ইহরাম অবস্থায় চোখের চিকিৎসা করানো জায়িয

ইহরাম অবস্থায় চোখের চিকিৎসা করানো জায়িয

ইহরাম অবস্থায় চোখের চিকিৎসা করানো জায়িয >> সহীহ মুসলিম শরীফ এর মুল সুচিপত্র দেখুন >> নিম্নে মুসলিম শরীফ এর একটি অধ্যায়ের হাদিস পড়ুন

১২. অধ্যায়ঃ ইহরাম অবস্থায় চোখের চিকিৎসা করানো জায়িয

২৭৭৭

নুবায়হ ইবনি ওয়াহ্ব [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

তিনি বলেন, আমার [ইহরাম অবস্থায়] আবান ইবনি উসমান [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর সাথে রওনা হলাম। আমরা মালাল নামক স্থানে পৌঁছলে উমর ইবনি উবায়দুল্লাহর চোখে পীড়া দেখা দিল। রাওহা নামক স্থানে পৌঁছে তার চোখের ব্যথা আরও তীব্রতর হল। তিনি [নুবায়হ] আবান ইবনি উসমান [রহমাতুল্লাহি আলাইহি]-এর কাছে [কী করিতে হইবে তা] জিজ্ঞেস করার জন্য একজনকে পাঠালেন, তিনি বলে পাঠালেন, চোখে মুসব্বারের প্রলেপ দাও, কারণ উসমান [রাদি.] রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] থেকে বর্ণনা করিয়াছেন যে, ইহরাম অবস্থায় এক ব্যক্তির চক্ষুরোগ দেখা দিলে রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] তার চোখে মুসব্বারের প্রলেপ দেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২৭৫৪, ইসলামিক সেন্টার- ২৭৫২]

২৭৭৮

নুবায়হ ইবনি ওয়াহাব্ [রহমাতুল্লাহি আলাইহি] হইতে বর্ণীতঃ

উবায়দুল্লাহ ইবনি মামার-এর পুত্র উমারের চোখ ফুলে উঠলে তিনি সুরমা লাগানোর ইচ্ছা করিলেন। কিন্তু আবান ইবনি উসমান [রাদি.] তাকে চোখে সুরমা লাগাতে নিষেধ করিলেন এবং মুসব্বারের প্রলেপ দেয়ার নির্দেশ দিলেন। তিনি উসমান ইবনি আফ্ফান [রাদি.]-এর সূত্রে নবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] থেকে এও বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] এরূপ করিয়াছেন। [ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ২৭৫৫, ইসলামিক সেন্টার- ২৭৫৩]

By বুলূগুল মারাম

এখানে কুরআন শরীফ, তাফসীর, প্রায় ৫০,০০০ হাদীস, প্রাচীন ফিকাহ কিতাব ও এর সুচিপত্র প্রচার করা হয়েছে। প্রশ্ন/পরামর্শ/ ভুল সংশোধন/বই ক্রয় করতে চাইলে আপনার পছন্দের লেখার নিচে মন্তব্য (Comments) করুন। তবে আমরা রাজনৈতিক পরিপন্থী কোন মন্তব্য/ লেখা প্রকাশ করি না। “আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়” -বুখারি ৩৪৬১। তাই লেখাগুলো ফেসবুক এ শেয়ার করুন, আমল করুন

Leave a Reply