জিহাদে গমন, নিয়ত, বাধা দান ও ভীরুতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা

জিহাদে গমন, নিয়ত, বাধা দান ও ভীরুতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা

জিহাদে গমন, নিয়ত, বাধা দান ও ভীরুতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা >> বুখারী শরীফ এর মুল সুচিপত্র পড়ুন

পর্বঃ ৫৬, জিহাদ, অধ্যায়ঃ (২১-৪২)=২২টি

৫৬/২১. অধ্যায়ঃ পৃথিবীতে আবার ফিরে আসার জন্য মুজাহিদদের কামনা।
৫৬/২২. অধ্যায়ঃ জান্নাত হল তলোয়ারের ঝলকানির তলে।
৫৬/২৩. অধ্যায়ঃ জিহাদের উদ্দেশ্যে যে সন্তান চায়।
৫৬/২৪. অধ্যায়ঃ যুদ্ধে সাহসিকতা ও ভীরুতা।
৫৬/২৫. অধ্যায়ঃ ভীরুতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা।
৫৬/২৬. অধ্যায়ঃ যুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা।
৫৬/২৭. অধ্যায়ঃ জিহাদে গমন ওয়াজিব এবং জিহাদ ও তার নিয়্যাতের আবশ্যকতা।
৫৬/২৮. অধ্যায়ঃ কোন কাফির যদি কোন মুসলিমকে হত্যা করে, অতঃপর ইসলাম গ্রহণ করতঃ দ্বীনের উপর অবিচল থেকে আল্লাহর পথে নিহত হয়।
৫৬/২৯. অধ্যায়ঃ যে ব্যক্তি জিহাদকে সিয়ামের উপর অগ্রগণ্য করে।
৫৬/৩০. অধ্যায়ঃ নিহত হওয়া ব্যতীতও সাত ধরনের শাহাদাত আছে।
৫৬/৩১. অধ্যায়ঃ আল্লাহ তাআলার বাণীঃ গৃহে উপবিষ্ট মুসলমান-যাদেরও কোন সঙ্গত ওযর নেই এবং ঐ মুসলমান যারা জান ও মাল দ্বারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে-সমান নয়। যারা জান ও মাল দ্বারা জিহাদ করে, আল্লাহ তাদের পদমর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন গৃহে উপবিষ্টদের তুলনায় এবং প্রত্যেকের সাথেই আল্লাহ কল্যাণের ওয়াদা করিয়াছেন। আল্লাহ মুজাহিদ্বীনকে উপবিষ্টদের উপর মহান প্রতিদানে শ্রেষ্ঠ করিয়াছেন। এগুলো তাহাঁর পক্ষ থেকে পদমর্যাদা, ক্ষমা ও করুণা; আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুণাময়। (আন-নিসা ৯৫-৯৬)
৫৬/৩২. অধ্যায়ঃ যুদ্ধের সময় ধৈর্য অবলম্বন।
৫৬/৩৩. অধ্যায়ঃ জিহাদে উদ্বুদ্ধকরণ।
৫৬/৩৪. অধ্যায়ঃ পরিখা খনন করা।
৫৬/৩৫. অধ্যায়ঃ ওযর যাকে জিহাদে গমন করিতে বাধা দান করে।
৫৬/৩৬. অধ্যায়ঃ আল্লাহর পথে থাকা অবস্থায় সিয়াম পালনের ফযীলত।
৫৬/৩৭. অধ্যায়ঃ আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করার ফযীলত।
৫৬/৩৮. অধ্যায়ঃ সৈনিককে আসবাব সজ্জিত করার কিংবা তার রেখে যাওয়া পরিবারের কল্যাণ করার ফযীলত।
৫৬/৩৯. অধ্যায়ঃ যুদ্ধের সময় সুগন্ধির ব্যবহার।
৫৬/৪০. অধ্যায়ঃ দুশমনের তথ্যানুসন্ধানী দলের ফযীলত।
৫৬/৪১. অধ্যায়ঃ একজন তথ্যানুসন্ধানী পাঠানো যায় কি?
৫৬/৪২. অধ্যায়ঃ দুজনের সফর।

৫৬/২১. অধ্যায়ঃ পৃথিবীতে আবার ফিরে আসার জন্য মুজাহিদদের কামনা।

২৮১৭

আনাস ইবনু মালিক (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

নাবী (সাঃআঃ) বলেছেন, জান্নাতে প্রবেশের পর আর কেউ দুনিয়ায় ফিরে আসার আকাঙক্ষা করিবে না, যদিও দুনিয়ার সকল জিনিস তাকে দেয়া হয়। একমাত্র শহীদ ব্যতীত; সে দুনিয়ায় ফিরে আসার আকাঙক্ষা করিবে যেন দশবার শহীদ হয়। কেননা সে শাহাদাতের মর্যাদা দেখেছে।

৫৬/২২. অধ্যায়ঃ জান্নাত হল তলোয়ারের ঝলকানির তলে।

মুগীরাহ ইবনু শুবা (রাদি.) বলেন, নাবী (সাঃআঃ) আমাদের জানিয়েছেন, আমাদের প্রতিপালকের পয়গাম। আমাদের মধ্যে যে শহীদ হলো সে জান্নাতে পৌঁছে গেল।

উমর (রাদি.) নাবী (সাঃআঃ)-কে বলেন, আমাদের শহীদগণ জান্নাতবাসী আর তাদের নিহতরা কি জাহান্নামবাসী নয়? আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) বলেন, হ্যাঁ।

২৮১৮

উমর ইবনু উবায়দুল্লাহ-এর আযাদকৃত গোলাম ও তার কাতিব সালিম আবুন নাযর (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু আবু আওফা (রাদি.) তাঁকে লিখেছিলেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) বলেছেন, তোমরা জেনে রাখ, তরবারির ছায়া-তলেই জান্নাত।

উয়াইসী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) ইবনু আবু যিনাদ (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর মাধ্যমে মূসা ইবনু উকবা (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) থেকে হাদীস বর্ণনার ব্যাপারে মুআবিয়াহ ইবনু আমর (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) আবু ইসহাক (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর মাধ্যমে মূসা ইবনু উকবা (রাদি.) হইতে বর্ণিত হাদীসের অনুসরণ করিয়াছেন।

৫৬/২৩. অধ্যায়ঃ জিহাদের উদ্দেশ্যে যে সন্তান চায়।

২৮১৯

আবু হুরাইরা (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) বলেছেন, সুলায়মান ইবনু দাউদ (আঃ) বলেছিলেন, আজ রাতে আমি একশ অথবা বলেছেন নিরানব্বই জন স্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গত হব। তাদের প্রত্যেকেই একজন বীর মুজাহিদ প্রসব করিবে। তার একজন সাথী বলিলেন, বলুন ইন শা আল্লাহ! কিন্তু তিনি ইন শা আল্লাহ বলেননি। ফলে একজন স্ত্রী ব্যতীত কেউই গর্ভবতী হলেন না। তিনিও একটি অপূর্ণাঙ্গ সন্তান প্রসব করিলেন। সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে মুহাম্মদ (সাঃআঃ)-এর প্রাণ, যদি তিনি ইন শা আল্লাহ বলিতেন, তবে সকলের সন্তান হত এবং তারা সকলেই ঘোড় সওয়ার হয়ে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করত।

৫৬/২৪. অধ্যায়ঃ যুদ্ধে সাহসিকতা ও ভীরুতা।

২৮২০

আনাস (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নাবী (সাঃআঃ) সর্বাপেক্ষা সুশ্রী, সাহসী ও দানশীল ছিলেন। মদীনাবাসীগণ একবার ভীত-শংকিত হয়ে পড়ল। নাবী (সাঃআঃ) ঘোড়ায় চড়ে সবার আগে এগিয়ে গিয়ে বলিলেন, আমরা এটিকে সমুদ্রের মত পেয়েছি।

২৮২১

জুবাইর ইবনু মুতইম (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

হুনাইন থেকে ফেরার পথে তিনি আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ)-এর সঙ্গে চলছিলেন। তাহাঁর সঙ্গে আরো অনেক সাহাবী ছিলেন। এমন সময় কিছু গ্রাম্য ব্যক্তি এসে তাঁকে জড়িয়ে ধরল এবং তাদের কিছু দেয়ার জন্য পীড়াপীড়ি শুরু করিল। এমনকি তারা তাঁকে একটি গাছের নিকট নিয়ে গেল এবং তাহাঁর চাদর আটকে গেল। নাবী (সাঃআঃ) সেখানে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং বলিলেন, আমার চাদরটি ফিরিয়ে দাও। আমার নিকট যদি এই সব কাঁটাদার গাছের পরিমাণ বক্‌রী থাকত, তাহলে এর সবই তোমাদের ভাগ করে দিতাম। আর তোমরা আমাকে কৃপণ, মিথ্যুক ও কাপুরুষ দেখিতে পেতে না।

৫৬/২৫. অধ্যায়ঃ ভীরুতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা।

২৮২২

আমর ইবনু মায়মূন আউদী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) হইতে বর্ণিতঃ

শিক্ষক যেমন ছাত্রদের লেখা শিক্ষা দেন, সাদ (রাদি.) তেমনি তাহাঁর সন্তানদের এ বাক্যগুলো শিক্ষা দিতেন এবং বলিতেন, আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) সালাতের পর এগুলো থেকে পানাহ চাইতেন, হে আল্লাহ! আমি ভীরুতা, অতি বার্ধক্য, দুনিয়ার ফিতনা ও কবরের শাস্তি থেকে আপনার নিকট পানাহ চাই। রাবী বলেন আমি মুসআব (রাদি.)-এর নিকট হাদীসটি বর্ণনা করলে তিনি এটির সত্যতা স্বীকার করেন।

২৮২৩

আনাস ইবনু মালিক (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) এই দুআ করিতেন, হে আল্লাহ! আমি অক্ষমতা, ভীরুতা ও বার্ধক্য থেকে আপনার নিকট পানাহ চাচ্ছি এবং জীবন ও মরণের ফিতনা থেকে এবং কবরের আযাব থেকে আপনার নিকট পানাহ চাচ্ছি।

৫৬/২৬. অধ্যায়ঃ যুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা।

আবু উসমান (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) তা সাদ (রাদি.) থেকে বর্ণনা করিয়াছেন

২৮২৪

সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি ত্বলহা ইবনু উবায়দুল্লাহ, সাদ, মিকদাদ ইবনু আসওয়াদ এবং আবদুর রাহমান ইবনু আওফ (রাদি.)-এর সাহচর্য লাভ করেছি। আমি তাদের কাউকে আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) থেকে হাদীস বর্ণনা করিতে শুনিনি। তবে ত্বলহা (রাদি.)-কে উহুদ যুদ্ধের ঘটনাবলী বর্ণনা করিতে শুনিয়াছি।

৫৬/২৭. অধ্যায়ঃ জিহাদে গমন ওয়াজিব এবং জিহাদ ও তার নিয়্যাতের আবশ্যকতা।

আল্লাহ তাআলার বাণীঃ তোমরা অভিযানে বের হয়ে পড়; স্বল্প সরঞ্জামের সাথে কিংবা প্রচুর সরঞ্জামের সাথে; এবং জিহাদ কর আল্লাহর পথে নিজেদের মাল দিয়ে ও নিজেদের জান দিয়ে। এটাই তোমাদের জন্য শ্রেয়, যদি তোমরা জানতে। যদি আশু লাভের সম্ভবনা থাকত এবং সফরও সহজ হত, তবে তারা অবশ্যই আপনার অনুগামী হত, কিন্তু তাদের কাছে যাত্রাপথ দীর্ঘ মনে হল। আর তারা এখনই আল্লাহর নামে শপথ করে বলবেঃ আমাদের সাধ্য থাকলে নিশ্চয়ই আমরা তোমাদের সাথে বের হতাম। তারা নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস করছে। আল্লাহ জানেন যে, তারা তো মিথ্যাবাদী। (আত তওবা ৪১-৪২)

আল্লাহ তাআলা আরো বলেনঃ ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের কী হল? যখন তোমাদের আল্লাহর পথে অভিযানে বের হইতে বলা হয় তখন তোমরা ভারাক্রান্ত হয়ে মাটিতে ঝুঁকে পড়। তবে কি তোমরা আখিরাতের পরিবর্তে পার্থিব জীবনে তুষ্ট হয়ে গেলে? বস্তুত আখিরাতের তুলনায় পার্থিব জীবনের ভোগের উপকরণ নিতান্ত অকিঞ্চিৎকর। (আত তওবা ৩৮-৩৯)

ইবনু আব্বাস (রাদি.) থেকে উল্লেখ রয়েছে, (আরবী) অর্থ হলো- বিভিন্ন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দলে বিভক্ত হয়ে তোমরা জিহাদের জন্য বেরিয়ে পড়। (আরবী) শব্দটির একবচন (আরবী) অর্থ ক্ষুদ্র দল।

২৮২৫

ইবনু আব্বাস (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

নাবী (সাঃআঃ) মক্কা বিজয়ের দিন বলেছিলেন, এই বিজয়ের পর আর হিজরতের প্রয়োজন নেই। এখন কেবল জিহাদ ও নিয়ত। যখনই তোমাদের বের হবার আহবান জানানো হইবে, তখনই তোমরা বেরিয়ে পড়বে।

৫৬/২৮. অধ্যায়ঃ কোন কাফির যদি কোন মুসলিমকে হত্যা করে, অতঃপর ইসলাম গ্রহণ করতঃ দ্বীনের উপর অবিচল থেকে আল্লাহর পথে নিহত হয়।

২৮২৬

আবু হুরাইরা (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) বলেছেন, দুব্যক্তির ক্ষেত্রে আল্লাহ হাসেন। যারা একে অপরকে হত্যা করে উভয়ই জান্নাতবাসী হইবে। একজন তো এ কারণে জান্নাতবাসী হইবে যে, সে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করে শহীদ হয়েছে। অতঃপর আল্লাহ তাআলা হত্যাকারীর তওবা কবুল করিয়াছেন। ফলে সেও আল্লাহর রাস্তায় শহীদ বলে গণ্য হয়েছে।

২৮২৭

আবু হুরাইরা (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, খায়বার বিজয়ের পর আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ)-এর সেখানে অবস্থানকালেই আমি তাহাঁর নিকট গিয়ে বললাম, হে আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ)! আমাকেও অংশ দিন। তখন সাঈদ ইবনু আসের কোন এক পুত্র বলে উঠল, হে আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ)! তাকে অংশ দিবেন না। আবু হুরাইরা (রাদি.) বলিলেন, সে তো ইবনু কাউকালের হত্যাকারী। তা শুনে সাঈদ ইবনু আসের পুত্র বলিলেন, যান পাহাড়ের নিম্নদেশ থেকে আমাদের নিকট আগত বিড়াল মাশি জন্তুটি, তার কথায় আশ্চর্য বোধ করছি, সে আমাকে এমন একজন মুসলিমকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করেছে যাকে আল্লাহ তাআলা আমার হাতে সম্মানিত করিয়াছেন এবং যার দ্বারা আমাকে লাঞ্চিত করেননি। আব্বাস (রাদি.) বলেন, পরে তাকে অংশ দিয়েছেন কি দেননি, তা আমার জানা নেই। সুফিয়ান (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) বলেন, আমাকে সাঈদী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) তার দাদার মাধ্যমে আবু হুরাইরা (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করিয়াছেন। আবু আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী) (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) বলেন, সাঈদী হলেন, আমর ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ইবনু আমর ইবনু সাঈদ ইবনু আস।

৫৬/২৯. অধ্যায়ঃ যে ব্যক্তি জিহাদকে সিয়ামের উপর অগ্রগণ্য করে।

২৮২৮

আনাস ইবনু মালিক (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নাবী (সাঃআঃ)-এর জীবদ্দশায় আবু ত্বলহা (রাদি.) জিহাদের কারণে সিয়াম পালন করিতেন না। কিন্তু আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ)-এর ইনতিকালের পর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আয্‌হা ব্যতীত তাকে কখনো সিয়াম বাদ দিতে দেখিনি।

৫৬/৩০. অধ্যায়ঃ নিহত হওয়া ব্যতীতও সাত ধরনের শাহাদাত আছে।

২৮২৯

আবু হুরাইরা (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) বলেছেন, পাঁচ প্রকার মৃত শহীদঃ মহামারীতে মৃত, পেটের পীড়ায় মৃত, পানিতে ডুবে মৃত, ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে মৃত এবং যে আল্লাহর পথে শহীদ হলো।

২৮৩০

আনাস ইবনু মালিক (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) বলেছেন, মহামারীতে মৃত্যু হওয়া প্রতিটি মুসলিমের জন্য শাহাদাত।

৫৬/৩১. অধ্যায়ঃ আল্লাহ তাআলার বাণীঃ গৃহে উপবিষ্ট মুসলমান-যাদেরও কোন সঙ্গত ওযর নেই এবং ঐ মুসলমান যারা জান ও মাল দ্বারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে-সমান নয়। যারা জান ও মাল দ্বারা জিহাদ করে, আল্লাহ তাদের পদমর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন গৃহে উপবিষ্টদের তুলনায় এবং প্রত্যেকের সাথেই আল্লাহ কল্যাণের ওয়াদা করিয়াছেন। আল্লাহ মুজাহিদ্বীনকে উপবিষ্টদের উপর মহান প্রতিদানে শ্রেষ্ঠ করিয়াছেন। এগুলো তাহাঁর পক্ষ থেকে পদমর্যাদা, ক্ষমা ও করুণা; আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুণাময়। (আন-নিসা ৯৫-৯৬)

২৮৩১

বারা (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, —— আয়াতটি নাযিল হলে আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) যায়দ (রাদি.)-কে ডেকে আনলেন। তিনি কোন জন্তুর একটি চওড়া হাড় নিয়ে আসেন এবং তাতে উক্ত আয়াতটি লিখে রাখেন। ইবনু উম্মু মাকতুম জিহাদে শরীক হওয়ার ব্যাপারে তাহাঁর অক্ষমতা প্রকাশ করলে —– আয়াতটি নাযিল হল।

২৮৩২

সাহল ইবনু সাদ সাঈদী (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন যে, আমি মারওয়ান ইবনু হাকামকে মসজিদে উপবিষ্ট অবস্থায় দেখলাম। অতঃপর আমি তাহাঁর দিকে এগিয়ে গেলাম এবং তাহাঁর পাশে গিয়ে বসলাম। তিনি আমাকে বর্ণনা করেন যে, যায়দ ইবনু সাবিত (রাদি.) তাঁকে জানিয়েছেন, আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) তাহাঁর উপর অবতীর্ণ আয়াত, “মুসলিমদের মধ্যে যারা ঘরে বসে থাকে এবং যারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে তারা সমান নয়” (আন-নিসাঃ ৯৫) যখন তাকে দিয়ে লিখেছিলেন, ঠিক সে সময় অন্ধ ইবনু উম্মু মাকতুম (রাদি.) সেখানে উপস্থিত হয়ে বলিলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমি যদি জিহাদে যেতে সক্ষম হতাম, তবে অবশ্যই অংশ গ্রহণ করতাম। সে সময় আল্লাহ তাআলা তাহাঁর রাসুল (সাঃআঃ)-এর উপর ওয়াহী নাযিল করেন। তখন আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ)-এর উরু আমার উরুর উপর রাখা ছিল এবং তা আমার নিকট এতই ভারী মনে হচ্ছিল যে, আমি আমার উরু ভেঙ্গে যাবার আশংকা করছিলাম। অতঃপর ওয়াহী অবতীর্ণ হবার অবস্থা দূর হল, এ সময় —— আয়াতটি আল্লাহ নাযিল করেন।

৫৬/৩২. অধ্যায়ঃ যুদ্ধের সময় ধৈর্য অবলম্বন।

২৮৩৩

সালিম আবু নাযর (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) হইতে বর্ণিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু আবু আওফা (রাদি.) লিখে পাঠালেন, আর আমি তাতে পড়লাম যে, আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) বলেছেন, যখন তোমরা তাদের (শত্রুদের) মুখোমুখী হইবে তখন ধৈর্য অবলম্বন করিবে।

৫৬/৩৩. অধ্যায়ঃ জিহাদে উদ্বুদ্ধকরণ।

আল্লাহ তাআলার বাণীঃ (জিহাদের জন্য মুমিনদের উদ্বুদ্ধ করুন) (আল-আনফালঃ ৬৫)

২৮৩৪

আনাস (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) খন্দকের দিকে বের হলেন, হিম শীতল সকালে আনসার ও মুহাজিররা পরিখা খনন করছেন, আর তাদের এ কাজ করার জন্য তাদের কোন গোলাম ছিল না। যখন তিনি তাদের দেখিতে পেলেন যে, তারা কষ্ট এবং ক্ষুধায় আক্রান্ত, তখন বলিলেন,

হে আল্লাহ! সত্যিকারের আয়েশ হচ্ছে আখেরাতের আয়েশ। তুমি আনসার ও মুহাজিরদের ক্ষমা করে দাও।

এর উত্তরে তারা বলে উঠেনঃ

আমরা তারাই যারা মুহাম্মাদের হাতে বায়আত করেছি জিহাদের, যদ্দিন আমরা বেঁচে আছি।

৫৬/৩৪. অধ্যায়ঃ পরিখা খনন করা।

২৮৩৫

আনাস (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আনসার ও মুহাজিরগণ মদীনার পাশে পরিখা খনন করছিলেন এবং তারা পিঠে করে মাটি বহন করছিলেন। আর তারা এই কবিতা আবৃত্তি করছিলেনঃ

আমরা ইসলামের উপর মুহাম্মাদের হাতে বায়আত নিয়েছি, ততদিন পর্যন্ত যদ্দিন আমরা বেঁচে থাকি।

আর নাবী (সাঃআঃ) তাদের উত্তরে বলেছিলেনঃ

হে আল্লাহ! আখিরাতের কল্যাণ ব্যতীত কোন কল্যাণ নেই। তাই আনসার ও মুহাজিরদের প্রতি বরকত নাযিল করুন।

২৮৩৬

বারা (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

নাবী (সাঃআঃ) মাটি উঠাচ্ছিলেন এবং বলছিলেন, যদি আপনি না হইতেন তাহলে আমরা হিদায়াত লাভ করতাম না।

২৮৩৭

বারা (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আহযাবের দিন আমি আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ)-কে দেখেছি যে, তিনি মাটি বহন করছেন। আর তাহাঁর পেটের শুভ্রতা মাটি ঢেকে ফেলেছে। সে সময় তিনি আবৃত্তি করছিলেন, (হে আল্লাহ):

আপনি না হলে আমরা হিদায়াত পেতাম না;

সদকা দিতাম না এবং সালাত আদায় করতাম না।

তাই আমাদের উপর শান্তি নাযিল করুন।

যখন আমরা শত্রু সম্মুখীন হই তখন আমাদের পা সুদৃঢ় করুন।

ওরা আমাদের বিরুদ্ধাচরণ করেছে।

তারা যখনই কোন ফিতনা সৃষ্টি করিতে চায় তখনই আমরা তা থেকে বিরত থাকি।

৫৬/৩৫. অধ্যায়ঃ ওযর যাকে জিহাদে গমন করিতে বাধা দান করে।

২৮৩৮

আনাস (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমরা তাবূকের যুদ্ধ থেকে নাবী (সাঃআঃ)-এর সঙ্গে প্রত্যাবর্তন করেছি।

২৮৩৯

আনাস (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

নাবী (সাঃআঃ) এক যুদ্ধে ছিলেন, তখন তিনি বলিলেন, কিছু ব্যক্তি মদীনায় আমাদের পেছনে রয়েছে। আমরা কোন ঘাঁটি বা কোন উপত্যকায় চলিনি, তাদের সঙ্গে ব্যতীত। ওযরই তাদের বাধা দিয়েছে।

৫৬/৩৬. অধ্যায়ঃ আল্লাহর পথে থাকা অবস্থায় সিয়াম পালনের ফযীলত।

২৮৪০

আবু সাঈদ খুদরী (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন আমি নাবী (সাঃআঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছি, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় এক দিনও সিয়াম পালন করে, আল্লাহ তার মুখমন্ডলকে দোযখের আগুন হইতে সত্তর বছরের রাস্তা দূরে সরিয়ে নেন।

৫৬/৩৭. অধ্যায়ঃ আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করার ফযীলত।

২৮৪১

আবু হুরাইরা (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

নাবী (সাঃআঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় দুটি করে কোন জিনিস ব্যয় করিবে, জান্নাতের প্রত্যেক দরজায় প্রহরী তাকে ডাক দিবে। (তারা বলবে), হে অমুক। এদিকে আস। আবু বকর (রাদি.) বলিলেন, হে আল্লাহর রাসুল! তাহলে তো তার জন্য কোন ক্ষতি নেই। নাবী (সাঃআঃ) বলিলেন, আমি আশা করি যে, তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত হইবে।

২৮৪২

আবু সাঈদ খুদরী (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) মিম্বারে দাঁড়ালেন এবং বলিলেন, আমি আমার পর তোমাদের জন্য ভয় করি এ ব্যাপারে যে, তোমাদের জন্য দুনিয়ার কল্যাণের দরজা খুলে দেয়া হইবে। অতঃপর তিনি দুনিয়ার নিয়ামতের উল্লেখ করেন। এতে তিনি প্রথমে একটির কথা বলেন, পরে দ্বিতীয়টির বর্ণনা করেন। এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করিল, হে আল্লাহর রাসুল! কল্যাণও কি অকল্যাণ বয়ে আনবে? নাবী (সাঃআঃ) নীরব রইলেন, আমরা বললাম, তাহাঁর উপর ওয়াহী নাযিল হচ্ছে। সমস্ত লোকও এমনভাবে নীরবতা অবলম্বন করিল, যেন তাদের মাথার উপর পাখী বসে আছে। অতঃপর আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) মুখের ঘাম মুছে বলিলেন, সেই প্রশ্নকারী কোথায়? তা কী কল্যাণকর? তিনি তিনবার এ কথাটি বলিলেন। কল্যাণ কল্যাণই বয়ে আনে। আর এতে কোন সন্দেহ নেই যে, বসন্তকালীন উদ্ভিদ পশুকে ধ্বংস অথবা ধ্বংসের মুখে নিয়ে আসে। কিন্তু যে পশু সেই ঘাস এ পরিমাণ খায় যাতে তার ক্ষুধা মিটে, অতঃপর রোদ পোহায় এবং মলমূত্র ত্যাগ করে, অতঃপর আবার ঘাস খায়। নিশ্চয় এ মাল সবুজ শ্যামল সুস্বাদু। সেই মুসলিমের সম্পদই উত্তম যে ন্যায়সঙ্গতভাবে তা উপার্জন করেছে এবং আল্লাহর পথে, ইয়াতীম ও মিসকীন ও মুসাফিরের জন্য খরচ করেছে। আর যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে অর্জন করে তার দৃষ্টান্ত এমন ভক্ষণকারীর মত যার ক্ষুধা মিটে না এবং তা কিয়ামতের দিন তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে।

৫৬/৩৮. অধ্যায়ঃ সৈনিককে আসবাব সজ্জিত করার কিংবা তার রেখে যাওয়া পরিবারের কল্যাণ করার ফযীলত।

২৮৪৩

যায়দ ইবনু খালিদ (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদকারীর আসবাবপত্র সরবরাহ করিল সে যেন জিহাদ করিল। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে কোন জিহাদকারীর পরিবার-পরিজনকে উত্তমরূপে দেখাশোনা করিল, সেও যেন জিহাদ করিল।

২৮৪৪

আনাস (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

নাবী (সাঃআঃ) মদীনায় উম্মু সুলাইম ছাড়া কারো ঘরে যাতায়াত করিতেন না তাহাঁর স্ত্রীদের ব্যতীত। এ ব্যাপারে আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, উম্মু সুলাইমের ভাই আমার সঙ্গে জিহাদে শরীক হয়ে সে শহীদ হয়েছে, তাই আমি তার প্রতি সহানুভূতি জানাই।

৫৬/৩৯. অধ্যায়ঃ যুদ্ধের সময় সুগন্ধির ব্যবহার।

২৮৪৫

মূসা ইবনু আনাস (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি ইয়ামামার যুদ্ধ সম্পর্কে বলেন, তিনি সাবিত ইবনু কায়সের নিকট গিয়ে দেখিতে পেলেন যে, তিনি তার উভয় উরু থেকে কাপড় সরিয়ে সুগন্ধি ব্যবহার করছেন। আনাস (রাদি.) জিজ্ঞেস করিলেন, হে চাচা! যুদ্ধে যাওয়া থেকে আপনাকে কিসে বিরত রাখল? তিনি বলিলেন, ভাতিজা, এখনই যাব। অতঃপর তিনি সুগন্ধি মালিশ করিতে লাগলেন। অতঃপর তিনি বসলেন এবং যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে লোকদের পালিয়ে যাওয়া নিয়ে আলোচনা করিলেন। তিনি বলিলেন, তোমরা আমাদের সম্মুখ থেকে সরে যাও। যাতে আমরা শত্রুর মুখোমুখি লড়তে পারি। আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ)-এর সঙ্গে আমরা কখনো এরূপ করিনি। কত নিকৃষ্ট তা যা তোমরা তোমাদের শত্রুদেরকে অভ্যস্ত করেছ। হাম্মাদ (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) সাবিত (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) সূত্রে আনাস (রাদি.) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করিয়াছেন।

৫৬/৪০. অধ্যায়ঃ দুশমনের তথ্যানুসন্ধানী দলের ফযীলত।

২৮৪৬

জাবির (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, খন্দকের যুদ্ধের সময় আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) বলিলেন, কে আমাকে শত্রু পক্ষের খবরাখবর এনে দিবে? যুবাইর (রাদি.) বলিলেন, আমি আনব। তিনি আবার বলিলেন, আমার শত্রু পক্ষের খবরাখবর কে এনে দিবে? যুবায়র (রাদি.) আবারও বলিলেন, আমি আনব। অতঃপর নাবী (সাঃআঃ) বলিলেন, প্রত্যেক নাবীরই সাহায্যকারী থাকে আর আমার সাহায্যকারী যুবাইর।

৫৬/৪১. অধ্যায়ঃ একজন তথ্যানুসন্ধানী পাঠানো যায় কি?

২৮৪৭

জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

নাবী (সাঃআঃ) লোকদের ডাক দিলেন। সদকা (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) বলেন, আমার মনে হয়, এটি খন্দকের যুদ্ধের সময়ের ঘটনা। যুবাইর (রাদি.) তাহাঁর ডাকে সাড়া দিলেন। তিনি আবার লোকদের আহ্বান করিলেন, এবারও যুবাইর (রাদি.) সাড়া দিলেন। আল্লাহর রাসুল (সাঃআঃ) পুনরায় লোকদের ডাক দিলেন। এবারও কেবল যুবাইর (রাদি.) সাড়া দিলেন। তখন নাবী (সাঃআঃ) বলিলেন, প্রত্যেক নাবীর জন্য বিশেষ সাহায্যকারী থাকে। আমার বিশেষ সাহায্যকারী যুবাইর ইবনু আওয়াম (রাদি.)।

৫৬/৪২. অধ্যায়ঃ দুজনের সফর।

২৮৪৮

মালিক ইবনু হুয়ায়রিস (রাদি.) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি নাবী (সাঃআঃ)-এর নিকট হইতে ফিরে এলাম। তিনি আমাকে ও আমার একজন সঙ্গীকে বলিলেন, তোমরা আযান দিবে ও ইকামত দিবে এবং তোমাদের মধ্যে যে বয়সে বড় সে ইমামত করিবে।

By ইমাম বুখারী

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply