ছবি ও মূর্তি বিষয়ক উপদেশ মুলক হাদিস

ছবি ও মূর্তি বিষয়ক উপদেশ মুলক হাদিস

ছবি ও মূর্তি বিষয়ক উপদেশ মুলক হাদিস , এই অধ্যায়ে মোট (১১২-১২৭) ১৬টি হাদীস >> উপদেশ হাদিস এর মুল সুচিপত্র দেখুন

অধ্যায়-৯ঃ ছবি ও মূর্তি

পরিচ্ছেদঃ ছবি ও মূর্তি

১১২.. আবু ত্বালহা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

রাসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, যে ঘরে কুকুর ও ছবি থাকে সে ঘরে [রহমত ও বরকতের] ফেরেশতা প্রবেশ করে না

[বুখারী ২/৮৮০ পৃঃ; মেশকাত হাদিস/৪৪৮৯; বাংলা মেশকাত ৮ম খণ্ড, হাদিস/৪২৯৮ পোষাক অধ্যায়]। ছবি ও মূর্তি -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১১৩. আব্দুল্লাহ ইবনি মাসুদ [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

আমি রাসূল [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি আল্লাহর নিকট ছবি মূর্তি অংকনকারীর সবচেয়ে কঠিন শাস্তি হইবে

[বুখারী ৮৮০ পৃঃ, মেশকাত হাদিস/৪৪৯৭]। ছবি ও মূর্তি -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১১৪. আব্দুল্লাহ ইবনি ওমর [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

রাসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, নিশ্চয়ই যারা এসব ছবি-মূর্তি তৈরি করে, ক্বিয়ামতের দিন তাদের কঠিন শাস্তি দেয়া হইবে। তাদের বলা হইবে তোমরা যেসব ছবি-মূর্তি তৈরি করেছ তাতে আত্মা দান কর

[বুখারী হাদিস/৫৯৫১]। ছবি ও মূর্তি -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১১৫. ইবনি আব্বাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

আমি রাসূল [সাঃআঃ]-কে বলিতে শুনিয়াছি, যে ব্যক্তি মাত্র একটি ছবি-মূর্তিও তৈরি করিবে তাকে শাস্তি দেয়া হইবে এবং তাতে আত্মা দান করিতে বাধ্য করা হইবে। কিন্তু তার পক্ষে কখনোই তা সম্ভব হইবে না

[বুখারী, মেশকাত হাদিস/৪৪৯৯, পোষাক অধ্যায় ]। ছবি ও মূর্তি -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১১৬. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

রাসূল [সাঃআঃ] ছবিপূর্ণ কোন কিছু তাহাঁর বাড়ীতে দেখলে তা ছিড়ে বা ভেঙ্গে ফেলতেন

[বুখারী হাদিস/৫৯৫২]। ছবি ও মূর্তি -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১১৭, আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

একদা রাসূল [সাঃআঃ] সফর হইতে আসলেন, এমতাবস্থায় আমি একটি ছবিপূর্ণ পর্দা তাকের উপর দিয়ে রেখেছিলাম। রাসূল [সাঃআঃ] তা দেখে ছিড়ে টুকরা করে দিলেন এবং বলিলেন, যারা ছবি-মূর্তি অংকন করে ক্বিয়ামতের দিন তাদের কঠিন শাস্তি হইবে

[বুখারী হাদিস/৫৯৫৪]। ছবি ও মূর্তি -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১১৮. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

একদা রাসূল [সাঃআঃ] এক সফর থেকে আসলেন, এমতাবস্থায় আমি একটি ছবিপূর্ণ পর্দা ঝুলিয়ে রেখেছি। রাসূল [সাঃআঃ] সেটা সরিয়ে ফেলতে বলিলেন, আমি তা সরিয়ে দিলাম

[বুখারী হাদিস/৫৯৫৫]।n ছবি ও মূর্তি -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১১৯. আনাস [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

আয়েশা [রাদি.]-এর একটি চাদর ছিল যা দ্বারা তিনি তাহাঁর ঘরের এক পার্শ্ব পর্দা করে রেখেছিলেন। রাসূল [সাঃআঃ] তাঁকে বলিলেন, আমার নিকট থেকে চাদর সরাও তার ছবিগুলি সর্বদা আমার সামনে আসছে

[বুখারী হাদিস/৩৭৪, ৫৯৫৯]। ছবি ও মূর্তি -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১২০. বর্ণনাকারী হইতে বর্ণিতঃ

আয়েশা [রাদি.] একটি ছোট বালিশ ক্রয় করেছিলেন, তাতে ছবি আঁকা ছিল। রাসূল [সাঃআঃ] ঘরে প্রবেশের সময় তা দেখিতে পেলেন। তিনি ঘরে প্রবেশ না করে দরজায় দাঁড়িয়ে গেলেন। আয়েশা [রাদি.] তাহাঁর মুখ দেখে বুঝতে পেরে বলিলেন, হে আল্লাহর রাসূল [সাঃআঃ]! আমি আল্লাহ এবং তাহাঁর রাসূল [সাঃআঃ]-এর নিকট তওবা করছি। আমি কি পাপ করেছি? [আপনি ঘরে প্রবেশ করছেন না কেন?] । রাসূল [সাঃআঃ] বলিলেন, এই ছোট বালিশটি কোথায় পেলে? তিনি বলিলেন, আমি এটা এজন্য ক্রয় করেছি যে, যাতে আপনি হেলান দিয়ে বিশ্রাম করিতে পারেন। রাসূল [সাঃআঃ] বলিলেন, নিশ্চয়ই যারা এই সমস্ত ছবি তোলে বা অংকন করে, ক্বিয়ামতের দিন তাদেরকে শাস্তি দেয়া হইবে এবং বলা হইবে, তোমরা যাদের তৈরি করেছ তাদের জীবিত কর। তিনি বলিলেন, যে ঘরে ছবি থাকে সে ঘরে [রহমত ও বরকতের] ফেরেশতা প্রবেশ করে না [বুখারী হাদিস/৫৯৬১]। অত্র হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয়, যে ঘরে ছবি থাকিবে সে ঘরে প্রবেশ করা যাবে না।

আল্লাহ তাআলা নূহ [আঃ]-কে ছবি-মূর্তি ধ্বংস করার আদেশ দিয়েছিলেন [নূহ ২৩]। ইবরাহীম [আঃ] ছবি-মূর্তি ভেঙ্গে খান খান করেছিলেন [আম্বিয়া ৫৮]। রাসূল [সাঃআঃ] ছবি-মূর্তি ভেঙ্গে টুকরা টুকরা করে দেয়ার জন্য কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন [মুসলিম, মিশকত হাদিস/১৬৯৬; বাংলা মেশকাত ৪র্থ খণ্ড, হাদিস/১৬০৫ জানাযা অধ্যায়]। ছবি ও মূর্তি -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১২১. আয়েশা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

রাসূল [সাঃআঃ] আমার কাছে আসলেন, এমতাবস্থায় আমি আমার অঙ্গিনার সম্মুখভাগে একটি পাতলা কাপড় দ্বারা পর্দা করেছিলাম, যাতে অনেক ছবি ছিল। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, এতে পাখা বিশিষ্ট ঘোড়ার ছবি ছিল। রাসূল [সাঃআঃ] যখন এটা দেখলেন, তখন সেটা ছিড়ে ফেললেন এবং তার চেহারা পরিবর্তন হয়ে গেল। তখন তিনি বলিলেন, আয়েশা! ক্বিয়ামতের দিন সবচেয়ে কঠিন শাস্তি দেয়া হইবে ঐ লোকদের যারা আল্লাহর সৃষ্টির সাদৃশ্য তৈরি করে। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, নিশ্চয়ই ছবির মালিকদেরকে শাস্তি দেয়া হইবে এবং তাদেরকে বলা হইবে তোমরা যা সৃষ্টি করেছ তা জীবিত কর। যে বাড়িতে ছবি টাঙ্গানো থাকে সে বাড়িতে ফেরেশতা প্রবেশ করে না। আয়েশা [রাদি.] বলেন, আমি ঐ ছবিওয়ালা কাপড়টিকে কেটে একটি বা দুটি বালিশ তৈরি করলাম। আমি তার একটির উপর রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ]-কে হেলান দিয়ে থাকতে দেখেছি

[বুখারী, মুসলিম, মেশকাত হাদিস/৪৪৮৯, ৪৪৯২, ৪৪৯৩]। ছবি ও মূর্তি -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১২২. আবু হুরাইরা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

রাসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, জিবরীল [আঃ] আমার কাছে এসে বলিলেন, আমি গত রাতে আপনার কাছে এসেছিলাম, কিন্তু আমি ঘরে প্রবেশ করিনি। কারণ গৃহদ্বারে অনেকগুলি ছবি ছিল এবং ঘরের দরজায় এক খানা পর্দা টাঙ্গানো ছিল যাতে অনেকগুলি প্রাণীর ছবি ছিল। আর ঘরের অভ্যন্তরে ছিল একটি কুকুর। বস্তুত যে ঘরে এ সমস্ত জিনিস থাকে, আমরা সে ঘরে প্রবেশ করি না। সুতরাং ঐ সমস্ত ছবিগুলির মাথা কেটে ফেলার আদেশ দিন, যা ঘরের দরজায় রয়েছে। তা কাটা হলে গাছের আকৃতি হয়ে যাবে এবং পর্দাটি সম্পর্কে আদেশ দিন তাকে কেটে দুটি গদি তৈরি করা হইবে, যা বিছানা এবং পায়ের নিচে থাকিবে। আর কুকুরটি সম্পর্কে আদেশ দিন যেন তাকে ঘর থেকে বের করা হয়। সুতরাং রাসূল [সাঃআঃ] তাই করিলেন [তিরমিজি হাদিস/২৮০৬, মেশকাত হাদিস/৪৫০২, সনদ ছহীহ]।

অত্র হাদিস সমূহ দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, ছবি টাঙ্গানো যাবে না। কারণ এতে রহমতের ফেরেশতা আসে না। উল্লেখ্য যে, সব ধরনের ছবি হারাম। শরীর বিশিষ্ট হোক বা শরীর ছাড়া হোক, ছায়া বিশিষ্ট হোক বা ছায়া ছাড়া হোক, সব প্রকার ছবি নিষিদ্ধ। কেননা রাসূল [সাঃআঃ] বলেছেন, যে ঘরে ছবি থাকে সে ঘরে ফেরেশতা প্রবেশ করে না। এতে তিনি সব ছবিকে অন্তর্ভুক্ত করিয়াছেন। নির্দিষ্টভাবে কোন প্রকার উল্লেখ করেননি। সেজন্য তিনি পর্দা ছিড়ে ফেলেছেন এবং ছবি সরানোর জন্য আদেশ দিয়েছেন। এটা সুস্পষ্ট দলীল যে, ছবির আসল আকৃতি পরিবর্তন করে দিলে তা ব্যবহার করা বৈধ হয়ে যায়। কারণ ছবির চিহ্ন পরিবর্তনের ফলে অন্য আকৃতি তৈরি হয়। তবে যে ছবিতে প্রকৃত উপকারিতা আছে আমরা সে ছবি তৈরি করা জায়েয মনে করি। আর এ উপকারিতাসমূহ প্রতাখ্যান করা সহজ নয়, যার পদ্ধতি মূলত বৈধ। যেমন চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় এবং ভূগোলবিদদের ও শিকার সংগ্রহকারীদের প্রয়োজন হয়। এমনকি কোন কোন সময় তা ওয়াজিব হয়ে যায়।

ছবি ও মূর্তি -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১২৩. মায়মুনা [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

আব্দুল্লাহ ইবনি আব্বাস [রাদি.] মায়মুনা [রাদি.] হইতে বর্ণনা করেন, একদিন রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] চিন্তিত অবস্থায় ভোর করিলেন এবং বলিলেন, জিব্রীল [আঃ] এই রাতে আমার সাথে সাক্ষাৎ করবেন বলে ওয়াদা করেছিলেন। কিন্তু সাক্ষাৎ করেননি। আল্লাহর কসম! তিনি তো কখনো আমার সাথে কথা দিয়ে খেলাফ করেন না। অতঃপর তাহাঁর মনে পড়ল ঐকুকুর ছানাটির কথা, যা তাহাঁর খাটের নিচে ছিল, তা বের করার নিদের্শ দিলেন। এরপর তাকে বের করে দেওয়া হল। অতঃপর কুকুরটি যে জায়গায় বসা ছিল তিনি সেই জায়গায় কিছু পানি নিজ হাতে নিয়ে ছিটিয়ে দিলেন পরে যখন বিকাল হল জিব্রীল [আঃ] তাহাঁর সাথে সাক্ষাৎ করিলেন। তখন নবী [সাঃআঃ] বলিলেন, গত রাতে আপনি আমার সাথে সাক্ষাৎ করার ওয়াদা করেছিলেন। তিনি বলিলেন হ্যাঁ, সাক্ষাতের ওয়াদা করেছিলাম কিন্তু আমরা এমন ঘরে প্রবেশ করি না, যে ঘরে কুকুর বা ছবি থাকে। পরের দিন সকালে রসূলুল্লাহ [সাঃআঃ] সমস্ত কুকুর মেরে ফেলার জন্য নির্দেশ দিলেন। এমনকি ছোট ছোট বাগানের হেফাযতে রক্ষিত কুকুরগুলিকে ছেড়ে দেন। অর্থাৎ এগুলিকে মারতে বলেননি

[মুসলিম হাদিস/২১০৫; মেশকাত হাদিস/৪৪৯০]। ছবি ও মূর্তি -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১২৪. সালিম ইবনি আব্দুল্লাহ হইতে বর্ণিতঃ

আমি আমার পিতা বেঁচে থাকা অবস্থায় বিবাহ করলাম। আমার পিতা লোকজনকে দাওয়াত দিলেন। দাওয়াত প্রাপ্তদের একজন আমার ঘরটি সবুজ রংয়ের বিভিন্ন কাপড়, বিছানা ও বালিশ দ্বারা সাজিয়েছিলেন। আবু আইয়ুব এসে ঘরে ঢুকলেন এবং তিনি আমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখলেন। তিনি অনুসন্ধান করে দেখলেন, সবুজ কাপড় দ্বারা বাড়ি-ঘর পর্দা করা হয়েছে। তিনি বলিলেন, হে আব্দুল্লাহ! তোমরা কি দেওয়ালে পর্দা লাগাও? আমার পিতা লজ্জিত হয়ে বলিলেন, হে আবু আইয়ুব! মহিলারা এ কাজে আমাদের উপর প্রাধান্য লাভ করেছে। তখন আবু আইয়ুব বলিলেন, যাদের উপর মহিলারা প্রাধান্য বিস্তার করিবে বলে মনে করতাম, আপনাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত মনে করতাম না। এরপর তিনি বলিলেন, আমি তোমাদের খাদ্য খাব না। তোমাদের ঘরেও প্রবেশ করব না। অতঃপর তিনি বের হয়ে গেলেন

[ত্বাবারাণী, আদাবুয যিফাফ ২০১ পৃঃ]। ছবি ও মূর্তি -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১২৫. বর্ণনাকারী হইতে বর্ণিতঃ

ওমর [রাদি.] যখন সিরিয়াতে আসলেন, তাহাঁর জন্য এক খ্রিস্টান লোক খাদ্য তৈরি করিল। সে ওমর [রাদি.]-কে বলল, আমি পসন্দ করি আপনি আমার বাড়িতে আসবেন এবং আপনি ও আপনার সাথীরা আমাকে সম্মানিত করবেন। এ লোক ছিল সিরিয়ার সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের একজন। ওমর [রাদি.] তাকে বলিলেন, আমরা তোমাদের গীর্জায় ছবি থাকার কারণে প্রবেশ করি না

[বায়হাকী, আদাবুয যিফাফ ১৬৪ পৃঃ]। ছবি ও মূর্তি -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১২৬. আবু মাসউদ উকবাহ ইবনি আমর [রাদি.] হইতে বর্ণিতঃ

এক লোক তাহাঁর জন্য খাদ্য তৈরি করিল। এরপর তাঁকে দাওয়াত দিল। অতঃপর তিনি বলিলেন, ঘরে কি ছবি আছে? সে বলল, হ্যাঁ। তিনি ঘরে প্রবেশ করিতে অস্বীকার করিলেন, শেষ পর্যন্ত ছবি ভেঙ্গে ফেলা হল। অতঃপর তিনি ঘরে প্রবেশ করিলে

ন [বায়হাকী, আদাবুয যিফাফ ১৬৫ পৃঃ]। ছবি ও মূর্তি -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

১২৭. ঈমাম আওযাঈ [রহঃ] হইতে বর্ণিতঃ

আমরা ঐ ওয়ালীমাতে যাই না, যাতে তবালা ও বাদ্যযন্ত্র থাকে

[আদাবুয যিফাফ, ১৬৫ পৃঃ]। ছবি ও মূর্তি -এই হাদিসের তাহক্কিকঃ সহীহ হাদীস

Leave a Reply