জমি বর্গা {১৪} দেয়া

জমি বর্গা  {১৪} দেয়া

জমি বর্গা  {১৪} দেয়া >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

১৭. অধ্যায়ঃ জমি বর্গা  {১৪} দেয়া

{১৪} এ অধ্যায়ে বর্ণিত হাদীসের মর্মে জমি বর্গা দেয়া নিষিদ্ধ বুঝা যায়। কিন্তু রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] কর্তৃক গৃহীত খাইবারের ভূমি ব্যবস্থা দ্বারা বর্গা দেয়া বৈধ প্রমাণিত। জমির মালিক জমি চাষাবাদ না করে তা কৃষককে আল্লাহর ওয়াস্তে চাষাবাদ করিতে দেয়া উত্তম বিধায়, বর্গা দেয়া মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এ নিষেধ মানে মাকরূহ তানজিহ্‌। আর বর্গা দেয়াও জায়িয। তবে এ পরিমাণ ফসল দিতে হইবে বা এ অংশেষ ফসল দিতে হইবে- এরূপ শর্ত করে বর্গা দেয়া অবৈধ।

৩৮০৮

জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] জমি বর্গা দিতে নিষেধ করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৭২, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৭২]

৩৮০৯

জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যার কাছে জমি আছি সেটি তার চাষাবাদ করা উচিত। যদি সে নিজে তা না করে তবে যেন তার কোন ভাইকে চাষাবাদ করিতে প্রদান করে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৭৩, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৭৩]

৩৮১০

জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর কতিপয় সাহাবীর প্রয়োজনের চেয়েও বেশী জমি ছিল। রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বললেনঃ যার নিকট প্রয়োজনের বেশী জমি আছে সে যেন তা চাষাবাদ করে অথবা তার কোন ভাইকে [চাষাবাদ করিতে] দেয়। আর যদি সে তা না চায় তাহলে তার জমি সে আটকে রাখুক। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৭৪, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৭৪]

৩৮১১

জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] শ্রমের উপরে বা ফসলের অংশ দিয়ে জমি বর্গা দিতে নিষেধ করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৭৫, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৭৫]

৩৮১২

জাবির [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন: যার জমি আছে সে যেন তাতে চাষাবাদ করে। তা যদি সে না পারে অথবা অক্ষম হয়, তাহলে সে যেন তার অপর কোন মুসলিম ভাইকে [চাষাবাদ করিতে] দেয়। কিন্তু বর্গা দিবে না। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৭৬, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৭৬]

৩৮১৩

শাইবান ইবনি ফার্রূখ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হাম্মাম [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

সুলাইমান ইবনি মুসা [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] আতা-কে জিজ্ঞেস করিলেন আপনার নিকট জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] কি এ কথা বর্ণনা করিয়াছেন যে, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন: যার জমি আছে সে যেন তা চাষাবাদ করে অথবা তার অপর ভাইকে চাষ করার জন্যে দিয়ে দেয়। সেটা বর্গায় দিবে না। তিনি বলিলেন, হ্যাঁ, তা-ই। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৭৭, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৭৭]

৩৮১৪

জাবির [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

নবী [সাঃআঃ] মুখাবারাহ্‌ নিষেধ করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৭৮, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৭৮]

৩৮১৫

জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ যার নিকট অতিরিক্ত জমি আছে তার উচিত সেটি চাষাবাদ করা অথবা আবাদ করার জন্যে তার অপর ভাইকে দেয়া। তোমরা সেটা বিক্রি করো না।

[রাবী বলেন] আমি সাঈদকে জিজ্ঞেস করলাম, বিক্রি করো না-এ কথা কি বর্গা দেয়া? তিনি বলিলেন, হ্যাঁ, তা-ই। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৭৯, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৭৯]

৩৮১৬

জাবির [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর সময়ে জমি বর্গায় নিতাম এবং প্রাপ্য হিসেবে শস্য মাড়াই করার পর ছড়ায় যা অবশিষ্ট থাকত তা এবং এ ধরনের সামান্য কিছু ভাগ পেতাম। তখন রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বললেনঃ যার জমি আছে সে সেটা আবাদ করুক অথবা তার অপর ভাইকে দিয়ে আবাদ করাক অন্যথায় সে নিজেই ধরে রাখুক। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৮০, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৮০]

৩৮১৭

জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর আমালে আমরা খালের সন্নিকটবর্তী জমিতে এক তৃতীয়াংশ ও এক চতুর্থাংশ ফসলের বিনিময়ে জমি বর্গা দিতাম। এরপর রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] তথায় দাঁড়িয়ে বলিলেন, জামি যার সে-ই তাতে চাষ করিবে। আর যদি সে তা না করে তবে যেন তার ভাইকে আবাদ করিতে দেয়। যদি তার ভাইকে তা না দেয়, তবে যেন তা আটকে রাখে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৮০, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৮০]

৩৮১৮

জাবির [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনেছি- যার জমি আছে সে যেন তা দান করে অথবা সে যেন তা ধার দেয়। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৮২, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৮২]

৩৮১৯

আমাশ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর সূত হইতে বর্ণীতঃ

আমাশ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর সূত্রে উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করেন। অবশ্য তিনি বলেছেন যে, সে যেন তা চাষ করে অথবা অন্য কোন লোককে চাষ করিতে দেয়। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৮৩, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৮৩]

৩৮২০

জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] জমি বর্গা দিতে নিষেধ করিয়াছেন।

বুকায়র [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] নাফির সূত্রে ইবনি উমর [রাদি.] থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমরা আমাদের জমি বর্গায় দিতাম। এরপর রাফি ইবনি খাদীজের হাদীস শুনে তা ছেড়ে দেই। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৮৪, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৮৪]

৩৮২১

জাবির [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন যে, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] খালি জমি দু বা তিন বছরের জন্যে বিক্রি করিতে নিষেধ করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৮৫, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৮৫]

৩৮২২

জাবির [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] কয়েক বছরের জন্য জমি বিক্রি করিতে নিষেধ করিয়াছেন।

ইবনি আবু শাইবার বর্ণনায় আছে-কয়েক বছরের জন্যে ফল বিক্রি করিতে নিষেধ করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৮৬, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৮৬]

৩৮২৩

আবু হুরাইরাহ [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] বলেছেন: যার জমি আছে তার উচিত সে যেন তা চাষ করে অথবা তার অপর ভাইকে তা আবাদ করিতে দেয়। এতে যদি সে রাজী না হয়, তাহলে তার জমি যেন সে আটকে রাখে। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৮৭, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৮৭]

৩৮২৪

জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে মুযাবানাহ্‌ ও হুকূল থেকে নিষেধ করিতে শুনেছেন। তখন জাবির ইবনি আবদুল্লাহ [রাদি.] বলেন, মুযাবানাহ্‌ হলো কাঁচা খেজুরের বিনিময়ে শুকনা খেজুর বদল করা। আর হুকূল হলো জমি বর্গা দেয়া। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৮৮, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৮৮]

৩৮২৫

আবু হুরাইরাহ [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] মুহাকালাহ {১৫} ও মুযাবানাহ{১৬} থেকে নিষেধ করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৮৯, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৮৯]

{১৫} মুহাকালাহ ক্ষেত্রে শস্য অনুমান করে সংগৃহীত শস্যের বিনিময়ে বিক্রি করা।

{১৬} মুযাবানাহ্‌ গাছে থাকা খেজুর ঘরের শুকনো খেজুরের বিনিময়ে বিক্রি করা।

৩৮২৬

আব সাঈদ খুদ্‌রী [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রসূলু্ল্লাহ [সাঃআঃ] মুযাবানাহ্‌ ও মুহাকালাহ থেকে নিষেধ করিয়াছেন। মুযাবানাহ্‌ হলো খেজুর গাছের মাথায় ঝুলে থাকা ফল ক্রয় করা, আর মুহাকালাহ হলো জমি ইজারা দেয়া। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৯০, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৯০]

৩৮২৭

ইবনি উমর [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমরা মুখাবারাহ্‌ করায় কোন দোষ মনে করতাম না। এভাবে যখন প্রথম বছর অতিবাহিত হলো, তখন রাফি [রাদি.] বলিলেন, নবী [সাঃআঃ] এ কাজ থেকে নিষেধ করিয়াছেন।

৩৮২৮

আমর ইবনি দীনার [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

আমর ইবনি দীনার [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। অবশ্য ইবনি উয়াইনাহ্ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বর্ণিত হাদীসে অতিরিক্ত আছে যে-এরপর এ কারণে আমরা তা ছেড়ে দেই। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৯১, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৯১]

৩৮২৯

ইবনি উমর [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, রাফি [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] আমাদেরকে আমাদের জমি হইতে ফায়দা হাসিল করা হইতে বাধা দান করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৯৩, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৯৩]

৩৮৩০

নাফি [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

ইবনি উমর [রাদি.] তাহাঁর জমি ইজারা দিতেন নবী [সাঃআঃ]-এর যুগে এবং আবু বাক্‌র, উমর, উসমান ও মুআবিয়াহ্‌ [রাদি.]-এর খিলাফাত কালের প্রথম যুগ পর্যন্ত। এরপর মুআবিয়াহ্‌ [রাদি.]-এর খিলাফাতের শেষ দিকে তাহাঁর কাছে এ সংবাদ গেল যে, রাফি ইবনি খাদীজ [রাদি.] এ বিষয়ে নবী [সাঃআঃ]-এর নিষেধমূলক হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। ইবনি উমর [রাদি.] তাহাঁর নিকট উপস্থিত হলেন। আমিও তাহাঁর সাথে ছিলাম। এরপর তিনি তাহাঁর কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলেন। তিনি বলিলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] জমি ইজারা দিতে নিষেধ করিতেন। এরপরি ইবনি উমর [রাদি.] তা বাদ দেন।

এরপর হইতে যখন তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হত, তিনি বলিতেন-ইবনি খাদীজ [রাদি.] বলেছেন: রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] এ থেকে নিষেধ করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৯৪, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৯৪]

৩৮৩১

আইয়ূব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

আইয়ূব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। ইবনি উলাইয়্যার বর্ণনায় আইয়ূব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] বাড়তি আরও বলেছেন যে, এরপর ইবনি উমর [রাদি.] তা পরিত্যাগ করেন এবং আর কখনও জমি ইজারা দেননি। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৯৫, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৯৫]

৩৮৩২

নাফি [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন যে, একদা আমি ইবনি উমারের সাথে রাফি ইবনি খাদীজের নিকট গেলাম। বালাত নামক স্থানে তাহাঁর সাথে সাক্ষাৎ হলো। তিনি তাকে অবহিত করিলেন যে, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] জমি ইজারা দিতে নিষেধ করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৯৬, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৯৬]

৩৮৩৩

ইবনি উমর [রা.] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি একবার রাফির নিকট আসেন। এরপর নবী [সাঃআঃ]-এর হাদীস উল্লেখ করেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৯৭, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৯৭]

৩৮৩৪

নাফি [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

ইবনি উমর [রাদি.] জমি বর্গা দিতেন। নাফি বলেন, এরপর রাফি বর্ণিত একটি হাদীস তাকে জানান হলো। রাবী বলেন, তিনি আমাকে সাথে নিয়ে তার নিকট গেলেন। তিনি তার কোন চাচার সূত্রে হাদীস বর্ণনা করিলেন। তাতে উল্লেখ আছে যে, নবী [সাঃআঃ] জমি বর্গা দিতে নিষেধ করিয়াছেন। রাবী বলেন, এরপর থেকে ইবনি উমর [রাদি.]-এ কাজ ত্যাগ করেন এবং আর কোন সময় জমি বর্গা দেননি। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৯৮, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৯৮]

৩৮৩৫

আওন হইতে বর্ণীতঃ

উক্ত হাদীস বর্ণিত। রাবী বলেন, এরপর তিনি তার চাচার সূত্রে নবী [সাঃআঃ] থেকে হাদীস বর্ণনা করেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৭৯৯, ইসলামিক সেন্টার- ৩৭৯৯]

৩৮৩৬

সালিম ইবনি আবদুল্লাহ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন যে, আবদুল্লাহ ইবনি উমর [রাদি.] নিজের জমি বর্গা দিতেন। পরে তার কাছে এ সংবাদ পৌঁছল যে, রাফি ইবনি খাদীজ আনসারী [রাদি.] জমি বর্গা দিতে নিষেধ করে থাকেন। আবদুল্লাহ [রাদি.] তাহাঁর সাথে দেখা করে জিজ্ঞেস করেন, হে ইবনি খাদীজ! জমি বর্গার ব্যাপারে আপনি রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] থেকে কি হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন? রাফি ইবনি খাদীজ [রাদি.] আবদুল্লাহকে বলিলেন, আমি আমার দুজন চাচার নিকট শুনেছি- যাঁরা বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তারা পরিবার-পরিজনের নিকট বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] জমি বর্গা দিতে নিষেধ করিয়াছেন। আবদুল্লাহ [রাদি.] বলিলেন, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-এর সময়ে আমি ভাল করেই জানতাম যে, জমি বর্গা দেয়া যায়। এরপর আবদুল্লাহ ভীত হলো যে, রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] হয়তো এমন কিছু বলেছেন, যা তিনি জানতে পারেননি। সুতরাং তিনি জমি বর্গা দেয়া ত্যাগ করেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৩৮০০, ইসলামিক সেন্টার- ৩৮০০]

By মুসলিম শরীফ

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply