالَ: «إِنَّهُ كَانَ يُصَلِّى وَهُوَ مُسْبِلٌ إِزَارَهُ، إِنَّ اللهَ لَا يَقْبَلُ صَلَاةَ رَجُلٍ مُسْبِلٍ » .

৮/৮০১। আবু হুরায়রা রাঃআঃ হতে বর্ণিত, একদা এক ব্যক্তি [টাখনুর নীচে] লুঙ্গি ঝুলিয়ে সালাত পড়ছিলো। রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ তাকে বলিলেন, যাও, পুনরায় ওযূ কর। সে আবার ওযূ করে করে এলো। তিনি আবার বললেনঃ যাও, পুনরায় ওযূ কর। একজন বললো, হে রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ ! কেন আপনি তাকে ওযূ করার নির্দেশ দিচ্ছেন, তারপর নীরবতা পালন করছেন? তিনি বললেনঃ এ লোক তার লুঙ্গি [টাখনুর নীচে] ঝুলিয়ে দিয়ে সালাত পড়ছিলো। অথচ আল্লাহ এমন ব্যক্তির সালাত কবূল করেন না, যে তার পায়জামা এরকম ঝুলিয়ে দিয়ে সালাত আদায় করে।[8]

9/802 وعن قَيسِ بن بشرٍ التَّغْلبيِّ قال: أَخْبَرنى أبي وكان جليساً لأبي الدَّرداءِ قال: كان بِدِمشقَ رَجُلٌ من أَصحاب النبى ﷺ يقال له سهلُ ابنُ الحنظَليَّةِ، وكان رجُلاً مُتَوحِّداً قَلَّمَا يُجالسُ النَّاسَ، إِنَّمَا هو صلاةٌ، فَإِذا فرغَ فَإِنَّمَا هو تسبيح وتكبيرٌ حتى يأْتيَ أهْلَهُ، فَمَرَّ بِنَا ونَحنُ عِند أبي الدَّردَاءِ، فقال له أَبو الدَّردَاءِ: كَلِمةً تَنْفَعُنَا ولا تضُرُّكَ، . قال: بَعثَ رسول اللهِ ﷺ سريَّةً فَقَدِمَتْ، فَجَاءَ رَجُلٌ مِنهم فَجَلسَ في المَجْلِس الذي يَجلِسُ فِيهِ رسول اللهِ ﷺ، فقال لرجُلٍ إِلى جَنْبهِ: لَوْ رَأَيتنَا حِينَ التقَيْنَا نَحنُ والعدُو، فَحمَل فلانٌ فَطَعَنَ، فقال: خُذْهَا مِنِّى . وأَنَا الغُلامُ الغِفَارِيُّ، كَيْفَ تَرى في قوْلِهِ ؟ قال: مَا أَرَاهُ إِلا قَدْ بَطَلَ أَجرُهُ . فسَمِعَ بِذلكَ آخَرُ فقال: مَا أَرَى بِذَلَكَ بأْساً، فَتَنَازعا حَتى سَمِعَ رسول اللهِ ﷺ فقال: « سُبْحان اللهِ ؟ لا بَأْس أَن يُؤْجَرَ ويُحْمَد » فَرَأَيْتُ أَبا الدَّرْدَاءِ سُرَّ بِذلكَ، وجعلَ يَرْفَعُ رأْسَه إِلَيهِ وَيَقُولُ: أأَنْتَ سمِعْتَ ذَلكَ مِنْ رسول اللهِ ﷺ،؟ فيقول: نعَمْ، فما زال يعِيدُ عَلَيْهِ حتى إِنّى لأَقولُ لَيَبرُكَنَّ على ركْبَتَيْهِ .

      قال: فَمَرَّ بِنَا يَوماً آخَرَ، فقال له أَبُو الدَّرْدَاءِ: كَلِمَةً تَنفَعُنَا ولا تَضُرُّكَ، قال: قال لَنَا رسول اللهِ ﷺ: « المُنْفِقُ عَلى الخَيْلِ كالبَاسِطِ يَدَهُ بالصَّدَقة لا يَقْبِضُهَا» .  ثم مرَّ بِنَا يوماً آخر، فقال له أَبو الدَّرْدَاءِ: كَلِمَةً تَنْفَعُنَا وَلا تَضرُّكَ، قال: قال رسول اللهِ ﷺ: « نعْمَ الرَّجُلُ خُرَيْمٌ الأَسَديُّ، لولا طُولُ جُمته وَإِسْبَالُ إِزَارِه » فبَلغَ ذلك خُرَيماً، فَعجَّلَ فَأَخَذَ شَفرَةً فَقَطَعَ بها جُمتَهُ إِلى أُذنيْه، ورفعَ إِزَارَهُ إِلى أَنْصَاف سَاقَيْه . ثَمَّ مَرَّ بنَا يَوْماً آخَرَ فَقَالَ لَهُ أَبُو الدَّرْدَاءِ: كَلِمةً تَنْفَعُنَا ولاَ تَضُرُّكَ قَالَ: سَمعْتُ رسُولَ اللهِ ﷺ يقُولُ: « إِنَّكُمْ قَادمُونَ عَلى إِخْوانِكُمْ . فَأَصْلِحُوا رِحَالَكمْ، وأَصْلحوا لبَاسَكُمْ حتى تَكُونُوا كَأَنَّكُمْ شَامَة في النَّاسِ، فَإِنَّ اللهَ لاَ يُحبُّ الفُحْشَ وَلاَ التَّفَحُش » . رواهُ أَبو داود بإِسنادٍ حسنٍ، إِلاَّ قَيْسَ بن بشر، فاخْتَلَفُوا في توثيقِهِ وتَضْعفيه،  وقد روى له مسلم .

৯/৮০২। কাইস ইবনু বিশর আত-তাগলিবী [রাহঃ]-এর সঙ্গী ছিলেন। তিনি [বিশর] বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ এর এক সাহাবী দামিশকে ছিলেন। তাকে বলা হতো সাহল ইবনু হানযালিয়্যা। তিনি একাকিত্বকে বেশি পছন্দ করিতেন, লোকদের সাথে খুব কমই উঠাবসা করিতেন, অধিকাংশ সময় সালাতেই কাটিয়ে দিতেন, সালাত থেকে অবসর হয়ে তার পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে আসার আগ পর্যন্ত তাসবীহ্ ও তাকবীরে মগ্ন থাকতেন। [একদিন] তিনি আমাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করিলেন। তখন আমরা আবূ দারদা রাঃআঃ-এর কাছে ছিলাম। আবূ দারদা রাঃআঃ তাকে বলিলেন, আমাদেরকে এমন কোন কথা বলে দিন, যা আমাদের উপকার দিবে আর আপনারও কোন ক্ষতি হবে না। তিনি বলিলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ একটি ছোট্ট বাহিনী প্রেরণ করিলেন। বাহিনী ফিরে আসার পর তাহাদের একজন ঐ মাজলিশে এসে বসে পড়লো যেখানে রাসূলুল্লাহ সাঃআঃও বসা ছিলেন। তার পাশে বসা লোকটিকে আগন্তুক লোকটি বললো, তুমি যদি আমাদেরকে তখন দেখিতে জিহাদের ময়দানে আমরা যখন শত্রুর মুখোমুখি হয়েছিলাম, বর্শা উঁচিয়ে অমুক [কাফির] আক্রমণ করলো এবং আঘাত হানলো। উত্তরে [আক্রান্ত মুসলিমটি] বললো, এই নে আমার পক্ষ থেকে, আর আমি হচ্ছি গিফার গোত্রের যুবক। তার এই বক্তব্য বিষয়ে আপনি কী বলেন? লোকটি বললো, আমার মতে [অহংকারের কারণে] তার সাওয়াব বিনষ্ট হয়ে গেছে। এই কথা আরেকজন শুনে বললো, এতে তো আমি কোন দোষ দেখি না। তারা বিতর্কে লিপ্ত হলো, এমনকি রাসূলুল্লাহ সাঃআঃও তা শুনে ফেলেন। তিনি বললেনঃ সুবহানাল্লাহ! এতে কোন দোষ নেই, সে [আখেরাতে] পুরষ্কৃত হবে এবং [ইহকালে] প্রশংসিত হবে। কাইস ইবনু বিশর বলেন, আবুদ দারদা রাঃআঃ কে আমি দেখলাম যে, এতে তিনি খুশি হয়েছেন এবং তাহাঁর দিকে নিজের মাথা উঠিয়ে বলিলেন, আপনি রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ এর কাছে একথা শুনেছেন কি? ইবনু হানযালিয়্যা রাঃআঃ বলিলেন, হ্যাঁ শুনেছি। আবুদ দারদা রাঃআঃ এই কথাটি বারবার ইবনু হানযালিয়্যার সামনে বলিতে লাগলেন। অবশেষে আমি বলেই ফেললাম, আপনি কি ইবনু হানযালিয়্যার হাঁটুর উপর চড়ে বসতে চান?[9]

বর্ণনাকারী বলেন, আবুদ দারদা আরেকদিন আমাদের কাছে গেলেন, তখন আবুদ দারদা বলিলেন, একটি বাক্য যা আমাদের উপকার দেবে, তোমার কোনো ক্ষতি করিবে না। তিনি বলেন, আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ আমাদেরকে বলেছেন, ঘোড়ার জন্য ব্যয় করা সেই সদকা সমতুল্য যে সদকা করে হাত সংকুচিত করা হয় নি। তারপর তিনি অপরদিন আমাদের পাশ দিয়ে গেলেন, তখন আবুদ দারদা বলিলেন, একটি বাক্য, যা আমাদের  উপকৃত করিবে, তোমার কোনো ক্ষতি করিবে না। রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ বলেছেন, “খুরাইম আল-আসাদী কতইনা ভালো লোক, যদি না তার মাথার চুল খুব লম্বা হতো, আর যদি না তার লুঙ্গি টাখনুর নিচে না যেত”। কথাটি খুরাইমের কাছে পৌঁছলে তিনি তাড়াতাড়ি ছুরি নিয়ে তার মাথার লম্বা চুল কানের মাঝ বরাবর কেটে ফেললেন, আর তাহাঁর লুঙ্গিকে নলার মাঝখান পর্যন্ত উঠিয়ে নিলেন। তারপর আরেকদিন আমাদের পাশ দিয়ে গেলেন, তখন আবুদ দারদা রা. তাকে বলিলেন, একটি বাক্য যা আমাদেরকে উপকৃত করিবে, তোমার কোনো ক্ষতি করিবে না, তিনি বলিলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাঃআঃকে বলিতে শুনেছি, তোমরা তোমাদের ভাইদের কাছে যাচ্ছ, সুতরাং তোমরা তোমাদের বাহনগুলোকে ঠিক করে নাও, তোমাদের পরিধেয় বস্ত্রগুলো এমনভাবে ঠিক করে নাও যাতে করে তোমাদেরকে মানুষের মাঝে মনে হবে তেমন যেমন তিলের দাগ। কেননা, আল্লাহ তা‘আলা অশ্লীলতা করা ও বলা কোনোটাই পছন্দ করেন না।’ আবূ দাউদ হাদীসটিকে হাসান সনদে বর্ণনা করেন, তবে কাইস ইবন বিশর ব্যতীত; কারণ তার গ্রহণযোগ্যতা কিংবা দুর্বলতা নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। যদিও ইমাম মুসলিম তার কাছ থেকে হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। 

10/803 وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الخُدرِيِّ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: « إزْرَةُ المُسْلِمِ إِلَى نِصْفِ السَّاقِ، وَلاَ حَرَجَ ـ أَوْ لاَ جُنَاحَ ـ فِيمَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الكَعْبَيْنِ، فمَا كَانَ أسْفَلَ مِنَ الكَعْبَيْنِ فَهُوَ في النَّارِ، وَمَنْ جَرَّ إزَارَهُ بَطَراً لَمْ يَنْظُرِ اللهُ إِلَيْهِ ». رواه أَبُو داود بإسنادٍ صحيحٍ

১০/৮০৩। আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাঃআঃ কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ বলেছেন, ‘‘মুসলিমের লুঙ্গি অর্ধ গোছা পর্যন্ত ঝুলানো উচিত। গাঁটের উপর পর্যন্ত ঝুললে ক্ষতি নেই। যে অংশ লুঙ্গি পায়ের গাঁটের নীচে ঝুলবে, তা জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। আর অহংকারবশতঃ যে ব্যক্তি পায়ের গাঁটের নীচে ঝুলিয়ে লুঙ্গি পরবে, তার দিকে আল্লাহ [করুণার দৃষ্টিতে] তাকিয়ে দেখবেন না।’’ [আবূ দাঊদ, সহীহ সূত্রে][10]

11/804 وَعَنْ ابنِ عُمَرَ رضي الله عنه، قَالَ: مَرَرتُ عَلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ وَفِي إزَارِي استِرخَاءٌ، فَقَالَ: «يَا عَبدَ اللهِ، ارْفَعْ إزَارَكَ ». فَرَفَعْتُهُ ثُمَّ قَالَ: « زِدْ » فَزِدْتُ، فَمَا زِلْتُ أتَحَرَّاهَا بَعْدُ . فَقَالَ بَعْضُ القَوْم: إِلَى أينَ ؟ فَقَالَ: إِلَى أنْصَافِ السَّاقَيْنِ . رواه مسلم

১১/৮০৪। ইবনি উমার রাঃআঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ এর নিকট উপস্থিত হলাম। তখন আমার লুঙ্গি বেশ ঝুলে ছিল। সুতরাং তিনি বলিলেন, ‘‘হে আব্দুল্লাহ! লুঙ্গি উঠিয়ে পর।’’ অতএব আমি লুঙ্গি তুলে পরলাম। তিনি আবার বলিলেন, ‘‘আরো উঁচু কর।’’ আমি আরো উঁচু করলাম। এরপর বরাবর আমি এর খেয়াল রাখতে থাকলাম; যেন লুঙ্গি নীচে না নামে। কিছু লোক [আব্দুল্লাহকে] জিজ্ঞাসা করল, ‘কতদূর পর্যন্ত ঝুলিয়ে পরা যাবে?’ তিনি উত্তরে বলিলেন, ‘অর্ধ গোছা পর্যন্ত।’ [মুসলিম][11]

12/805 وَعَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: « مَنْ جَرَّ ثَوْبَهُ خُيَلاَءَ لَمْ يَنْظُرِ اللهُ إِلَيْهِ يَوْمَ القِيَامَةِ ». فَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ: فَكَيْفَ تَصْنَعُ النِّسَاءُ بذُيُولِهِنَّ ؟ قَالَ: « يُرْخِينَ شِبْراً ». قَالَتْ: إِذَاً تَنْكَشِفُ أقْدَامُهُنَّ. قَالَ: «فَيُرخِينَهُ ذِرَاعاً لاَ يَزِدْنَ» رواه أَبُو داود والترمذي، وقال:«حديث حسن صحيح»

১২/৮০৫। পূর্বোক্ত বর্ণনাকারী হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃআঃ বলেছেন, ‘‘অহংকারবশতঃ যে ব্যক্তি গাঁটের নীচে কাপড় ঝুলিয়ে পরবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলা তার দিকে [করুণার দৃষ্টিতে] দেখবেন না।’’ উম্মে সালামাহ প্রশ্ন করিলেন, ‘তাহলে মহিলারা তাহাদের কাপড়ের নিম্নপ্রান্তের ব্যাপারে কী করিবে?’ তিনি বলিলেন, ‘‘আধ হাত বেশী ঝুলাবে।’’ উম্মে সালামাহ বলিলেন, ‘তাহলে তো তাহাদের পায়ের পাতা খোলা যাবে!’ তিনি বলিলেন, ‘‘তাহলে এক হাত পর্যন্ত নীচে ঝুলাবে; তার বেশী নয়।’’ [আবূ দাউদ ও তিরমিযী][12]


[1] আমি [আলবানী] বলছিঃ এর মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে। দেখুন ‘‘সিলসিলাহ্ য‘ঈফা’’ [২৪৫৮]। এর সনদের মধ্যে শাহর ইবনু হাওশাব নামক এক বর্ণনাকারী রয়েছেন তিনি মন্দ হেফয শক্তির কারণে দুর্বল। হাফেয ইবনু হাজার ‘‘আত্তাক্বরীব’’ গ্রন্থে বলেনঃ তিনি সত্যবাদী, বেশী বেশী মুরসাল এবং সন্দেহমূলক বর্ণনাকারী। আবূ হাতিম ও ইবনু আদী প্রমুখও বলেছেন তার হেফ্য শক্তিতে দুর্বলতা ছিল। [দেখুন ‘‘য‘ঈফা’’ হাদীস নং ৬৮৩৬]। তিরমিযী ১৭৬৫, ৪০২৭

[2] সহীহুল বুখারী ৩৬৬৫, ৫৭৮৩, ৫৭৮৪, ৫৭৯১, ৬০৬২, মুসলিম ২০৮৫, তিরমিযী ১৭৩০, ১৭৩১, নাসায়ী ৫৩২৭, ৫৩২৮, ৫৩৩৫, ৫৩৩৬, আবূ দাউদ ৪০৮৫, ইবনু মাজাহ ৩৫৬৯, আহমাদ ৪৪৭৫, ৪৫৫৩, ৪৬৬৯, ৪৭৫৯, ৪৮৬৯, ৪৯৯৪, ৫০১৮, ৫০৩০, ৫০৩৫, ৫১৫১, ৫১৬৬, ৫২২৬, ৫৩০৫, ৫৩১৮, ৫৩২৮, ৫৩৫৪, ৫৪১৬, ৫৪৩৭, ৫৫১০, মুওয়াত্তা মালেক ১৬৯৬, ১৬৯৮

[3] সহীহুল বুখারী ৫৭৮৮, মুসলিম ২০৮৭, আহমাদ ৮৭৭৮, ৮৯১০, ৯০৫০, ৯২৭০, ৯৫৪৫, ৯৮৫১, ১০১৬৩, ২৭২৫৩, মুওয়াত্তা মালেক ১৬৯৮

[4] সহীহুল বুখারী  ৫৭৮৭, নাসায়ী ৫৩৩০, ৫৩৩১ , আহমাদ ৭৪১৭, ৭৭৯৭, ৯০৬৪, ৯৬১৮, ১০১৭৭,

[5] মুসলিম ১০৬, তিরমিযী ১২১১, নাসায়ী ২৫৬৩, ২৬৫৪, ৪৪৫৮, ৪৪৬৯, ৫৩৩৩, আবূ দাউদ ৪০৮৭, ইবনু মাজাহ ২২০৮, আহমাদ ২০৮১১, ২০৮৯৫, ২০৯২৫, ২০৯৭০, ২১০৩৪, দারেমী ২৬০৫

[6] সহীহুল বুখারী  ৩৬৬৫, ৫৭৮৩, ৫৭৮৪, ৫৭৯১, ৬০৬২, মুসলিম ২০৮৫, তিরমিযী ১৭৩০, ১৭৩১, আবূ দাউদ ৪০৮৫, ৪০৯৪, নাসায়ী ৫৩২৭, ৫৩২৮, ৫৩৩৫, ৫৩৩৬, ইবনু মাজাহ ৩৫৬৯, আহমাদ ৪৪৭৫, ৪৫৫৩, ৪৯৯৪, ৫০১৮, ৫০৩৫, ৫১৫১, ৫১৬৬, ৫২২৬, ৫৩০৫, ৫৩২৮, ৫৩৫৪, ৫৪১৬, ৫৫১০ , ৬১৬৮, ৬৩০৪, মুওয়াত্তা মালেক ১৬৯৬, ১৬৯৮

[7] আবূ দাউদ ৪০৮৪, তিরমিযী ২৭২১, আহমাদ ১৫৫২৫

[8] এ সহীহ্ আখ্যা দানের ব্যাপারে সুস্পষ্ট বিরূপ মন্তব্য রয়েছে। সে সম্পর্কে আমি ‘‘তাখরীজুল মিশকাত’’ গ্রন্থে [হাঃ নং ৭৬১] এবং ‘‘য‘ঈফু আবী দাঊদ’’ গ্রন্থে [নং ৯৬] ব্যাখ্যা প্রদান করেছি। এর সনদের মধ্যে আবূ জা‘ফার নামে এক বর্ণনাকারী রয়েছেন তিনি অপরিচিত, তাকে চেনা যায় না। এ বর্ণনাকারী সম্পর্কে শাইখ আলবানী ‘‘য‘ঈফু আবী দাঊদ-আলউম্ম-’’ গ্রন্থে [নং ৯৬] বিস্তারিত আলোচনা করিয়াছেন। আবূ দাউদ ৪০৮৬, ইবনুল কাত্তানও আবূ জাফারকে মাজহূল বলেছেন।

[9] আবূ দাঊদ [৪০৮৯] হাসান সনদে বর্ণনা করিয়াছেন। কিন্তু কায়েস ইবনু বিশ্র নির্ভরযোগ্য নাকি দুর্বল? এ সম্পর্কে মুহাদ্দিসগণ মতবিরোধ করিয়াছেন। আর তার থেকে ইমাম মুসলিম হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। আমি [আলবানী] বলছিঃ সুস্পষ্টভাবে কেউ তাকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন দেখছি না। তবে হাদীসটির সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে তার পিতা থেকে। কারণ তার পরিচয় সম্পর্কে জানা যায় না। দেখুন ‘‘ইরওয়াউল গালীল’’ [২১২৩]। হাফিয যাহাবী ‘‘আলমীযান’’ গ্রন্থে কায়েস ইবনু বিশর এবং তার পিতা সম্পর্কে বলেনঃ তাহাদের দু’জনকেই চেনা যায় না।

[10] আবূ দাউদ ৪০৯৩, ইবনু মাজাহ ৩৫৭০, ৩৫৭৩, আহমাদ ১০৬২৭, ১০৬৪৫, ১০৮৬৩, ১১০০৪, ১১০৯৫, ১১৫১৫, মুওয়াত্তা মালেক ১৬৯৯

[11] সহীহুল বুখারী  ৩৪৮৫, ৩৬৬৫, ৫৭৮৩, ৫৭৮৪, ৫৭৯১, মুসলিম ২০৮৫, ২০৮৬, তিরমিযী ১৭৩১, নাসায়ী ৪৩২৬, ৪৩২৭, ৪৩২৮, ৫৩৩৫, ৫৩৩৬, আবূ দাউদ ৪০৮৫, ৪০৯৪, ইবনু মাজাহ ৩৫৬৯, আহমাদ ৪৪৭৫, ৪৫৫৩, ৪৮৬৯, ৪৯৯৪, ৫০১৮, ৫০৩০,৫০৩৫, ৫১৫১, ৫১৬৬, ৫২২৬, ৫৩০৫, ৫৩১৮, ৫৩২৮, মুওয়াত্তা মালেক ১৬৯২, ১৬৯৮

[12] ৭৯৫ এর মত

By রিয়াদুস সালেহিন

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply