জামাআতের সাথে ইশা ও ফাজরের নামাজ আদায় করার ফযীলত

জামাআতের সাথে ইশা ও ফাজরের নামাজ আদায় করার ফযীলত

জামাআতের সাথে ইশা ও ফাজরের নামাজ আদায় করার ফযীলত >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

৪৫. অধ্যায়ঃ জামাআতের সাথে ইশা ও ফাজরের নামাজ আদায় করার ফযীলত

১৩৭৫

আবুশ্ শাসা [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমরা আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.] – এর সাথে মাসজিদে বসেছিলাম। ইতোমধ্যে মুয়াযযিন [নামাজের জন্য] আযান দিলো। এ সময়ে জনৈক ব্যক্তি মসজিদ থেকে উঠে চলে যেতে থাকল। আর আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.] তার প্রতি তাকিয়ে দেখিতে থাকলেন। লোকটি মসজিদ থেকে বেরিয়ে গেল। এ দেখে আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.] বললেনঃ এ ব্যক্তি তো আবুল ক্বাসিম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] – এর নীতি ও পদ্ধতির নাফরমানী করিল। [ই.ফা.১৩৬২, ইসলামিক সেন্টার-১৩৭৪]

১৩৭৬

আবুশ্ শাসা আল মুহারিবী [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আযানের পর জনৈক ব্যক্তিকে মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে দেখে আবু হুরায়রাহ্ [রাদি.] বলিলেন, এ লোকটি তো আবুল ক্বাসিম [সাঃআঃ] -এর আদেশ লঙ্ঘন করিল। [ই.ফা.১৩৬৩, ইসলামিক সেন্টার-১৩৭৫]

By বুলূগুল মারাম

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। তবে আমরা রাজনৈতিক পরিপন্থী কোন মন্তব্য/ লেখা প্রকাশ করি না। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই লেখাগুলো ফেসবুক এ শেয়ার করুন, আমল করুন

Leave a Reply