প্লেগ কুষ্ঠ ধবল মহামারি জিবানু ভাইরাস প্রানি কি ছোঁয়াচে রোগ ?

ছোঁয়াচে রোগ – প্লেগ কুষ্ঠ ধবল মহামারি

প্লেগ কুষ্ঠ ধবল মহামারি জিবানু ভাইরাস কি ছোঁয়াচে রোগ এর বিষয়ে বুখারি হাদিস, সুনানু ইবনু মাজাহ

ছোঁয়াচে রোগ এর দোয়া পড়ুন সরাসরি কোরআন হাদিসের আলাকে চিকিৎসা Ayat E Shifa Dua প্লেগ মহামারি করোনা ভাইরাস ইত্যাদির দোয়া

সহিহুল বুখারি – ৫৭০৭ঃ আফফান (রহঃ) হইতে বর্ণিতঃ সালীম ইবনু হাইয়ান, আবু হুরাইরাহ (রাঃ) হইতে বর্ণিত।

রসূলুল্লাহ্‌ (সাঃআঃ) বলেছেনঃ রোগের কোন সংক্রমন নেই, কুলক্ষণ বলে কিছু নেই, পেঁচা অশুভের লক্ষণ নয়, সফর মাসের কোন অশুভ নেই। কুষ্ঠ রোগী থেকে দূরে থাক, যেভাবে তুমি বাঘ থেকে দূরে থাক।

(আধুনিক প্রঃ- অনুচ্ছেদ, ইঃ ফাঃ- অনুচ্ছেদ)

সহিহুল বুখারি – ৫৭১৭ঃ আবূ হুরাইরা (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাঃআঃ) বলেছেনঃ রোগের কোন সংক্রমণ নেই, সফরের কোন অশুভ আলামত নেই, পেঁচার মধ্যেও কোন আশুভ আলামত নেই। তখন এক বেদুঈন বলিলঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! তাহলে আমার এ উটের এ অবস্থা কেন হয়? সেগুলো যখন চারণ ভূমিতে থাকে তখন সেগুলো যেন মুক্ত হরিণের পাল। এমন অবস্থায় চর্মরোগাগ্রস্ত উট এসে সেগুলোর পালে ঢুকে পড়ে এবং এগুলোকেও চর্ম রোগে আক্রান্ত করে ফেলে। নবী (সাঃআঃ) বললেনঃ তাহলে প্রথমটিকে চর্ম রোগাক্রান্ত কে করেছে? যুহরী হাদিসটি আবূ সালামাহ ও সিনান ইবনু আবূ সিনান (রহঃ) থেকে বর্ণনা করিয়াছেন।

(৫৭০৭; মুসলিম ৩৯/৩৩, হাঃ ২২২০, আহমাদ ৭৬২৪) আধুনিক প্রঃ- ৫২৯৯, ইঃ ফাঃ- ৫১৯৫)

সহিহুল বুখারি – ৫৭২৮ঃ উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি সাদ (রাঃ) -এর কাছে নবী (সাঃআঃ) থেকে বর্ণনা করিয়াছেন যে, তিনি বলেছেনঃ যখন তোমরা কোন অঞ্চলে প্লেগের বিস্তারের সংবাদ শোন, তখন সেই এলাকায় প্রবেশ করো না। আর তোমরা যেখানে অবস্থান কর, সেখানে প্লেগের বিস্তার ঘটলে সেখান থেকে বেরিয়ে যেয়ো না। (বর্ণনাকারী হাবীব ইবনু আবূ সাবিত বলেন) আমি জিজ্ঞেস করলামঃ আপনি কি উসামাহ (রাঃ) -কে এ হাদিস সাদ (রাঃ) -এর কাছে বর্ণনা করিতে শুনেছেন যে, তিনি (সাদ) তাতে কোন অসম্মতি জ্ঞাপন করেননি? ইবরাহীম ইবনু সাদ বলেনঃ হাঁ।

(আধুনিক প্রঃ- ৫৩০৮, ইঃ ফাঃ- ৫২০৪)

সহিহুল বুখারি – ৫৭২৯ঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) সিরিয়ার দিকে রওনা করেছিলেন। শেষে তিনি যখন সারগ এলাকায় গেলেন, তখন তাহাঁর সঙ্গে সৈন্য বাহিনীর প্রধানগণ তথা আবূ উবাইদাহ ইবনু জাররাহ ও তাহাঁর সঙ্গীগণ সাক্ষাৎ করেন। তাঁরা তাঁকে জানালেন যে, সিরিয়া এলাকায় প্লেগের বিস্তার ঘটেছে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, তখন উমার (রাঃ) বলিলঃ আমার নিকট প্রবীণ মুহাজিরদের ডেকে আন। তখন তিনি তাঁদের ডেকে আনলেন। উমার (রাঃ) তাঁদের সিরিয়ার প্লেগের বিস্তার ঘটার কথা জানিয়ে তাঁদের কাছে পরামর্শ চাইলেন। তখন তাঁদের মধ্যে মতভেদের সৃষ্টি হল। কেউ বললেনঃ আপনি একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে বের হয়েছেন; কাজেই তা থেকে প্রত্যাবর্তন করা আমরা পছন্দ করি না। আবার কেউ কেউ বললেনঃ বাকী লোক আপনার সঙ্গে রয়েছেন এবং রসূলুল্লাহ (সাঃআঃ) -এর সাহাবীগণ। কাজেই আমরা সঠিক মনে করি না যে, আপনি তাহাদের এই প্লেগের মধ্যে ঠেলে দিবেন। উমার (রাঃ) বললেনঃ তোমরা আমার নিকট থেকে চলে যাও। এরপর তিনি বললেনঃ আমার নিকট আনসারদের ডেকে আন। আমি তাহাদের ডেকে আনলাম। তিনি তাহাদের কাছে পরামর্শ চাইলে তাঁরাও মুহাজিরদের পথ অবলম্বন করিলেন এবং তাঁদের মতই মতপার্থক্য করিলেন। উমার (রাঃ) বললেনঃ তোমরা উঠে যাও। এরপর আমাকে বললেনঃ এখানে যে সকল বয়োজ্যেষ্ঠ কুরাইশী আছেন, যাঁরা মাক্কাহ জয়ের বছর হিজরাত করেছিলেন, তাহাদের ডেকে আন। আমি তাহাদের ডেকে আনলাম, তখন তারা পরস্পরে মতভেদ করিলেন না। তাঁরা বললেনঃ আপনার লোকজনকে নিয়ে প্রত্যাবর্তন করা এবং তাঁদের প্লেগের মধ্যে ঠেলে না দেয়াই আমরা ভাল মনে করি। তখন উমার (রাঃ) লোকজনের মধ্যে ঘোষণা দিলেন যে, আমি ভোরে সাওয়ারীর পিঠে আরোহণ করব (ফিরার জন্য)। অতএব তোমরাও সকালে সওয়ারীর পিঠে আরোহণ করিবে। আবূ উবাইদাহ (রাঃ) বললেনঃ আপনি কি আল্লাহর নির্ধারিত তাকদীর থেকে পালানোর জন্য ফিরে যাচ্ছেন? উমার (রাঃ) বললেনঃ হে আবূ উবাইদাহ! যদি তুমি ব্যতীত অন্য কেউ কথাটি বলত! হাঁ, আমরা আল্লাহর, এক তাকদীর থেকে আল্লাহর আরেকটি তাকদীরের দিকে ফিরে যাচ্ছি। তুমি বলত, তোমার কিছু উটকে যদি তুমি এমন কোন উপত্যকায় নিয়ে যাও যেখানে আছে দু’টি মাঠ। তন্মধ্যে একটি হল সবুজ শ্যামল, আর অন্যটি হল শুষ্ক ও ধূসর। এবার বল ব্যাপারটি কি এমন নয় যে, যদি তুমি সবুজ মাঠে চরাও তাহলে তা আল্লাহর তাকদীর অনুযায়ীই চরিয়েছ। আর যদি শুষ্ক মাঠে চরাও, তাহলে তাও আল্লাহর তাকদীর অনুযায়ীই চরিয়েছ। বর্ণনাকারী বলেন, এমন সময় আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) আসলেন। তিনি এতক্ষণ যাবৎ তাহাঁর কোন প্রয়োজনের কারণে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি বললেনঃ এ ব্যাপারে আমার নিকট একটি তথ্য আছে, আমি রসূলুল্লাহ (সাঃআঃ) –কে বলিতে শুনেছিঃ তোমরা যখন কোন এলাকায় (প্লেগের) বিস্তারের কথা শোন, তখন সেখানে প্রবেশ করো না। আর যদি কোন এলাকায় এর প্রাদুর্ভাব নেমে আসে, আর তোমরা সেখানে থাক, তাহলে সেখান থেকে বেরিয়ে যেয়ো না। বর্ণনাকারী বলেনঃ এরপর উমার (রাঃ) আল্লাহর প্রশংসা করিলেন, তারপর প্রত্যাবর্তন করিলেন।

(৫৭৩০, ৬৯৭৩; মুসলিম ৩৯/৩২, হাঃ ২২১৯) আধুনিক প্রঃ- ৫৩০৯, ইঃ ফাঃ- ৫২০৫)

সহিহুল বুখারি – ৫৭৩০ঃ আবদুল্লাহ ইবনু আমির (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

উমার (রাঃ) সিরিয়া যাবার জন্য বের হলেন। এরপর তিনি সারগ’ নামক স্থানে পৌছলে তাহাঁর কাছে খবর এল যে সিরিয়া এলাকায় মহামারী দেখা দিয়েছে। তখন আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) তাঁকে জানালেন যে, রসূলুল্লাহ (সাঃআঃ) বলেছেনঃ যখন তোমরা কোন স্থানে এর বিস্তারের কথা শোন, তখন সে এলাকায় প্রবেশ করো না; আর যখন এর বিস্তার ঘটে, আর তোমরা সেখানে অবস্থান কর, তাহলে তা থেকে পালিয়ে যাওয়ার নিয়তে সেখান থেকে বেরিয়ে যেয়ো না।

(আধুনিক প্রঃ- ৫৩১০, ইঃ ফাঃ- ৫২০৬)

সহিহুল বুখারি – ৫৭৩১ঃআবূ হুরাইরা (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাঃআঃ) বলেছেনঃ মদীনায় ঢুকতে পারবে না মাসীহ্ দাজ্জাল, আর না মহামারী

(আধুনিক প্রঃ- ৫৩১১, ইঃ ফাঃ- ৫২০৭)

সহিহুল বুখারি – ৫৭৩২ঃ হাফসাহ বিনত সীরীন (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) জিজ্ঞেস করিলেন, ইয়াহ্ইয়া কী রোগে মারা গেছে? আমি বললামঃ প্লেগ রোগে। তিনি বলিলেন, রসূলুল্লাহ (সাঃআঃ) বলেছেনঃ প্লেগ রোগে মারা গেলে প্রত্যেক মুসলিমের জন্য তা শাহাদাত হিসেবে গণ্য।

আধুনিক প্রঃ- ৫৩১২, ইঃ ফাঃ- ৫২০৮)

সহিহুল বুখারি – ৫৭৩৩ঃ আবূ হুরাইরা (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি নবী (সাঃআঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ উদরাময় রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, আর প্লেগ রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ।

(আধুনিক প্রঃ- ৫৩১৩, ইঃ ফাঃ- ৫২০৯)

সহিহুল বুখারি – ৫৭৩৪ঃ নবী (সাঃআঃ) -এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাঃআঃ) -কে প্লেগ রোগ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। তখন আল্লাহর নবী (সাঃআঃ) তাঁকে জানান যে, এটি হচ্ছে এক রকমের আযাব। আল্লাহ যার উপর তা পাঠাতে ইচ্ছে করেন, পাঠান। কিন্তু আল্লাহ এটিকে মুমিনদের জন্য রহমাত বানিয়ে দিয়েছেন। অতএব প্লেগ রোগে কোন বান্দা যদি ধৈর্য ধরে, এ বিশ্বাস নিয়ে আপন শহরে অবস্থান করিতে থাকে যে, আল্লাহ তার জন্য যা নির্দিষ্ট করে রেখেছেন তা ছাড়া আর কোন বিপদ তার উপর আসবে না; তাহলে সেই বান্দার জন্য থাকিবে শহীদের সাওয়াবের সমান সাওয়াব। দাঊদ থেকে নাযরও এ রকম বর্ণনা করিয়াছেন।

(আধুনিক প্রঃ- ৫৩১৪, ইঃ ফাঃ- ৫২১০)

সহিহুল বুখারি – ৫৭৫৩ঃ ইবনু উমার (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাঃআঃ) বলেছেনঃ ছোঁয়াচে রোগ ও শুভ-অশুভ বলিতে কিছু নেই। অমঙ্গল তিন বস্তুর মধ্যে স্ত্রীলোক, গৃহ ও পশুতে।

(১) (২০৯৯; মুসলিম ৩৯/৩৪, হাঃ ২২২৫, আহমাদ ৪৫৪৪) আধুনিক প্রঃ- ৫৩৩৩, ইঃ ফাঃ- ৫২২৯) (১) কোন কোন স্ত্রীলোক স্বামীর অবাধ্য হয়। আবার কেউ হয় সন্তানহীনা। কোন গৃহে দুষ্ট জ্বিনের উপদ্রব দেখা যা, আবার কোন গৃহ প্রতিবেশীর অত্যাচারের কারণে অশান্তিময় হয়ে উঠে। গৃহে সলাত আদায় ও যিকর-আযকারের মাধ্যমে জ্বিনের অমঙ্গল থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। কোন কোন পশু অবাধ্য বেয়াড়া হয়।

সহিহুল বুখারি – ৫৭৫৪ঃ আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রসূলুল্লাহ (সাঃআঃ) -কে এ কথা বলিতে শুনিয়াছি যে, শুভ-অশুভ নির্ণয়ে কোন লাভ নেই, বরং শুভ আলামত গ্রহন করা ভাল। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেনঃ শুভ আলামত কী? তিনি বললেনঃ ভাল কথা, যা তোমাদের কেউ শুনে থাকে।

(৫৭৫৫; মুসলিম ৩৯/৩৪, হাঃ ২২২৩, আহমাদ ৯৮৫৬) আধুনিক প্রঃ- ৫৩৩৪, ইঃ ফাঃ- ৫২৩০)

সহিহুল বুখারি – ৫৭৫৫ঃ আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাঃআঃ) বলেছেনঃ শুভ-অশুভ বলে কিছু নেই এবং এর কল্যাণই হল শুভ আলামত। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! শুভ আলামত কি? তিনি বললেনঃ ভাল কথা, যা তোমাদের কেউ (বিপদের সময়) শুনে থাকে।

(আধুনিক প্রঃ- ৫৩৩৫, ইঃ ফাঃ- ৫২৩১)

সহিহুল বুখারি – ৫৭৫৬ঃ আনাস (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

নবী (সাঃআঃ) বলেছেনঃ রোগের সংক্রমন ও শুভ-অশুভ বলিতে কিছু নেই। শুভ আলামতই আমার নিকট পছন্দনীয়, আর তা হল উত্তম বাক্য।

(আধুনিক প্রঃ- ৫৩৩৬, ইঃ ফাঃ- ৫২৩২)

সহিহুল বুখারি – ৫৭৫৭ঃআবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

নবী (সাঃআঃ) বলেছেনঃ রোগে সংক্রমণ নেই; শুভ-অশুভ আলামত বলে কিছু নেই। পেঁচায় অশুভ আলামত নেই এবং সফর মাসে অকল্যাণ নেই।

(আধুনিক প্রঃ- ৫৩৩৭, ইঃ ফাঃ- ৫২৩৩)

সহিহুল বুখারি – ৫৭৭০ঃআবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাঃআঃ) বলেছেনঃ রোগের মধ্যে কোন সংক্রমণ নেই, সফর মাসের মধ্যে অকল্যাণের কিছু নেই এবং পেঁচার মধ্যে কোন অশুভ আলামত নেই। তখন এক বেদুঈন বলিলঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! তাহলে যে উট পাল মরুভূমিতে থাকে, হরিণের মত তা সুস্থ ও সবল থাকে। উটের পালে একটি চর্মরোগওয়ালা উট মিশে সবগুলোকে চর্মরোগগ্রস্ত করে দেয়? রসূলুল্লাহ বললেনঃ তবে প্রথম উটটির মধ্যে কীভাবে এ রোগ সংক্রামিত হল?

(আধুনিক প্রঃ- ৫৩৪৯, ইঃ ফাঃ- ৫২৪৫)

সহিহুল বুখারি – ৫৭৭১ঃ আবূ সালামাহ (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি আবূ হুরাইরাহ -কে বলিতে শুনেছেন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ যেন কখনও রোগাক্রান্ত উট সুস্থ উটের সাথে না রাখে। আর আবূ হুরাইরাহ প্রথম হাদিস অস্বীকার করেন। আমরা বললামঃ আপনি কি لاَ عَدْوىহাদিস বর্ণনা করেননি? তখন তিনি হাবশী ভাষায় কী যেন বলিলেন। আবূ সালামাহ (রহ.) বলেনঃ আমি আবূ হুরাইরাহ -কে এ হাদিস ছাড়া আর কোন হাদিস ভুলে যেতে দেখিনি।

(৫৭৭৪; মুসলিম ৩৯/৩৩, হাঃ ২২২১, আহমাদ ৯২৭৪) আধুনিক প্রঃ- ৫৩৪৯, ইঃ ফাঃ- ৫২৪৫)

সহিহুল বুখারি – ৫৭৭২ঃআবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাঃআঃ) বলেছেনঃ রোগের সংক্রমণ বলিতে কিছু নেই, অশুভ কেবল ঘোড়া, নারী ও ঘর এ তিন জিনিসের মধ্যেই রয়েছে।(আধুনিক প্রঃ- ৫৩৫০, ইঃ ফাঃ- ৫২৪৬)

সহিহুল বুখারি – ৫৭৭৩ঃআবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাঃআঃ) -কে বলিতে শুনেছিঃ সংক্রমণ বলিতে কিছু নেই।

আধুনিক প্রঃ- ৫৩৫১, ইঃ ফাঃ- ৫২৪৭)

সহিহুল বুখারি – ৫৭৭৪ঃ আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

আবূ সালামাহ ইবনু আবদুর রহমান বলেন, আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে শুনিয়াছি, নবী (সাঃআঃ) বলেছেনঃ রোগাক্রান্ত উট নীরোগ উটের সাথে মিশ্রিত করিবে না।

(আধুনিক প্রঃ- ৫৩৫১, ইঃ ফাঃ- ৫২৪৭)

সহিহুল বুখারি – ৫৭৭৫ঃ যুহরী সূত্রে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাঃআঃ) বলেছেনঃ সংক্রমণ বলিতে কিছু নেই। তখন এক বেদুঈন দাঁড়িয়ে বলিলঃ এ সম্পর্কে আপনার কী অভিমত যে, হরিণের মত সুস্থ উট যে মরুভূমির পালের মাঝে থাকে। পরে কোন চর্মরোগগ্রস্থ উট সেগুলোর সাথে মিশে গিয়ে সবগুলোকে চর্মরোগে আক্রান্ত করে। তখন নবী (সাঃআঃ) বললেনঃ তা হলে প্রথমটিকে কে রোগাক্রান্ত করেছিল?

(আধুনিক প্রঃ- ৫৩৫১, ইঃ ফাঃ- ৫২৪৭)

সহিহুল বুখারি – ৫৭৭৬ঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাঃআঃ) বলেছেনঃ রোগের সংক্রমণ বলিতে কিছু নেই এবং পাখি উড়াতে কোন শুভ-অশুভ নেই আর আমার নিকট ফাল’ পছন্দনীয়। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেনঃ ফাল’ কী? তিনি বললেনঃ ভাল কথা।

(৫৭৫৬; মুসলিম ৩৯/৩৪, হাঃ ২২২৪, আহমাদ ১৩৯৫১) আধুনিক প্রঃ- ৫৩৫২, ইঃ ফাঃ- ৫২৪৮)

সুনান আত তিরমিজি

হাদিসঃ সুনান আত তিরমিজি -২০৪৫ঃ আবূ হুরাইরা (রাদিআল্লাহু আঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, হারাম ঔষধ প্রয়োগ করিতে রাসূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করিয়াছেন।

সহীহ, ইবনু মাজাহ (৩৪৫৯)। আবূ ঈসা বলেন, হারাম ঔষধ। এর অর্থ বিষ। হাদিস এর মানঃ সহিহ হাদিস

হাদিসঃ সুনান আত তিরমিজি -২০৪৬ঃ ওয়াইল (রাদিআল্লাহু আঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি কোন একসময় রাসূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সামনে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তাকে সুয়াইদ ইবনু তারিক অথবা তারিক ইবনু সুয়াইদ (রাদিআল্লাহু আঃ) মাদক দ্রব্য প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেন। তিনি এটা ব্যবহার করিতে তাকে নিষেধ করেন। তিনি (সুয়াইদ) বলিলেন, আমরা ঔষধ হিসাবে এটা ব্যবহার করব। রাসূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটা কোন ঔষধ নয়, বরং এটা স্বয়ং একটা রোগ।

সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৫০০), মুসলিম। মাহমুদ-নাযর ইবনু শুমাইল ও শাবাবা হইতে শুবা (রাহঃ)-এর সূত্রে একইরকম বর্ণনা করিয়াছেন। নাযর (রাহঃ) বলেছেন প্রশ্নকারী সাহাবীর নাম তারিক ইবনু তারিক ইবনু সুয়াইদ এবং শাবাবা (রাহঃ) বলেছেন তার নাম সুয়াইদ ইবনু তারিক। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদিসটি হাসান সহীহ্। হাদিস এর মানঃ সহিহ হাদিস

হাদিসঃ সুনান আত তিরমিজি – ২০৬১: হাইয়্যা ইবনু হাবিস আত-তামীমী (রহঃ) হইতে তার পিতা হতে বর্ণিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলিতে শুনেছেনঃ হাম্ম বলিতে কিছু নেই এবং বদনজর সত্য

যঈফ, যঈফা (৪৮০৪)। “আল-আইনু হাক্কুন” অংশটুকু সহীহ। সহীহা, (১২৪৮)। আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদিসটি গারীব। হাদিস এর মানঃ দুর্বল হাদিস

সুনানু ইবনু মাজাহ

হাদিসঃ সুনানু ইবনু মাজাহ – ৩৫০৩ ঃ আনাস (রাদিআল্লাহু আঃ) হতে বর্ণিতঃ

উরায়নাহ গোত্রের কতক লোক রসূলুল্লাহ (সাঃআঃ)-এর নিকট আসে। কিন্তু মদীনার আবহাওয়া তাহাদের অনুকূল হলো না। নবী (সাঃআঃ) বলেনঃ যদি তোমরা আমাদের উটের পালে চলে যেতে এবং সেগুলোর দুধ ও পেশাব পান করিতে! তারা তাই করলো।

ছোঁয়াচে রোগ হাদিস এর মানঃ সহিহ হাদিস

হাদিসঃ সুনানু ইবনু মাজাহ – ৩৫০৪ঃ আবূ সাঈদ (রাদিআল্লাহু আঃ), হতে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাঃআঃ) বলেনঃ মাছির দু’টি ডানার একটিতে বিষ এবং অন্যটিতে আরোগ্য আছে। অতএব খাদ্যদ্রব্যে মাছি পড়লে সেটিকে তাতে ডুবিয়ে দাও। কেননা সেটি বিষের ডানাকে আরোগ্যের ডানার আগে খাদ্যে লাগায়।

তাহকীক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ। ছোঁয়াচে রোগ হাদিস এর মানঃ সহিহ হাদিস

হাদিসঃ সুনানু ইবনু মাজাহ – ৩৫০৫ঃ আবূ হুরাইরাহ (রাদিআল্লাহু আঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (সাঃআঃ) বলেনঃ তোমাদের পানীয়তে মাছি পড়লে সেটাকে তাতে ডুবিয়ে দাও, অতঃপর সেটিকে তুলে ফেলে দাও। কেননা তার একটি ডানায় রোগ এবং অন্যটিতে আরোগ্য রয়েছে।

তাহকীক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ। ছোঁয়াচে রোগ হাদিস এর মানঃ সহিহ হাদিস

হাদিসঃ সুনানু ইবনু মাজাহ – ৩৫৩১ঃ ইমরান ইবনুল হুসায়ন (রাদিআল্লাহু আঃ), হতে বর্ণিতঃ

নবী (সাঃআঃ) এক ব্যক্তির হাতে পিতলের বালা পরিহিত দেখে জিজ্ঞেস করেনঃ এই বালাটা কী? সে বললো, এটা অবসন্নতাজনিত রোগের জন্য ধারণ করেছি। তিনি বলেনঃ এটা খুলে ফেলো। অন্যথায় তা তোমার অবসন্নতা বৃদ্ধিই করিবে।

তাহকীক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ দুর্বল। (৩৫৩১) আহমাদ ১৯৪৯৮। দঈফাহ ১০২৯, (সহীহ আবূ দাউদ ৪৬৯ নং হাদিসের অনুরূপ)। ছোঁয়াচে রোগ হাদিস এর মানঃ দুর্বল হাদিস

হাদিসঃ ইবনে মাজাহ -৩৫৩৭ঃ আনাস (রাদিআল্লাহু আঃ), হতে বর্ণিতঃ

নাবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রোগ সংক্রমন ও কুলক্ষণ বলে কিছু নেই। তবে আমি (অদৃশ্য থেকে শ্রুত ) উত্তম কথা পছন্দ করি।

তাহকীক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ। ছোঁয়াচে রোগ হাদিস এর মানঃ সহিহ হাদিস

হাদিসঃ ইবনে মাজাহ -৩৫৩৮ঃ আবদুল্লাহ (বিন মাসঊদ) (রাদিআল্লাহু আঃ), হতে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অশুভ লক্ষণ (বিশ্বাস করা) শেরেকী কাজ। রাবী বলেন, আমাদের মধ্যে অশুভ লক্ষণের ধারনা আসে, তবে আল্লাহর উপর ভরসার দ্বারা তা দূরীভুত হয়।

তাহকীক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ। ছোঁয়াচে রোগ হাদিস এর মানঃ সহিহ হাদিস

হাদিসঃ ইবনে মাজাহ -৩৫৩৯ঃ ইবনু আব্বাস (রাদিআল্লাহু আঃ), হতে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রোগ সংক্রমণ, কুলক্ষণ ও হামাহ বলে কিছু নেই এবং সফর মাসও অশুভ নয়।

তাহকীক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ। ছোঁয়াচে রোগ হাদিস এর মানঃ সহিহ হাদিস

হাদিসঃ ইবনে মাজাহ -৩৫৪০ঃ ইবনু উমার (রাদিআল্লাহু আঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রোগ সংক্রমণ, কুলক্ষণ ও হামাহ বলে কিছু নেই। এক ব্যক্তি তাহাঁর সামনে দাঁড়িয়ে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! উটের চর্মরোগ হয়, পরে অন্যান্য উট তার সংস্পর্শে এসে চর্মরোগাক্রান্ত হয়। তিনি বলেনঃ এটা হলো তাকদীর। আচ্ছা, প্রথমটি কে চর্মরোগাক্রান্ত করেছে?

তাহকীক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ (আরবি) অর্থাৎ এটাই তাকদীর ব্যতীত সহীহ। (৩৫৪০) সহীহুল বুখারী ২০৯৯,৫৭৫৩,৫৭৭২, মুসলিম ২২২৫, আহমাদ ৪৭৬১,৬৩৬৯, মুওয়াত্তা’ মালিক ১৮১৭।
উক্ত হাদিসের রাবী আবূ জানাব সম্পর্কে আবূ আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবুল ফারাজ ইবনুল জাওযী ও আবূ বাকর আল-বায়হাকী বলেন, তিনি দূর্বল। আবূ হাতিম আর রাযী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়, তিনি তাকে দূর্বল বলেছেন। আবূ নুআয়ম আল-আসবাহানী বলেন, তিনি তাদলীস করিতেন। আহমাদ বিন শুআয়ব আন নাসায়ী বলেন, তিনি দূর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৮১৭, ৩১/২৮৪ নং পৃষ্ঠা)। ছোঁয়াচে রোগ হাদিস এর মানঃ সহিহ হাদিস

হাদিসঃ ইবনে মাজাহ -৩৫৪১ঃ আবূ হুরায়রাহ (রাদিআল্লাহু আঃ), হতে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অসুস্থকে সুস্থদের সংস্পর্শে নেয়া উচিত নয়।

তাহকীক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ। ছোঁয়াচে রোগ হাদিস এর মানঃ সহিহ হাদিস

হাদিসঃ ইবনে মাজাহ -৩৫৪২ঃ জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাদিআল্লাহু আঃ), হতে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুষ্ঠ রোগগ্রস্ত এক ব্যক্তির হাত ধরে তা নিজের আহারের পাত্রের মধ্যে রেখে বলেনঃ আল্লাহর উপর আস্থা রেখে এবং আল্লাহর উপর ভরসা করে খাও।

তাহকীক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ দুর্বল। (৩৫৪২) তিরমিযী ১৮১৭, আবূ দাউদ ৩৯২৫। মিশকাত ৪৫৮৫, দঈফাহ ১১৪৪ । ছোঁয়াচে রোগ হাদিস এর মানঃ দুর্বল হাদিস

হাদিসঃ ইবনে মাজাহ -৩৫৪৩ঃ ইবনু আব্বাস (রাদিআল্লাহু আঃ), হতে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কুষ্ঠ রোগীদের দিকে অপলক নেত্রে তাকিয়ে থেকো না।

তাহকীক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ হাসান সহীহ। (৩৫৪৩) আহমাদ ২০৭৬। সহীহাহ ১০৬৪। ছোঁয়াচে রোগ হাদিস এর মানঃ হাসান সহিহ

হাদিসঃ ইবনে মাজাহ -৩৫৪৪ঃ শারীদ বিন সুওয়ায়দ (রাদিআল্লাহু আঃ), হতে বর্ণিতঃ

সাকীফ গোত্রের প্রতিনিধি দলে এক কুষ্ঠরোগী ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নিকট লোক পাঠিয়ে বলেনঃ তুমি ফিরে যাও, আমি তোমার বাইয়াত করেছি।

তাহকীক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ। ছোঁয়াচে রোগ হাদিস এর মানঃ সহিহ হাদিস

হাদিসঃ ইবনে মাজাহ -৩৫৬৩ঃ আবূ হুরায়রাহ (রাদিআল্লাহু আঃ), হতে বর্ণিতঃ

অদৃশ্য থেকে শ্রুত) উত্তম কথা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পছন্দনীয় ছিল কিন্তু তিনি (কিছুকে) কুলক্ষণ মনে করা অপছন্দ করিতেন।

তাহকীক নাসিরুদ্দিন আলবানীঃ সহীহ ছোঁয়াচে রোগ হাদিস এর মানঃ সহিহ হাদিস

হাদিসঃ সুনানে নাসাই- ৪২৫৭ঃ ইবনি আব্বাস [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, উমার [রাঃআঃ]-এর নিকট সংবাদ পৌঁছলো যে, সামুরা [রাঃআঃ] মদ বিক্রি করেন। তিনি বললেনঃ সামুরার জন্য সর্বনাশ! সে কি জানে না যে, রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ] বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা ইয়াহূদীদেরকে ধ্বংস করুন; যখন তাহাদের উপর চর্বি হারাম করা হলো, তখন তারা তা গলিয়ে নিল।

ইমাম নাসাই এই হাদিস টি যে পরিছেদে উল্লেখ করেন তা হল, হারাম বস্তু দ্বারা উপকৃত হওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

৪২৫৮ঃ মায়মূনা [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

একটি ইঁদুর ঘি-এর মধ্যে পড়ে মারা যায়। এ ব্যাপারে রসূলুল্লাহ্ [সাঃআঃ]-কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেনঃ ইঁদুরটি বের করে এর চারপাশের ঘি-ও ফেলে দাও, এরপর তা খাও।

ইমাম নাসাই এই হাদিস টি যে পরিছেদে উল্লেখ করেন তা হল, ঘি-এর মধ্যে ইঁদুর পড়লে হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

৪২৫৯ঃ মায়মূনা [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

নাবী [সাঃআঃ]-এর নিকট ঐ ইঁদুরের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলো যা জমাট ঘিয়ের মধ্যে পড়েছে। তখন তিনি বললেনঃ ইঁদুরটা তা থেকে বের করে ফেল এবং এর চারপাশের ঘি-ও ফেলে দাও।

ইমাম নাসাই এই হাদিস টি যে পরিছেদে উল্লেখ করেন তা হল, ঘি-এর মধ্যে ইঁদুর পড়লে হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

৪২৬০ঃ মায়মূনা [রাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

নাবী [সাঃআঃ]-কে ঘি-তে যে ইঁদুর পড়ে সে সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেনঃ যদি ঘি জমাট হয়, তবে ঐ ইঁদুর এবং এর চতুর্দিকের ঘি ফেলে দাও। আর যদি ঘি তরল হয়, তবে এর কাছেও যাবে না।

ইমাম নাসাই এই হাদিস টি যে পরিছেদে উল্লেখ করেন তা হল, ঘি-এর মধ্যে ইঁদুর পড়লে হাদিসের তাহকিকঃ শায

৪২৬২ঃ আবু সাইদ খুদরী [রাঃআঃ] সূত্রে নাবী [সাঃআঃ] হইতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেনঃ তোমাদের কারো পাত্রে মাছি পড়লে সে যেন তাকে ডুবিয়ে দেয়।

ইমাম নাসাই এই হাদিস টি যে পরিছেদে উল্লেখ করেন তা হল, পাত্রে মাছি পড়লে হাদিসের তাহকিকঃ সহীহ হাদীস

সারাংস ঃ প্লেগ কুষ্ঠ ধবল মহামারি জিবানু ভাইরাস কি ছোঁয়াচে রোগ ?

By রিয়াদুস সালেহিন

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই এই পোস্ট টি উপরের Facebook বাটনে এ ক্লিক করে শেয়ার করুন অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন

Leave a Reply