নতুন লেখা

মৃত ব্যক্তির কাছে জান্নাত কিংবা জাহান্নামের ঠিকানা উপস্থিত করা হয়

মৃত ব্যক্তির কাছে জান্নাত কিংবা জাহান্নামের ঠিকানা উপস্থিত করা হয়

মৃত ব্যক্তির কাছে জান্নাত কিংবা জাহান্নামের ঠিকানা উপস্থিত করা হয় >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

১৭. অধ্যায়ঃ মৃত ব্যক্তির কাছে জান্নাত কিংবা জাহান্নামের ঠিকানা উপস্থিত করা হয় , আর কবরের শাস্তি প্রমাণ করা এবং তাত্থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করা

৭১০৩. ইবনি উমর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেনঃ তোমাদের কোন লোকের মৃত্যুর পর সকাল-সন্ধ্যা তার সম্মুখে তার [পরকালীন] ঠিকানা পেশ করা হয়। যদি সে জান্নাতবাসী হয় তবে জান্নাতবাসীদের থেকে আর যদি জাহান্নামী হয় তবে জাহান্নামীদের থেকে। আর তাকে বলা হয়, এটাই তোমার বাসস্থান। কিয়ামাতে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত এ অবস্থা অব্যাহত থাকিবে।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৪৭, ইসলামিক সেন্টার- ৭০০৫]

৭১০৪. ইবনি উমর [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, নবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যখন কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তখন সকাল-সন্ধ্যা তার কাছে তার [পরকালীন] ঠিকানা পেশ করা হয়। যদি সে জান্নাতবাসী হয় তবে জান্নাত আর যদি জাহান্নামী হয় তবে জাহান্নাম।

তারপর তাকে বলা হয়, এটাই তোমার ঐ বাসস্থান যেখানে তোমাকে কিয়ামাতের দিন পাঠানো হইবে।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৪৮, ইসলামিক সেন্টার- ৭০০৬]

৭১০৫. যায়দ ইবনি সাবিত [রাদি.]-এর সূত্রে আবু সাঈদ আল খুদরী [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

আবু সাঈদ আল খুদ্রী [রাদি.] বলেন, আমি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম না, বরং আমাকে যায়দ ইবনি সাবিত [রাদি.] বর্ণনা করিয়াছেন। তিনি বলেছেন, একদিন রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] নাজ্জার গোত্রের একটি প্রাচীর ঘেরা বাগানে তাহাঁর একটি খচ্চরের উপর আরোহী ছিলেন। এ সময় আমরা তাহাঁর সাথে ছিলাম। অকস্মাৎ তা লাফিয়ে উঠল এবং তাঁকে ফেলে দেয়ার উপক্রম করিল। দেখা গেল, সেখানে ছয়টি কিংবা পাঁচটি অথবা চারটি কবর রয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, জুরাইরী এমনটিই বর্ণনা করিতেন। অতঃপর তিনি প্রশ্ন করিলেন, এ কবরবাসীদেরকে কে চিনে? তখন এক ব্যক্তি বলিলেন, আমি চিনি। রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] জিজ্ঞেস করিলেন, তারা কখন মৃত্যুবরণ করেছে? তিনি বলিলেন, তারা শিরকের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলিলেন, এ উম্মাতকে তাদের কবরের মধ্যে পরীক্ষা করা হইবে। তোমরা মৃত ব্যক্তিকে দাফন করা বর্জন করিবে, এ আশঙ্কা না হলে আমি আল্লাহর নিকট দুআ করতাম যেন তিনি তোমাদেরকেও কবরের আযাব শুনান যা আমি শুনতে পাচ্ছি। তারপর তিনি আমাদের প্রতি মনোনিবেশ করে বলিলেন, তোমরা সাবই জাহান্নামের আযাব হইতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করো। সহাবাগণ বলিলেন, জাহান্নামের শাস্তি হইতে আমরা আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। তারপর তিনি বলিলেন, তোমরা সকলে কবরের শাস্তি হইতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করো। সহাবাগণ বলিলেন, কবরের আযাব হইতে আমরা আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। অতঃপর তিনি বলিলেন, তোমরা প্রকাশ্য ও গোপন সকল প্রকার ফিতনা হইতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করো। তারা বলিলেন, প্রকাশ্য ও গোপন সকল প্রকার ফিতনা হইতে আমরা আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। তিনি আবারো বলিলেন, তোমরা দাজ্জালের ফিতনা হইতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও। সহাবাগণ বলিলেন, দাজ্জালের ফিতনা হইতে আমরা আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৪৯, ইসলামিক সেন্টার- ৭০০৭]

৭১০৬. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] বললেনঃ তোমরা মৃতদেরকে দাফন করা বর্জন করিবে এ ভয় না থাকলে আমি আল্লাহর কাছে দুআ করতাম যেন তিনি তোমাদেরকে কবরের কিছু আযাব শুনিয়ে দেন।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫০, ইসলামিক সেন্টার- ৭০০৮]

৭১০৭. আবু আইয়ূব [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] সূর্যাস্ত হওয়ার পর বের হলেন। এমন সময় তিনি একটি শব্দ শুনতে পেয়ে বলিলেন, ইয়াহূদী লোকদেরকে তাদের কবরের মধ্যে আযাব দেয়া হচ্ছে।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫১, ইসলামিক সেন্টার- ৭০০৯]

৭১০৮. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, নবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ বান্দাকে যখন তার কবরের মধ্যে রেখে তার সঙ্গী-সাথীরা সেখান থেকে ফিরে আসে এবং সে তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায় তখন তার কাছে দুজন ফেরেশ্তা এসে তাকে উঠিয়ে বসান। তারপর তাকে তারা জিজ্ঞেস করে, এ লোকটির ব্যাপারে তুমি কি বলিতে? মুমিন বান্দা তখন বলে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, তিনি আল্লাহর বান্দা এবং তাহাঁর রসূল। তখন তাকে বলা হয়, জাহান্নামে তুমি তোমার আসন দেখে নাও। আল্লাহ তাআলা তোমার এ আসনকে জান্নাতের আসনের দ্বারা পরিবর্তন করে দিয়েছেন। নবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ তখন সে তার উভয় আসন অবলোকন করে নেয়।

বর্ণনাকারী কাতাদাহ্ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেন, আমাদের নিকট এ কথাও উল্লেখ করা হয়েছে যে, অতঃপর তার কবরকে [দৈর্ঘ্যে-প্রস্থে] সত্তর হাত প্রশস্ত করে দেয়া হয় এবং সবুজ শ্যামল গাছের দ্বারা পরিপূর্ণ করে দেয়া হয় কিয়ামাত পর্যন্ত।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫২, ইসলামিক সেন্টার- ৭০১০]

৭১০৯. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ মৃতদেরকে যখন তার কবরে রাখা হয় তখন সে তার সঙ্গী-সাথীদের ফিরে আসার সময় তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায়।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫৩, ইসলামিক সেন্টার- ৭০১১]

৭১১০. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] বলেছেনঃ বান্দাকে যখন তার কবরে রেখে তার সঙ্গী-সাথীগণ প্রত্যাবর্তন করে। অতঃপর সাঈদ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] শাইবান-এর সানাদে কাতাদাহ্ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করিয়াছেন।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫৪, ইসলামিক সেন্টার- ৭০১২]

৭১১১. বারা ইবনি আযিব [রাদি.]- এর সূত্রে নবী [সাঃআঃ] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি আল্লাহর বাণী : “যারা শাশ্বত বাণীতে ঈমান রাখে তাদেরকে আল্লাহ সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন” সম্পর্কে বলেন, এ আয়াত কবরের আযাব সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। কবরে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তোমার রব কে? সে বলে, আমার রব আল্লাহ এবং আমার নবী মুহাম্মাদ [সাঃআঃ]। এটাই আল্লাহর নিম্নবর্ণিত বাণীর মর্ম, “যারা শাশ্বত বাণীতে ঈমান রাখে তাদেরকে আল্লাহ দুনিয়া ও পরকালে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন”।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫৫, ইসলামিক সেন্টার- ৭০১৩]

৭১১২. বারা ইবনি আযিব [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

আল্লাহর বাণী : “যারা শাশ্বত বাণীতে ঈমান রাখে তাদেরকে আল্লাহ দুনিয়া ও পরকালে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন”- [সূরাহ্ ইব্রাহীম ১৪ : ২৭] সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, এ আয়াতটি কবরের শাস্তির ব্যাপারে নাযিল হয়েছে।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫৬, ইসলামিক সেন্টার- ৭০১৪]

৭১১৩. আবু হুরাইরাহ্ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, মুমিন লোকের রূহ্ কব্য করার পর দুজন ফেরেশ্তা এসে তার রূহ আকাশের দিকে উঠিয়ে নিয়ে যায়।

বর্ণনাকারী হাম্মাদ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেন, আবু হুরায়রা্ [রাদি.] এখানে ঐ রূহের সুগন্ধি এবং মিশ্কের কথা বর্ণনা করিয়াছেন।

তিনি বলেন, আকাশের বাসিন্দারা বলিতে থাকে, এক পবিত্রাত্মা পৃথিবী হইতে আগমন করেছে! আল্লাহ তোমার প্রতি এবং তোমার আবাদকৃত শরীরের প্রতি করুণা বর্ষণ করুন। তারপর তাকে তার প্রতিপালকের নিকট নিয়ে যায়। অতঃপর তিনি বলেন, তোমরা তাকে তার স্থানে নিয়ে যাও। আর যখন কোন কাফির লোকের রূহ বের হয়- বর্ণনাকারী হাম্মাদ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বলেন, আবু হুরায়রা্ [রাদি.] এখানে তার দুর্গন্ধ এবং তার প্রতি অভিসম্পাতের কথা উল্লেখ করিয়াছেন। তখন আকাশমণ্ডলীর অধিবাসীরা বলিতে থাকে, এক অপবিত্র আত্মা দুনিয়া হইতে এসেছে। অতঃপর বলা হয়, তোমরা তাকে তার স্থানে নিয়ে যাও। আবু হুরায়রা্ [রাদি.] বলেন, এ সময় রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] গায়ে জড়ানো একটি পাতলা কাপড় দ্বারা নিজের নাকটি এভাবে ধরলেন।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫৭, ইসলামিক সেন্টার- ৭০১৫]

৭১১৪. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, উমর [রাদি.]-এর সাথে একদা আমরা মাক্কাহ্ ও মাদীনার মধ্যবর্তী স্থানে ছিলাম। তখন আমরা চাঁদ দেখছিলাম। আমি তীক্ষ্ন দৃষ্টিসম্পন্ন ছিলাম, তাই আমি চাঁদ দেখে ফেললাম। আমি ব্যতীত কেউ বলেনি যে, সে চাঁদ দেখেছে। তিনি বলেন, আমি উমর [রাদি.]-কে বলছিলাম, আপনি কি চাঁদ দেখছেন না? এ-ই তো চাঁদ। কিন্তু তিনি দেখছিলেন না। বর্ণনাকারী বলেন, তখন উমর [রাদি.] বলছিলেন, আমি আমার বিছানায় শুয়ে থেকেই তা দেখিতে পাব। অতঃপর তিনি আমাদের নিকট বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী কাফিরদের [নিহত হবার] ঘটনার অবস্থা বর্ণনা করিতে শুরু করিলেন। বলিলেন, গতকাল বাদ্র যোদ্ধাদের ধরাশায়ী হবার স্থান রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] আমাদেরকে [পূর্ব থেকেই] দেখাচ্ছিলেন। তিনি বলছিলেন, আল্লাহর ইচ্ছায় এটা অমুকের ধরাশায়ী হবার স্থান। বর্ণনাকারী বলেন, উমর [রাদি.] বলেছেনঃ শপথ সে সত্তার! যিনি তাঁকে সত্য বাণী সহ পাঠিয়েছেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] যে সীমারেখা বলে দিয়েছেন, তারা সে সীমারেখা একটুও অতিক্রম করেনি। তারপর তাদেরকে একটি কূপে একজনের উপর অপরজনকে নিক্ষেপ করা হলো। রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] তাদের কাছে গিয়ে বলিলেন, হে অমুকের ছেলে অমুক, হে অমুকের ছেলে অমুক! আল্লাহ ও তাহাঁর রসূল যে ওয়াদা তোমাদের সঙ্গে করিয়াছেন তোমরা কি তা বাস্তবে পেয়েছ? আমার প্রতিপালক আমার সঙ্গে যে ওয়াদা করিয়াছেন আমি তা বাস্তবে সঠিক পেয়েছি।

তখন উমর [রাদি.] বলিলেন, হে আল্লাহর রসূল! যেসব দেহে প্রাণ নেই, আপনি তাদের সাথে কিভাবে কথা বলছেন? নবী [সাঃআঃ] বললেনঃ আমি যা বলছি, তা তোমরা তাদের চেয়ে অধিক শুনছ না। তবে তারা এ কথার প্রত্যুত্তর দিতে অক্ষম।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫৮, ইসলামিক সেন্টার- ৭০১৬]

৭১১৫. আনাস ইবনি মালিক [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বদর যুদ্ধে নিহত লোকদেরকে তিন দিন পর্যন্ত এভাবেই রেখে দিয়েছিলেন। তারপর তিনি তাদের কাছে এসে তাদের লাশের সামনে দাঁড়ালেন এবং তাদেরকে উচ্চ আওয়াজে বলিলেন, হে হিশামের পুত্র আবু জাহল! হে উমায়্যাহ্ ইবনি খালাফ! হে উত্বাহ্ ইবনি রাবীআহ্! হে শাইবাহ্ ইবনি রাবীআহ্! তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের সঙ্গে যা ওয়াদা করিয়াছেন তোমরা কি তা বাস্তবে পাওনি? আমার প্রতিপালক আমার সাথে যা ওয়াদা করিয়াছেন আমি তা বাস্তবে পেয়েছি। নবী [সাঃআঃ]-এর এ কথা উমর [রাদি.] শুনে বলিলেন, হে আল্লাহর রসূল [সাঃআঃ]। তারা তো মৃত। কিভাবে তারা শুনবে এবং কিভাবে তারা উত্তর দিবে? তিনি বলিলেন, আমি তাদেরকে যা বলছি এ কথা তাদের থেকে তোমরা বেশি শুনছ না। তবে তারা প্রত্যুত্তর দিতে অক্ষম। অতঃপর তিনি তাদের সম্বন্ধে আদেশ দিলে তাদেরকে হেঁচড়িয়ে নিয়ে বাদ্রের কূপে নিক্ষেপ করা হলো।

{৯} [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫৯, ইসলামিক সেন্টার- ৭০১৭]{৯} কোন মানুষ মারা যাবার পর দুনিয়াবাসীর কারো কোন কথা শোনার ক্ষমতা রাখে না। কোন জীবিত মানুষও কোন মৃতকে কোন কিছু শোনাতে পারে না। তবে আলোচ্য হাদীসে যে বর্ণনা তা নবী [সাঃআঃ]-এর বিশেষ মুজিযা ছিল সে সময়ের জন্য যা তিনি করেছিলেন। অন্য কোন সময় তিনি এ রকম করিয়াছেন বলে কোন প্রমাণ নেই।

৭১১৬. আবু তাল্‌হাহ্‌ [রাদি.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, বদর যুদ্ধের দিন নবী [সাঃআঃ] যখন কাফিরদের উপরি বিজয়ী হলেন, তখন তিনি বিশের অধিক কুরায়শ নেতৃবৃন্দ। অপর হাদীসে রাওহ [রাদি.] বলেন, চব্বিশ জন কুরায়শ নেতৃবৃন্দ সম্বন্ধে আদেশ দিলেন। তারপর তাদের লাশ বাদ্র প্রান্তে এক নোংরা আবর্জনাপূর্ণ কুয়ায় নিক্ষেপ করা হলো। অতঃপর তিনি আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিত সাবিত-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করিয়াছেন।

[ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬০, ইসলামিক সেন্টার- ৭০১৮]

About halalbajar.com

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Check Also

মহান আল্লাহর বাণী : “তারা দুটি বিবদমান পক্ষ তাদের প্রতিপালক সম্পর্কে বাক-বিতণ্ডা করে”

মহান আল্লাহর বাণী : “তারা দুটি বিবদমান পক্ষ তাদের প্রতিপালক সম্পর্কে বাক-বিতণ্ডা করে” মহান আল্লাহর …

Leave a Reply

%d bloggers like this: